1. info@www.tarangotv.com : তরঙ্গ টিভি :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

মানিকগঞ্জ শিবালয় মা ও মেয়ে হত্যা,,আসামির চাঞ্চল্যকর তথ্য।

মো নাহিদুর রহমান শামীম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি।
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পরকীয়ার বলি হলেন মা ও মেয়ে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সুজন (২৭) নামে এক যুবক।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে।
নিহতরা হলেন শিবালয়ের জাফরগঞ্জ ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল রাজ্জাক শেখের স্ত্রী স্মৃতি বেগম (৩০) এবং তাদের তিন বছরের শিশু কন্যা মরিয়ম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে বিদেশফেরত সুজনের সঙ্গে স্মৃতি বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সুজনের অন্যত্র বিয়ে ঠিক হলে, স্মৃতির সঙ্গে তার বিরোধ দেখা দেয়।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে সুজন স্মৃতিকে ফোনে ডেকে নিয়ে স্থানীয় একটি পেয়ারা বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সে স্মৃতিকে গলা টিপে হত্যা করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছোট মেয়ে মরিয়ম বিষয়টি দেখে ফেললে তাকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে।

পরে মরিয়মের গলায় দড়ি বেঁধে যমুনা নদীতে ফেলে দেয়, আর স্মৃতির মরদেহ বস্তায় ভরে নদীতে নিক্ষেপ করে সুজন।

পরদিন শুক্রবার সকালে যমুনা নদীর তীরে শিশু মরিয়মের লাশ ভেসে ওঠে, তবে এখনো স্মৃতির দেহ উদ্ধার করা যায়নি।

নিহত স্মৃতির স্বামী আব্দুল রাজ্জাক শেখ জানান, ঘটনার রাতে তিনি মাছ ধরতে নদীতে ছিলেন। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে মেয়ের মরদেহের খবর পান। স্ত্রী স্মৃতির কোনো সন্ধান পাননি এখনও। তিনি ঘাতক সুজনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।

শিবালয় থানার ওসি মো. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “২৪ অক্টোবর সকালে স্থানীয়রা যমুনা নদীতে শিশুর লাশ ভাসতে দেখে খবর দেয়। তদন্তে নামলে ভিক্টিমের মোবাইলের কল রেকর্ড ধরে মূলহোতা সুজনকে শনাক্ত করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়েছে, তবে স্মৃতির লাশ এখনও উদ্ধার সম্ভব হয়নি।”

পরকীয়ার আগুন পুরো সমাজের নৈতিক বন্ধনকে ধ্বংস করে দেয়। সাময়িক আবেগের মোহে পড়ে এমন ভয়াবহ অপরাধ সমাজে দিন দিন বাড়ছে- যা খুবই উদ্বেগজনক।

এ থেকে দূরে থাকতে হলে আত্মসংযম ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলাই একমাত্র পথ। পাপের পথে এক পা বাড়ানো মানেই নিজের জীবন, পরিবার ও মর্যাদাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া

আরো সংবাদ পড়ুন

© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি,  সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

   
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট