ভারতের নয়া দিল্লিতে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে দেশটি। তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তারা হস্তক্ষেপ করবে না বলেও আশ্বস্ত করেছে। খবর আল জাজিরার
এক বিবৃতিতে কমিশনের মুখপাত্র বলেন, ‘উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং ক্রমবর্ধমান, যা গভীর ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ দাবি করছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘যেকোনো দেশের গণআন্দোলনের পরের পর্যায়ে প্রায়শই অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। বহুল জনপ্রিয় তরুণ নেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড সে বাস্তবতাকেই তুলে ধরে।’
বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশের চলমান ঘটনার প্রতি ‘সতর্ক’ থাকলেও এটি প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে না।
এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেছেন, ভারত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে। যার মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারের সময় গত ২০ ডিসেম্বর দুপুরে গুলিবিদ্ধ হন হাদি। গুলি মাথা ভেদ করে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিউতে নেওয়া হয়। তিনদিন পর সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারেননি।