Author: তরঙ্গ টিভি

  • বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় যারা

    বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় যারা

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ উদ্বোধন

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ উদ্বোধন

    গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর উপজেলা মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্যময় প্রভাতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, সফিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে নবনির্মিত ফ্ল্যাগপোল (পতাকাস্তম্ভ) উদ্বোধন করেন। দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভে উড্ডীয়মান জাতীয় পতাকা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণরত সদস্যদের মধ্যে জাতীয় চেতনা, ঐক্য ও আত্মমর্যাদার প্রেরণা জাগ্রত করে এবং দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের দৃঢ় অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে। এ আয়োজন ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে বাহিনীর দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধকে নব উদ্দীপনায় উদ্ভাসিত করেছে।
    একাডেমি প্রাঙ্গণে স্থাপিত সুউচ্চ-স্তম্ভে উত্তোলিত পতাকার নাম ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’। পতাকা-স্তম্ভটির উচ্চতা ১২০ ফুট, যা দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। এতে উত্তোলিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ২৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৬.৮ ফুট। ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরন্তন প্রতীক হিসেবে জাতির গৌরবগাথাকে বহন করে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি দেশের সর্ববৃহৎ জনসম্পৃক্ত বাহিনী হিসেবে জাতীয় অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ বাহিনীর প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার সদস্য-সদস্যা নিয়োজিত ছিলেন, যা সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর মধ্যে সর্বাধিক।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ মহান ভাষা শহিদদের স্মরণ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষাশহিদ আব্দুল জব্বার এ বাহিনীর একজন গর্বিত প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। ভাষার মর্যাদা রক্ষায় তাঁর মহান আত্মত্যাগ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জন্য দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হওয়ার পাথেয়।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “চির উন্নত বিজয় নিশান’ আমাদের গৌরবময় ইতিহাস ও দায়িত্বশীল ভবিষ্যতের প্রতীক। এই পতাকা আমাদের প্রত্যেক সদস্যকে শপথ করাবে—দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত।”
    বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে স্থাপিত ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি জাতির অগ্রযাত্রা, আত্মত্যাগ ও শৌর্যের দৃশ্যমান স্মারক। একাডেমির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন, শৃঙ্খলা সুদৃঢ়করণ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাহিনীকে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সক্ষম করে তুলবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) ও উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আবছারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • হাইকোর্টের নির্দেশেও থামেনি যশোরের শার্শার ২০ অবৈধ ইটভাটা।

    হাইকোর্টের নির্দেশেও থামেনি যশোরের শার্শার ২০ অবৈধ ইটভাটা।

    যশোরের শার্শা উপজেলায় ২৩টি ইট ভাটার মধ্যে ২০টি ভাটার কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পরিবেশ ধ্বংস, কৃষিজমি দখল, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন ও ভয়াবহ বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে অবৈধ ইটভাটা। হাইকোর্টের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও যশোরের শার্শা উপজেলায় একাধিক ইটভাটা অবৈধভাবে চালু রয়েছে। এতে একদিকে যেমন আইনের শাসন উপেক্ষিত হচ্ছে, অন্যদিকে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে স্থানীয় পরিবেশ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য।

    হাইকোর্টের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা ও জনবসতি থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বের (সাধারণত তিন কিলোমিটার) মধ্যে কোনো ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। একই সঙ্গে কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপন, কাঠ বা জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে ইট পোড়ানো এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বৈধ লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব শর্ত লঙ্ঘনকারী ইটভাটা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১২ মার্চ হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিটের ভিত্তিতে গঠিত পরিদর্শন কমিটি শার্শা উপজেলার ২৩টি ইটভাটা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে উঠে আসে উদ্বেগজনক তথ্য, ২৩টির মধ্যে ২০টি ইটভাটাই কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইট পোড়ানো ও কাঁচা ইট তৈরিসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন এবং সংশ্লিষ্ট ভাটা মালিকদের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করেন।

