শীতের মাস, শেষ না হলেও। এখনি বিদ্যুৎ যাওয়া - আশায় চরম দুর্ভোগে পৌছিয়ে গেছে। মানিকগঞ্জ জেলার সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার প্রায় ১৫ টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা।সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে দিনের বেলায় ৪ থেকে ৫ বার আর রাতে ২ বার। বিশেষ করে সন্ধ্যা আগ মূহুর্তে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন হচ্ছে গত দুই সপ্তাহ ধরে। বর্তমানে নির্বাচনের কারণে রাতের দিক বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও সারাদিন যাওয়া - আশায় চলছে বিদ্যুৎ।
সাধারণ জনগন বলে, বিদ্যুৎ সমস্যা কারণে বাড়ির মানুষ ঠিক কাজ করতে পারে না। ছেলেমেয়েদের লেখা পড়া ঠিক মত হচ্ছে না। বিদ্যুৎ যাওয়া আশার কারণে কখন টেলিভিশন, মোবাইল, চার্জ লাইট, ইত্যাদি মত পণ্য নষ্ট হতে শুরু করেছে। মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার মাঝে কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে যাদের পণ্য উৎপাদন করতে সমস্যা হচ্ছে।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের বিসিক শিল্প নগরীর এলাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান চলে বিদ্যুৎ দ্বারা। কিন্তুু সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ না পাওয়ার কারণে তাদের উৎপাদন বিঘ্ন ঘটে। বিদ্যুৎ যাওয়া আশার বিষয় নিয়ে বিসিক শিল্প নগরীর দ্বায়িত্ব পালন রত পরিচালকের সাথে কথা বলে, তিনি বলেন যে বিসিকের ভেতর প্রায় ২০ টি প্রতিষ্ঠান আছে যা বেশি চলে বিদ্যুৎ দিয়ে।তাই বিদ্যুৎ না পাওয়া গেলে উৎপাদন ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হয়।
সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ পেলে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো। আপনি দেখবেন শীতকালীন সময় সব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, কিন্তু গরম কালে অর্থেকে নামে।এর মূল কারণ বিদ্যুৎ। এছাড়াও ছাত্র ছাত্রীরা দের লেখা পড়া করার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক ভাবে করা উচিৎ। মানিকগঞ্জ জেলা পল্লী বিদুৎ সমবায় সমিতি পরিচালক, লোডশেডিং এর বিষয় কথা বলতে চাইলে, তিনি বলেন, শীতের চেয়ে গরমের সময় বিদ্যুৎ বেশি ব্যবহার হয়। যার ফলে আমাদের পাওয়ার গিডে সমস্যা হয় ফলে লোডশেডিং দেখা দেয়। আশা রাখি এমন সমস্যা খুব তারাতাড়ি ঠিক করে ফেলবো। বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় সম্পদ তাই এর সঠিক ব্যবহার করা দরকার।