
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘোড়াবান্দ গ্রামের কাদেরের ছেলে রেজাউল ও আজগর সাহার ছেলে আজাদের নেতৃত্বে দেড় হতে দুইশো ভাড়াটিয়া গুন্ডা দেশীয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সনকা আদিবাসী ধর্মান্তরিত খৃষ্টান পাড়ার শ্বশ্মান কালী মন্দির ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়ে কালি মুর্তিটি ব্যপক ভাঙচুর করে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে দেয়।

আদিবাসীদর মহৎ অন্তর জানান ঐ মৌজার আদিবাসীদের কবরস্থানের ১৫০ দাগের ৯৩ শতক জমির গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টাকালে আদিবাসীরা প্রবল বাধা দেয়, সন্ত্রাসী বাহিনী পিছু হঠতে বাধ্য হয়।
এ সময় গনেশ সরেনের ছেলে বিশ্বনাথ অরফে ভোন্দা (৩০) নামে এক যুবক বুকে এবং সাবানা মুরমু (২৫) পিঠে তীরবিদ্ধ হয়।
গাছ কাটার পূর্বে তারা আতঙ্ক ও ত্রাস সৃষ্টির লক্ষ্যে আদিবাসী পল্লীর মঙ্গল ওরফে যাকব মুরমুর ছেলে পিউস মুরমু (৪৫)’র বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে, তার উপর হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত এবং মহিলাদের লাঞ্ছিত করে, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

আহতদের মুমূর্ষ অবস্থায় বীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
সংবাদ পেয়ে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম, এসআই জাহাঙ্গীর বাদশা রনি, এসআই দীনেস রায় ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত রেজাউল ও আজাদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদেরকে পাওয়া যায় নি। তবে তাদের বাড়ির লোকজন জানায় বিবাদমান জমি নিয়ে সংঘর্ষে আদিবাসীদের হামলায় তারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বীরগঞ্জ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বাস্তব চিত্র দেখে সন্ত্রাসীদের তান্ডবের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার নির্দেশনা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করেন।
এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।


Leave a Reply