Author: তরঙ্গ টিভি

  • বিজিবির হাতে ধরা পড়ল ভারতীয় গরু-মহিষের সবচেয়ে বড় চালান

    বিজিবির হাতে ধরা পড়ল ভারতীয় গরু-মহিষের সবচেয়ে বড় চালান

    সিলেটের গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দি সীমান্ত থেকে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় ভারতীয় অবৈধ গরু ও মহিষের চালান আটক করেছে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি)।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বাধীন সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের ইটাচুকি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৩৭টি ভারতীয় অবৈধ গরু জব্দ করা হয়।

    অপরদিকে, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী দিনেরটুক এলাকায় লাফার্জ বিওপি টহলদল পৃথক অভিযানে ৩২টি এবং অপর একটি এলাকায় আরও ১০টি মহিষসহ মোট ৪২টি ভারতীয় মহিষ আটক করে।

    আটককৃত এসব গবাদি পশুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। এটি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় গরু এবং মহিষের চালান বলে জানিয়েছে বিজিবি।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ গবাদিপশু আটক করা সম্ভব হয়েছে।

  • ৯০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

    ৯০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

    সাভারে বিশেষ অভিযানে পৌরসভা এলাকা থেকে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বক্তাপুর তিন রাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার লক্ষীপুর এলাকার মৃত হবি খাঁ’র ছেলে মনির খাঁ (৩৮) এবং তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন (৩২)।

    ঢাকা জেলা ডিবি উত্তরের অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বক্তাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এই দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • বুলবুলের কমিটিকে ‘অবৈধ’ বলে বিদ্রোহের ডাক তামিমদের

    বুলবুলের কমিটিকে ‘অবৈধ’ বলে বিদ্রোহের ডাক তামিমদের

    বিসিবি নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে। তবে নাটকীয়তা শেষ হয়নি এখনও। এবার তামিম ইকবালসহ নির্বাচন বয়কট করা ক্লাব সংগঠকরা নতুন এক অধ্যায় যোগ করলেন তাতে।

     

    আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটিকে অবৈধ তকমা দিয়ে তাদের অধীনে থাকা বিদ্রোহী ৪৮টি ক্লাব দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে সরে গেছে।

    নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে গত শনিবার ক্লাব নির্বাচন পেছানোসহ ৩টি শর্ত জানিয়েছিলেন সংগঠকরা। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছেও স্মারকলিপি গিয়েছিল তাদের পক্ষ থেকে। দাবি উঠেছিল– বিসিবি’র বর্তমান (বিগত) নির্বাহী পর্ষদের সময় বাড়িয়ে নির্বাচনের পুনঃতফসিল, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটির কাছে দায়িত্ব দেওয়া ও পুনঃনির্ধারিত সময়ে নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ করা।

    তবে তাদের এই হুমকি পাত্তা না দিয়ে গেল ৬ অক্টোবর নির্বাচন হয়। সেখানে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন আমিনুল। তারই প্রতিবাদ হিসেবে আজ ঘরোয়া ক্রিকেটের বয়কটের ডাক দিয়েছেন সংগঠকরা। বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেন মোহামেডান ক্লাবের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা একই কথা বলতে বলতে ক্লান্ত। আমাদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়েছে ৬ তারিখের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে। এই বয়সে আমরা বহু সরকার দেখেছি, বিতর্কিত নির্বাচন দেখেছি, রাতের ভোট এবং দিনে কারচুপি দেখেছি। সব কিছুকে ছাপিয়ে সবার সামনেই এবারের (বিসিবি নির্বাচনে) ভোট হলো। আমরা সুষ্ঠু ভোট চেয়েছিলাম। আমাদের কথা যেহেতু তাদের কানে পৌঁছায়নি, সেজন্য আমরা আসন্ন সব প্রতিযোগিতা বর্জন করব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজ থেকে ক্রিকেট সৌন্দর্য হারিয়েছে। আপনারা যদি এভাবে চলতে চান আমরা ক্রিকেট খেলব না। একই বিষয় জেলা ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও। এখানে জেলা প্রতিনিধি আছেন রেদওয়ান ভাই। আমরা জেলা পর্যায় থেকেও ক্রিকেট বর্জন করব এবং আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। আপনারা যারা ক্লাব প্রতিনিধি আছেন কাউকে যদি হুমকি দেওয়া হয়, ষড়যন্ত্রের ফাঁদে ফেলা হয় তবুও আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। আপাতত ক্রিকেট বন্ধ থাকবে। আমরা ঘোষণা দিচ্ছি।’

