
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাস আর আনন্দ মিছিল নিয়ে বুধবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এ সময় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচন অফিসের বাহিরে শত শত কর্মী-সমর্থকগণ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
(মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর) সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত এ আসনটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আসন সমঝোতা অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ মার্কায় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি আগেই স্পষ্ট করেছেন। মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়টি আরও নিশ্চিৎ হয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে ও জেলা বিএনপির সদস্য আক্তার হোসেনও এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করার বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে এই আসনে কাজ করছি। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব। নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আস্থা ও ভালবাসার টানে এখানে আমাকে নির্বাচন করতে হবে। মহান আল্লাহ যদি সহায় হউন মানুষের ভালবাসার প্রতিদান হিসেবে গোপন ব্যালটে জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আমার বিজয় নিশ্চিৎ হবে।
উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৯ জন, আশুগঞ্জে উপজেলায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯ জন এবং বিজয়নগর উপজেলার দুই ইউনিয়নে ৫৭ হাজার ৭৪০ জন ভোটার রয়েছেন।আনন্দ মিছিল নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন পত্র উত্তোলণ করলেন সমর্থকরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাস আর আনন্দ মিছিল নিয়ে বুধবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এ সময় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচন অফিসের বাহিরে শত শত কর্মী-সমর্থকগণ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
(মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর) সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত এ আসনটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আসন সমঝোতা অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ মার্কায় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি আগেই স্পষ্ট করেছেন। মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়টি আরও নিশ্চিৎ হয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে ও জেলা বিএনপির সদস্য আক্তার হোসেনও এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করার বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে এই আসনে কাজ করছি। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব। নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আস্থা ও ভালবাসার টানে এখানে আমাকে নির্বাচন করতে হবে। মহান আল্লাহ যদি সহায় হউন মানুষের ভালবাসার প্রতিদান হিসেবে গোপন ব্যালটে জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আমার বিজয় নিশ্চিৎ হবে।
উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৯ জন, আশুগঞ্জে উপজেলায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯ জন এবং বিজয়নগর উপজেলার দুই ইউনিয়নে ৫৭ হাজার ৭৪০ জন ভোটার রয়েছেন।
© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।