Author: তরঙ্গ টিভি

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাজিরা পৌরসভার কবিরাজ কান্দি এলাকার “চাঁদের বাড়ি” রেস্টুরেন্টে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন,

    > “জুলাই সনদের ভিত্তিতেই দেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, গুম-খুন, দমননীতি ও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত প্রশাসন দিয়ে জনগণের গণতন্ত্র কায়েম করা সম্ভব নয়।”

    তিনি আরও বলেন, যদি তিনি শরীয়তপুর-১ (জাজিরা–পালং) আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবাদের অবসান, এবং দখলবাজ মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবেন।

    আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, যেখানে ন্যায় ও মানবতার ভিত্তিতে সমাজ গড়ে উঠবে,” — বলেন তিনি।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জাজিরা উপজেলা শাখা খেলাফত মজলিসের সভাপতি নুরুল ইসলাম, এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাজিরা প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিক ফারুক হোসাইন, আবুতালেব ঢালী, মোঃ শফিকুল ইসলাম, সানজিদ মাহমুদ সুজন, মোঃ রতন আলী মোড়ল, মোঃ মোক্তার হোসেন ফকির, মেহেদী হাসান, সিমান্ত মোল্লা, শান্ত মিয়া, নাদিরা ইসলাম, শাহাজাদী সুলতানাসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

    মতবিনিময় পর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন,

    আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে আমার নির্বাচনি এলাকায় ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমান—সবাই নিরাপত্তা ও মর্যাদা পাবে। নারীরা পাবে তাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ।”

    সভা শেষে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সহজ হয়।”

    এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে শরীয়তপুর জাজিরায় রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা।

    আপনি কি চান আমি এই প্রতিবেদনের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সংবাদ শিরোনাম ও উপশিরোনাম (সাব-হেডলাইন) তৈরি করি, যেমন পত্রিকার জন্য ব্যবহার করা হয়?

  • দুমকি উপজেলায়,ইলিশের প্রজনন মৌসুমে আড়াই লাখ মিটার জাল জব্দ, ১৩ জেলের কারাদণ্ড। ১০টি মাছ ধরার নৌকাও জব্দ করা হয়।।

    দুমকি উপজেলায়,ইলিশের প্রজনন মৌসুমে আড়াই লাখ মিটার জাল জব্দ, ১৩ জেলের কারাদণ্ড। ১০টি মাছ ধরার নৌকাও জব্দ করা হয়।।

    ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের দায়ে পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় ১৩ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

     

    ৪ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে এসব শাস্তি দেওয়া হয়। অভিযানে মোট ১৪ জন জেলেকে আটক করা হয়, তাদের মধ্যে কিশোর কাইয়ুম (১৪) নামের এক জেলেকে বিশেষ মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আ. সোবহান (৫৫), সোরাপ মৃধা (৫২), মনির হোসেন (৪০), কাইয়ুম ফরাজী (২৫), সোহেল মৃধা (৪৫), জালাল তালুকদার (৫০), সোহাগ হাং (৩২), সাগর হাং (২৪), কাদের গাজী (৫৬), সবুজ শরীফ (৫০), ছালাম সিকদার (৫৫) ও মাহবুব তালুকদার (৩৫)। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ দিনে উপজেলার পায়রা, পান্ডব, ও লোহালিয়া নদীতে টানা অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা।

    এ সময় ১০টি মাছ ধরার নৌকাও জব্দ করা হয়।উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, “মা-ইলিশ সংরক্ষণে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন ভাঙলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, মা-ইলিশ রক্ষায় সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সফল করতে সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে হবে।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জোরপূর্বক বাড়ী দখল করে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জোরপূর্বক বাড়ী দখল করে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের পালপুর এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

     

    এঘটনায় ভুক্তভোগী মো. রাফিকুল ইসলাম গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) গোদাগাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাফিকুল ইসলাম তার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত পালপুর মৌজার জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি একই এলাকার মো. শরিফুল ইসলাম (৪২), তার দুই ছেলে বাবু (২০) ও নাহিদ (১৮), স্ত্রী রুবিনা এবং আরও কয়েকজন ওই জমিতে নিজেদের অংশ দাবি করে বিরোধ শুরু করেন।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ৬ ও ৭ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে বিবাদীরা রাফিকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন। পরে বাড়ির সামনে রাখা ইট পুকুরে ফেলে দেয় এবং গৃহের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শরিফুল ইসলাম তার পরিবার ও কিছু লোকজন নিয়ে হাম্বল, কোদাল, খুন্তি ও দা হাতে কাজ করছিলেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইট, খোয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা দেখা যায়।

