Author: তরঙ্গ টিভি

  • শিক্ষকদের আন্দোলন স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল শাহবাগ, ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি

    শিক্ষকদের আন্দোলন স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল শাহবাগ, ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি

    ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ ৩ দফা দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা শাহবাগ অবরোধ (ব্লকেড) করে বিক্ষোভ করছেন। তাদের স্লোগানে স্লোগানে শাহবাগ এলাকা উত্তাল হয়ে উঠেছে। শিক্ষকরা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চলবে।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অবস্থান কর্মসূচি থেকে এসে শাহবাগ ব্লকেড করেন শিক্ষকরা। এতে শাহবাগ মোড়ের চারদিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    এর আগে সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। গতকাল বিকেলে তারা ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করেন।

    শিক্ষকরা জানান, আমাদের কর্মবিরতি চলবে। ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা ও কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত কোনো শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন না।

    এদিকে শিক্ষকদের দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে পুলিশের বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে গত সোমবার সকাল থেকে সারা দেশের সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল–কলেজে ক্লাস কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

    গত রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ শিক্ষকদের সরাতে গেলে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং সেখান থেকে লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

    রোববার ও সোমবার রাতভর রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন শিক্ষকরা। কেউ প্লাস্টিকের চট বিছিয়ে, কেউ মাথার নিচে ব্যানার দিয়ে রাত কাটান। তাদের কথা, প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও আন্দোলন চলবে।

    অন্যদিকে, সারা দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছেন না, পাঠদান কার্যক্রমেও অংশ নিচ্ছেন না। বিদ্যালয়ের আঙিনা, শিক্ষক লাউঞ্জ কিংবা অফিসকক্ষে বসেই তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

    এছাড়া বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকরা হাতে ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়েও প্রতিবাদ করছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঢাকায় অবস্থানরত এবং আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষকরা।

  • সংস্কারের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ

    সংস্কারের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ

  • খুলনার পাইকগাছা ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শন।।

    খুলনার পাইকগাছা ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শন।।

    গড়াইখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কুমখালী গ্রামের খুতখালী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য জননেতা জনাব এসএম আমিনুল ইসলাম।

    পরিদর্শনকালে তিনি এলাকার জনগণের দুর্ভোগের চিত্র সরেজমিনে দেখেন এবং দ্রুত সংস্কার ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।এ সময় সঙ্গে ছিলেন গরইখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির জনাব কামরুল ইসলাম, নায়েবে আমির আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব জাহাঙ্গীর সরদার, ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গ্রামবাসী।জনাব এসএম আমিনুল ইসলামের বক্তব্য:তিনি বলেন,খুতখালী ভাঙনের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙন আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই—অতি দ্রুত এই ভাঙনস্থল মেরামতের ব্যবস্থা করা হোক।

    জনগণের জানমাল ও যোগাযোগব্যবস্থা রক্ষায় জরুরি উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, এলাকার মানুষদের পাশে থেকে বিষয়টি তদারকি করা হবে এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মন্তব্য:ইউনিয়ন আমির কামরুল ইসলাম বলেন,এলাকার প্রাণের দাবি নদী ভাঙন রোধ। সাময়িক নয়, স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ এখনই নিতে হবে।জনাব জাহাঙ্গীর সরদার বলেন বলেন,

    ভাঙন প্রতিদিন বড় হচ্ছে। রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর হুমকির মুখে। প্রশাসনের জরুরি নজরদারি প্রয়োজন।গ্রামবাসীরাও আশা প্রকাশ করেন যে, নেতৃবৃন্দের এই পরিদর্শনের পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

  • সন্দেহ আর টাকা আত্মসাতের ভয়—স্ত্রীকে হত্যা করে ডিপ ফ্রিজে রাখলেন স্বামী

    সন্দেহ আর টাকা আত্মসাতের ভয়—স্ত্রীকে হত্যা করে ডিপ ফ্রিজে রাখলেন স্বামী

    প্রায় দুই দশকের দাম্পত্য জীবনের করুণ পরিণতি—সন্দেহ এবং টাকা আত্মসাতের ভয় থেকেই ঘটেছে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ ডিপ ফ্রিজে লুকিয়ে রাখেন মো. নজরুল ইসলাম (৫৯)। সন্তানদের ফুফুর বাসায় রেখে আত্মগোপনে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বংশাল থানাধীন নবাবপুর রোড এলাকা থেকে কলাবাগান থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যে বাসার ওয়্যারড্রব থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো দা।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।

    তিনি বলেন, গত ১২ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে নজরুল ইসলাম কলাবাগানে একটি ফ্ল্যাটে ফিরে দেখেন ঘরের দরজার তিনটি লকের মধ্যে দুটি খোলা। স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের প্রতি দীর্ঘদিনের সন্দেহ— পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও তার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার ভয় তাকে উত্তেজিত করে। রাত ১২টার দিকে ঘুমন্ত স্ত্রীর মাথায় ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করেন তিনি। এরপর মরদেহ গামছা দিয়ে বেঁধে, বিছানার চাদর ও ওড়না দিয়ে মুড়িয়ে বাসার ডিপ ফ্রিজে লুকিয়ে রাখেন।

    পরে রক্তমাখা তোশক উল্টিয়ে, মেঝে পরিষ্কার করে এবং নিজের জামাকাপড় ধুয়ে আলামত গোপনের চেষ্টা করেন। পরদিন সকালে নজরুল ইসলাম তার বড় মেয়ে নাজনীন আক্তারকে জানায়, তাদের মা অন্য পুরুষের সঙ্গে পালিয়েছে। এসময় নাজনীন আক্তার ঘরের দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পায়। এরপর নজরুল ইসলাম তার দুই মেয়েকে নানার বাড়ি রেখে আসার কথা বলে রাজধানীর আদাবরে তাদের ফুফুর বাসায় রেখে নিজের প্রাইভেটকারে করে পালিয়ে যান।

    ডিসি মাসুদ আলম বলেন, এ বিষয়ে সন্দেহ হলে নিহত নারীর ছোট ভাই নাঈম হোসেন ও দুই মেয়ে ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কলাবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলাবাগান থানা পুলিশের একটি টিম নিহত নারীর ওই ফ্ল্যাটে উপস্থিত হয়ে ফ্ল্যাটের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ঘরের মধ্যে রাখা ডিপ ফ্রিজ খুলে ফ্রিজের ওপর থেকে মাছ-মাংস সরালে ফ্রিজের ভেতর চাদর দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় তাসলিমা আক্তারের মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ।

    তিনি বলেন, নিহতের পরিবারের লোকজন ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিমের সহায়তায় কলাবাগান থানা পুলিশ ডিপ ফ্রিজের ভেতর থেকে হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওইদিন রাতে তাসলিমার ছোট ভাই নাঈম হোসেন বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

    dhakapost

    মামলাটি রুজুর পর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় কলাবাগান থানা পুলিশ নিহতের স্বামী মো. নজরুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার নিজ বাসার ওয়্যারড্রব থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তার নজরুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ডিসি মাসুদ আলম জানান, নজরুল ইসলাম ও তাসলিমা আক্তার দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। নজরুল ইসলাম অবৈধ সম্পর্কের সন্দেহে স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। এমনকি সে ভয় পেতো যে স্ত্রী তার সম্পত্তি ও ব্যাংকে রাখা অর্থ হাতিয়ে নেবে। এই সন্দেহ ও নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা থেকেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রমনা বিভাগের ডিসি বলেন, ঘাতক স্বামীর একটি অ্যাকাউন্টে ফিক্সড ডিপোজিট করা ছিল এক কোটি টাকা। নমিনি ছিলেন তার স্ত্রী। আরেকটি অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকা ছিল সেটাও নমিনি স্ত্রীর নামে। এই টাকা নেওয়ার জন্য নজরুল ইসলামকে তার স্ত্রী যে-কোনো সময় মেরে ফেলতে পারে বলে ধারণা ছিল গ্রেপ্তার নজরুল ইসলামের।

  • রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বৈঠক সন্ধ্যায়

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বৈঠক সন্ধ্যায়

    জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে মতভিন্নতা তৈরি হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত থাকবেন।

    এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিশন প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ‍্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    আগামী ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

  • মিরপুরে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জেএসএফ

    মিরপুরে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জেএসএফ

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম (জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতিতে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। খবর আইবিএননিউজ।

    তিনি আরোও বলেছেন,মিরপুরের আরএমজি কারখানা ও রাসায়নিক গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। সৃষ্টিকর্তার কাছে নিহতদের আত্মার চির শান্তি দান করুন এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।

    এই ধরনের হৃদয়বিদারক ঘটনা বারবার ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের অবশ্যই কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তার মান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে, যাতে অবহেলার কারণে আর কোনও প্রাণহানি না ঘটে। তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
    এ ঘটনায় যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। বার বার তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে ও আজ পর্যন্ত কোন তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

    সংবাদ মাধমে জানা যাচ্ছে , অগ্নিকাণ্ডের ওই ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খোঁজে ঘটনাস্থলে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ছুটে বেড়াচ্ছেন স্বজনরা। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে স্বজনদের পাশাপাশি ভিড় জমিয়েছে উৎসুক জনতাও। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও

  • রূপগঞ্জে ময়লার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    রূপগঞ্জে ময়লার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    ঢাক-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান বাইপাস সড়কের মোড়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা, গাউছিয়া ও গোলাকান্দাইল এলাকায় অপরিকল্পিভাবে দেওয়া ময়লার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

     

    গতকাল ১৫অক্টোবর বুধবার রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে গোলাকান্দাইল গোলচত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন পূর্বক আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান।

    প্রধান অতিথি হিসেবে সভায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ টুটুল, বিশেষ অতিথি রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আব্দুল্লাহ, মাসুদ বাবুল, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম হিরন, আবুল হোসেন, যুবদল নেতা আবুল কাশেম, কৃষকদল নেতা আব্দুল মোমেন প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, ঢাক-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান বাইপাস সড়কের ভুলতা গাউছিয়া মোড় অত্যন্ত জনবহুল এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে এখানে অপরিকল্পিতভাবে আশপাশের মার্কেটের নির্গত ময়লার স্তুপ দিয়ে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সড়কের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ময়লার দুর্গন্ধে সড়কে চলাচল করা যাচ্ছে না। অবিলম্বে এখানকার বর্জ্য ডাম্পিং করতে হবে। ময়লার স্তুপ অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    উল্লেখ্য গত ৭/৮বছর ধরে ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে আশপাশের মার্কেটের নির্গত ময়লার স্তুপ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফা উদ্যোগ নিলেও কোন সুফল হয়নি।

  • নয় বছর পর গুম হওয়া রেজওয়ান হোসেনের ঘটনায় তদন্ত শুরু।

    নয় বছর পর গুম হওয়া রেজওয়ান হোসেনের ঘটনায় তদন্ত শুরু।

    যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বারোপোতা গ্রামের গুম হওয়া যুবক মোঃ রেজওয়ান হোসেনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি বিশেষ তদন্ত দল।

     

    ২০১৬ সালের ৪ অক্টোবর বেলা বারোটার পর বেনাপোল ভূমি অফিস সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে তৎকালীন বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপূর্ব হাসানের নেতৃত্বে এসআই নূরে আলমসহ পুলিশের একটি দল রেজওয়ান হোসেনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনেরা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রেজওয়ানকে তুলে নেওয়ার পর তারা বেনাপোল পোর্ট থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলে ওসি অপূর্ব হাসান তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং থানার বাইরে বের করে দেন। পরবর্তীতে তারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও গত নয় বছরেও রেজওয়ানের কোনো খোঁজ মেলেনি।

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বুধবার (১৫ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। দলটি রেজওয়ানকে গ্রেফতারের স্থান পরিদর্শন করে এবং এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

    এ সময় বেনাপোলের বিভিন্ন পেশাজীবী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মানবাধিকারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    রেজওয়ানের ভাই রিপন হোসেন জানান, “আমরা বহু বছর ধরে ভাইয়ের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আজ তদন্ত টিম আসায় আমরা নতুন করে আশার আলো দেখছি। আমরা গুমের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।”

    এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত শেষ করে রেজওয়ানের নিখোঁজের রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

  • দুমকি উপজেলায়,  বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে র‌্যালি, প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা।।

    দুমকি উপজেলায়, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে র‌্যালি, প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা।।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, পালিত হয়েছে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস -২৫। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে র‌্যালি, হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

     

    দিনটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুজর মোঃ ইজাজুল হক। তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। আমাদের হাতই প্রায় সময় রোগজীবাণুর বাহক হয়ে ওঠে।

     

    তাই নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আমরা চাই আগামী প্রজন্ম সুস্থভাবে বেড়ে উঠুক এবং হাত ধোয়ার নায়ক হয়ে জাতিকে নেতৃত্ব দিক।”অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোছাঃ নিপা বেগম।

     

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির জালাল উদ্দিন, সরকারি জনতা কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহীদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি।অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি প্রদর্শন করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

  • মিরপুরে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জেএসএফ

    মিরপুরে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জেএসএফ

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম (জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতিতে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। 

     

    তিনি আরোও বলেছেন,মিরপুরের আরএমজি কারখানা ও রাসায়নিক গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। সৃষ্টিকর্তার কাছে নিহতদের আত্মার চির শান্তি দান করুন এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।

    এই ধরনের হৃদয়বিদারক ঘটনা বারবার ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের অবশ্যই কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তার মান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে, যাতে অবহেলার কারণে আর কোনও প্রাণহানি না ঘটে। তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
    এ ঘটনায় যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। বার বার তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে ও আজ পর্যন্ত কোন তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

    সংবাদ মাধমে জানা যাচ্ছে , অগ্নিকাণ্ডের ওই ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খোঁজে ঘটনাস্থলে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ছুটে বেড়াচ্ছেন স্বজনরা। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে স্বজনদের পাশাপাশি ভিড় জমিয়েছে উৎসুক জনতাও। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।