
শরীয়তপুরের ব্যবসায়ী খোকন দাস হত্যার ঘটনায় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রোববার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহজাহানের নেতৃত্বে শনিবার রাত ১টায় কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর এলাকা তাদের গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য ৩ আসামি হলেন- কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান (২৭), সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যা (২১) এবং শহীদ সরদারের ছেলে পলাশ সরদার (২৫)।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান জানিয়েছেন, মারা যাওয়ার আগে খোকন দাস এই তিন জনের নাম বলে গেছেন।
তিনি বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতরা স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত। তারা নানা ধরনের মাদক সেবন করে বলেও জানা যায়।”
ডামুড্যার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই বাজারের কাছে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে পিয়ে ও শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়া হয় বলে জানান শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) তানভীর হোসেন তিনি বলেন বলেন ভিকটিম খোকন চন্দ্র দাস মারা যাবার আগে আসামিদের নাম বলে দিয়েছেন ।
খোকন চন্দ্র দাস (৪৫) তিলই এলাকার পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে। স্থানীয় বাজারে তিনি ওষুধ ও বিকাশের এজেন্টের ব্যবসা করতেন।
মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার ক্ষতস্থানে অস্ত্রোপচার করা হয়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসক। এরপর শনিবার সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খোকন চন্দ্র দাস মারা যান।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে খোকন দাসের বাবা বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন মৃত খোকন চন্দ্র দাসের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন
© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।