শরীয়তপুর ডামুড্যা চর ধান কাঠি ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ডে শার্শা গ্রামে ২৩শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সকাল ৯ঘটিকার সময় প্রবাসী আক্তারুজ্জামান পিতাঃ কেরামত বেপারী এর নতুন বাড়িতে মহিলাদের তালিম (জামায়াতের) অনুষ্ঠান হবার কথা ছিলো পূর্বের দিন স্থায়ী সবাই কে দাওয়াত ও দেয়া হয়।
শুক্রবার সকাল ৮টার সময় বিএনপির নেতা মনির মৃধার বড় ভাই কাদির মৃধা ও ভাতিজা অনুষ্ঠানে ব্যাঘাত ঘটায় মহিলাদের কে বাধা চেষ্টা করে । এক পর্যায়ে কাদির মৃধা প্রবাসী আক্তার হোসেন কে থাপ্পড় মেরে বসে বলে যে এখানে সব বিএনপি সাপোর্টার তুই কোন প্রোগ্রাম করতে পারবি না কথার কাটা কাটির ছলে এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়ে যায়, কাদির মৃধা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে প্রবাসী আক্তারুজ্জামান পরিবার কে।
দু পক্ষের সংঘর্ষে এক পর্যায়ে পন্ড হয়ে যায় সবকিছু।
স্থানীয়রা বলে অনির্মিতার বড় ভাই তাদের মিথ্যা ও তার ভাতিজা এলাকায় ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে মানুষকে হয়রানি করে। ধানকাঠি ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি নুর ইসলাম ফকির বলেন এখানে একটি ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার কারণে সংঘর্ষর সৃষ্টি হয়েছে, গতরাত আমাদের ক্লাবে ওরা দাওয়াত দিয়েছিলো আমরা আসি নাই ।
ভুক্তভোগী প্রবাসী আক্তার হোসেন বলেন আমি দীর্ঘদিন যাবত জার্মান বসবাস করি দেশে নিয়মিত থাকি না আমি এলাকায় কিছু ভালো কাজ করতে চাই বা আমি উদ্যোক্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ,অনেক উন্নয়ন মূল
ক কাজ করেছি যেগুলো এলাকাবাসী অবগত আছেন কিন্তু আজকে নুর ইসলাম, বাচ্চু ঢালী , কামাল মৃধা , কাদির মৃধা,সহ আরো অনেক আমার কাজে বাধা দিয়েছি এসব চক্র মহল আমার কাজগুলোকে তারা ভালো চোখে দেখে নাই, সহ্য করতে পারে নাই তাই তারা আমার এখানে এসে গ্যা
ঞ্জাম করেছেন আমার গায়ে হাত তুলেছে আমার ভাতিজাকে মারধর করছে, আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নেই,
আমাদের এখানে একটি সংগঠন রয়েছে যুব উন্নয়ন সংগঠন এই সংগঠন নিয়ে আমি কাজ করি, আমি ইসলামকে ভালোবাসি তাই দিনের কল্যাণের জন্য একটি মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ করতে চেয়েছিলাম ওরা আমাকে সেই কাজে বাধা দিয়েছে আমাকে শারীরিক ভাবে অত্যাচার করছে আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই প্রতিপক্ষ আমাকে ঘায়েল করার জন্য সব সময় দাঁড়িয়ে আছে কখন কি না জানি হয় ।আমি যেই কয়দিন এই দেশে আছি আমি নিরাপদে থাকতে চাই। আমার নিরাপত্তা চাই।