Author: তরঙ্গ টিভি

  • বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি।

    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি।

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুইদিনে ৯টি চালানে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।

    রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানিকৃত চালের দুটি চালানে ১৫ ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি ৭৭০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এ নিয়ে দুইদিনে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো।

    এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

    বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়েছে ৫০ টাকা।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের (পরিচালক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুইদিনে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত এবার যশোর জেলায় মোট ৪৪ জন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও এ পর্যন্ত বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাত্র একজন আমদানিকারক চাল আমদানি করেছেন।

  • শার্শায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতির নেতৃত্বে ৬ জনের জামায়াতে যোগদান

    শার্শায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতির নেতৃত্বে ৬ জনের জামায়াতে যোগদান

    যশোরের শার্শার উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জালাল উদ্দীনের নেতৃত্বে ৬ জন নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

    সোমবার বিকালে উপজেলার গোড়পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিজামপুর ইউনিয়ন জামায়াত আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এই যোগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    জনসভায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জালাল উদ্দীন মেম্বারসহ ৬ জন নেতাকর্মী শার্শা আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে জামায়াতে যোগ দেন।

    যোগদানের বিষয়ে শার্শা উপজেলা জাময়াতের সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন,

    জামায়াত ইসলামীর প্রতি আস্থা বিশ্বাস ও আগামীতে জামায়াত যে দেশ পরিচালনা করবে এ কারনে দলে দলে জামায়াত ইসলামীতে যোগ দিচ্ছে। নির্বাচনে আগে শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি,ইসলামি আন্দোলন ও অনান্য দল থেকে আরো অনেকে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করবে।

    নিজামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম মুঠোফোন জানান,জামায়াতে যোগদানকারী জালাল উদ্দীনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ১৫ দিন আগে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

  • নিপা ভাইরাস’ নিয়ে নেই সতর্কবার্তা : স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা আসেনি বেনাপোল বন্দর এলাকায়

    নিপা ভাইরাস’ নিয়ে নেই সতর্কবার্তা : স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা আসেনি বেনাপোল বন্দর এলাকায়

    সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়া ‘নিপা ভাইরাস’ নিয়ে এদেশের চেকপোস্ট ও স্থলবন্দরে সতর্কতার কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। দায় সারা দায়িত্ব পালন করছে সবাই। এখানে ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ঠিকঠাকভাবে স্ক্রিনিং করার কোনো ব্যবস্থা নেই। যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপার থার্মাল স্ক্যানারই একমাত্র ভরসা। কপালে ঠেকিয়ে তাপমাত্রা নির্ণয় করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ‘নিপা ভাইরাস’ প্রতিরোধে বন্দর এলাকায় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখনো অফিসিয়াল কোনো নির্দেশনা পায়নি যশোরের বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ বা শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বেনাপোল স্থলবন্দর ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    জানা যায়, ভারত বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশি বিধায় প্রতিনিয়তই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে। ভারতে যাতায়াতকারী পাসপোর্টযাত্রীর সংখ্যা কমলেও বর্তমানে প্রতিদিন এক হাজারেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করে থাকেন।

    বন্দর ও কাস্টমসের তল্লাশি কেন্দ্রের মধ্যে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। তবে ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের মাস্ক পড়ে ডিউটি করতে দেখা গেছে। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্র ও প্যাসেজ্ঞার টার্মিনালের আশে পাশে বাইরের যে সমস্ত লোকজন ভিড় করছে তাদের মুখে কোন মাস্ক নেই। ২/৩ জন স্বাস্থ্য সহকারীকে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। এদের মধ্যে একজন উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও একজন গ্যাভি কর্মী (এনজিও) চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছেন।

    চেকপোস্ট স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুই নার্স ‘নিপা ভাইরাসে’ আক্রান্ত হলে চিকিৎসায় তারা এখন ভাল আছে। ওদেশে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ায় ‘নিপা ভাইরাস’টি আর বাড়েনি। প্রত্যেক যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ আসেনি। তবে পূর্বের ন্যায় ভারত থেকে আসা প্রতিটি যাত্রীর থার্মাল স্ক্যানিং মেশিনে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। সেসব যাত্রীদের ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যাবে তাদের পরীক্ষা করা হবে। যে কারণে ঢালাও ভাবে কারো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে না। এ পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি। আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই।

    বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্ত্তজা আলী বলেন, ভারত থেকে আসা প্রত্যেক যাত্রীকে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে প্রবেশের আগে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব যাত্রী মাস্কবিহীন বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন তাদের মধ্যে ফ্রি মাস্ক সরবরাহ করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মজিদ জানান, সরকারি নির্দেশনার পর ভারত সীমান্ত হয়ে আসা সব পাসপোর্টযাত্রীদের হ্যান্ডডিটেক্টর থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য কর্মীরা ‘নিপা ভাইরাস’ আক্রান্ত কোনো যাত্রী আসছেন কিনা সে ব্যাপারে নজর রাখা হচ্ছে। তবে এ পর্যন্ত ভারত থেকে আসা কোনো পাসপোর্টযাত্রীর দেহে কোন ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ এ ব্যাপারে সতর্কতায় আছে।

  • নারী, কৃষক ও তরুণ—এই তিন শক্তিতেই বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা তারেক রহমানের।

    নারী, কৃষক ও তরুণ—এই তিন শক্তিতেই বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা তারেক রহমানের।

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারী—তাদের বাদ দিয়ে কোনোভাবেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে নারীদের অবমাননা করছে এবং তাদের ঘরের চার দেয়ালে বন্দি করে রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

    সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর উদ্যানে জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় বিএনপি নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার প্রসারে মাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি গৃহিণীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে মায়েরা প্রতি মাসে রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাবেন।”

    গার্মেন্টস শিল্পসহ দেশের অর্থনীতিতে নারীদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “যারা কর্মজীবী নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে, তারা কখনোই জনগণের বন্ধু হতে পারে না।”

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপি উন্নয়নের নামে প্রতারণা নয়, বাস্তব উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সরকার গঠন করলে কৃষকদের দোরগোড়ায় ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, “উলশী খালসহ সারা দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া খালগুলো খনন করা হবে। এতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং ফসল উৎপাদন দ্বিগুণ হবে।”

    যশোর অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানকার ফুল চাষ আধুনিকায়ন করে বিদেশে রফতানির ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করে আখ চাষিদের ভাগ্যোন্নয়ন এবং দেশে চিনি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। বেকারত্ব দূর করতে প্রতিটি এলাকায় ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও আইটি পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনকে দেশপ্রেমিক ও দেশবিরোধীদের লড়াই হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “একটি চক্র এনআইডি ও বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। ভোট গণনায় দেরির অজুহাতে কারচুপির চেষ্টা হলে তা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবাই শান্তিতে বসবাস করবে। রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনই বিএনপির লক্ষ্য।” বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে জনতাকে উজ্জীবিত করেন।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ ধ্বনি, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

  • ঢাকা-১১ আসন  এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট

    ঢাকা-১১ আসন এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট

    দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

    সোমবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ রিট দায়ের করেন।

    রিটে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

    নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা, অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী।

    অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, এ সপ্তাহেই হাইকোর্টে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

    এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এমএ কাইয়ুম এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

  • বর্তমান বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ও সম্ভাবনা-দুটিই তৈরি হয়েছে

    বর্তমান বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ও সম্ভাবনা-দুটিই তৈরি হয়েছে

    বর্তমান বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ও সম্ভাবনা-দুটিই তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের পর যেটাকে আমরা ‘পলিটিক্যাল স্পেস’ বা রাজনৈতিক পরিসর বলি, সেটা তো বেড়েছে। সেখানে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারছেন, বিভিন্নভাবে অংশগ্রহণ করছেন। কিন্তু গণতন্ত্র চর্চার তো শুধু সমাবেশ করা বা আলোচনা করাই নয়; গণতন্ত্র চর্চার কতগুলো দিক আছে। যেমন-এর কিছু প্রাতিষ্ঠানিক দিক থাকে, কিছু থাকে রাজনৈতিক সংস্কৃতি। আবার এর তৃতীয় আর একটা ডাইমেনশন বিবেচনায় নিতে হবে, সেটা হলো রাজনৈতিক অর্থনীতির দিকটা।

    শেখ হাসিনা সরকার, একটা ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র, প্রতিষ্ঠানহীনতা, এক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করা; কার্যত এক দলের শাসন-সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতিটা ছিল, সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় দিক তো সেটাই ছিল-এ স্পেসটা তৈরি করা।

    তো সেই জায়গা থেকে এটি প্রসারিত হয়েছে, সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এ অর্থে যে-এখন এখান থেকে আমরা কোথায় যাব, সে সিদ্ধান্তটা আমাদের নিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরির প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলি, প্রতিষ্ঠান তৈরি করার তাগিদটা সাধারণ মানুষের মধ্যেও আছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোও এখন এ ব্যাপারে কার্যত একমত যে, প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি করতে হবে এবং সেগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে, যাতে করে কোনো অবস্থাতেই এগুলো কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সমর্থক না হয়ে পড়ে।

