Author: তরঙ্গ টিভি

  • ড. তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

    ড. তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

    স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার অন্যতম অগ্রদূত। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে গঠনমূলক ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন, যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ স্থানীয় সরকার ও সমবায় বিষয়ক একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠ গবেষক ও লেখক। তিনি সারা জীবন দেশের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত ছিলেন। স্থানীয় সরকার ও রাজনীতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে তার রচিত প্রায় ২০টি গ্রন্থ ও দেশি-বিদেশি জার্নাল ও পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত অসংখ্য প্রবন্ধ, যা যুগের পর যুগ ধরে আমাদের জ্ঞানচর্চাকে সমৃদ্ধ করবে।

    আরও পড়ুন

    হাসিনার বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    হাসিনার বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

     

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক অধ্যাপক জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিতে (বাংলাদেশ) স্থানীয় শাসন উপদেষ্টা হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও নিবেদিতপ্রাণ গবেষককে হারালো। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. তোফায়েল আহমেদ বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ৯টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    ২০২৪ সালের অক্টোবরে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত নির্বাচনি সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন ড. তোফায়েল আহমেদ। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

  • যানজটে আটকা পড়ার কারণ জানালেন সড়ক উপদেষ্টা

    যানজটে আটকা পড়ার কারণ জানালেন সড়ক উপদেষ্টা

    দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ে মোটরসাইকেলে চড়ার কারণ হিসেবে ট্রাফিক অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চার ও ছয় লেনের কাজের অগ্রগতি দেখতে যানজটে এসে আটকে পড়েছিলেন তিনি। পরে নিরুপায় হয়ে তাকে মোটরসাইকেলে চড়তে হয়। পরে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান তিনি।

    সড়ক উপদেষ্টা জানান, যানজটের মূল কারণ সড়কের অবস্থা নয়, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা।

    আরও পড়ুন

    হাসিনার বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    হাসিনার বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

     

    তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব ছিল ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কিন্তু তা ঠিকভাবে হচ্ছে না।

    এ সময় যানজটে আটকে থাকার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমার মনে হয়েছে যদি ট্রাফিক শৃঙ্খলা থাকত, তাহলে এ রকম পরিস্থিতি হতো না। হয়তো আধাঘণ্টা সময় বেশি লাগত, কিন্তু এতটা দুর্ভোগ হতো না। প্রধান সমস্যা রাস্তা নয়, মানুষের আচরণ ও হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ঘাটতি।

    এ সময়, তার সঙ্গে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মহাম্মদ দিদারুল আলম, পুলিশ সুপার এহতেশামুল হকসহ আরও অনেকে।

  • হাসিনাসহ ৩০ জনের গ্রেফতারি পরোয়ানা গেল ১২ দপ্তরে

    হাসিনাসহ ৩০ জনের গ্রেফতারি পরোয়ানা গেল ১২ দপ্তরে

    গুমের দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের গ্রেফতারি পরোয়ানা আইজিপির কাছে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর ১২ দপ্তরে পাঠানো হয়।

    বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য জানিয়েছে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়।

    এ প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকালেই দুই মামলায় ৩০ আসামির বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা আইজিপি ও ১২টি দপ্তরে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    ১২ দপ্তর হলো- চিফ অব আর্মি স্টাফ, চিফ অব জেনারেল স্টাফ, এডজুটেন্ট জেনারেল (আর্মি হেডকোয়ার্টার), ডিজি ডিজিএফআই, ডিজি এনএসআই, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন) সচিব প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, ডিরেক্টর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স, ডিরেক্টর পার্সোনেল সার্ভিস ডিরেক্টরেট (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী), কমান্ডেন্ট আর্মি সিকিউরিটি ইউনিট, প্রভোস্ট মার্শাল, সিইও (আর্মি এমপি ইউনিট ফর ইনফরমেশন)।

    এর আগে, বুধবার (৮ অক্টোবর) টিএফআই সেলে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে জেআইসিতে গুমের ঘটনায় আরেক মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই দিন সকালে এ দুই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউশন।

     

    আরও পড়ুন

    হাসিনাকে বাংলাদেশ নিয়ে আর কথা বলতে দেবে না ভারত

    হাসিনাকে বাংলাদেশ নিয়ে আর কথা বলতে দেবে না ভারত

     

    মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ ডিজিসহ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই এখনও কর্মরত রয়েছেন। তবে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিলের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধিত আইন অনুযায়ী তারা কোনো পদে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

  • সাত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যুবলীগ নেত্রী লাবণ্য গ্রেফতার

    সাত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যুবলীগ নেত্রী লাবণ্য গ্রেফতার

    রাজধানীর আফতাবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যুবলীগ নেত্রী লাজলী আক্তার লাবণ্য চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) স্মাগলিং অ্যান্ড ফেক কারেন্সি টিম।

    ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, স্মাগলিং অ্যান্ড ফেইক কারেন্সি টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মাঈন উদ্দিন চৌধুরী জানান, গ্রেফতার লাবণ্য চৌধুরীর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার জিআর মামলা, সিরাজগঞ্জ সদর থানার সিআর মামলা এবং বংশাল থানার সিআর মামলা রয়েছে।

    ওয়ারেন্ট কার্যকর করে লাবণ্যকে গ্রেফতারের পর মিরপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লাবণ্য নিজেকে যুবলীগের নেত্রী পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত। যদিও তিনি সংগঠনটিতে কোনো আনুষ্ঠানিক পদে নেই, তবুও বিভিন্ন যুবলীগ নেত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে প্রভাব খাটাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

  • আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর

    আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর

    আগামী পাঁচদিনের মধ্যে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বিদায় নিতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী রোববার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

  • মৌসুমি বায়ুর বিদায়ের পালা, আসছে ঠান্ডা রাত

    মৌসুমি বায়ুর বিদায়ের পালা, আসছে ঠান্ডা রাত

    আগামী ১২ অক্টোবরের দিক থেকে দেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল দিয়ে মৌসুমি বায়ুর বিদায় প্রক্রিয়া শুরু হবে। যা পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সম্পন্ন হবে। এর পরপরই দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

    আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন বিভাগে ধাপে ধাপে এই বর্ষার বিদায় সম্পন্ন হবে। আগামী ১২ থেকে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ দিয়ে মৌসুমি বায়ু বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এ ছাড়া খুলনা, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ১৩ থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে বর্ষা বিদায় নিতে পারে। সেই সাথে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সবশেষে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ অক্টোবর নাগাদ মৌসুমি বায়ু সম্পূর্ণভাবে বিদায় নেবে।

    সংস্থাটি জানায়, এই সময়ের পর উল্লেখিত এলাকাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। তবে নতুন কোনো নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড় বা বিশেষ পরিবেশ সৃষ্টি হলে সাময়িকভাবে আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর আপাতত দেশের ওপর নতুন করে কোনো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা নেই। তবে, অক্টোবরের ২৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো লঘুচাপ, নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা পাওয়া যায়নি।

    বিডব্লিউওটি জানায়, বৃষ্টি বলয় এবং মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর আবহাওয়াতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে। এই সময় দিন এবং রাতের তাপমাত্রার মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য তৈরি হবে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেশ বেড়ে যাওয়ায় গরম অনুভূত হবে, কিন্তু মাঝরাতে আবহাওয়া অনেকটা ঠান্ডা ও আরামদায়ক হয়ে উঠবে।

    দিনের গরম ও রাতের ঠান্ডার এই তারতম্যের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা সংস্থাটির। তারা বলছেম, এই কারণে দেশজুড়ে সাময়িকভাবে জ্বর, সর্দি, কাশির মতো অসুস্থতা অনেক বেড়ে যেতে পারে। যদিও সব বয়সের মানুষই এতে আক্রান্ত হতে পারে, তবে শিশু এবং বয়স্করা সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হয়ে থাকেন। তাই এই সময়ে নিজের এবং পরিবারের সকল সদস্যের দিকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে এবং শিশুদের আলাদা যত্ন নিতে হবে।

