Author: তরঙ্গ টিভি

  • কয়রায় জামায়াতে ইসলামীর ঐতিহাসিক ছাত্র-যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    কয়রায় জামায়াতে ইসলামীর ঐতিহাসিক ছাত্র-যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, কালো টাকা, মনোনয়ন বাণিজ্য, চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজদের যারা নির্বাচিত করতে পারবে না, তারাই পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন।

     

    জুলাই সনদকে আইনী ভিত্তি দিয়ে আগামী নির্বাচন কিভাবে হবে তা নির্ধারণে গণভোট নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, জনগণ যদি পিআর’র পক্ষে ভোট না দেয়, জামায়াত সেই রায় মেনে নেবে। গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বাস্তবায়ন হয়নি। একটি দলকে খুশি করতে প্রশাসন তাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ করতে হবে। তিনি বলেন, ৫৪ বছরের ইতিহাসে অনেক শাসন আমরা দেখেছি। এখন দেশের মানুষ জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। সারা দেশে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের জনপদ থেকে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাকে পার্লামেন্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে।

    শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে খুলনা জেলার কয়রা কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
    কয়রা উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক খুলনা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

    কয়রা উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা শেখ মো. সায়ফুল্যাহ’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস ও গাউসুল আযম হাদী, খুলনা জেলা উত্তরের সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির, খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খুলনা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার আল গিফারী ও সেক্রেটারি মো. অয়েস কুরুনী, কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের খুলনা জেলার সহ-সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আসাদুল্যাহ আল গালিব, কয়রা উপজেলা হিন্দু কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিরন চন্দ্র মন্ডল, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মতিউর রহমান, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন আমীর জি এম নূর কামাল, কয়রা ইউনিয়ন আমীর জি এম মিজানুর রহমান, মহারাজপুর ইউনিয়ন আমীর সাইফুল্লাহ হায়দার, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আমীর মৌলভী আবু সাঈদ, বাগালী ইউনিয়ন আমীর হাফেজ মাওলানা আব্দুল হামিদ, আমাদী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা সাজ্জাদুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কয়রা দক্ষিণ থানার সভাপতি আসমাতুল্লাহ আল গালিব, কয়রা আদর্শ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম, কয়রা উত্তর থানা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাফেজ আল আমীন, হাফেজ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

    সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমীরে জামায়াত বলেছেন আমরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। আমাদের আগামীর সংগ্রাম হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমরা একবার ক্ষমতার অংশীদার হয়েছিলাম, আমাদের দুজন মন্ত্রী ছিল। সকল সংস্থা তন্নতন্ন করেও তাদের কোন দুর্নীতি খুঁজে পায়নি। আগামী দিনে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে এই দলের এমপিরা ফ্রি প্লট, ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি, ফ্ল্যাট নেবেনা।
    মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবারের নির্বাচন মহা উৎসবের সাথে পালিত হবে বলে বিশ্বাস করি। আমাদের নেতারা ইসলামের বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন। আমাদের সামনে সেই সুযোগ হাজির হয়েছে। দেশের সকল ইসলামি দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আজকের কর্মসূচী পর্দায় অন্তরালে অনেক মা বোন এসেছেন। হিন্দু ভাইয়েরা এসেছেন। তারা ভোটে দাঁড়িপাল্লার জন্য কাজ করবেন।

    নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে যাবে আজকের সমাবেশ তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ পর্যন্ত যতো সমীক্ষা হয়েছে, সব সমীক্ষায় দেখা গেলে আগামীতে ইসলামি দল বিজয়ী হবে। কিছু রাজনৈতিক দল কেন পি আর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন জানতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যারা দেশটাকে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে ফেলেছেন তারাই পিআর সিস্টেমের বিরোধিতা করছেন। তিনি বলেন, এ দেশের তরুণ যুবকরা জেগে উঠেছে। এই প্রজন্ম আগামী নির্বাচনে তাদেরকে প্রতিহত করবে।

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ আইসিটি কর্তৃক বেহাত হওয়া মোবাইল  মালিকদের কাছে হস্তান্তর

    নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ আইসিটি কর্তৃক বেহাত হওয়া মোবাইল মালিকদের কাছে হস্তান্তর

    বিভিন্ন উপায়ে বেহাত হওয়া প্রায় ৬১টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে আজ নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন (পিপিএম, বার)

     

    জানা গেছে জনাব জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের আইসিটি শাখার একটি চৌকস টিম মোবাইল হারানোর জিডি তদন্ত করে সর্বমোট ৬১টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে।
    যা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আজ এক কনফারেন্সে পুলিশ সুপার মোবাইলের প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেন। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার বলেন, “বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। অনেকে টাকা হারিয়ে গেলে যতটা কষ্ট না পায় তার চেয়ে মোবাইল হারিয়ে গেলে বেশি কষ্ট পায়। কারণ মোবাইলে ব্যক্তিগত অনেক তথ্য, ছবি, ভিডিও এবং ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনেক তথ্য থাকে।” তিনি আরও বলেন, “মোবাইল হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করতে হয় । জিডির একটি কপি আইসিটি শাখায় জমা দিলে আইসিটি শাখার অফিসাররা হারানো মোবাইল উদ্ধার করার জন্য কাজ করে থাকেন।”

     

    এই সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ আইসিটি শাখার অফিসার- ফোর্স উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ভূক্তভোগীরা তাদের হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জেলা পুলিশের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান।

  • পানছড়ির শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব উদযাপন

    পানছড়ির শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব উদযাপন

    ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম কঠিন চীবর দান।

     

    বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় আয়োজিত এ উৎসব শুরু হয় শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকাল থেকে। মোনোঘর জুম থেকে তুলা সংগ্রহের মাধ্যমে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী চীবর তৈরির প্রক্রিয়া। এরপর পর্যায়ক্রমে তুলা থেকে বীজ পৃথক করা, চরকার মাধ্যমে সুতা তৈরি, সুতা সিদ্ধ ও রঙ করা, শুকানো এবং রাতভর কাপড় বুননের পর শনিবার ভোরে সম্পন্ন হয় চীবর সেলাই।

    শনিবার সকালে পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, শ্রামণসংঘ ও অষ্টশীল পালনকারীদের প্রাতঃ পিণ্ডদান, বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলন, বুদ্ধ পূজা ও সীবলী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম। পরে কল্পতরু দান ও ধর্মদেশনা শোনেন বৌদ্ধ নর-নারীরা।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবন বিহার, রাঙ্গামাটির আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞা লংকার মহাস্থবির।
    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—
    শাসন রক্ষিত মহাস্থবির, অধ্যক্ষ, শান্তিপুর অরণ্য কুটির
    মহামিত্র মহাস্থবির, অধ্যক্ষ, ধর্মচক্র অরণ্য কুটির, রামগড়
    বিমলান্দ মহাস্থবির, মৈত্রীপুর বন ভাবনা কেন্দ্র, ইটছড়ি, খাগড়াছড়ি
    দেবমিত্র মহাস্থবির, রাজবন বিহার, রাঙ্গামাটি
    এছাড়াও খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন অরণ্য কুটিরের মহাস্থবিরগণ উপস্থিত ছিলেন।

    দিনব্যাপী আয়োজনে মূল আকর্ষণ ছিল কঠিন চীবর দান—যেখানে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা, সুতা থেকে কাপড় বুনে তৈরি করা হয় চীবর, যা পরে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরিধেয় বস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    বৌদ্ধ শাস্ত্র মতে, গৌতম বুদ্ধের অনুগামী মহা উপাসিকা বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত এই কঠিন চীবর দান রীতি সবচেয়ে পবিত্র ও পুণ্যময় দান হিসেবে বিবেচিত।

    উৎসব উপলক্ষে শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে সমবেত হন হাজারো নারী-পুরুষ, ভিক্ষু ও উপাসক-উপাসিকারা।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর অরণ্য কুটিরের প্রধান উপদেষ্টা সমীর দত্ত চাকমা, সহ-সভাপতি অসেতু বিকাশ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চাকমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    উৎসব শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ব শান্তি, মানবকল্যাণ ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে একযোগে প্রার্থনায় অংশ নেন।

  • সেনাবাহিনীর মর্যাদাকে যাহারা ক্ষুন্ন করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে

    সেনাবাহিনীর মর্যাদাকে যাহারা ক্ষুন্ন করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে

    যারা জুলাই আন্দোলনে যারা ছাত্রজনতার পক্ষে ছিলেন, তাদের আমরা সাধুবাদ জানাই। আর যে সব সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবির সদস্য জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

     

    শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    শেখ হাসিনার আমলে গুম খুন ও আয়নাঘরের সঙ্গে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে আখতার বলেন, সেনাবাহিনীর জেনারেলরা হাসিনার আনুকুল্য পেতে গুম খুনের সাথে জড়িত। এই জেনারেলরা শুধু একটা পরিবারকে ধ্বংশ করেছে তা নয়, বরং গোটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংশ করেছে। তারা সেনাবাহিনীর মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করেছে। তাছাড়া বাহিনীর সদস্য দ্বারা গুম, খুন না হলে শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট হত না। তাই সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও গোয়েন্দা বাহিনীর প্রতিষ্ঠানকে জনগণের প্রতিষ্ঠান করতে হলে অবশ্যই তাদের বিচারের আওতান আনতে হবে।

    আখতার হোসেন বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের বিষয়ে কোনো দলের সঙ্গে এখনো বৈঠক করেনি এনসিপি। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে রক্ষার্থে যদি কখনো জোটের প্রয়োজন হয় তাহলে এনসিপি ওপেন রয়েছে। কেননা এনসিপি বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করছে এবং আগামীতেও করবে।

    তিনি আরো বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই বিচার ও প্রয়োজনে সংস্কার করতে হবে। এটা জুলাইয়ের আকাঙ্খা। ঐক্যমত কমিশনে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তির দাবীতে রাজনৈতিক দলগুলো অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলেও জানান আখতার হোসেন।

    এর আগে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর হয়ে রংপুরে আসেন আখতার হোসেন। পরে সম্প্রতি প্রয়াত রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান লাকুর কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে। এরপর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা গ্রহণ করেন এবং সাক্ষাত করেন। পরে মোটরসাইকেল শোডাউনে অংশ নেন তিনি।

  • লস্কর ইউনিয়নের ভরেঙ্গা চক–লেবুবুনিয়া রাস্তায় সংস্কারের অভাব: ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    লস্কর ইউনিয়নের ভরেঙ্গা চক–লেবুবুনিয়া রাস্তায় সংস্কারের অভাব: ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের ভরেঙ্গা চক থেকে লেবুবুনিয়া পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের বহু আবেদন–নিবেদনের পরও এ রাস্তাটি সংস্কারের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

    সরজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটির অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে তা জলাবদ্ধতায় রূপ নেয়। হাঁটাচলা তো দূরের কথা, রোগী পরিবহন কিংবা পণ্য আনা-নেওয়াতেও ভোগান্তির শেষ নেই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিগত সরকারের আমলে একাধিকবার সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যত কোনো কাজ হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, “সংস্কারের নামে চলছে শুধু প্রতিশ্রুতির বাণিজ্য — আর তার আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন।”

    ভরেঙ্গা চকের বাসিন্দা বিশ্বনাথ মহোদয় বলেন, “প্রশাসন চাইলে এই রাস্তা অনেক আগেই সংস্কার হতে পারতো। কিন্তু তারা চায় না, যেন এই রাস্তা ঠিক হয়। আমরা বছরের পর বছর কষ্ট পাচ্ছি।”

    এলাকাবাসীর দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ভরেঙ্গা চক থেকে লেবুবুনিয়া পর্যন্ত রাস্তাটির সংস্কারকাজ শুরু করা হোক, নতুবা তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

    বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন তরঙ্গ টিভির চ্যানেলে

  • খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের ভরেঙ্গা চকের সুইচ গেট থেকে লেবুবুনিয়া রং রাস্তাটি দীর্ঘ দিনের সংস্কারের জন্য কোন উদ্যোগ নেই।

    খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের ভরেঙ্গা চকের সুইচ গেট থেকে লেবুবুনিয়া রং রাস্তাটি দীর্ঘ দিনের সংস্কারের জন্য কোন উদ্যোগ নেই।

    দীর্ঘ দিনের আশা নিয়ে সংস্কারের জন্য বসে আছেন এলাকা বাসী, বিগত সরকারের আমলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পরপর এমপি মহোদয় গন মিথ্যা আশ্বাস দিয়েছেন কার্যত কোন আশানুরূপ ফল পায়নি এলাকা বাসী।

     

    সরজমিনে দেখা যায় এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন বহুবার কিন্তু সংস্কারের নামে চলছে অবৈধ অর্থ-বাণিজ্য যা সকলেই জানেন। আমরা এলাকায় সরজমিনে গিয়ে অনেক না জানা কাহিনী মানতে পারি।

     

    এলাকাবাসী ক্ষোভে দুঃখে বলতে শোনা যায়। বিশ্বনাথ মহোদয় জানান প্রশাসন আমাদের রাস্তাটি আরোও সংস্কার হউক তা তারা চায় না। বিগত দিনের অনেক চেয়ারম্যান মহোদয় এই বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন ভিন্ন কথা। বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন তরঙ্গ টিভির চ্যানেল

  • দেশ গঠনে তারুণ্যের প্রতীক তারেক জিয়ার ৩১ দফার বিকল্প নেই: জাকির হোসেন ধলু

    দেশ গঠনে তারুণ্যের প্রতীক তারেক জিয়ার ৩১ দফার বিকল্প নেই: জাকির হোসেন ধলু

    দেশ গঠনে তারুণ্যের প্রতীক তারেক জিয়ার প্রণীত ৩১ দফা কর্মসূচির বিকল্প নেই উল্লেখ করে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তৃণমূলের প্রিয় নেতা মোহাম্মদ জাকির হোসেন ধলু বলেছেন, “আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হলে ৩১ দফা কর্মসূচি তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে।”

    শনিবার (১১ অক্টোবর) দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শালবন কমিউনিটি সেন্টারে বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    ধলু বলেন, “সময় এসেছে ঘরে বসে থাকার নয়। আমাদের দামে গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে তারেক রহমানের ৩১ দফা পৌঁছে দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তি নয়, দল বড়; আর দলের চেয়েও বড় আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ। বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা মাঠে ছিলাম, এখনো আছি।”

    তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “তারেক রহমান মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রাখছেন। যদি তিনি আমাকে মনোনয়ন দেন, ইনশাল্লাহ দিনাজপুর-১ আসনটি আমরা তারেক রহমান ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারব।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাদুল ইসলাম দুলাল, আক্কাস আলী, মাসুদ রানাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    সভায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ধলু ভাইয়ের নেতৃত্বে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • সাবেক ডিজিএফআই প্রধানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ: সেনাবাহিনীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া, পরিস্থিতি উত্তপ্ত

    সাবেক ডিজিএফআই প্রধানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ: সেনাবাহিনীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া, পরিস্থিতি উত্তপ্ত

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    এই ঘটনায় সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা নজিরবিহীন এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনালের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

    সূত্রমতে, বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সরকারের শাসনামলে সংঘটিত হত্যা, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের পাঁচজন সাবেক প্রধানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। আবেদনে অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করা হয়।

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে একটি জরুরি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে প্রায় ৫৬ জন জেনারেল এই বৈঠকে অংশ নেন বলে জানা যাচ্ছে। বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা ট্রাইব্যুনালের এই পদক্ষেপকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘অসম্মানজনক’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য কয়েকজন সাবেক সেনাপ্রধানকেও সদর দপ্তরে ডাকা হতে পারে।

    এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনা করছে। সামরিক বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের এমন প্রতিক্রিয়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

    এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য তার এক ফেসবুক পোস্টে এই পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে লিখেছেন, “সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব বিপজ্জনক আচরণ করছেন।” তিনি আসন্ন সংকট নিরসনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসকে জরুরিভিত্তিতে দেশবাসীকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। দেশের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব এবং বিচার বিভাগের মধ্যে সৃষ্ট এই টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে পর্যবেক্ষক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সকলেই এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে।

  • মামলার আলামত গায়েবের ঘটনায় কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফসহ ৬ জন তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব!

    মামলার আলামত গায়েবের ঘটনায় কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফসহ ৬ জন তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব!

