Author: তরঙ্গ টিভি

  • হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপু মনি

    হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপু মনি

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর শাহবাগ থানার ঝুট ব্যবসায়ী মনির হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম খান পুলক। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চাঁনখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ক্ষুদ্র ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। দুপুরে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত ১৪ মার্চ মনিরের স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • উজানের ঢলে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি ধরতে গিয়ে একজন নিখোঁজ

    উজানের ঢলে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি ধরতে গিয়ে একজন নিখোঁজ

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদে উজানের ঢলে ভারত থেকে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি ধরতে গিয়ে স্রোতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছেন একজন।

    সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের খেলার ভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিখোঁজ ব্যক্তির নাম মনসুর আলী (৪৫)। তিনি বেবরবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খামার নকুলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ধান ব্যবসায়ী ছিলেন।

    স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি ও কাঠ ধরতে নদে নামেন তিনি। এ সময় প্রবল স্রোতে ডুবে যান। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। পরে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছিলে।

    নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছে। তাদের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

  • গাজায় এখনও বোমা ফেলছে ইসরায়েল, নিহত ৬৩

    গাজায় এখনও বোমা ফেলছে ইসরায়েল, নিহত ৬৩

    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এখনও বোমাবর্ষণ করছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রোববার আইডিএফের বোমায় গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৩ জন।

    সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় গাজার প্রধান শহর গাজা সিটি ও অন্যান্য এলাকায় বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েল— এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৬৩ জন।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং সেখানে বন্দি ইসরায়েলি জিম্মিতের মুক্তি নিশ্চিতে গত সপ্তাহে যে নতুন পরিকল্পনা পেশ করেছেন, সেই পরিকল্পনায় প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। ট্রাম্পের প্রস্তাবের ওপর বিস্তারিত আলোচনার জন্য আজ সোমবার থেকে বৈঠক শুরু হচ্ছে মিসরের রাজধানী কায়রোতে। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে ইসরায়েল, এই যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর এবং হামাসের প্রতিনিধিদের গতকাল রোববার কায়রোতে পৌঁছেও গেছেন। কিন্তু এসব সত্ত্বেও গাজায় বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে আইডিএফ।

    এক বিবৃতিতে ইসরায়েরের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়া’আল জামির জানিয়েছেন, কায়রোর বৈঠক যদি ব্যর্থ হয়— তাহলে ফের পূর্ণমাত্রায় গাজায় অভিযান শুরু করবে আইডিএফ।

    মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, কায়রোর বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে প্রাধান্য পাবে গাজায় আটকে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারটি। ইসরায়েলের সরকারের মুখাপাত্র শোশ বেদ্রোসিয়ান গতকাল রোববার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কায়রোতে বৈঠকের স্থায়িত্ব হবে সর্বোচ্চ কয়েক দিন।

    একই দিন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কায়রোর বৈঠককে স্বাগত জানিয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত সিদ্ধান্তে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যাশা করব— প্রতিনিধিরা খুব তৎপর থাকবেন এবং কালক্ষেপণ না করে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।”

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • নাটক নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ অভিযোগ, জবাব দিলেন দীপা খন্দকার

    নাটক নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ অভিযোগ, জবাব দিলেন দীপা খন্দকার

    দীর্ঘ প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় ক্যারিয়ারে দীপা খন্দকার বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে এক জনপ্রিয় নাম। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অসংখ্য নাটকে অভিনয় করে তিনি দর্শকের হৃদয়ে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন। সিনেমাতেও কাজ করেছেন এই জাত অভিনেত্রী। তার সমসাময়িক অধিকাংশ অভিনেত্রী পর্দায় অনিয়মিত হলেও দীপা খন্দকার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নাটক, বিজ্ঞাপন এবং চলচ্চিত্রে সক্রিয়।

    দীপা খন্দকার অভিনীত সর্বশেষ আলোচিত নাটক ছিল কেএম সোহাগ রানা পরিচালিত পারিবারিক গল্পের নাটক ‘অনুতপ্ত’, যা দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল। সম্প্রতি তিনি যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নতুন ফ্যামিলি সিরিজ ‘এটা আমাদেরই গল্প’-তে। এই সিরিজের সেট থেকেই সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দীপা খন্দকার।

    সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পরিবার কিংবা পারিবারিক গল্প ফের নাটকের কেন্দ্রে আনার আহ্বান জানান অভিনেত্রী। সঙ্গে বর্তমানে টেলিভিশনে প্রচারিত নাটকের ধরন নিয়ে দীর্ঘদিনের দর্শকদের একটি অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে একটা কমপ্লেইন সব সময় শুনতাম, যে এখন খুব ছোট ছোট নাটক হয়, দুই-তিনজন আর্টিস্ট, কিছুই ফ্যামিলি-ট্যামিলি কিছু থাকে না, দেখতে কেমন যেন লাগে। একটু দেখি, দেখার পরে নাটকটা শেষ হয়, তারপর ভুলে যাই, যে গল্পটা এই ছিল। পরিবার নিয়ে নাটক হয় না কেন?’

    এরপর দীপা খন্দকারের সংযোজন, মোস্তফা কামাল রাজের নতুন সিরিজ ‘এটা আমাদেরই গল্প’ সেই পারিবারিক গল্পের অভাবই পূরণ করতে চলেছে। অভিনেত্রীর কথায়,‘আমি স্পেশালি মোস্তফা কামাল রাজকে ধন্যবাদ দিব এর জন্য, যে উনি চিন্তা করেছেন যে আসলে এই ট্রেন্ডটা ভাঙা উচিত। পরিবার ভাঙতে ভাঙতে আসলে আমরা পরিবারের ভ্যালুটাই ভুলে যাচ্ছিলাম। নাটক কিন্তু জীবন বদলের হাতিয়ার বলি আমরা। সো নাটকে আমরা যেটা দেখি, ওইটার অনেক কিছুই কিন্তু মানুষের ওপরে এফেক্ট করে।’

    দীপা খন্দকার মনে করেন, যখন দর্শকরা নাটকে একটি পরিবার দেখবেন, যেখানে বড়দের প্রতি সম্মান দেখানো হচ্ছে, তখন তরুণ প্রজন্ম সেই শিক্ষা গ্রহণ করবে। বড়দের সাথে কুশল বিনিময় করা, বাইরে যাওয়ার সময় বলে যাওয়া বা ফিরে এসে সালাম দেওয়ার মতো পারিবারিক মূল্যবোধগুলো দেখে দেখে শেখার সুযোগ তৈরি হবে।

    এই সিরিজটিকে একটি বড় প্রোজেক্ট হিসেবেও অভিহিত করেন দীপা খন্দকার। বলেন, ‘বড় প্রোজেক্ট বলতে আমি বলছি না যে এটা অনেক লেন্দি, অনেক লম্বা নাটক হবে, সেরকম না। যতটুকু হবে, খুব সুন্দর করে অনেক বড়সড় আয়োজনে আমরা অনেক আর্টিস্ট মিলে কাজটা করছি।’

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নাটকটি দেখে দর্শক যদি একটুখানি মূল্যবোধও শিখতে পারেন, তবে এই কাজটি সার্থক হবে এবং এর সাথে যুক্ত সকল শিল্পী সার্থক হবেন।

  • মক্কা বিজয়ের দিন কাবার ছাদে আজান দিয়েছিলেন যে সাহাবি

    মক্কা বিজয়ের দিন কাবার ছাদে আজান দিয়েছিলেন যে সাহাবি

    অষ্টম হিজরির ২০ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে দিনটি প্রোজ্জ্বল হয়ে আছে ফাতহে মক্কা বা মক্কাবিজয় নামে। সেদিন ১০, ০০০ মুজাহিদকে সাথে নিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বিজয়ীর বেশে প্রবেশ করলেন মক্কায়। 

    পৃথিবীর ভাগ্যে এরকম মহিমান্বিত বিজয় হয়তো আর দেখা হবে না। কারণ মক্কার মতো একটা প্রতাপান্বিত ঐশর্যময় শহরকে রাসুল জয় করেছেন বিনা রক্তপাতে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। আর শহর জয়ের পর ন্যায় ও ক্ষমার যে পরাকাষ্ঠা তিনি দেখিয়েছেন, এরকম দৃষ্টান্ত রাহমাতুল্লিল আলামিনের পক্ষেই সম্ভব।

    মক্কাবিজয়ের দিন হজরত বিলাল ছিলেন রাসুলের সাথে—তার ছায়াসঙ্গী হয়ে। রাসুল মাথায় কালো পাগড়ি বেঁধে ঘোড়ায় চড়ে মক্কার প্রাণকেন্দ্র কাবাচত্বরে এলেন। চারিদিকে তখন হাজার হাজার জনতার ভিড়। তাদের মধ্য থেকে যে তিন ব্যক্তি রাসুলের সাথে কাবার ভেতরে প্রবেশ করার সৌভাগ্য লাভ করলেন, হজরত বিলাল ছিলেন তাদের একজন। সেদিন অনেক বড়ো বড়ো সাহাবি তার এই সৌভাগ্য দেখে ঈর্ষাকাতর হয়েছিলেন।

    রাসুল কাবার ভেতরে ঢুকে একে মূর্তির নাপাকি থেকে পূতপবিত্র করলেন। একেকটা মূর্তির গায়ে তিনি যখন আঘাত করছিলেন, তখন বলছিলেন, জাআল হক ওয়া জাহাকাল বাতিল—সত্য এসে গেছে, মিথ্যা বিতাড়িত হোক…

    এভাবে জোহরের নামাজের সময় হয়ে এলো। রাসুল বিলালকে আদেশ করলেন, কাবার ছাদে উঠে আজান দিতে। রাসুলের কথায় হজরত বিলাল কাবার ছাদে উঠে শুরু করলেন সুগভীর সুমধুর সুরের আজান—যা শুনে উপস্থিত সকলেই বিমোহিত হয়েছিল।

    মুসলমানরা বিলালের আজানের প্রতিটি বাক্যকে সুউচ্চ স্বরে তাকরার করছিল। আর যারা নওমুসলিম—তাদের অন্তর তখনো কিছুটা কুফুরির দিকে ধাবিত হওয়ায়—তারা তার উন্নত শির দেখে এবং শাশ্বত আজান শুনে হিংসায় জ্বলেপুড়ে যাচ্ছিল।

    রাসুলের মুয়াজ্জিন হজরত বিলালের এই শির হাশরের ময়দানেও চির উন্নত দেখাবে!

  • মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫

    মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫

    র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব-৫, রাজশাহীর, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক টহল দল ০৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে সরকারী গাড়ীযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে বের হয়।

     

    অভিযান পরচিালনাকালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর ইউনিয়ন বংপুর সাকনিস্থ নাম-মনিরুল ইসলাম (৫৪), পিতা- সোলেমান আলী এর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর ১। মোঃ আপন মিয়া (৩০), পিতা মৃত আতাউর রহমান (হারিছ), সাং-বনগাঁও, পোষ্ট-তেলিয়াপাড়া, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ আসামীর মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করতছে। উক্ত সংবাদরে ভিত্তিতে আভিযানিক টহল দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর ইউনিয়ন বংপুর সাকিনস্থ নাম-মনিরুল ইসলাম (৫৪), পিতা- সোলেমান আলী এর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার এলাকা হতে উল্লিখিত আসামীকে ৬ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয় ঘটনাস্থলে উপস্থতি হয়ে সাক্ষীদরে উপস্থিতিতে ইং ৫ অক্টোবর রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে আসামীর ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর হতে ৩ পোটলা মোট ০৬ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, র‍্যাব-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক টহল দল ০৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে সরকারী গাড়ীযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে বের হয়। অভিযান পরিচালনাকালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর ইউনিয়ন বংপুর সাকিনস্থ নাম-মনিরুল ইসলাম (৫৪), পিতা- সোলেমান আলী এর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তা এলাকায় একজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ সিপিসি-১ এর আভিযানিক দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনাস্থল হতে আসামী ১। মোঃ আপন মিয়া (৩০), পিতা- মৃত আতাউর রহমান (হারিছ), সাং-বনগাঁও, পোষ্ট-তেলিয়াপাড়া, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জকে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের গ্রেফতার করে এবং তার হেফাজত হতে ০৬ কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

  • ঢাকায় পাকিস্তানি জেনারেলের জন্য লাল গালিচা সংবর্ধনা , দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে!

    ঢাকায় পাকিস্তানি জেনারেলের জন্য লাল গালিচা সংবর্ধনা , দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে!

    পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাবাসসুম হায়দার আগামীকাল ৬ অক্টোবর এক সরকারি সফরে ঢাকায় আসছেন।

     

    ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই হতে যাচ্ছে কোনো পাকিস্তানি জেনারেলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফর। এই সফরকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    রাওয়ালপিন্ডির কাছে চাকলালায় অবস্থিত জয়েন্ট স্টাফের ডিরেক্টর জেনারেল হিসেবে দায়িত্বরত লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাবাসসুম হায়দারকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

    সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি:
    কর্মসূচি অনুযায়ী, জেনারেল হায়দার আগামীকাল ৬ অক্টোবর রাত ১১:৩০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে তাকে হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু-তে নিয়ে যাওয়া হবে।

    সফরের প্রধান কার্যক্রম শুরু হবে পরদিন, ৭ অক্টোবর। সকালে তাকে সেনা কুঞ্জে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হবে। এরপর তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) কমপ্লেক্সে এএফডি প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে সেনাসদরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তরও পরিদর্শন করবেন। তার সম্মানে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি ‘ওয়ার্কিং লাঞ্চ’ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

    ৮ অক্টোবর সকালে জেনারেল হায়দার ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে তিনি বেওয়াচ হোটেলে অবস্থান করবেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আয়োজিত একটি নৈশভোজে অংশ নেবেন। ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় তিনি পাকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

    পূর্ববর্তী সফর ও প্রেক্ষাপট:
    উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে জানুয়ারি মাসে পাকিস্তান আইএসআই-এর মেজর জেনারেল শহীদ আমির আফসার ও মেজর জেনারেল আলম আমির আওয়ান বাংলাদেশ সফর করেন। এরপর জুন মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তিনজন ব্রিগেডিয়ার কক্সবাজারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি আরও তিনজন পাকিস্তানি মেজর জেনারেল ঢাকা সফর করলেও তাদের পরিচয় ও সফরের উদ্দেশ্য গোপন রাখা হয়।

    লে. জে. তাবাসসুম হায়দারের পরিচয়:
    লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাবাসসুম হায়দার ১৯৯১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়াম রেজিমেন্ট আর্টিলারিতে কমিশন লাভ করেন। তিনি পাকিস্তানের কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, কোয়েটা এবং যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক।

    এছাড়া তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি, ইসলামাবাদ থেকে পাবলিক পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিক সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্টে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টেও পড়াশোনা করেছেন।

  • রংপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড প্রায়  ১২ শ  ঘর-বাড়ি

    রংপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড প্রায় ১২ শ ঘর-বাড়ি

    রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ২ মিনিটের এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছেউ উপজেলার আলমবিদিতর, নোহালী ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম।

     

    গতকাল রবিবার সকাল ৮টার দিকে বয়ে যাওয়া আকস্মিক ঘূর্ণিঝড় ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিতে প্রায় ১ হাজার ২ শ পাকা, কাঁচা ঘরবাড়ি,দোকানসহ বিভিন্ন প্রকার গাছ ভেঙে পড়ে, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কৃষিজমির ফসল ব্যাপক ক্ষয় -ক্ষতি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , সকাল ৮টার পর হঠাৎ প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টি শুরু হয়। মাত্র ২ মিনিটের ওই ঝড়ে আলমবিদিতর ইউনিয়নের কুতুব, খামার মোহনা ও চরাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামসহ নোহালী ইউনিয়নের খলিশাকুড়ি ও ডাঙ্গারহাট এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, আমন ধান ক্ষেতের অনেক ক্ষতি হয়েছে। অনেক পরিবার ঘর- বাড়ি হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে মানবতার জীবন কাটাচ্ছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজিবুল করিম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত কয়েক শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ির আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ দুইশত শুকনো খাবারের প্যাকেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের টিম মাঠে নেমেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণের জন্য তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে দুইশত প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

  • নভেম্বর মাসেই রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর দাবি

    নভেম্বর মাসেই রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর দাবি

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নভেম্বর মাসেই রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন। দাবি আদায়ে পূর্বঘেষিত তিনদিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে রংপুরসহ পাঁচ জেলায় পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদাণ করা হয়।

     

    রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ভারী বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে রংপুর নগরীর শিক্ষা অফিস চত্বরের কাছ থেকে একটি পদযাত্রা বের করা হয়। তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এতে নেতৃত্ব দেন।

    পদযাত্রাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের মাধ্যমে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

    এসময় রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব আনিছুর রহমান লাকু, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডনসহ বিভিন্ন ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকার মাঝে মাঝে বলছে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে। কিন্তু কখন শুরু হবে, কিভাবে শুরু হবে সেটি স্পষ্ট করেনি। সেজন্য আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। আজ রংপুর বিভাগের তিস্তা নদী বেষ্টিত পাঁচ জেলা লালমনিরহাট, কাুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও রংপুরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্বারকলিপি দেয়া হলো। আগামী ৯ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ে গণমিছিল ও গণসমাবেশ এবং ১৬ অক্টোবর ১০টি উপজেলায় নদী-তীরবর্তী ১১টি স্থানে ১৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মশাল প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের এসব শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেও যদি সরকার দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগী না হয়, তবে লাগাতার কঠোর কর্মসূচি দিয়ে রংপুর বিভাগকে অচল করে দিতে বাধ্য হবো আমরা।

    সাবেক এই উপমন্ত্রী বলেন, সরকার বলছে বছরের শুরুতে নাকি কাজ শুরু হবে। কিন্তু নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে সেই কাজ ঝুলে যেতে পারে। সরকার যেহেতু এ প্রকল্প বাস্তবায়নে টাকা দিতে চেয়েছে। তাই অভ্যন্তরীণ অর্থ দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হোক। এটি যত তাড়াতাড়ি হবে, সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তরিক বলে আমরা আশস্ত হবো। আমরা এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

  • অনিশ্চিত ‘জয়ন্তীয়া সেতু’ নির্মাণ কাজ পালিয়ে গেছে ঠিকাদার।

    অনিশ্চিত ‘জয়ন্তীয়া সেতু’ নির্মাণ কাজ পালিয়ে গেছে ঠিকাদার।

    দুই মেয়াদে সময় বাড়িয়ে ৬ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র এক তৃতীয়াংশ. লাপাত্তা ঠিকাদার। দূর্নীতির বেড়া জালে আটকে আছে জনগুরুত্বপূর্ণ এই গার্ডার ব্রীজের কাজ।

     

    অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ‘জয়ন্তীয়া সেতু’ নির্মাণ কাজ, পালিয়ে গেছে ঠিকাদার। হতাশ দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

    দিনাজপুরে আত্রাই নদীর জয়ন্তীয়া ঘাটের একদিকে বীরগঞ্জ ওপারে খানসামা উপজেলা। দুই উপজেলায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস।

    যাতায়াতের জন্য ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জয়ন্তীয়া ঘাটে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ শুরু করে ঢাকাস্থ মেসার্স সুরমা কনস্ট্রাকশন।

    দেখভাল দায়িত্ব পান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দিনাজপুর।
    চুক্তি অনুযায়ী ২০২১ সালের এপ্রিলে কাজ শেষ করার কথা, কিন্তু দুই মেয়াদে সময় বাড়িয়ে কাজের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র তিন ভাগের একভাগ অর্থাৎ ৯ স্প্যান কাজের মধ্যে ৩ স্প্যান কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    কাজ অসমাপ্ত রেখে পালিয়ে গেছে ঠিকাদার, ফলে ভোগান্তি ও চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে দুই উপজেলাসহ নীলফামারী জেলার লাখ লাখ মানুষ।

    স্থানীয়দের গন অভিযোগ ঠিকাদার ও এলজিইডি’র উদাসিনতার কারণে সেতুর কাজ শেষ হচ্ছে না।

    শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয়দের ভরসা কাঠ- বাঁশের তৈরি সাঁকো, চলাচলে দিতে হয় টোল। ঝুঁকি নিয়ে পারাপারে দুর্ভোগ- দুর্ঘটনা নিত্য দিনের কাহিনী।

    অবর্ণনীয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই এলাকার কৃষি, অর্থনীতি ও জন চলাচলের স্বাভাবিক গতি।