  • মাগুরায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

    মাগুরায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

    মাগুরার শালিখায় মোটরসাইকেল ও লাটার (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার তালখড়ি ইউনিয়নের সাতনা ফুরিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন—মোটরসাইকেল আরোহী আবু হুরাইরা (২২) ও অজ্ঞাত পথচারী। নিহত আবু হুরাইরা শালিখার চতুরবাড়িয়া গ্রামের বাকের বিশ্বাসের ছেলে। এ সময় আহত হয়েছেন রিফাত বিশ্বাস (১৮) নামে আরও একজন। তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    নিহত আবু হুরাইরার চাচা টিটো বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে আড়পাড়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি চতুরবাড়িয়া যাচ্ছিলেন তারা। পথিমধ্যে তালখড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাটা গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার ভাতিজা মোটরসাইকেল আরোহী আবু হুরাইরা এবং এক অজ্ঞাত পথচারী নিহত হন।

    শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলি মিয়া বলেন, মোটরসাইকেল ও লাটার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একজন মোটরসাইকেল আরোহী ও এক পথচারী মারা যান। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত পথচারীর পরিচয় জানতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।

  • বাসের চাপায় শিক্ষক নিহত, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

    বাসের চাপায় শিক্ষক নিহত, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

    বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আছাদুর রহমান নামের এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে কচুয়া উপজেলার মোল্লাবাড়ি নামকস্থানে মোরেলগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দোলা পরিবহনের একটি বাসের চাপা মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষক আছাদুর রহমানকে চাপা দেয়।

    এতে ওই শিক্ষক গুরুতর আহত হয় ও বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে শিক্ষক মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বাসটি ভাঙচুর করে। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ঘণ্টা দুয়েক অবরোধের পর বেলা ১১টার দিকে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    নিহত আছাদুর রহমান দৈবজ্ঞহাটি বিশেশ্বর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার সাতবসু গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া থাকতেন। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

    দৈবজ্ঞহাটি বিশেশ্বর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিজুস কুমার সাহা বলেন, প্রতিদিনের মতো মোটরসাইকেল চালিয়ে বিদ্যালয়ে আসছিলেন। বাসের চাপায় গুরুতর আহত হলে, আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। কাটাখালি হাইওয়ে থানার র‌্যাকার খবর দেওয়া হয়েছে। র‌্যাকার আসলে খাদ থেকে বাস তুলে থানায় নেওয়া হবে। যানচলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার পরেই বাস চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

  • জনদুর্ভোগ বিবেচনায় সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করল হেফাজত

    জনদুর্ভোগ বিবেচনায় সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করল হেফাজত

    সড়ক দুর্ঘটনায় মাওলানা সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার ঘটনায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব নাছির উদ্দিন মুনিরী।

    ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা সোহেল চৌধুরী গতকাল বাসচাপায় ইন্তেকাল করেছেন। এর প্রতিবাদে সংক্ষুব্ধ হেফাজত নেতাকর্মী এবং তৌহিদী জনতা চট্টগ্রাম-রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। জনদুর্ভোগ বিবেচনায় ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিশেষ অনুরোধে অবরোধ প্রত্যাহার করছি। আমরা আশা করব এই ঘটনায় তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    এর আগে আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক অবরোধ করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

  • ওমানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বাংলাদেশি নিহত

    ওমানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বাংলাদেশি নিহত

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭ জনই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের বলে জানা গেছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দেশটির দুকুম সিদরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০ জন নিহত হয়েছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমা ঢাকা পোস্টকে বলেন, হতাহতরা সবাই সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। যতটুকু জানতে পেরেছি, গাড়িতে ১১ জন ছিলেন। তার মধ্যে ঘটনাস্থলেই ১০ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আবার ৭ জনের বাড়ি সন্দ্বীপে।

    নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন—আমিন সওদাগর, আরজু, রকি, বাবলু, শাহাবউদ্দিন, জুয়েল, রনি ও রাউজানের আলাউদ্দিন।

    প্রত্যক্ষদর্শী সন্দ্বীপের বাসিন্দা সজীব চৌধুরী বলেন, আমরা একই এলাকায় থাকতাম। প্রতিদিনের মতো তারা সাগর থেকে মাছ ধরে প্রাইভেটকারে করে বাসায় ফিরছিলেন। তবে বাসা থেকে ১ ঘণ্টার দূরত্বে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাছের গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। অনেকের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। নিহতদের মরদেহ দুকুম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।