
মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রথমে যৌন ভিডিও ধারণ, পরবর্তীতে সেই যৌন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক তৈরি,
এবং ব্ল্যাকমেইল ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে উঠতি বয়সের এক যুবকের উপর। গত শনিবার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে গণপিটুনির শিকার হন এই যুবক। জানা যায়, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার আটাবহ ইউপির ১নং ওয়ার্ডের ভাতারিয়া গ্রামের মোহাম্মদ মাসুদ রানার স্ত্রী মোছাম্মদ বৃষ্টি আক্তারের সাথে রাখালিয়া চালা গ্রামের ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ আহাদুল ইসলামের সাথে
ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আহাদুল ইসলাম রাখালিয়াচালার বউবাজার এলাকার বাসিন্দা। আহাদুল প্রথমে বৃষ্টি আক্তারের সাথে ফেসবুকে সম্পর্ক তৈরি করে। পরবর্তীতে তার সাথে কোনাবাড়ী একটি আবাসিক হোটেলে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে। গোপন ভিডিওকে পুঁজি করে আহাদুল বৃষ্টি আক্তারের কাছ থেকে আনুমানিক পৌনে দুই লক্ষ টাকা এবং আড়াই ভরি স্বর্ণা লঙ্কার হাতিয়ে নেয়। বৃষ্টি আক্তার লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি।
গত শনিবার চন্দ্রার কালামপুর রোডের মাথায় আসলে বৃষ্টি আক্তার আহাদুল এর সাথে দেখা করতে যায়। এ সময় তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে বৃষ্টি আক্তারের ছেলেকে হোন্ডায় উঠিয়ে নিতে চাইলে বৃষ্টি আক্তার ডাক চিৎকার করে। বৃষ্টি আক্তারের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আহাদুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। লোকজন আহাদুলকে গনপিটুনি দেয়।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে বৃষ্টি আক্তারের স্বামী মাসুদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহাদুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আহাদুল সুস্থ হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে তার মোবাইল এবং হোন্ডা উদ্ধার হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর মাসুদ খান এ বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে থানায় বসে মীমাংসার আশ্বাস দেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি করেছে। আহাদুলের স্ত্রী সিনহা মনি জবানবন্দী দেয় যে, আহাদুল এরকম চার-পাঁচটি মেয়ের সাথে ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা করে। তার দাবি আহাদুলের উপযুক্ত সাজা হোক। যাতে আর কোন নারীর জীবন নষ্ট না হয়
© ২০২০-২০২৫ তরঙ্গ টিভি, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।