Author: তরঙ্গ টিভি

  • আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব  পালিত।

    আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব পালিত।

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উপজেলায় আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে ।
    সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দিনব্যাপী আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে ওই পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে

    আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জলিল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর -১ আসনে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান, অনুষ্ঠানে শুভ উদ্বোধন করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সহ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির খান, উপস্থিত ছিলেন, আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ শিক্ষক -শিক্ষিকামন্ডলী সহ অবিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ।

    কলেজ ক্যম্পাসটি উৎসবে স্টলে স্টলে শোভা পাচ্ছিল বাঙালির ঐতিহ্যের নানা রকম পিঠার বাহার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য – ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, জামাই পিঠা, কুলি পিঠা, কাজু বরফি, জালি পিঠা, মেরা পিঠা, পাকন পিঠা,নূরের জাল পিঠা, দুধ সাগর, দুধকুলি, আনারকলি পিঠা, পাটিসাপটা, নকশি পিঠা, শ্যামা পিঠা, মাংস পিঠা ইত্যাদি।

    এছাড়া শিক্ষার্থীদের আনন্দের জন্য নাগরদোলা ও সাম্পানের ব্যবস্থা রয়েছে ।পাশাপাশি ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সাজসজ্জা, নাচ, গান, কবিতা আবৃতি ও ঐতিহ্যবাহী বাঙালি আবহ অনুষ্ঠান জুড়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ক্যাম্পাস উৎসবমুখর ঁ গ্রাম বাংলার এ এক অন্যরকম ঐতিহ্য।

    আফাজউদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান বলেন, পিঠা উৎসব বাঙালি জাতির ও সংস্কৃতির শেকড়ের মাথে মিশে আছে। পিঠা উৎসব শুধু খাবারের জন্য নয়, এটি বাঙালি জাতির সংস্কৃতির ধারক বাহক। পিঠা উৎসব শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার বিকাশের পাশাপাশি জীবনকেও প্রাণবন্ত করে গড়ে তুলে।

  • দুমকি উপজেলায়,  সাতটি দোকানে চুরি।

    দুমকি উপজেলায়, সাতটি দোকানে চুরি।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, গভীর রাতে সাতটি দোকানে চুরি সংঘটিত হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে থানা ব্রীজ এলাকায় মোঃ আলামিনের মুদি দোকান, মোঃ মাহাবুব খানের মুদি দোকান, জাকির হোসেন খানের মুদি দোকান, আলো খানের চায়ের দোকান, ছিদ্দিক হাওলাদারের ভ্যারাইটিজ স্টোর এবং আঃ রব ও ইউনুসের ভাতের হোটেল লক্ষ্য করে চোরেরা টিনের বেড়া কেটে প্রবেশ করে নগদ টাকা, সিগারেট, দুধ ও তেলের বোতল নিয়ে যায়।

    মাহাবুব খান জানান, প্রতিদিনের মতো রাতের বেলা দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই। সকালে এসে দেখা যায় মালামাল এলোমেলো এবং দোকানের পিছনের বেড়ার টিন কেটে প্রবেশ করা হয়েছে।
    অপর ব্যবসায়ী আলামিন জানান, তার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় চোর রাত সাড়ে ১১টায় ঢুকেছে এবং রাত সাড়ে ১২টায় বের হয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, থানাব্রীজ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নৈশ প্রহরী না থাকায় চুরি সহজ হয়ে উঠেছে।
    দুমকি থানার এসআই মোঃ তাওহীদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর সনাক্ত ও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।

  • গাজীপুর -১ আসনে  মজিবুর রহমানকে  নির্বাচিত করায় ভোটারদের সংবর্ধনা।

    গাজীপুর -১ আসনে মজিবুর রহমানকে নির্বাচিত করায় ভোটারদের সংবর্ধনা।

    গাজীপুর -১ আসনে নির্বাচনে ধানের শীষে মজিবুর রহমানকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় গাজীপুর -১ আসনের ভোটারদের সংবর্ধনা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
    শনিবার বিকালে কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিজয় মঞ্চে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সহ সম্পাদক ও গাজীপুর -১ আসনে নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়ক মোঃ হুমায়ুন কবির খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল।

    উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর -১ আসনে ধানের শীষের নব নির্বাচিত এমপি মোঃ মজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ, পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইজুদ্দিন আহমেদ সহ গাজীপুর -১ আসনের সর্বস্তরের ভোটারগণ।

    মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, গাজীপুর -১ আসনে যারা তারেক রহমানকে হারিয়ে দিতে চেয়েছে, যারা গাজীপুর -১ আসনে খালেদা জিয়াকে হারিয়ে দিতে চেয়েছে, তারা গাজীপুর -১ আসনে বিএনপির পরিবারকে হারিয়ে দিতে চেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যদি কথা না বলি তাহলে বড় মীরজাফর হয়ে যাবো। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি বহুবার, আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য নির্বাচনের ক্যাম্পে দিয়েছিলাম, ভোট বাড়ল কি কমলো সেদিকে খেয়াল করি নাই, সেইদিনই সর্তক করেছিলাম এখনো পর্যন্ত সময় আছে তারেক রহমানকে প্রধান মন্ত্রী বানানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না

  • যশোর নাভারন-ভোমরা(সাতক্ষীরা) রেলপথ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির নতুন গতি।

    যশোর নাভারন-ভোমরা(সাতক্ষীরা) রেলপথ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির নতুন গতি।

    দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে সাতক্ষীরাবাসীর। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শেষ জেলা হিসেবে এতদিন রেল যোগাযোগের বাইরে থাকা সাতক্ষীরা এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কে। যশোরের নাভারন থেকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগে জেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে।

    রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ নাভারন-ভোমরা রেলপথ নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। প্রকল্পের বড় অংশের অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে ঋণ সহায়তা হিসেবে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

    ইতোমধ্যে সয়েল টেস্ট, জমি চিহ্নিতকরণ এবং ছয়টি স্টেশন নির্ধারণসহ প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই রেলপথে নাভারন, কলারোয়া, মাধবকাঠি, সাতক্ষীরা সদর এবং ভোমরা স্থলবন্দরসহ মোট ছয়টি আধুনিক স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

    রেললাইন চালু হলে যাতায়াত ব্যবস্থা যেমন সহজ হবে, তেমনি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি পাবে নতুন গতি। হিমসাগর আম, রফতানিযোগ্য হিমায়িত চিংড়ি, সুন্দরবনের মধু ও বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জন্য পরিচিত সাতক্ষীরা জেলার কৃষি, শিল্প, পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বহুগুণে বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলের সঙ্গে রেলের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৮৬২ সালে দর্শনা-জগতি রেললাইন দিয়ে বাংলায় রেলযাত্রার সূচনা হলেও সাতক্ষীরা এতদিন সেই ইতিহাসের বাইরে ছিল। ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ আমলে নাভারন হয়ে সাতক্ষীরা ও সুন্দরবন পর্যন্ত রেল সংযোগের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

    দীর্ঘ দেড় শতাব্দী পর সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ নিতে চলেছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ২ হাজার ৮৭৭ কিলোমিটার রেললাইন রয়েছে এবং রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত ৪৪টি জেলা। সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন করে আরও ১৫টি জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাভারন-ভোমরা রেলপথ সেই পরিকল্পনার অন্যতম উদাহরণ।

    ভোমরা কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু হাসান বলেন, “নাভারন-সাতক্ষীরা-ভোমরা রেলপথ শুধু একটি যোগাযোগ প্রকল্প নয়, এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোর ঐতিহাসিক উদ্যোগ।”

    কলারোয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সানসিলা জেবরিন বলেন, “বর্তমানে যাতায়াতে সময় ও ভোগান্তি বেশি। রেললাইন চালু হলে আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য যাতায়াত সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হবে।”

    ভোমরা স্থলবন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা জানান, রেল যোগাযোগ চালু হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে, পণ্য পরিবহন সহজ হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

    বেনাপোল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান জানান, জমি নির্ধারণ, সয়েল টেস্ট এবং স্টেশন পরিকল্পনার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। নাভারনে একটি আন্তঃনগর মানের রেলস্টেশন নির্মাণ করা হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

  • সংসদ নির্বাচনে জামানত টিকলো না যশোরের ২৪ প্রার্থীর

    সংসদ নির্বাচনে জামানত টিকলো না যশোরের ২৪ প্রার্থীর

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত হারালেন যশোরের ৬টি আসনের ২৪ প্রার্থী। নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা এতথ্য জানান।
    জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, যশোর-১ শার্শা আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৯ হাজার ৬২৬। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ২৭ হাজার ৪৫৩। এ আসনে ২ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টি লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (১৩৯৮) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী বক্তিয়ার রহমান (১৭৬৮) ভোট।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা) আসনে প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৫। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ৪২ হাজার ৭৪৮। এ আসনে ৬ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী ইদ্রিস আলী ( ৫৭৮১), বাসদের মই মার্কার প্রার্থী ইমরান খান (৪৭২), ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী জহুরুল ইসলাম (১৮৮), ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান (৩৮৯), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের টেলিভিশন মার্কার প্রার্থী শামসুল হক (২৩৩) ও এবি পার্টির ঈগল মার্কার প্রার্থী রিপন মাহমুদ (৪১৬) ভোট।

    যশোর-৩ সদর আসনের প্রদত্ত ভোট ৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৯৮। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ৫১ হাজার ৯৬২। এ আসনে ৪ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন(১৩৩২২), জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী খবির গাজী(৩৪০৪), জাগপার চশমা মার্কার প্রার্থী নিজামুদ্দিন অমিত (১৭৭২) ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি’র কাস্তে মার্কার প্রার্থী রাশেদ খান (৭৫৩) ভোট।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর) আসনে প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৮০। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ৪১ হাজার ৪২২। এ আসনে ৬ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন- মোটরসাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদ (৭৯৭), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী বায়েজীদ হোসাইন (১১৮৩৮), খেলাফত মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি মার্কার প্রার্থী (আশেক এলাহী (৩০১), গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক মার্কার প্রার্থী আবুল কালাম গাজী (২৫৭), জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী জহুরুল হক (১৭৫১), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রকেট মার্কার প্রার্থী সুকৃতি কুমার মন্ডল (১৫১০) ভোট।

    যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৮৬ হাজার ৩২০। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ৩৫ হাজার ৭৯০। এ আসনে ৩ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী জয়নাল আবেদীন (৪৪০০) , জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী এম এ হালিম (২২৪৫) , ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান (২১০৩) ভোট।

    যশোর-৬ কেশবপুর আসনে প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫০৮। এ ভোটের ৮ শতাংশ ভোট ২২ হাজার ৩১৩। এ আসনে ৩ প্রার্থী ৮ শতাংশ ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
    প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম (১২৮৫), জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী জিএম হাসান (৯৯০) ও আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগল মার্কার প্রার্থী মাহমুদ হাসান ( ৬৭২) ভোট।

  • বিএনপির বড় জয়ে নিউইয়র্কে বিজয় র‍্যালী।

    বিএনপির বড় জয়ে নিউইয়র্কে বিজয় র‍্যালী।

    সদ্য-সমাপ্ত নির্বাচনে দুই শতাধিক এর উপরে আসনে বিশাল বিজয় পাওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীরা বিজয়-র‍্যলী করেন। এতে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন বলেন, এ নির্বাচনে বিএনপির অবিস্মরণীয় বিজয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্যতর উত্তরসূরির স্বাক্ষর রাখলেন। আমরা সুদূর এ প্রবাস থেকেই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি তারুণ্যে উদ্ভাসিত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানসহ বিজয়ী সকলকে।খবর আইবিএননিউজ ।

    যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন এ সময় সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, হাড় কাঁপানো শীত সত্বেও বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি তথা সামনের দিনগুলোতে বিএনপির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার সংকল্প গ্রহণের এ বিজয়-র‌্যালি ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।

    এ সময় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির মহিলা সম্পাদক সৈয়দা মাহমুদা শিরিন বিজয়ী সকলকে শুভেচ্ছা জানান। তাৎক্ষণিক এ বিজয় র‌্যালি উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশিদের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নবান্ন পার্টি হলে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় জানানো হয় যে, রোজার আগেই কুইন্স প্যালেসে বিশাল আকারে বিজয় উৎসব করা হবে। কারণ বিএনপির এ বিজয়ে গত ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্রের নেতা-কর্মীরাও সরব ছিলেন।

    বিজয়-র‌্যালিতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন কাজী আজম, আনিসুর রহমান, হুমায়ূন কবীর, দেওয়ান কাউসার, রিয়াজ মাহমুদ, এবাদ চৌধুরী, সরোয়ার খান বাবু, মাহমুদ হাসান, গোলাম এন মুকুট, জিয়াউর রহমান মিলন, শাহজাহান সিরাজ, আতিকুল হক আহাদ, মাজহারুল ইসলাম জনি, শওকত আলী, নূরে আলম, ফয়সাল আহমেদ প্রমুখ।

  • লক্ষ্মীপুরে জামানত হারালেন ২১ এমপি প্রার্থী

    লক্ষ্মীপুরে জামানত হারালেন ২১ এমপি প্রার্থী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনের ২১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুাযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগ ভোটও তারা কেউ পাননি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত ভোটের ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে আলোচিত প্রার্থীরা হলেন- লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের তারা প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের লাঙলের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, হাতপাখার প্রার্থী জেলা ইসলামী আন্দোলনের সহসভাপতি জাকির হোসেন পাটওয়ারী।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলপত্র যাচাই করে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মআহবায়ক মাহবুব আলম ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ছেন।

