
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা থেকে প্রথম ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নসিরনগর), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল,আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) এই তিনটি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটার তালিকায় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরজনিত জটিলতায় প্রার্থীতা বাতিল হয়।
প্রার্থীতা বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরগর) আসনের নজরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর বিজয়নগর) আসনের আরিফুর রহমান, নূরে আলম সিদ্দিকী, উমর ইউসুফ খান ও কাজী জাহাঙ্গীর।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনে ১১ প্রার্থীর সবার প্রার্থীতা বৈধ বলে গণ্য করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে এই ৩টি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে কোনো জটিলতা না থাকায় তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৩টি আসনে বৈধ হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য প্রার্থী রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সদ্য বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
এছাড়া ৩ জানুয়ারী শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। একে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে ঘিরে প্রার্থীসহ তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা হয়। এ সময় প্রার্থীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন আসন্ন নির্বাচন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে।
জেলা প্রশাসক শারমীন জাহান আক্তার জানিয়েছেন, প্রার্থীতা বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারী থেকে ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে ঘিরে প্রার্থীসহ তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা হয়
© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।