অসত্য ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আখতারুজ্জামান ওরফে উকল।সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, গত ২৯ মার্চ কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন সংক্রান্ত যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
তিনি জানান, ১৯৮৭ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কর্তৃক তাকে ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ প্রদান করা হয় পেট্রোল পাম্প স্থাপনের উদ্দেশ্যে। ৯৭৮/৯১ নং দলিলের ভিত্তিতে তিনি “চন্দ্রা ফিলিং স্টেশন” প্রতিষ্ঠা করেন, যা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়ায় তার ফিলিং স্টেশনটি অপসারণ করতে হয়। এ অবস্থায় তিনি পুনরায় ফিলিং স্টেশন স্থাপনের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ডাইনকিনি মৌজায় একই দাগে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, উক্ত জমিতে তিনি প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট করেন, যা স্থানীয়দের জানা আছে। কিন্তু পরবর্তীতে ফিলিং স্টেশনের কাজ শুরু করতে গেলে কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের কয়েকজন শিক্ষক—অধ্যাপক সেলিম জাহান, পলাশ এবং শাজাহান মিয়া বাধা প্রদান করেন এবং তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করেন।
এ ঘটনার পর তিনি আইনের আশ্রয় নিলে, অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকমণ্ডলী শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও মিছিলের আয়োজন করে, যেখানে অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়। এতে তার সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আখতারুজ্জামান উকল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং তার ওপর হওয়া শারীরিক ও ম