    এক দশক আগে দায়েরকৃত আলামত গায়েবের ঘটনায় কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফসহ একই মামলার ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    আদালতের আদেশ অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর ছয়জনকে স্বশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক সিরাজাম মুনীরা। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিএমপি পুলিশ কমিশনার ও এসি (প্রসিকিউশন)-এর কাছে আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. মফিজ উদ্দিন।

    মামলার নথি সূত্রে আরও জানা গেছে, অত্র মামলা ২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর দায়ের হয়। এরপর মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন-১ম তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের এডি মানিক লাল দাশ, ২য় তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই আক্তার হোসেন, ৩য় তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ৪র্থ তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এসআই শুভ্র মুকুল চৌধুরী, ৫ম তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ৬ষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সাবেক ইন্সপেক্টর বর্তমান সিএমপি কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফ। সর্বশেষ এই ষষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ করে পৃথক তিনটি চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, স্বাভাবিকভাবে মামলার অভিযোগপত্র দাখিলকারী তদন্ত কর্মকর্তা মামলায় জব্দকৃত আলামত ও অন্যান্য কাগজপত্র পূর্ববর্তী তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রাপ্ত হওয়ার পর তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এছাড়া, জব্দকৃত আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় থানা, কোর্ট মালখানা বা প্রয়োজনীয় স্থানে জমা দিয়ে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

    কিন্তু এ মামলাটিতে ওসি মুহাম্মদ শরীফ জব্দকৃত আলামত পূর্ববর্তী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গ্রহণ না করে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন, যা যথাযথ প্রক্রিয়া ব্যাহত করেছে। এজন্য ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২২ অক্টোবর আলামত উপস্থাপনসহ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক সিরাজাম মুনীরা।

    চার্জশিট সূত্রে জানা গেছে, ওসি মুহাম্মদ শরীফ ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর মামলাটির তদনন্দের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সার্বিক তদন্তে তিনি জানান, আসামি জাফর আহমদ দীর্ঘদিন ধরে রেয়াজউদ্দিন বাজারে কাঁচা বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বিদেশী ডলার ক্রয়-বিক্রয় করছিলেন। তার কোনো বৈধ লাইসেন্স ছিল না। মূলত জাফর আহমদ আচার ও সিগারেট বিক্রির আড়ালে ডলার ক্রয়-বিক্রয় এবং হুন্ডির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে অর্থ পাচারের ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা, দুদকের তখনকার উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাশ বলেন, যখন আমি চট্টগ্রাম দুদকে ছিলাম তখন মামলাটি আমার কাছে এক মাস ছিলো। তবে তদন্তে অগ্রগতি ছিলো না। পরে যখন মামলাটি পুলিশের কাছে গেছে তখন সমস্ত আলামত আর নথিপত্র পুলিশের পরবর্তী তদন্ত কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতটুকু মনে আছে। বর্তমানে আমি অবসরে আছি।’

    সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও চার্জশিট দাখিলকারী ওসি মুহাম্মদ শরীফের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতেও রাজি হননি।

    এদিকে কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে আরও নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তন হলে বিএনপির একাংশের ভাগ্য বদলে যায়, আর এসব ভাগ্য বদলে যাওয়া বিএনপি নেতাদের সাথে আঁতাত করে ওসি মোহাম্মদ শরীফ হয়ে ওঠে রাজকীয় ওসি।

  • দুর্গাপুরে সেচ্ছাসেবক দলের মাদক বিরোধী মানববন্ধন ও সমাবেশ

    দুর্গাপুরে সেচ্ছাসেবক দলের মাদক বিরোধী মানববন্ধন ও সমাবেশ

    ‘‘মাদক বিক্রি করে যারা – সমাজ থেকে তাদের তারা’’ এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল কুল্লাগড়া ইউনিয়নের আয়োজনে ও কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দিক নির্দেশনায়, মাদক বিরোধী সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) বিকেলে পৌরশহরের শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় সর্বস্তরের অংশগ্রহনে মাদক বিরোধী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

    উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মীর্জা নজরুল এর সঞ্চালনায়, ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভুঁইয়া, সহ:সভাপতি এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্, আব্দুল্লাহ আল মামুন মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ¦ জামাল উদ্দীন মাস্টার, বিএনপি নেতা অঞ্জন চিছাম, ইউনিয়ন বিএনপি‘র সাধারণ সম্পাদক শাহালম। এছাড়া বিএনপি ও তার অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগণ, স্থানীয় ছাত্র-শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী সহ সকল জনগণ মানববন্ধনে অংশনেন।

    বক্তারা বলেন, মাদক আজ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। কোনো প্রকার ছাড় না দিয়ে মাদক কারবারিদের শেকড় থেকে উৎখাত করতে হবে। আজ থেকে সকলকে শপথ করতে হবে, মাদক ইস্যুতে কাউকে ছাড় নয়। মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের আশ্রয় দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।