গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় স্বল্প আয়ের চাকরি থেকে অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে আলোচনায় রয়েছেন মোঃ সায়েদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ লাভলু হোসেন। বিষয়টি ঘিরে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও জনমনে প্রশ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন লাভলু হোসেন। শুরুতে তার মাসিক বেতন ছিল প্রায় ১২ হাজার টাকা, যা পরবর্তীতে ১৮ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। তবে একই সময়ে তার সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিস্ময় প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।
সুদের কারবারের অভিযোগ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আর্থিক সংকটে থাকা সাধারণ মানুষকে উচ্চ হারে সুদে অর্থ ধার দিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন করতেন তিনি। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং একপর্যায়ে জমি বা সম্পত্তি লিখে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
জমি ও সম্পদের হিসাব
ভূমি রেকর্ড সূত্রে জানা গেছে—
চন্দ্রা মৌজার আরএস ১২২১ নম্বর দাগে তার নামে দুইটি দলিলে মোট ৪৪.৭৫ শতাংশ জমি রয়েছে (দলিল নং ১১৩৫০, রেজিস্ট্রেশন: ০৩/০৯/২০২৩ এবং দলিল নং ৩১৮২, রেজিস্ট্রেশন: ১২/০৫/২০২৫)।
একই দাগে তার স্ত্রীর নামে ৯.৫০ শতাংশ জমি রয়েছে (দলিল নং ৬৭৩৮, রেজিস্ট্রেশন: ০৩/০৮/২০২৫)।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, এসব জমির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১২ কোটি টাকা।
এছাড়াও—
উলুসারা মৌজায় ৫ শতাংশ
চান্দরা মৌজায় ৪.৬২ শতাংশ জমি
তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।
আয়কর রিটার্নে অসঙ্গতির অভিযোগ
২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তার হাতে নগদ অর্থ দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা