Author: তরঙ্গ টিভি

  • আয়নাঘরে গুম হাসিনা-তারিকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

    আয়নাঘরে গুম হাসিনা-তারিকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

    জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা আয়নাঘরে গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।

    এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন– তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লে. জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল সরওয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী ও লে. কর্নেল (অব.) মখসুরুল হক।

    আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আমলে নেওয়ার জন্য শুনানি শুরু হয় ট্রাইব্যুনালে। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিসহ আগামী ২২ অক্টোবর হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

    এদিন সকালে ট্রাইব্যুনালে গুমের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা আসেন। এর মধ্যে ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমদ বীন কাশেম, আবদুল্লাহিল আমান আযমী, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মাইকেল চাকমাসহ অনেকে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়ায় ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেছেন তারা।

    যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা হয়েছে তাদের মধ্যে চারজন সেনা কর্মকর্তা এখনো কর্মরত রয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোধন অনুযায়ী তারা কোনো পদে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

  • গুমের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল, বিচার হবে হাসিনাসহ ৩০ জনের

    গুমের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল, বিচার হবে হাসিনাসহ ৩০ জনের

    আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী লোকদের গুম করে র‌্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল ও জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) বন্দি রেখে নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান করে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ অভিযোগ আমলে নেন। একইসঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভিন্ন মতাদর্শের লোক কিংবা রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক, লেখক-সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে গোপন বন্দিশালায় রেখে নির্যাতনের বীভৎস বর্ণনা তুলে ধরেন। শুনানি শেষে গুম সংক্রান্ত দুটি অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

    গুম সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই অভিযোগের একটিতে শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন– শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‌্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাব কর্মকর্তা কেএম আজাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, মাহবুব আলম, আবদুল্লাহ আল মোমেন, সারোয়ার বিন কাশেম, খায়রুল ইসলাম, মশিউর রহমান জুয়েল ও সাইফুল ইসলাম সুমন।

    র‌্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে অপহরণ-গুম, নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধে এ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

    এ ছাড়া জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়।

    তারা হলেন– শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লে. জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল সরওয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী ও লে. কর্নেল (অব.) মখসুরুল হক।

    এর মধ্যে চারজন সেনা কর্মকর্তা এখনো কর্মরত রয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধিত আইন অনুযায়ী তারা কোনো পদে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

    উল্লেখ্য, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে বহু মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে শতাধিক মানুষের এখনো খোঁজ মেলেনি। কাউকে হত্যার পর মরদেহও গুম করে ফেলা হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বন্দিশালা থেকে মুক্তি পেয়েছেন গুমের শিকার ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বীন কাশেম, আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ আরও অনেকে। এসব ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গুমের এ দুই মামলা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

  • বরগুনায় স্বামী-স্ত্রীসহ বিকাশ প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

    বরগুনায় স্বামী-স্ত্রীসহ বিকাশ প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

    বরগুনার আমতলী উপজেলায় বিকাশ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এক মাস ধরে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের শনাক্ত করার পর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে এ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনা জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ। এর আগে রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে আমতলী উপজেলার উত্তর টিয়াখালী এলাকা থেকে এই তিন জনকে আটক করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পটুয়াখালীর কলপাড়া উপজেলার মাছুয়াখালী এলাকার নাসির উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মো. সুজন (২৫), আমতলী উপজেলার চলাভাঙ্গা এলাকার দেলোয়ার মুন্সীর ছেলে আব্দুর রহমান (২৫) এবং তার স্ত্রী সুমি (২২)।

    পুলিশ জানায়, প্রতারক চক্রটি বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। তারা কখনো আত্মীয়-স্বজন অসুস্থ, কখনো জরুরি পারিবারিক ঘটনার কথা বলে ভুয়া তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করত। বিশেষ করে বিদেশে থাকা প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করত তারা।

    এই প্রতারণার অভিযোগে এক মাস ধরে তদন্ত করে পুলিশ চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করে। এরপর আমতলীর উত্তর টিয়াখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

    আমতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, প্রতারণার শিকার রাকিবুল খান নামে এক ব্যক্তি থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনই আন্তঃজেলা প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বরগুনা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে।

  • রামপালের লোহা বিক্রির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    রামপালের লোহা বিক্রির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    ভুয়া মালিক সেজে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অব্যবহৃত ও পুরাতন লোহা বিক্রি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সেলিম শেখ (৪৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

    রোববার (৫ অক্টোবর) খুলনার ডুমুরিয়া থানার বালিয়াখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

    সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, প্রতারক চক্রটি একটি কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের নামে ভুক্তভোগীদের কাছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরাতন লোহা বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। প্রতারণার অংশ হিসেবে তারা মিথ্যা ওয়ার্ক অর্ডার প্রস্তুত করে, অফিস সাজিয়ে ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জন করে অর্থ হাতিয়ে নেয়।

    ঢাকার শ্যামপুর থানায় গত বছরের ৮ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি মামলা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির কাছে অর্পণ করা হয়।

    ইতোপূর্বে এ মামলায় পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে গ্রেপ্তার আসামি হুমায়ুন কবীরের ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দিতে সম্প্রতি গ্রেপ্তারকৃত সেলিম শেখের সক্রিয় সম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশ পায়।

    আসামি সেলিম শেখ গ্রেপ্তার এড়াতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে মোবাইল সিম ব্যবহার করে গা-ঢাকা দিয়ে চলছিল। তবে সিআইডির নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

    গ্রেপ্তার আসামিকে আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    একই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ডিজিএফআই পরিচয়ে এলজিইডিতে দাপ্তরিক চাপ সৃষ্টি, প্রতারক আটক

    ডিজিএফআই পরিচয়ে এলজিইডিতে দাপ্তরিক চাপ সৃষ্টি, প্রতারক আটক

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ভবনে অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী এক প্রতারককে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে এলজিইডি ভবনের পরিচালক কার্যালয় থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম শাহিনুর (৫২)। তিনি সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত একজন সাবেক সার্জেন্ট।

    সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, শাহিনুর নিজেকে ডিজিএফআই-এর ‘সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার’ পরিচয় দিয়ে এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন এবং লোক নিয়োগে সহায়তার নামে দাপ্তরিক চাপ সৃষ্টি করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে এলজিইডির পরিচালক সরাসরি ডিজিএফআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে শাহিনুর নামে কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য ডিজিএফআইয়ে কর্মরত নেই।

    সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আসে যে এক ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এলজিইডি অফিসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। খবর পেয়ে টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করলে জানা যায়, তিনি ডিজিএফআইয়ের কেউ নন। শাহিনুর সেনাবাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত থাকাকালীন শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ২০০৮ সালে চাকরিচ্যুত হন।

    শাহিনুরকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

  • কালিয়াকৈর নৌকা ডুবি নিহতের পরিবারের হাতে চেক তুলে দেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার আহামেদ

    কালিয়াকৈর নৌকা ডুবি নিহতের পরিবারের হাতে চেক তুলে দেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার আহামেদ

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নৌকা যোগে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে নৌকা ডুবে নিহত দুই শিশুর পরিবারকে চেক প্রদান করেছেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ।

    আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২:৩০টায় নিহত দুজনের পরিবারের সদস্যদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার সহযোগিতায় নিহত অঙ্কিতা ও তন্ময়ের বাবার হাতে মোট ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন নিবার্হী কর্মকর্তা কাউসার আহামেদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বাস্তবায়ন প্রকল্প কর্মকর্তা জাকারিয়া আলমসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বৃন্দ।

    কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ বলেন, নিহত দুই পরিবারের মাঝে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কালিয়াকৈর প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসে নৌকা ডুবে অঙ্কিতা ও তন্ময় দুজন নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁপাইর তুরাগ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

    শারদীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনে এক নৌকায় ১৫ থেকে ২০ জন লোক ছিল। সন্ধ্যা ৭:২০টায় দিকে নদীর পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় দুই নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় একটি নৌকা পানির নিচে ডুবে যায়। সাঁতার কেটে সবাই উঠতে পারলেও অঙ্কিতা ও তন্ময় ২জন সাতার না জানায় দুইটি শিশু উপড়ে উঠতে পারেনি পরে পরিবার ও ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল খোঁজাখুঁজি করে পর তার দুজনই নিখোঁজ হয়

  • শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর পাচারের অর্থ ফেরাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির নির্দেশ

    শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর পাচারের অর্থ ফেরাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির নির্দেশ

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার এবং ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সফলভাবে অর্থ উদ্ধার করতে পারলেই এসব প্রতিষ্ঠান কমিশন হিসেবে নির্ধারিত একটি অংশ পাবে।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বৈঠকে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের জন্য নিয়োজিত গভর্নরের উপদেষ্টা ফারহানুল গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নির্বাহী পরিচালক মফিজুর রহমান খান চৌধুরী, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পাচার করা অর্থ শনাক্ত, উদ্ধার ও দেশে ফেরত আনার জন্য প্রশাসনিক এবং আইনি সহায়তা দিতে সক্ষম এমন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে ব্যাংকগুলো। যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে এমন সম্ভাব্য বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নামও জানানো হয় বৈঠকে। তবে ব্যাংকগুলো চাইলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বনামধন্য অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও চুক্তি করতে পারবে যারা প্রশাসনিক ও আইনি সহায়তা দিতে পারবে। এসব প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় পাচার হওয়া অর্থের উৎস শনাক্ত ও সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    জানা যায়, সভায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের পাশাপাশি আরও ১০ শিল্প গোষ্ঠীর অর্থ পাচারের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বিএফআইইউ। ১০টি গ্রুপ হলো—এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও আরামিট গ্রুপ। এর বাইরে আরও যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অর্থ পাচার করেছে, তা বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এসব অর্থে গন্তব্য কোথায় তা–ও জানানো হয়। এ জন্য অন্য দেশ কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, তা তুলে ধরে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকেও একই পথ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    সভা শেষে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক আইন ও সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি ব্যাংক নেতৃত্ব দেবে, অন্য ব্যাংকগুলো তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। এরপর বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশ থেকে যেসব অর্থ পাচার হয়েছে, তা উদ্ধারে ব্যাংকগুলোকে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে বলা হয়েছে। কাদের সঙ্গে চুক্তি করা যায় ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানতে চাইলে সম্ভাব্য ৬ থেকে ৭টি প্রতিষ্ঠানের নাম বলা হয়। আবার ব্যাংকগুলো নিজস্ব চিন্তায় যদি কোনো দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান থাকে, যারা পাচার করা অর্থ উদ্ধারে কাজ করে, তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে পারবে বলে জানানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলে প্রাথমিকভাবে চুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএফআইইউর সূত্রে জানা গেছে, শেখ পরিবার এবং ১০ শিল্প গোষ্ঠীর ব্যাংক ঋণে অনিয়ম, কর ফাঁকি, অর্থপাচারসহ নানা অনিয়ম অনুসন্ধানে কাজ করছে সরকার গঠিত ১১টি তদন্ত দল। ইতোমধ্যে শেখ পরিবারসহ ১১টি শিল্প গ্রুপের পাচার করা বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং পাচারের টাকায় বিদেশে গড়ে তোলা বিপুল পরিমাণ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে। আদালত ও আর্থিক গয়েন্দা সংস্থা এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ৫৭ হাজার ২৬০ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও শেয়ার জব্দ করা হয়েছে।

  • ফরিদপুরে ক্যারাম খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৯

    ফরিদপুরে ক্যারাম খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৯

    ফরিদপুরের সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সালথার রামকান্তপুর ইউনিয়নের দুটি পক্ষ সক্রিয় রয়েছে। একটি পক্ষের নেতৃত্বে আছেন ওসমান তালুকদার, আর অন্য পক্ষের নেতৃত্বে আছেন কুদ্দুস তালুকদার।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন দিন আগে রামকান্তপুর গ্রামের একটি বাজারে কেরাম বোর্ড খেলা নিয়ে স্থানীয় ওসমান তালুকদারের সমর্থক রাকিব নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রতিপক্ষ কুদ্দুস তালুকদারের সমর্থক লায়েক নামে আরেক তরুণের মারামারির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কেরাম বোর্ডটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে ওই দুই তরুণের মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। এরই জের ধরে সোমবার সকালে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

    একপর্যায় উভয় পক্ষের সমর্থকরা সকাল ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র—ঢাল-কাতরা, টেটা, সড়কি, ভেলা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, মারধর ও বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় চারটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বাড্ডায় গুলি করে হত্যার চেষ্টা : আত্মগোপনে থাকা আসামি গ্রেপ্তার

    বাড্ডায় গুলি করে হত্যার চেষ্টা : আত্মগোপনে থাকা আসামি গ্রেপ্তার

    রাজধানীর বাড্ডায় প্রকাশ্যে পিস্তল দিয়ে গুলি করে হত্যাচেষ্টা মামলার পলাতক এজাহারভুক্ত আসামি মো. পলাশকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    গতকাল রোববার (৫ অক্টোবর) রাতে বাড্ডা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১ এর একটি দল।

    র‍্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত মিডিয়া অফিসার) এএসপি মো. পারভেজ রানা জানান, মামলার ৪ নম্বর আসামি কাউসার এবং তার কর্মচারীরা জনৈক মুন্নার ভাতের হোটেলে বিভিন্ন সময় খাবার খেয়ে ২২ হাজার টাকা বকেয়া রাখে। মুন্না তার হোটেলের বকেয়া টাকা কাউসারের কাছে চাইলে আসামি তাকে বিভিন্ন কথা বলে ঘুরাতে থাকে।

    এ ঘটনার বিষয়ে মুন্না এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বাদীকে জানান। বাদী ৪ নং আসামির দোকানে গিয়ে মুন্নার খাবারের বকেয়া টাকা পরিশোধের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামি (কাউসার) টাকা দেবে না বলে ক্ষিপ্ত হয়ে বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

    এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ অক্টোবর দুপুরে বাড্ডার পূর্ব পদরদিয়া ফাজিল বেপারী মসজিদ রোডের মান্নান টিম্বারের পাশে রাস্তার ওপর আসামিরা পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড গুলি করে বেলাল হোসেনকে হত্যার চেষ্টা করে। পরবর্তী সময়ে গত ৪ অক্টোবর বেলাল হোসেন বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

    গ্রেপ্তার যুবকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‍্যাব কর্মকর্তা।

  • অপূর্ব পালকে স্থায়ী বহিষ্কার, মামলা করবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

    অপূর্ব পালকে স্থায়ী বহিষ্কার, মামলা করবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

    পবিত্র কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপূর্ব পালকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে। রোববার (৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোরআন অবমাননার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা দায়ের করবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    dhakapost

    জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মানসুর হাশিমের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান ‘শূন্য সহনশীলতা’। শনিবার (৪ অক্টোবর) নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও নিরাপত্তা বিভাগ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন এবং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের পরিবেশ রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন।