
শুরু থেকেই রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দাপটে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। শেষ পর্যন্ত ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিপিএলের শিরোপা নিশ্চিত করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ব্যাট হাতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ঝড়ো ব্যাটিং ও সাহিবজাদা ফারহানের ধৈর্যশীল ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন।
দ্বিতীয় উইকেটে কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। তবে শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৪ রান করেন উইলিয়ামসন।
একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটির পর তুলে নেন সেঞ্চুরিও। ৬২ বলে খেলা তার ১০০ রানের অনবদ্য ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয়টি চার ও সাতটি ছয়ে। চলতি বিপিএলে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। বিপিএল ফাইনালে তানজিদ তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন—এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।
শেষ দিকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১১ রান, আর জিমি নিশাম অপরাজিত থাকেন ৭ রানে। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজশাহী তোলে ৬ উইকেটে ১৭৪ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম—দুজনই নেন দুটি করে উইকেট।
১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলীয় ১৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার সাজঘরে ফেরেন। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ১০ বলে ৯ রান করেন, আর মাহমুদুল হাসান জয় শূন্য রানে আউট হন। হাসান নেওয়াজ করেন ৭ বলে ১১ রান।
চতুর্থ উ।
© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।