    আর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিক থেকে কিছু ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে। ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও জোট মাসের পর মাস প্রকাশ্যে আলোচনা করল, সহিষ্ণুতা দেখাল। তো সেটার খানিকটা পরিবর্তন আমরা লক্ষ করলাম। পরবর্তী সময়েও আমরা দেখলাম-শুধু জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বিষয় নয়, তার বাইরেও রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক আলোচনার একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং তারা করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও সব দল একসঙ্গে হয়েছে, তারা আবার অন্য জোটের সঙ্গে কথা বলছে। এটা এক অর্থে বড় রকমের ইতিবাচক দিক। এটা যদি অব্যাহত রাখা যায়-আলাপ-আলোচনার জায়গাটা তৈরি করা এবং তা অব্যাহত রাখা যায়-সেটা খুবই ভালো হবে। কিন্তু সেটা অব্যাহত থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে আপনার ডেমোক্রেটিক স্পেসটা কতটা আছে তার ওপর। আরেকটা হচ্ছে, মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে মতপার্থক্য সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের প্রতি কতটা সহনশীল ও সহিষ্ণু থাকে তার ওপর।

    তৃতীয়ত হলো রাজনৈতিক অর্থনীতি। রাজনৈতিক অর্থনীতিতে বড় রকমের পরিবর্তন ঘটেনি। কারণ এটা হঠাৎ করে ঘটে না। রাজনৈতিক সংস্কৃতির মতো রাজনৈতিক অর্থনীতিও রাতারাতি বদলে যায় না। সেই জায়গাটাকে আমি ‘সম্ভাবনার জায়গা’ বলছি। এ সম্ভাবনাটা আছে যদি রাজনৈতিক শক্তি-বিশেষত নতুন নতুন রাজনৈতিক শক্তির উদ্ভব ঘটে। তদুপরি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যদি এমন ব্যবস্থা করা যায় যে, গণতন্ত্র চর্চার অনুকূল পরিবেশ থাকবে, তাহলে রাজনৈতিক অর্থনীতি পরিবর্তিত হওয়ার সুযোগটা তৈরি হবে। এখনো আমরা সম্ভাবনার জায়গায় আছি।

    যে কোনো রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিটা ওই রাষ্ট্রের স্বার্থ অর্থাৎ জাতীয় স্বার্থকে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো স্থায়ী বন্ধু নেই, স্থায়ী শত্রু নেই। রাষ্ট্রকে এটাই বিবেচনা করতে হবে। স্বল্পমেয়াদে নয় বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে দীর্ঘমেয়াদে। দীর্ঘমেয়াদে তার কী প্রতিক্রিয়া হবে, রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ তার জাতীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন এবং সুরক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদে তাকে ভাবতে হবে। এই যে ‘আগামীকাল আমরা ক্ষমতায় থাকলাম, এর মধ্যে এইভাবে সুযোগ-সুবিধাগুলো পাব’-সেইভাবে পররাষ্ট্রনীতি তৈরি করাটা হবে ভয়াবহ ক্ষতিকর।

    বৈশ্বিকভাবেই আমরা এখন এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে আছি। কারণ কী? এক হচ্ছে যে, অর্থনৈতিকভাবে বিবেচনায় ক্ষমতার ভরকেন্দ্র এশিয়ায় ইতোমধ্যে উপস্থিত হয়েছে। প্রভাবের দিক থেকেও যদি বিবেচনা করি-চীনের যে উত্থানটা ঘটেছে, তা প্রমাণ করে যে, আগে এ জায়গায় এরকম কোনো শক্তি ছিল না। পুরো বিষয়টাই আগে আটলান্টিককেন্দ্রিক বা পশ্চিমকেন্দ্রিক ছিল, সেই জায়গাটা এখন ভেঙে পড়েছে।

    এবং সেই ভেঙে পড়ার জায়গায় আমরা দেখতে পাচ্ছি-যেটাকে আমরা ‘রুল-বেজড গ্লোবাল পলিটিক্স’ বলতাম, অর্থাৎ কতগুলো নিয়মনীতি ও মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হওয়া-তাও পরিবর্তিত হচ্ছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা, বিশেষ করে গত এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের আন্ডারে আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি-তা ভেনিজুয়েলার ঘটনাই বলুন কিংবা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেকে প্রত্যাহার-এগুলো কী প্রমাণ করে? এগুলো প্রমাণ করে যে, রুল-বেজড গ্লোবাল পলিটিক্স ক্রাম্বল (crumble) করতে শুরু করেছে, প্র্যাকটিক্যালি ভেঙে পড়েছে।