    তবে প্রশাসনিক নির্দেশনার পরও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, লক্ষণপুর ইউনিয়নের সাংবাদিক পরিচয়ধারী সবুজ হোসেনের মালিকানাধীন মেসার্স কে এ এ ব্রিকস, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা জামতলার সিরাজুল ইসলামের মেসার্স রিফা ব্রিকস, একই এলাকার তৌহিদুর রহমানের মেসার্স বিশ্বাস ব্রিকস, কুচেমোড়া হাড়িখালির মিজানুর রহমানের টাটা ব্রিকস, গোগা ইউনিয়নের হযরত আলীর মেসার্স রাজ ব্রিকস, ইছাপুর এলাকার শফিউর রহমানের মেসার্স এস টি ব্রিকস, কায়বা ইউনিয়নের পশ্চিমকোটার হাজরাতলা এলাকার আরফাত ইসলামের মেসার্স নাইস ব্রিকস, পিঁপড়াগাছীর শহিদুল ইসলামের মেসার্স সাফা ব্রিকসসহ প্রায় ২০টি ইটভাটা এখনও প্রকাশ্যে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    অন্যদিকে, শার্শা উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল কবিরের মালিকানাধীন মেসার্স প্রাইম ব্রিকস লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় চলতি মৌসুমে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া আর্থিক সংকট ও লাইসেন্স জটিলতার কারণে আরও তিনটি ইটভাটা বর্তমানে বন্ধ আছে বলে জানা গেছে।

    ভাটা মালিকদের দাবি, অতীতে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই ‘হাওয়া ভাটা’ ও ‘ঝিকঝাক ভাটা’ পদ্ধতিতে লাইসেন্স গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নীতিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে নতুন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। তাদের মতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৭ থেকে ১০ হাজার ইটভাটা চালু রয়েছে, যার মধ্যে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ অবৈধ। এসব ইটভাটার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জীবিকা জড়িত। লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ দিলে তারা পরিবেশ আইন ও শ্রম আইন মেনেই ইটভাটা পরিচালনা করবেন বলে দাবি করেন মালিকরা।

    তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রশাসনের শিথিলতা আইনের শাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা দ্রুত উচ্চ আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন, নিয়মিত মনিটরিং এবং অবৈধ ইটভাটা স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল কবির বলেন, একসময় সরকারি নিয়ম মেনেই আমরা লাইসেন্স নিয়েছিলাম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নবায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় অনেক ভাটা সংকটে পড়েছে। নবায়নের সুযোগ পেলে আমরা পরিবেশ ও শ্রম আইন মেনেই ভাটা পরিচালনা করতে প্রস্তুুত।

    শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আতাউর রহমান বলেন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বৈধ লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা পরিচালনা সম্পূর্ণ বেআইনি। আদালতের নির্দেশ অমান্যকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ডামুড্যা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।

    ডামুড্যা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।

    ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার ,রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে
    ৫২র পাকিস্তানি শাসকদের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই বুকে ধারণ করে যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি অর্জন করেছিল ভাষার অধিকার—ফুল ও গভীর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করছে বাঙালি জাতি।

    ডামুড্যা সহ সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর ডামুড্যা উপজেলাতে ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

    মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরেই মানুষ ছুটে আসে শহীদ মিনারে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে বাঙালির শোক ও অহংকারের প্রতীক এই মিনার।
    ডামুড্যা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    রাত ১২টা ০১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন আইয়ূবী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
    এরপর ডামুড্যা থানার পক্ষে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল হক , উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, , বিএনপি’র বিভিন্ন নেতাকর্মী ,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ পারভেজ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম সিদ্দিকী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা নাহিয়ান, সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ , পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল ম্যানেজার সুবীর কুমার দত্ত,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ উজ্জল শিকদার, সৈয়দ মধু মীর, আলমগীর হোসেন মাদবর ,মোজাম্মেল মাদবর ,আর ও উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট শফিকুল ইসলাম , রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ মাদবর,নাজমুল শিকদার মোসাদ্দেক হাসান মেহেদী, কাশেম সরদার ,আলমাস সরকার, মোহাম্মদ জিন্নাহ, শফিকুল ইসলাম আজাদ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা।

  • নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, হিরো আলম গ্রেপ্তার

    নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, হিরো আলম গ্রেপ্তার

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে ধাওয়া দিয়ে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ করা ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় এক মামলায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে গত ১০ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এ সংক্রান্ত চিঠি সম্প্রতি আমাদের কাছে আসে। সম্প্রতি জানা যায়, হিরো আলম নিজ এলাকায় অবস্থান করছে খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ তাকে ধরতে গেলে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে হিরো আলম। পরে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে শাজাহানপুর থানা সংলগ্ন এলাকায় গ্রেপ্তার করি আমরা। এরপর তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে।

    বগুড়া জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৬ মে এক নারী বাদী হয়ে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলাটি করেন। ওই দিন আদালতের বিচারক বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। পিবিআই তদন্ত শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার অপর পাঁচ আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হিরো আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে এক মৌলভী ডেকে কবুল পরিয়ে তাকে বিয়ে করার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে গত বছরের ১৮ এপ্রিল বগুড়ার নিজ বাড়িতে নিয়ে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় ২১ এপ্রিল হিরো আলমসহ অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে মারধর করেন। এতে গুরুতর রক্তক্ষরণ হলে ওই নারীকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার গর্ভপাত ঘটে। পরবর্তী সময়ে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ছাড়া সিনেমা তৈরির কথা বলে হিরো আলম ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

  • ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

    ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময়  আপিল বিভাগের বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় দেশের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জনস্রোত : ফুলে ফুলে ভরে গেছে বেদি

    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জনস্রোত : ফুলে ফুলে ভরে গেছে বেদি

    ভোরের আলো ফুটতেই ফুলে ফুলে ভরে গেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে আজ (শনিবার) রাজধানীতে নেমেছে মানুষের ঢল। হাতে ফুল আর হৃদয়ে গভীর ভালোবাসা নিয়ে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা সারিবদ্ধভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন।

    dhakapost

    শ্রদ্ধা জানাতে আসে ইডেন মহিলা কলেজ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ছায়ানট, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, টিআইবি, বাংলাদেশ স্কাউটস, উদিচি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।

    সংগঠনের বাইরে ব্যক্তিগতভাবেও অনেকেই এসেছেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ আবার শিশুদের হাত ধরে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছেন। শিশুদের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরতেও দেখা গেছে অনেক অভিভাবককে।

    dhakapost

    শ্রদ্ধা জানাতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, এদিন আমাদের প্রেরণার। এই প্রেরণা থেকেই আমাদের স্বাধীনতার পথচলা। যখন পশ্চিমারা আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তখন ছাত্ররা আত্মত্যাগের মাধ্যমে মায়ের ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত বিরল।

    তিনি আরও বলেন, আমরাই একমাত্র জাতি, যারা মাতৃভাষার জন্য লড়াই করে জীবন দিয়েছি।

    dhakapost

    ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুধু বইয়ে পড়ার বিষয় নয়, এটা আমাদের আত্মপরিচয়ের অংশ। প্রতি বছর এখানে এসে শ্রদ্ধা জানালে সেই ইতিহাসকে নতুন করে অনুভব করি।

    বাংলাদেশ স্কাউটসের এক সদস্য মাহদি হাসান বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এসে বুঝতে পারছি, মানুষের আবেগ কত গভীর। সবাই খুব সম্মান নিয়ে, নিয়ম মেনে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এটা আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।

  • ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

    ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

    অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ।

    এর আগে প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রথম শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাত ১২টা ৮ মিনিটে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় মন্ত্রিসভার সদস্যরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর পর বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    dhakapost

    এরপরই সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১-দলীয় জোটের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা। তিন বাহিনীর পক্ষে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন শ্রদ্ধা জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    dhakapost

    রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, এনডিএম, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি, বিজেপি, জেপি, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, জেএসডি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এছাড়া ছাত্রদলের পাশাপাশি ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্রমৈত্রীর নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার প্রধান কলেজগুলো এবং জুলাই ঐক্য, প্রথম আলো বন্ধুসভা ও জুলাই মঞ্চের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

  • যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    যশোর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    যশোর শহরকে পবিত্র রমজান মাসে যানজটমুক্ত রাখা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে যশোর পৌরসভা। তবে উচ্ছেদকারীদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে প্রায় প্রায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না-এমনটিই বলছেন সচেতন মহল।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের ব্যস্ততম চৌরাস্তা মোড় থেকে শুরু হয়ে এমকে রোড হয়ে দড়াটানা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানকালে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা, অস্থায়ী দোকানপাট ও সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়। প্রথম দফার অভিযানে ফুটপাত থেকে শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী আগেই তাদের দোকান সরিয়ে নেন।

    দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রথম দফার অভিযান শেষে দ্বিতীয় দফায় দড়াটানা হয়ে মুজিবসড়ক ও প্যারিস রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন।
    তিনি বলেন, “শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসন এবং পৌরবাসীর স্বাভাবিক চলাচলের পথ সুগম করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে রমজান মাসে শহরের শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। ফুটপাত দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

    অভিযানে অংশ নেন ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান নয়ন, আব্দুর রাজ্জাক মন্টু, দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ও মেহেদী হাসান।

    বিশ্লেষণ: উচ্ছেদে সাময়িক স্বস্তি, স্থায়ী সমাধান কোথায়?
    যশোর শহরে যানজট নিরসনে ফুটপাত উচ্ছেদ নতুন কোনো বিষয় নয়। প্রায়ই এমন অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো কিছুটা ফাঁকা হয়, পথচারীরা স্বস্তি পান। কিন্তু বাস্তবতা হলো—দু’একদিন পরই আবার ফুটপাত দখল হয়ে যায়।
    প্রশ্ন হলো, কেন এমন হয়?

    ১. জীবিকার তাগিদে পুনরায় দখল
    ফুটপাতের অধিকাংশ দোকানি নিম্নআয়ের মানুষ। তাদের অনেকেরই স্থায়ী দোকান ভাড়া নেওয়ার সামর্থ্য নেই। ফলে উচ্ছেদের পরও জীবিকার তাগিদে তারা আবার একই জায়গায় ফিরে আসেন। বিকল্প কর্মসংস্থান বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না থাকলে এই চক্র চলতেই থাকে।
    ২. প্রশাসনিক ব্যয় বনাম ফলাফল
    উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসনের জনবল, যানবাহন, সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। কিন্তু পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়া বারবার একই অভিযান চালানো মানে একই সমস্যার পেছনে বারবার ব্যয়—স্থায়ী সমাধান ছাড়াই। এতে জনসম্পদ ক্ষয় হলেও যানজট স্থায়ীভাবে কমে না।
    ৩. নগর পরিকল্পনার ঘাটতি
    যশোর শহরে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও ব্যবসায়িক চাপের তুলনায় পরিকল্পিত হকার জোন বা অস্থায়ী বাজারের সংখ্যা খুবই সীমিত। নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে স্বল্প ভাড়ায় স্টল বরাদ্দ দিলে ফুটপাত দখল অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন নগর বিশেষজ্ঞরা।
    ৪. আইন প্রয়োগে ধারাবাহিকতার অভাব
    অনেক সময় দেখা যায়, অভিযান শুরুর পর কঠোরতা থাকলেও কিছুদিন পর তদারকি শিথিল হয়ে যায়। এতে দোকানিরা আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে আসেন। নিয়মিত মনিটরিং ছাড়া শুধুমাত্র “অভিযান” নির্ভর ব্যবস্থা কার্যকর হয় না।

    সম্ভাব্য সমাধান কী?
    বিশ্লেষকদের মতে, টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন

    ১. নির্দিষ্ট হকার জোন স্থাপন

    ২. স্বল্প ভাড়ায় লাইসেন্স প্রদান

    ৩. ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সহায়তা

    ৪. নিয়মিত মনিটরিং ও আইন প্রয়োগে ধারাবাহিকতা

    ৫. ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের সমন্বিত সংলাপ

    রমজানকে সামনে রেখে শহরের শৃঙ্খলা রক্ষায় উচ্ছেদ অভিযান তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে সমন্বিত পরিকল্পনা ছাড়া এই উদ্যোগ কেবল সাময়িক স্বস্তি দেবে—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।
    তারা মনে করেন- শুধু উচ্ছেদ নয়, পুনর্বাসন ও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনাই পারে যশোর শহরকে সত্যিকার অর্থে যানজটমুক্ত রাখতে।

  • মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ।

    মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ।

    শীতের প্রভাব শেষে হতে চলছে।আর এর মাঝে মশার উপদ্রব শুরু হয়ে গেছে। ফাল্গুনের হাওয়া টানে বাড়ির, নদীনালা, ডোবা বা বিভিন্ন নোংরা জায়গায় পরিবর্তন হওয়ার কারণে,মশার বিস্তার ঘটছে। দিনের বেলায় যেমন, রাতের আঁধারে সাথে মশা যেন মৌমাছির ঝাঁকের মত ধরে বসে।

    এই মশার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা ঠিক মত লেখা পড়া করতে পারছে না, তেমন মুসলিরা ঠিক মত নামাজ আদায় করতে পারছে না। মানিকগঞ্জ জেলার অনেক গ্রাম গুলো ঘুরে দেখা গেছে বাড়ির ডোবা নালা ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে চলছে আর এখানে থাকা মশার বংশ বিস্তার ঘরের ভেতর প্রবেশ করছে।

    তাই সন্ধান নামার শুরুতে সবাই ঘরের জানালা, দরজা বন্ধ করছে। কেউ কেউ মশারী টাঙ্গিয়ে বসে আছে। কাল প্রথম তারাবির নামাজের সময় অনেক মসজিদের ভেতর মশার কয়েল জ্বেলতে দেখা গেছে।

    এখনো গরমের সময় আসেনি তাই যেমন মশার উপদ্রব শুরু হয়েছে, তাতে সামনে বৃষ্টির সময় কি পরিস্থিতি হতে পারে। আগে থেকে মশা নিধণ না করলে ভবিষ্যৎ ডেঙ্গু ও মেলেরিয়া মত খারাপ অবস্থা পৌঁছাতে পারে