Author: তরঙ্গ টিভি

  • ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় ফুটপাত দখলে হকারদের দৌরাত্ম্য

    ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় ফুটপাত দখলে হকারদের দৌরাত্ম্য

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় ফুটপাত দখল করে নিয়েছে হকাররা। ফলে পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় ফুটপাত ও মহাসড়কের পাশে হকারদের দোকানপাট বসে। এতে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে গেছে। পথচারীরা বাধ্য হয়ে মূল সড়কে হেঁটে চলাচল করছেন, যা বিপজ্জনক।

     

    ব্যবসায়ীরা জানান, দোকান ভাড়া বেশি হওয়ায় অনেকেই ফুটপাতে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান না থাকায় হকারদের দখলদারিত্ব দিন দিন বাড়ছে।

    “ফুটপাত দিয়ে হাঁটা যায় না, সব জায়গা দোকানে ভরে গেছে। আমাদের রাস্তা দিয়ে হাঁটতেই ভয় লাগে,” — বলেন স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়া।

     

    স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ফুটপাত উদ্ধার করে পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা যায়।

     

    যানজটের বিষয় ভুলতা হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ওসির দায়িত্বে থাকা মুফাক্ষির বলেন আমাদের জনবল কম, বার বার অভিযান চালিয়ে আসছি। ফুটপাত নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • এবারে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পাশের হার ৫১.৫৪ শতাংশ

    এবারে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পাশের হার ৫১.৫৪ শতাংশ

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২০২৫ সনের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার ৫১.৫৪ শতাংশ।

     

    ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের অন্তর্গত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল সারা দেশের সাথে আজ ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ছাত্র পাশের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ এবং ছাত্রী পাশের হার ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।

    এ বছর ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৬০৭ জন এবং ছাত্রী ৪০ হাজার ২৪৮ জন। মোট পাশকৃত ৩৯ হাজার ৯৬ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ১৬ হাজার ৬৭৬ জন ছাত্র এবং ২২ হাজার ৪২০ জন ছাত্রী পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে। ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে সর্বমোট ২ হাজার ৬৮৪ জন পরীক্ষার্থী; যার মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৫৬৭ জন। ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের মোট ১০৬টি কেন্দ্রের ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানে এবছর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড থেকে বিজ্ঞান শাখায় পাশের হার ৭৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, মানবিক শাখায় ৪৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পাশের হার ৪১ দশমিক ১২ শতাংশ। শিক্ষাবোর্ডের আওতায় জেলাভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলায় পাশের হার ৫৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ, শেরপুর জেলায় ৪৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ, জামালপুর জেলায় ৪৭ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং নেত্রকোনা জেলায় ৪৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এবছর শতভাগ কৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩টি এবং শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৫টি।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ পাওয়া সূত্র অনুযায়ী এসব তথ্য জানা যায়।

  • ময়মনসিংহ ও শেরপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ময়মনসিংহ ও শেরপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন ৩৯ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে ও গজ কাপড় জব্দ করা হয়েছে।

     

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ অক্টোবর রাতে গোবরাকুড়া ও গজনী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিজিবি’র সদস্যরা এসব পণ্য আটক করেন।

     

    অভিযানে ৮০৩ পিস ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে,একটি নোকিয়া বাটন মোবাইল, একটি গ্রামীণ সিম ও ৯৬ মিটার গজ কাপড় জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪১ লাখ ৩১ হাজার ৭০০ টাকা।

     

    ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান বলেন,চোরাকারবারীরা অভিনব কৌশলে সীমান্ত পথে ভারতীয় পণ্য পাচারের চেষ্টা করছিল,তবে টহলরত বিজিবি সদস্যদের তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়। তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।

  • দুমকি উপজেলায়, হাতে-কলমে শিক্ষা বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা  ব্যবহারিক শিক্ষায় স্থবিরতা।

    দুমকি উপজেলায়, হাতে-কলমে শিক্ষা বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক শিক্ষায় স্থবিরতা।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের ব্যবহারিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ল্যাবরেটরি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে হাতে-কলমে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোথাও কিছু যন্ত্র থাকলেও তা অব্যবহৃত থেকে মরিচায় নষ্ট হয়ে গেছে।
    পরীক্ষার শিডিউলে ব্যবহারিক অংশ থাকলেও বাস্তবে ল্যাব ব্যবহার না করে শুধু খাতা জমার ওপর ভিত্তি করে নম্বর দেওয়া হয়। দুই দশক ধরে পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় এবং বিজ্ঞান শিক্ষকদের ‘ভূরিভোজ আয়োজনের’ অভিযোগও রয়েছে।পাশাপাশি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব থাকলেও আইসিটি শিক্ষার্থীরা বাস্তবে কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারছে না। শিক্ষক ও প্রধানদের অবহেলায় এই সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ। তাদের মতে, সঠিক ব্যবহারিক শিক্ষা ছাড়া বিজ্ঞানে দক্ষ জনশক্তি তৈরি সম্ভব নয়। দ্রুত ল্যাব সংস্কার ও হাতে-কলমে শিক্ষা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুমকিতে ২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৮টি কলেজ ও ১৫টি মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শাখা রয়েছে। দুমকি একে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নামেমাত্র বিজ্ঞানাগার থাকলেও তা তালাবদ্ধ,ময়লা-আবর্জনায় একাকার। দু‘চারমাসে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয় না। যদিও বিজ্ঞান শিক্ষকের দাবি ব্যবহারিক ক্লাশ মাঝে মধ্যে নেয়া হয়ে। তবে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানাগেল গত ৬মাসেও ব্যবহারিক ক্লাশ হয়নি। দুমকি নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রহিমা বেগম অকপটে স্বীকার করেন, শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারণে বিজ্ঞানাগারেই সাধারন ক্লাশ হয়। বিদ্যুৎ সংকট, বেসিন নেই, ফলে ব্যবহারিক ক্লাশ করানো যাচ্ছে না। সৃজনী বিদ্যানিকেতন এবং সরকারি জনতা কলেজের অবস্থাও অনুরূপ। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের দাবি-মাঝে মধ্যে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়া হয়। বাকিগুলোর অধিকাংশে গত ২০ বছরে নিয়মিত ব্যবহারিক ক্লাস হয়নি।অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে সাতানী আমির উদ্দীন স্মৃতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল জব্বার বলেন, রুটিনে ব্যবহারিক ক্লাস রাখা আছে, কিন্তু যন্ত্রপাতির অভাবে নিয়মিত নেওয়া যায় না। সরকারি জনতা কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামও বলেন, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে ল্যাব নেই বা যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে।সরেজমিনে উত্তর শ্রীরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরবয়েড়া মা/বি, জয়গুননেছা মা/বি, সালামপুর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসায় একই চিত্র দেখা গেছে। নবম থেকে একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরাও জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত ব্যবহারিক ক্লাস পাচ্ছেন না।
    দুমকি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম সফিকুল ইসলাম বলেন,যখন পরিদর্শনে যাই, তখন ল্যাবগুলো গুছিয়ে রাখা হয়, পরে আবার একই অবস্থা হয়। একা মানুষ হওয়ায় সব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিদর্শন করা সম্ভব হয় না। সরকার থেকে যে যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়েছে, অনেক জায়গায় সেগুলো খুলেও দেখা হয় না। এই সমস্যা শুধু দুমকিতে নয়, সারাদেশেই বিদ্যমান। তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, বিষয়টি আমি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে

  • নানামুখী ঘুষ–বাণিজ্যের অভিযোগে নড়িয়া থানার ওসি ক্লোজ

    নানামুখী ঘুষ–বাণিজ্যের অভিযোগে নড়িয়া থানার ওসি ক্লোজ

    শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন মোল্লাকে ক্লোজ করা হয়েছে। থানার একাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ–বাণিজ্য, প্রবাসীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকা আদায় এবং নানা অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর জেলা পুলিশ প্রশাসন এ ব্যবস্থা নেয়।

    গণমাধ্যমের হাতে পৌঁছানো একটি ভিডিওতে দেখা গেছে—ওসি আসলাম উদ্দিন মোল্লা এক সেবা প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়িয়া উপজেলায় প্রায় ৪০ হাজারের বেশি প্রবাসী ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবাসী জানান, দেশে ফেরার পর থানায় ডেকে নিয়ে ওসি আসলাম তাদের কাছ থেকে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা নিতেন। পাশাপাশি মাসিক ভিত্তিতে ‘চাঁদা’ দিতে হবে বলেও জানানো হতো। কেউ অস্বীকৃতি জানালে “ডেভিল হান্ট” নামে কথিত অভিযানে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হতো।

    অভিযোগ রয়েছে, ওসি আসলাম তার নিজ জেলা রাজবাড়ী থেকে পরিচিত কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে এনে থানায় পদায়ন করেন এবং তাদের সহযোগিতায় ঘুষ–বাণিজ্যের রাজত্ব গড়ে তোলেন।

    গত ৯ অক্টোবর রাতে নড়িয়ার চামটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম রাড়ীকে কোনো মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার করে ওসি তদন্ত সুকান্ত দত্তের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। স্থানীয়দের দাবি, গ্রেপ্তারের আগে চেয়ারম্যানের পরিবারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে ‘জনপ্রতিরোধের মুখে’ তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পুলিশ শুধু একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।

    নড়িয়া থানার এসআই খাইরুল লস্কর, রাজিব রহমান, এরশাদ, এএসআই আল মামুন ও প্রবীর মণ্ডলের বিরুদ্ধে নিয়মিত ডিউটি না করে ‘আসামি ধরার নামে টাকা আদায়ের’ অভিযোগও পাওয়া গেছে।
    এক ঘটনায় প্রবাস ফেরত আবু বকর বেপারীকে ইয়াবাসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়, অভিযোগ তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে পরদিন আদালতে পাঠানো হয়েছিল।

    ভোজেশ্বর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হারুন অর রশিদ এর বিরুদ্ধেও সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি আবু সিদ্দিক ঢালী হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিপক্ষের বাড়ি–ঘর লুটপাট এবং পিকআপ ভর্তি গরু ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায়ও তার নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়দের ধারণা, ওই রাতে ওসি আসলাম ১০ লাখ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছিলেন।

    গত ১৯ জুন মাজেদা হাসপাতাল এলাকা থেকে চারজন স্কুলশিক্ষার্থীকে আটক করে এসআই খাইরুল লস্কর ও এএসআই প্রবীর মণ্ডলের নেতৃত্বাধীন সিভিল টিম। অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মুক্তি ও মামলা ‘হালকা ধারা’তে পাঠানোর শর্তে তাদের পরিবারের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায় করা হয়। পরে বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে দেড় লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

    কোরবানির ঈদে বিভিন্ন হাট থেকে থানার জন্য আনা ছয়টি খাসির মধ্যে চারটি ওসি আসলামের বাসায় পাঠানো হয় বলে জানা গেছে। থানায় থাকা একটি খাসি পরে ‘চুরি’ হয়ে গেলে পুলিশ দুইজনকে আটক করে, কিন্তু তাদের পরে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ‘রক্তমাখা চামড়া’ও গায়েব হয়ে যায়।

    এ বিষয়ে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন,

    > “অভিযোগগুলোর বিষয় বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বেনাপোল সীমান্তে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্য নিহত-১আহত -১

    বেনাপোল সীমান্তে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্য নিহত-১আহত -১

    বেনাপোলে পুটখালী সীমান্তে টহলরত অবস্থায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য সিপাহী মোজাম্মেল হক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন এক হাবিলদার। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে সীমান্ত টহল চলাকালীন সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। টহলরত অবস্থায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে গেলে সিপাহী মোজাম্মেল ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তার সঙ্গে থাকা হাবিলদার গুরুতর আহত হন।

    ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশিদ আনোয়ার বলেন, রাতের সীমান্ত টহলের সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আমাদের এক সিপাহী নিহত হয়েছেন এবং এক হাবিলদার গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত সদস্যকে দ্রুত ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

  • খুলনার পাইকগাছায় স্বামী স্ত্রীর নামে মিথ্যা মামলার  অভিযোগ উঠেছে।

    খুলনার পাইকগাছায় স্বামী স্ত্রীর নামে মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার দক্ষিণ গজালিয়া গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের প্রতিবেশীদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধামকির অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযুক্ত হলেন স্থানীয় বাসিন্দা ললিত সরদার ও তার পরিবার, দীপঙ্কর সরদার ও তার স্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ললিত সরদার (বয়স আনুমানিক ১০০ বছর) প্রায়ই তাদের ঘরের সামনে পাত্রে প্রসাব ফেলে আসছেন।

    কয়েকদিন আগে একই ঘটনা ঘটলে সুমিত্রা প্রতিবাদ জানান। এসময় সুমিত্রা সরদার ললিত সরদারকে বিষয়টি বোঝাতে গেলে উল্টো ললিত সরদার তাকে গালিগালাজ করেন এবং গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। উত্তেজনার মুহূর্তে সুমিত্রা সরকার খেজুরের ডাল দিয়ে একবার ললিত সরদারকে আঘাত করেন।পরবর্তীতে দীপঙ্কর ও তার পরিবার ললিত সরদারের কাছে ক্ষমা চান এবং তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান বলে দাবি করেছেন। তারা জানান, পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও ললিত সরদার তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।দীপঙ্কর সরদার আরও বলেন, আমাদের উঠোনের সামনে এখন ভাত, তরকারি ও ময়লা ফেলা হচ্ছে।

    আমরা বন্ধ করতে বললে উল্টো আমাদের গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ললিত সরদারের বয়স শত বছরের বেশি হওয়ায় তিনি কখনো কখনো ভুল করে ফেলেন। তবে যেখানে ভাত ও তরকারি ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে তাদের নামে ইচ্ছাকৃতভাবে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

    গ্রামের বাসিন্দাদের মতে, ঘটনাটি পারিবারিক ভুল-বোঝাবুঝি থেকে শুরু হলেও বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ায় গড়িয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত পারিবারিক বা স্থানীয়ভাবে সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চায়।

  • খুলনার পাইকগাছায় ১৫০বিগা চিংড়ি ঘের দখলচেষ্টা।

    খুলনার পাইকগাছায় ১৫০বিগা চিংড়ি ঘের দখলচেষ্টা।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মাগুরা-দেলুটি এলাকায় প্রায় দেড়শো বিঘা আয়তনের একটি গণচিংড়ি ঘের দখলের চেষ্টা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। দখলচেষ্টা ব্যর্থ হলে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়দের প্রতিহতের মুখে হামলাকারীরা তাদের ব্যবহৃত একটি ট্রলার ফেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ নিয়ে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে সংঘটিত এ ঘটনার পর ঘের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি দেলুটির মোঃ সিদ্দিক আলী বুধবার সকালে পাইকগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—রবি-বিষ্ণুপদ সরদার, শফিকুল সানা, আকবর সানা, কামরুল সরদার, অমল সরদার, মহসীন শিকারী, চেঁচুয়ার আকবর শেখ, জিরবুনিয়ার আমিরুল হাওলাদার, নোয়াই এলাকার আলম সরদার, রশীদ মোড়লসহ ২৫-৩০ জন স্থানীয় ও বহিরাগত ব্যক্তি।

    অভিযোগকারী মোঃ সিদ্দিক আলী জানান, মাগুরা-দেলুটি মৌজার দেড়শো বিঘা জমির এই ঘেরের মালিকানা রয়েছে খুলনার দৌলতপুর পাবলার বাসিন্দা খন্দকার আব্দুল্লাহ, দেলুটির মজিদ সরদার, ইমান আলী শেখ, বিনয় কৃষ্ণ মণ্ডল, অজিত কুমার ও তরফ আলী সরদারসহ একাধিক ব্যক্তির।তিনি বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে রবি-বিষ্ণু গং বহিরাগত ভাড়াটে লোকজন নিয়ে ঘেরে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়। বাঁধা দিলে তারা লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং ঘেরে লুটপাট চালায়।

    স্থানীয় মালিকপক্ষের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সরে যেতে বাধ্য হয়।স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিমত, হঠাৎ করে অনেক লোক ঘেরে ঢোকার চেষ্টা করে। আমরা খবর পেয়ে এগিয়ে গেলে তারা মারপিট শুরু করে। পরে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।”
    আরেকজন স্থানীয় নারী বাসিন্দা বলেন, এভাবে হামলা হলে আমরা নিরাপদ না। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।ঘটনার বিষয়ে পাইকগাছা থানার ওসি রিয়াদ মাহমুদ জানান, অভিযোগের পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে

  • মুকুল-আসানুর-সাগর আটক,ভ্যান ও চাকু উদ্ধার

    মুকুল-আসানুর-সাগর আটক,ভ্যান ও চাকু উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলায় চার দিন নিখোঁজ থাকার পর ভ্যানচালক যুবক আবদুল্লাহর (৩০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

     

    হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত মুকুল, সহযোগী আসানুর ও সাগরকে আটক করেছে। তারা হত্যায় জড়িত থাকার কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারও করেছেন। ডিবি পুলিশের জন্য এটি বড় সাফল্য-বলছেন শার্শার সচেতন মহল। তাদের দাবি আসামিরা যাতে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেরুতে না পারে, সেই বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তার মাথায় রাখতে হবে। দ্রুত শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    তদন্তে উঠে এসেছে-পূর্ব শত্রুতা ও ভ্যানের লোভে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় আবদুল্লাহকে।

    ডিবি সূত্র জানায়, অভিযুক্তরা হত্যার পর মরদেহ গোপন করার জন্য শার্শার নাভারণের কাজীরবেড় গ্রামের একটি বাড়ির সাব-বাক্সের ভেতর লুকিয়ে রাখে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতে ৩ জনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার বিষয়টি স্বীকারও করেছে, জানায় তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

    ডিবির পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, “আবদুল্লাহকে কৌশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ সাব-বাক্সে লুকিয়ে রেখে আইনের হাত থেকে বাঁচার চেস্টা করেছিল। আটক আসামিরা ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। তাদের দেখানো মতে উদ্ধার করা হয়েছে আবদুল্লাহর ব্যবহৃত ভ্যান ও হত্যায় ব্যবহৃত চাকু।”

    আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এরআগে, গত ১০ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন আবদুল্লাহ। পরিবার বহু খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।
    চার দিন পর স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যা এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি করে।

    এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইউনুস আলী বাদী হয়ে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
    মামলার তদন্তভার এখন জেলা ডিবি পুলিশের হাতে রয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন,“আবদুল্লাহ ছিলেন পরিশ্রমী যুবক। তার সঙ্গে এলাকার কারও বড় শত্রুতা ছিল না। শুধু ভ্যানের লোভে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

    পুলিশ বলছে, মামলাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • গাজীপুর,,কালিয়াকৈর ২ হাজার ৫০০শত পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    গাজীপুর,,কালিয়াকৈর ২ হাজার ৫০০শত পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর মৌচাক এলাকা থেকে (১৪ই মঙ্গলবার) মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍‍্যাব-১ এর গাজীপুর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল।

     

    র‍‍্যাব জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃত নারীকে কালিয়াকৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়। বুধবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

     

    গেফতারকৃত নারী নাসিমা বেগম (৫০), চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী। তিনি কালিয়াকৈরের উত্তর মৌচাক এলাকার ইয়াসিন আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র‍‍্যাব।

     

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍‍্যাব-১ এর একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করে।
    কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, র‍‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া ওই নারীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”