শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আজ সকাল থেকে কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে। ভোর রাত থেকেই নদীবন্দর ও চরের এলাকাগুলোতে ঘন কুয়াশা নেমে আসায় সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে।

সকাল ৮টার দিকেও সূর্যের দেখা মিলেনি। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ভোগান্তি বেড়েছে। গ্রামের বাজার, ফেরিঘাট, স্কুল–কলেজমুখী মানুষজনকে গরম কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় চলাচল করতে দেখা গেছে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় সর্দি–কাশি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কৃষকরা জানান, সকাল থেকে কুয়াশার কারণে মাঠে স্বাভাবিক কাজ করা সম্ভব হয়নি। সবজির জমিতে শিশিরের চাপ বেড়ে গেছে বলে দাবি করছেন তারা।

বর্তমানে জাজিরায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে শীতল ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং সন্ধ্যার পর আরও ঠান্ডা বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
সার্বিকভাবে, দিনের বেলায় রোদ উঠলেও শীতের প্রকোপ কাটবে না—এমন পূর্বাভাসে শীতবস্ত্র ও আগুন পোহানোর দৃশ্য দিনজুড়ে দেখা যাচ্ছে