    রাফিকুল ইসলাম বলেন, গতরাতে বাড়ির সামনে রাখা খোয়া ফেলে দেয়। সকালে এসে দেখি গেট, টয়লেট, প্রাচীর, পানির পাইপলাইন ভেঙে দিয়েছে। কলাগাছ ও বড়ইগাছ কেটে ফেলেছে। কথা বলতে গেলে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি ও আমার পরিবার এখন আতঙ্কে আছি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিরোধের একটি মীমাংসা হয়েছিল। তবে সেই রায় উপেক্ষা করে শরিফুল ইসলাম পুনরায় জমি দখল ও ভাঙচুরের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    কথা বললে, জমির অংশীদার মো: মাইনুল ইসলাম বলেন,শরিফুল ইসলাম আমার আত্মীয় হয়। আমি তাদেরকে জমি দখল বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুর করার আদেশ দেইনি। শরিফুল যদি এরকম কোন ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাহলে কিসের জন্য করেছেন কি কারনে করেছেন
    তা আমার জানা নাই। জমির উপরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কোর্টের আদেশ অনুযায়ী যা হয়, তা আমি মেনে নিব।

    অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম বলেন, জমিটি আমার খালুর। বিষয়টি নিয়ে কোর্টে মামলা করেছি। কাগজপত্র কোর্ট থেকে পেলে সবাইকে দেখাতে পারব।

    এ বিষয়ে গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বান্দরবানে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    বান্দরবানে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশ্বের ন্যায় বান্দরবানে পালিত হলো বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।

     

    ১৫অক্টোবর বুধবার সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজন করা এক হাত ধোয়া প্রদর্শনী।

    এসময় হাত ধোয়া প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি। এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাত ধোয়া প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ শামীম আরা রিনি। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু তালেব, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু,

    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে, বান্দরবান পৌর পানি সরববারহ এর তত্বাবধায়ক ও সহকরী প্রকৌশলী মো: জুলহাস মিয়া, সদর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইদুল ইসলাম হাসান’সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ শামিম আরা রিনি বলেন, হাত ধোয়ার নায়ক হোন এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে আমাদের সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।

    বক্তব্যে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, হাত ধোয়া আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিদিন সঠিক সময়ে এবং নিয়ম মেনে হাত পরিস্কার করলে জীবানু ধংস হয়ে যায়,যার ফলে আমরা শারীরিকভাবে অনেকটা সুস্থ থাকি। শারীরিকভাবে সুস্থতা সৃষ্টি কর্তার অনেক বড় নিয়ামত।

  • গফরগাঁওয়ে আয়কর ও ভ্যাট সেবা কেন্দ্রের অফিস উদ্বোধন

    গফরগাঁওয়ে আয়কর ও ভ্যাট সেবা কেন্দ্রের অফিস উদ্বোধন

    ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় গফরগাঁও পৌরসভার স্টেশন রোড়স্হ হেকিম টাওয়ার কর অফিসের ২য় তলায় আয়কর ও ভ্যাট সেবা কেন্দ্রের অফিস উদ্বোধন করা হয়।

     

    আজ ১৫ অক্টোবর বুধবার দুপুরে গফরগাঁও পৌরসভার স্টেশন এলাকার হেকিম টাওয়ারের কর সার্কেল গফরগাঁও কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় আয়কর ও ভ্যাট সেবা কেন্দ্রের কার্যালয় শুভ উদ্বোধন করা হয়।

     

    উক্ত কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আয়কর উপদেষ্টা, ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এডভোকেট সাদিক হোসেন,জজকোর্ট, ময়মনসিংহ।

     

    আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কর অঞ্চল গফরগাঁও কর সার্কেল কার্যালয়ের অতিঃসহকারী কর কমিশনার মোঃ আবুল কালাম,ও গফরগাঁও কর সার্কেলের কর পরিদর্শক আবুল হাশেম, গফরগাঁও ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ হারুনুর রশিদ, গফরগাঁও বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল খায়ের সহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। গফরগাঁও আয়কর ও ভ্যাট সেবা প্রদানকারী আইনজীবী মোস্তফা আহাম্মদ করিম,মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, মিয়া মোহাম্মদ রুপক মানিক,সৈয়দ মুক্তার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটের দাবিসহ ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে  জামায়াতের মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটের দাবিসহ ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন

    পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের দাবিসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

     

    জেলা আমীর মাওলানা আবুজার গিফারীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক মেয়র মো. নজরুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক এমপি অধ্যাপক লতিফুর রহমান, জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান, সদর উপজেলা আমীর হাফেজ আব্দুল আলীম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা আবু বকরসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা ও কর্মীরা।

    বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসন ও সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জুলাই জাতীয় সনদের ধারাগুলো কার্যকর করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে গণভোট আয়োজন এবং জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান তারা।

  • কালিয়াকৈরে  ছয়লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুট

    কালিয়াকৈরে ছয়লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুট

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উপজেলায় নগদ ছয়লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে।

     

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার চাপাইর ইউনিয়নের বড়গোবিন্দপুর টিকরা চালা এলাকার করিম সরকারের বাড়িতে ওই লুটের ঘটনা ঘটেছে।

     

    পরিবার, স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায় , করিম সরকারের বসত বাড়ি থেকে নগদ ছয় লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার এর লুটের ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় রাত ৯ টাই প্রতিদিনের ন্যায় রাতে খাবার খেয়ে করিম সরকারের স্ত্রী রোজিনা আক্তার, ছেলের বৌ সিথি আক্তার ও তার বোন নূরজাহান ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে তারা ঘুম থেকে সজাগ হয়ে দেখে তাদের দরজা খোলা এবং তারা তিনজনেই অসুস্থ । ঘরের আসবাবপত্র এ্যালোমেলো এবং দৌচালা মাঁচায় রাখা টিনের মুড়ির জের এ রাখা ছয়লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণ অলংকার লুট হয়েছে। ধারণা করা হয়েছে, ঘরের ভিতরের পশ্চিম পাশের দরজা বাহির থেকে খোলা যায় এবং দুর্বৃত্তরা ঘরের ভিতরে থাকা লোকজনের মুখ মন্ডলে চেতনাশক ঔষধ স্পে করে অজ্ঞান করে এই নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

     

    কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক( এস আই) খায়রুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মাধবপুরে মোবাইল কোর্টে  পরিচালনা করে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

    মাধবপুরে মোবাইল কোর্টে পরিচালনা করে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

     

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে মাধবপুর বাজারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুজিবুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

     

    অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে আলিফ লাম বেকারিকে ৫ হাজার টাকা, বন্ধন ফুড প্রোডাক্টসকে ২৫ হাজার টাকা, মেসার্স পাল ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা, কুসুমকলি বেকারিকে ৫ হাজার টাকা এবং কৃষ্ণ পাল ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

     

    অভিযানে বিএসটিআই সিলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মাধবপুর থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।

     

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুজিবুল ইসলাম জানান, জনস্বার্থে বাজারে নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ওজন ও মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

     

    জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।

  • দুর্গাপুরে প্রধান শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু

    দুর্গাপুরে প্রধান শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু

    নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বারমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের জনপ্রিয় প্রধান শিক্ষক চন্দন কুমার দাস (রাখাল) (৫৭) ময়মনসিংহের কমিউনিটি বেসড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঁচদিন নিবিড় পর্যবেক্ষনে থেকে মৃত্যু হয়েছে।

     

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ০৭ ঘটিকার সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চন্দন কুমার দাস পৌরশহরের আমলাপাড়া এলাকার মৃত চন্দ্র শেখর দাসের বড় ছেলে।

    ওই স্কুলের শিক্ষক ও স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় ওই প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী শেলী রানী দাস স্কুলের এক শিক্ষক কে মুঠোফোনে বলেন, তাঁর স্বামী অসুস্থ্য তাই দ্রুত তাঁর বাসায় চলে আসতে বলেন। পরবর্তিতে ওই শিক্ষক হেড স্যার অসুস্থ্য বলে তার অন্যান্য শিক্ষক বন্ধুদের নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বাসায় গেলে, হেড স্যারের স্ত্রী তাদের স্যার কে দেখতে বারণ করেন এবং তারাতারি ডাক্তার কে খবর দিতে বলেন। অথচ এলাকাবাসী এবং ওই সহকারী শিক্ষকগণ রাখাল স্যারকে হাসপাতালে নিতে চাইলে তার স্ত্রী হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতেই ডাক্তার আনতে বলেন। তখন কারো কারো এই বিষয়টি সন্দেহ হলে একপ্রকার জোর করেই ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পান, তাদের প্রাণপ্রিয় স্যারের শরীর প্রায় ঠান্ডা হয়ে আসছে। ওনার হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটাচিহ্ন দেখতে পান। পরবর্তিতে দ্রুত অটোরিক্সাযোগে তাকে দুর্গাপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে, রোগীর অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে দ্রুত ময়মনসিংহে নেয়ার পরমর্শ দেন। পরবর্তিতে রোগীর স্বজনরা দুপুর ১২ঘটিকার দিকে এম্বুলেন্সের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নিয়ে যান। পরে ময়মনসিংহের কমিউনিটি বেসড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রায় ৫দিন নিবিড় পর্যবেক্ষনে থেকেও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি প্রধান শিক্ষকের স্বজনরা।

    একাধিক এলাকাবাসীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রচন্ড বাগ-বিতন্ডতা শুনতে পাই এবং কিছু জিনিষপত্র ভাংচুরেরও শব্দ পেয়েছি। তবে মাঝে মধ্যেই তার স্ত্রীর এমন আচরণ আমরা লক্ষ করি। যার কারনে আমরা ওইদিন রাতে ওই বাড়িতে যাইনি। পরদিন সকালে বিস্তারিত জানতে পারি।

    প্রধান শিক্ষকের সহকর্মী মোজাম্মেল মাস্টার জানিয়েছেন, চন্দন স্যারকে তার বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর দেখতে পাই তার গলায় এবং বাম হাতে কোন কিছু দিয়ে কাটা হয়েছে এবং কাটার ক্ষতস্থান দিয়ে তখনো রক্ত ঝরছিলো, সেইসাথে মুখ দিয়ে গন্ধযুক্ত লালা বেরোচ্ছো। তিনি আরও বলেন, তাদের প্রধান শিক্ষককে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন সহ চেতনানাশক কোন কিছু খাওয়ানো হয়ে থাকতে পারে। আমাদের স্যারকে হয়তো অজ্ঞান করার পর, নির্যাতন করা হয়েছে।

    প্রধান শিক্ষকের মৃত্যুতে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ, বারমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী, উপজেলা শিক্ষক সমিতি, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, সাংবাদিকগণ, পৌরশহরের ব্যাবসায়ীগণ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ সহ ন্যায় বিচারের দাবী করেছেন। সেইসাথে দুর্গাপুরের প্রানপ্রিয় প্রধান শিক্ষক নির্যাতনে জড়িত ব্যক্তিদের কে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মরদেহ ময়মনসিংহের সিবিএমসি হাসপাতাল থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার জন্য আইনী প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

    উল্লেখ্য : একাধিক সুত্রে জানা গেছে, ওই প্রধান শিক্ষকের ছোট ভাই টুকন চন্দ্র দাসের গত ছয় মাস আগে আকষ্মিক মৃত্যু হয়। ওই শিক্ষকের কোন সন্তানাদি না থাকায়, একমাত্র ছোট ভাইয়ের মেয়ে টুম্পা দাস কে নিজের মেয়ের মতো লালন পালন করতেন। এটি দেখেই তার স্ত্রী শেলী দাস, ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রায়ই ওই শিক্ষকের সাথে সংসারে ঝগড়া বিবাদ করতেন।

  • বৃষ্টি কারণে সবজির দাম বৃদ্ধি

    বৃষ্টি কারণে সবজির দাম বৃদ্ধি

    গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে মানিকগঞ্জের সবজির বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়েছে গড়ে ১০ থেকে ২০ টাকা। ক্রেতাদের অভিযোগ- বাজার তদারকির অভাব এবং ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করছেন।

     

    ফলে দাম নিয়ে ত্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ হয়ে পড়েছেন চরম অসহায়।

    সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দামের ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ। সদর উপজেলার ভাটবাউর বৃহৎ কাঁচাবাজারের তথ্য অনুযায়ী, পাইকারিতে এক কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। অথচ খুচরা বাজারে সেই একই কাঁচামরিচের দাম ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা। একইভাবে পটল পাইকারিতে ৬০-৬৫ টাকা হলেও খুচরায় ৮০ টাকা, করলা ১০০, বেগুন ১০০-১২০, পেঁয়াজ ৮০, পেঁপে ২০ এবং আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    ক্রেতাদের অভিযোগ বাজার তদারকির অভাবে একই পণ্য মানিকগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ড, বেউথা ও হিজুলী বাজারে সবজির দামে তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে।

    হিজুলী বাজারে স্থানীয় এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দুই দিন আগেও পটল ৫০ টাকায় কিনেছি, আজ চাচ্ছে ৮৫! যে দোকানে যাবেন সবাই একই দামে বিক্রি করছে।”

    শুধু সবজি নয়, মাছের বাজারেও দেখা দিয়েছে একই চিত্র। এক সপ্তাহের মধ্যে রুই মাছের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৫০ টাকা, কাতলা ৬০ টাকা, আর তেলাপিয়া ৪০ টাকা। এখন রুই বিক্রি হচ্ছে ৪০০, কাতলা ৪৮০, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা কেজি দরে। দেশীয় মাছ যেমন টেংরা, শিং, কই প্রজাতির মাছের দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়াই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ ভিন্ন। তারা বলছেন, সরকারি নজরদারি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন।
    সরকার যেন দ্রুত বাজার তদারকির মাধ্যমে সবজি ও মাছের দাম নিয়ন্ত্রণের আনেন, এমন প্রত্যাশা ক্রেতাসাধারণের।