    বর্ষাকালে সবার ভরসা একমাত্র স্যালো চালিত নৌকা।

    নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি দিনাজপুর কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ‘গ্রামীণ সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় বীরগঞ্জের পাল্টাপুর ইউনিয়নে মধুবনপুর ও খানসামা উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের চেহেলগাজী এলাকায় আত্রাই নদীর জয়ন্তীয়া ঘাটে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে।

    দ্রব্যমূল্য বেশি এবং করোনার অজুহাতে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদার। দূর্নীতির প্রকল্প, লুটপাট ও ভাগাভাগির অংশ বিশেষ।

    ৫ অক্টোবর সকালে সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, জয়ন্তীয়া ঘাট এলাকায় সেতুর সব পিলার স্থাপন করা আছে।

    সেতুর জন্য ৯টি স্প্যানের মধ্যে ৩ টি স্প্যান ঢালাই হয়েছে। বাকি পিলার শুধু নদীর উপর দাঁড়িয়ে আছে।

    সেতুর নির্মাণ কাজে ব্যবহার হওয়া কিছু সামগ্রী, একজন ম্যানেজার ও পাহারাদার ছিল, এখন কেউ নেই।

    অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ঠিকাদার সেতুর বিপরীতে বরাদ্দকৃত ৪৪ কোটি টাকার মধ্যে ২২ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।

    বীরগঞ্জের পাল্টাপুর ইউপি চেয়ারম্যন মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং খানসামা খামারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যন আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী বলেন এই সেতুর অভাবে দুই পাড়ের অসংখ্য মানুষ প্রায় ১৫-২০ কিঃ মিঃ ঘুরে তাদের গন্তব্যে পৌছাতে হয়রানীসহ প্রচুর আর্থিক ক্ষতি হয়।

    এখন নদী ভরাট নৌকায় টোল দিয়ে পারাপার হওয়া অনেকে বলেন, জন সাধারণ, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যানচালক ও ব্যাটারী চালিত চার্জার ভ্যান, সিএনজি এই নৌকা দিয়ে নদীর পশ্চিম তীর বীরগঞ্জের মধুবনপুর, সনকা বাছারগ্রাম, ভোগডোমা, রাজিবপুর, রঘুনাথপুর ও ধুনট গ্রাম।

    পুর্ব তীরে নেউলা, দুহুশুহ, কায়েমপুর, খামারপাড়া ও জোয়ার গ্রাম খাবসামাার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়।

    মধুবনপুর এলাকার ভ্যানচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সেতু না থাকায় এবং এই পথে যাত্রীর সংখ্যা অনেক হওয়ায় জীবিকার তাগিদে অপেক্ষায় থাকতে হয়।

    সেতু হলে চলাচলেও যেমন পরিবর্তন আসবে তেমনি আয়-উপার্জনও বৃদ্ধি পাবে।

    রোগী নিয়ে বিপাকের পড়া, স্থানীয় বাসিন্দারা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর সন্তুষ্ট ছিলাম কাজটা হলে উপকার হবে কিন্তু ৭ বছরেও কাজ শেষ হচ্ছে না।

    বরং ঠিকাদারের লোকজন পালিয়ে গেছে এতে কাজ বন্ধ থাকায় আমাদের ভোগান্তি চরম শিখরে উঠলেও, লাঘব কল্পে কাউরো নজর নেই।

    ক্ষোভ প্রকাশ করে কাঁচামাল ব্যবসায়ী তোতা মিয়া ও সাব্বির হোসেন বলেন, সেতুর অভাবে এখানকার কৃষকদের কৃষি পণ্য পরিবহনে বাড়তি খরচ হয়। তাই দ্রুত সময়ে সেতুর কাজ সমাপ্ত করতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

    মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সুরমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আইয়ুব আলী ফোন রিসিভ করেন নি। ম্যানেজার ফজলুল হক জানান আমরা কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে এসেছি।

    নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিউডি দিনাজপুর মাসুদুর রহমান ও প্রকৌশলী বীরগঞ্জ হুমায়ুন কবিরের সাথে কথা হলে তারা বলেন, কর্মরত ঠিকাদারকে বাতীল করে নতুনভাবে পুনঃ টেন্ডার আহ্বান করার প্রস্তুতি চলছে।

    আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যে জয়ন্তিয়া সেতুর কাজ আবারও কাজ আরম্ভ হতে পারে মর্মে আশাবাদি।