  • চট্টগ্রামে গুলিতে নিহত হাকিম বিএনপির কেউ নন : রিজভী

    চট্টগ্রামে গুলিতে নিহত হাকিম বিএনপির কেউ নন : রিজভী

    চট্টগ্রামের রাউজানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত আব্দুল হাকিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান তিনি। যদিও গতকাল (মঙ্গলবার) ও আজ দলটির স্থানীয় নেতারা হাকিমকে ‘বিএনপি নেতা’ দাবি করে হত্যার প্রতিবাদে রাউজানে বিক্ষোভ করেছেন।

    এদিকে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাউজান উপজেলা বিএনপির ব্যানারে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি সম্বলিত ব্যানারে হাকিমকে উপজেলা বিএনপি নেতা দাবি করা হয়েছে।

    dhakapost

    অন্যদিকে, গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতিকারীদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের ঘটনায় আব্দুল হাকিম নামে এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হন। এ সহিংস ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির একটি বড় ধরনের নজির। এ রক্তাক্ত ঘটনা ওই এলাকার জনমনে উদ্বেগ ও ভীতির সঞ্চার করেছে। বর্তমানে মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। চারদিকে অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা ও হতাশা বিরাজমান, যা এ সরকারের কাছ থেকে জনগণ প্রত্যাশা করে না।

    তিনি বলেন, সহিংস ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে সমাজবিরোধী কিছু দুর্বৃত্ত চক্রের পরিকল্পিত হিংস্র কর্মকাণ্ড। এর সঙ্গে রাজনীতি বা বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই।

    নিহত ব্যক্তি ও দুষ্কৃতিকারীদের কেউই বিএনপির নেতাকর্মী নন। কয়েকটি গণমাধ্যমে নিহত ব্যক্তিকে বিএনপির কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন।

    জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার কারণেই দুষ্কৃতিকারীরা অপকর্মে মেতেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সমাজের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। সে কারণে এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনো অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি। জনগণ এই অরাজক পরিস্থিতির দ্রুত অবসান দেখতে চায়।

    বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এলাকায় আধিপত্যকামী দুষ্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আহত ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন করা হবে : দুদু

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আহত ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন করা হবে : দুদু

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে গত ১৭ বছরে শহীদ-আহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন ও সহায়তা দেওয়া হবে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ২৪ জুলাই যোদ্ধা আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    দুদু বলেন, বিএনপি এখনো ক্ষমতায় যায়নি, ক্ষমতায় নেই, এমপি নেই, সরকারে নেই— তাহলে ব্যর্থতার দায় বিএনপির কেন? দেশে যা কিছু ঘটছে তার দায় বিএনপির ঘাড়ে চাপানো অনুচিত। দেশে একটি সরকার আছে, সেই জায়গাটাতেই নজর দিতে হবে

    শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমরা খুনি সরকারকে বিদায় করেছি, তবে কাজ এখানেই শেষ নয়। এখন দরকার একটি সত্যিকারের জাতীয় নির্বাচন এবং গণভিত্তিক সরকার গঠন। যতদিন তা না হবে, ততদিন আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করা যাবে না।

    ২৪ জুলাই যোদ্ধা আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মো. রহমতউল্লাহ, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে. এম. রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

  • কক্সবাজারে ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গাদের বসবাস, আটক ১৫

    কক্সবাজারে ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গাদের বসবাস, আটক ১৫

    কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কাঁটাতারের বাইরে অবৈধভাবে ভাড়া বাসায় বসবাস করার অভিযোগে ১৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র‍্যাব। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে বাড়ির মালিক ও কেয়ারটেকারসহ আরও দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কে কে পাড়ার আব্দুল্লাহ ম্যানশনে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব তাদের আটক করে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ.ম. ফারুক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আটককৃত আশ্রয়দাতারা হলেন ৩নং ওয়ার্ড কে কে পাড়ার মৃত ওমর হামজার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) এবং একই এলাকার মৃত হাসান শরীফের ছেলে ফৈয়াজ (৬৫)। তাদের মধ্যে একজন বাড়ির মালিক এবং অন্যজন কেয়ারটেকার।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আশ্রয়দাতাদেরকেও সংশ্লিষ্ট আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ৯ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    ৯ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    মাগুরায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার  করেছে র‍্যাব। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার ঢাকা-মাগুরা মহাসড়কের বিএডিসি অফিসের সামনে থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার  করা হয়।