    এছাড়া জাতীয় পার্টির মাহমুদুর রহমান মাহমুদ ৪১৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটওয়ারী ১১ হাজার ১৫৬ ভোট, এনডিএম’র আলমগীর হোসাইন ১০৬ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের কাউছার আলাম ১১৫ ভোট, বাসদের বিল্লাল হোসেন ২০৩ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ২ লাখ ৮১ হাজার ৩০২ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৬২ জন। এখানে ৫৭.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ২০ হাজার ৩৭০ ভোট পেতে হতো।

    লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়েছেন।

    এছাড়া আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার ৪২৪ ভোট, নাগরিক ঐক্যের রেজাউল করিম ২৫৩ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির ইব্রাহিম মিয়া ১ হাজার ৭৮০ ভোট, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ফরহাদ মিয়া ২৮৮ ভোট ও ইসলামী আন্দোলনের হেলাল উদ্দিন ৬ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়েছেন। আসনটির ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৬ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৬০.১৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।  এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ৩৭ হাজার ১৫৮ ভোট পেতে হতো।

    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন।

    এছাড়া আসনটিতে জাতীয় পার্টির একেএম মহিউদ্দিন ১ হাজার ৩৩৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহিম ৫ হাজার ৫১ ভোট, এলডিপির মো. শামছুদ্দিন ৪৮৮ ভোট ও এনপিপির সেলিম মাহমুদ ২৮৯ ভোট পেয়েছেন। আসনটির ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৩০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৬১.২৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ৩৪ হাজার ৫৩ ভোট পেতে হতো।

    লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এআর হাফিজ উল্যাহ ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়েছেন।

    এছাড়াও আসনটিতে স্বতন্ত্র আ ন ম মঞ্জুর মোর্শেদ ৩৯৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ২১ হাজার ১০৩ ভোট, জেএসডির তানিয়া রব ২২ হাজার ৪০ ভোট, স্বতন্ত্র নুরুল হুদা চৌধুরী ৪২২ ভোট, বাসদের মিলন কৃষ্ণ মন্ডল ৪৪০ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের রেদোয়ান উল্লাহ ২৫৯ ভোট ও স্বতন্ত্র শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ৪১১ ভোট পেয়েছেন।
    আসনটির ৪ লাখ ১৮ হাজার ১৫৮ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৫৭.৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ৩০ হাজার ১২০ ভোট পেতে হতো।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ার ফলে বাজেয়াপ্ত হবে তাদের জামানত।

  • চট্টগ্রামে কোনো প্রার্থী আপত্তি জানাননি, দাবি ডিসির

    চট্টগ্রামে কোনো প্রার্থী আপত্তি জানাননি, দাবি ডিসির

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রামে অভিযোগহীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রামবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ আবারও প্রমাণ করেছেন—তারা একটি শান্তিপূর্ণ চট্টগ্রাম ও একটি সুন্দর নতুন বাংলাদেশ গড়তে চান।

    শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    জেলা প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রামের কোথাও কোনো অভিযোগ, অনুযোগ, দুর্ঘটনা বা সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। ফলাফল ঘোষণার পরও কোনো প্রার্থী আপত্তি জানাননি; সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ফলাফল মেনে নিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরুর সময় প্রধান উপদেষ্টা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনকে পুনর্গঠন করা হয়। স্বল্প সময়ে নতুন পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সিভিল প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করায় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক দাবি করেন, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেনি। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে যে প্রশ্ন ছিল, তা দূর করতে নাগরিকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, চট্টগ্রামের নাগরিকরা প্রশাসনের ওপর আস্থা রেখেছেন।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার বাহিনীসহ প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসের সেরা নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে সবার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

    নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের মানুষের কাছে বৈষম্যহীন ও নিরাপদ নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। জনগণের সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পরও মানুষ প্রতিকূলতার মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন—এই প্রত্যাশায় যে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একটি ভালো দেশ গড়ে তুলবেন। নাগরিকেরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন; এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সময়।

  • আজ পয়লা ফাল্গুন, বসন্ত এসে গেছে…

    আজ পয়লা ফাল্গুন, বসন্ত এসে গেছে…

    ‘বাতাসে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা কারা যে ডাকিল পিছে! বসন্ত এসে গেছে…’ হ্যাঁ—আজ পয়লা ফাল্গুন (১৪ ফেব্রুয়ারি)। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন এবং বাংলা সনের একাদশ মাস।

    বসন্ত মানে পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব। ফাল্গুনের প্রথম দিনকে বাংলাদেশে পয়লা ফাল্গুন ও বসন্ত বরণ উৎসব হিসেবে উদযাপন করা হয়, যা ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ কর্তৃক আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে ১৪ ফেব্রুয়ারিকেও বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস হিসেবেও উদযাপন করা হয়।

    শীতের রুক্ষতাকে পেছনে ফেলে প্রকৃতিকে আবার নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার আগমনী বার্তা নিয়ে আসে বসন্ত। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। ফুলের মুকুল আসে। পাখি গান গায়। আর বাতাসে ভাসে মিষ্টি ফুলের ঘ্রাণ। প্রজাপতিরা রঙিন ডানা মেলে জানায় ঋতুরাজের আগমনী বার্তা। বসন্ত শুধু প্রকৃতিতেই নয় মানুষের মনেও জাগায় প্রাণের ছোঁয়া। তাই বসন্তের প্রথম দিনটিকে উদযাপন করতে সবাই মেতে ওঠে উৎসবে। নিজেকে সাজিয়ে তোলে বসন্তের রঙে।

    ফাল্গুন নামটি এসেছে মূলত ফাল্গুনী নামে নক্ষত্র থেকে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের দিকে চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষ উভয়ই মেনে চলা হতো। ফাল্গুন ছিল পূর্ণ চন্দ্রের মাস। ১৯৫০-১৯৬০ দশকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পয়লা ফাল্গুন পালন শুরু হয়। সেসময় বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানের সংস্কৃতি থেকে নিজেদের আলাদা করতে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনার পাশাপাশি বাঙালি নিয়মে পয়লা ফাল্গুন পালন শুরু করে।

    বসন্ত নিয়ে লেখা হয়েছে অনেক গান, অনেক কবিতা। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক, আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’। বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ‘বসন্ত নিয়ে জনপ্রিয় একটি গান হচ্ছে ‘বসন্ত বাতাসে সই গো বসন্ত বাতাসে, বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে সই গো, বসন্ত বাতাসে’। বিশ্ব কবি রবীন্ত্রনাথ ঠাকুর বসন্ত নিয়ে লিখেছেন অনেক কবিতা এবং গান।

    পয়লা ফাল্গুন বা বসন্ত আমাদের সাংস্কৃতিক অনুসঙ্গ যেমন, তেমনি এ মাসের রাজনৈতিক গুরুত্বও অসীম। ফাগুনে শিমুল আর কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ মনে করিয়ে দেয় বায়ান্নর ফাগুনের শহীদদের কথা। মনে করিয়ে দেয় ভাষা শহীদের রক্তের ইতিহাস। এ মাসেই মায়ের ভাষা বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন রফিক সফিক বরকত সালামরা। তাদের রক্তের সোপান বেয়ে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তাই ফাগুন বাঙ্গালির দ্রোহেরও মাস।

  • বিএনপি পেয়েছে ২০৯, জামায়াত ৬৮ আসন আদালতের নির্দেশে দুই আসনের ফল স্থগিত হয়েছে : ইসি সচিব

    বিএনপি পেয়েছে ২০৯, জামায়াত ৬৮ আসন আদালতের নির্দেশে দুই আসনের ফল স্থগিত হয়েছে : ইসি সচিব

    চট্টগ্রামের দুই আসনের ফলাফল আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকলেও বাকি ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশনের সচিব জানিয়েছেন, এই ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি।

    আজ (শুক্রবার) বিকেল ৩টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

    ইসি সচিব বলেন, আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের সংসদীয় ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে ওই আসনগুলোতে গণভোটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় গণভোটের ফল শতকরা হিসাবে যুক্ত হয়েছে। এ কারণেই সংসদ নির্বাচনে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ হলেও গণভোটে তা ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ হয়েছে।

    ইসি সচিব জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি। বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। তিনি বলেন, সংশোধন ও পরিবর্তনের পক্ষে জনগণ স্পষ্ট মত দিয়েছে।

    দলভিত্তিক আসন চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

    ইসি সচিব বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে হার্ডকপি চূড়ান্ত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে না। বার্তাশিটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা শেষে একসঙ্গে ডিজিটাল আদেশে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, তড়িঘড়ি করে কিছু বলা আমাদের দায়িত্বশীলতার মধ্যে পড়ে না। চূড়ান্ত শিট হাতে পেলেই গেজেট জারি হবে। এক ঘণ্টায় এলে এক ঘণ্টায়, দুই ঘণ্টায় এলে দুই ঘণ্টায়।

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দুই আসনের বিষয়ে কোনো ‘চিঠি’ নয়, বরং আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতেই ফল প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়েছে।