    র‍্যাব-৬ এর সিপিসি ঝিনাইদহের মেজর মো. নাইম আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মাগুরা সদর উপজেলার রুপাটি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে নাসির হোসেন (৩৫) এবং সদর উপজেলার জগদল ঠাকুরভিটা এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে ইমান উদ্দিন (৩২)।

    র‍্যাব-৬ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে দুই ব্যক্তি গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে ওই স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অটোরিকশাটি থামানো হয়। তল্লাশিতে ৯ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা ও আশপাশের এলাকায় গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও অটোরিকশা জব্দ করে আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের মাগুরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেপ্তার, থানার ভেতর জয় বাংলা স্লোগান

    যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেপ্তার, থানার ভেতর জয় বাংলা স্লোগান

    শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলিয়া হাসান পারুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে আদালতে প্রেরণ করার সময় থানার ভেতরে তার ‘জয় বাংলা‘ স্লোগান দেওয়া একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) নড়িয়ার ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে তিনি অনলাইনে সক্রিয় ছিলেন এবং গোপনে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিলেন।

    নড়িয়া থানা পুলিশ জানায়, দলীয় বৈঠক আয়োজন ও অনলাইন প্রচারণার পাশাপাশি গত ২০ জুলাই আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে সহিংসতায় তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ওইদিন নড়িয়ার মাঝিরহাট এলাকায় ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে গাছ পোড়ানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    আদালতে পাঠানোর সময় দেখা যায়, এক নারী পুলিশ সদস্য যুব মহিলা লীগ নেত্রী পারুলকে থানা থেকে বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় পারুল ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জুলিয়া হাসান পারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • বহিরাগত এনামুল প্রতারনার অপরাধে বীরগঞ্জে গ্রেফতার।

    বহিরাগত এনামুল প্রতারনার অপরাধে বীরগঞ্জে গ্রেফতার।

    চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা অপরাধে চাঁদপুর জেলা, কচুয়া উজেলার বাসিন্দা বহিরাগত এনানুল প্রতারনার অপরাধে গতকাল ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গ্রেফতার হয়েছে।

    চাকুরী দেয়ার ব্যর্থতায় এক ভুক্তভোগী নারী প্রতারক এনামুলের ভাড়া বাসায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে ধারালো দা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভুক্তভোগীদের কে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপানোর চেষ্টা করে! মহিলার শরীরে আঘাত ও শ্লীলতাহানী ঘটায়। এলাকাবাসীর বাধার কারনে পাওনাদার প্রানে বেঁচে যায়।

    ভুক্তভোগী পার্বতীপুর উপজেলার তেরআনিয়া’র বাসিন্দা জনক চন্দ্র সরকারের স্ত্রী রূপসী রানী সরকার কে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ৬ (ছয়) লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় সিকান্দার আলীর পুত্র আন্তজেলা প্রতারক চক্রের হোতা এনামুল।

    দীর্ঘদিন চাকুরী না পেয়ে টাকা ফেরত চাইতে বীরগঞ্জের কলেজ পাড়ায় তার ভাড়াটে বাসায় এলে, টাকা না দিয়ে, উল্টো ধারালো দা দিয়ে কোপানোর চেষ্টা করে, মহিলাকে ধাক্কা দিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়। নিরুপায় মহিলা বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ করলে ৬৬৩ নম্বর জিডি রেকর্ড করা এবং রাতেই এনামু

  • টিএফআই সেলে গুম : প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

    টিএফআই সেলে গুম : প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

    আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী ঘরানার লোকদের গুম করে র‌্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশনের (টিএফআই) গোপন সেলে বন্দি রেখে নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। 

    বুধবার (৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ অভিযোগটি জমা দেন প্রসিকিউশন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

    অন্য আসামিরা হলেন– শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‌্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাব কর্মকর্তা কেএম আজাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, মাহবুব আলম, আবদুল্লাহ আল মোমেন, সারোয়ার বিন কাশেম, খায়রুল ইসলাম, মশিউর রহমান জুয়েল ও সাইফুল ইসলাম সুমন।

    আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আমলে নেওয়ার জন্য শুনানি শুরু হয় ট্রাইব্যুনালে। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরে ১৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিসহ আগামী ২২ অক্টোবর হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

    এদিন সকালে ট্রাইব্যুনালে গুমের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা আসেন। এর মধ্যে ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমদ বীন কাশেম, আবদুল্লাহিল আমান আযমী, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মাইকেল চাকমাসহ অনেকে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়ায় ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেছেন তারা।