    এখন এটা যখন পুনর্গঠিত হবে, এটা তো কোনো শূন্যতার (vacuum) মধ্যে থাকবে না। তাহলে কিছু নতুন শক্তির উত্থান ঘটবে। আবার পুরোনো শক্তি-যেমন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপকে যদি আমরা পুরোনো শক্তি বলি, এগুলো তো হঠাৎ করে চলে যাবে না, তাদেরও প্রভাব থাকবে। এবং যুক্তরাষ্ট্র এখন শক্তি দিয়ে এটা অ্যাসার্ট (assert) করার চেষ্টা করছে। অতীতে দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে অকুণ্ঠ ছিল ঠিকই, কিন্তু তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল আদর্শিকভাবে বিজয় অর্জন করা অর্থাৎ ‘সফট পাওয়ার’-এর ব্যবহার করা। এখন ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সফট পাওয়ার নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। তারা মনে করে যে ‘হার্ড পাওয়ার’ দিয়ে এটা বাধ্য করা যাবে। এই যে পরিবর্তনগুলো-এ পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশকে যুক্ত থাকতে হবে। বাংলাদেশকে তার জাতীয় স্বার্থই বিবেচনা করতে হবে।

    পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক। ক্ষমতায় কোন দল থাকল-সেটা যেন যারাই ক্ষমতায় থাকবেন তারা বিবেচনায় না আনেন। বিবেচনা করতে হবে রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি কোন নীতিটা অনুসরণ করব। আর সেটা যদি না করতে পারে, যদি বিবেচনা করে যে ‘আমার টিকে থাকার জন্য আমার এ সুবিধা হবে, আমার দলের প্রতি অন্য দেশের আনুকূল্য থাকবে’-এটা বিবেচনা করতে হবে; সেটা যুক্তরাষ্ট্রই বলুন, রাশিয়া বলুন, ভারত বলুন কিংবা চীন বলুন- ক্ষমতাসীনদের রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে রাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষা করে অগ্রসর হতে হবে। ফলে এই একটা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাদের নির্ধারণ করতে হবে, আমি জাতীয় স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদে কার কাছ থেকে কতটুকু লাভবান হব।

    আমরা যদি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ গণভোটের মধ্য দিয়ে জনগণের সম্মতি লাভ করি, পরবর্তীতে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন, ক্ষমতায় থাকবেন-তাদের উদ্যোগ নিতে হবে সেগুলো বাস্তবায়িত, সাংবিধানিকভাবে যুক্ত করার জন্য। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে আমাদের প্রস্তাব ছিল এবং এখন যেভাবে বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে যার ভিত্তিতে গণভোট, সেখানে বলা হচ্ছে যে-১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসাবে কাজ করে এ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ এগুলো বাস্তবায়ন করবে।

    বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে এটা এক অর্থে ধাপে ধাপে হচ্ছে। কতগুলো বিষয় জুলাই জাতীয় সনদে একমত হওয়া গেছে, কিছু ভিন্নমত আছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো পরিবর্তিত হতে শুরু করবে। এটার প্রক্রিয়াটা অব্যাহত রাখতে হবে যে-প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো দাঁড় করানো, সেগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করা, জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করা এবং অংশগ্রহণমূলক থাকা…। শুরুটা করতে হবে এগুলোর মধ্য দিয়ে-এগুলো সাংবিধানিক। আর দ্বিতীয় যেটা, এটা চর্চাটা করতে হবে। আপনি প্রতিষ্ঠান তৈরি করলেন সেটাই যথেষ্ট নয়; চর্চার ক্ষেত্রে সব রাজনৈতিক দলগুলোকেই এগিয়ে আসতে হবে। এবং এটাই হচ্ছে রাজনৈতিক দলের কাজ-জনগণকে এ ব্যাপারে আরও বেশি অবহিত করা এবং তাদের যুক্ত করা, তাদের জীবনে সেটার প্রভাবটাকে নিশ্চিত করা। এটা একটা প্রক্রিয়া। সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ইতোমধ্যেই শুরুটা হয়েছে। এই যে বিভিন্ন কমিশনগুলো তৈরি করা, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা, তাদের ব্যাপারে অনেক বিষয়ে একমত হওয়া, তারপর জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করা, তারপর এখন হচ্ছে একটা গণভোট-এটা কিন্তু একটা প্রক্রিয়া। এটাকে ধাপে ধাপেই এগোনো বলা যায়।

    ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ যদি বাস্তবায়িত হয়, সেটাও আবার একটা ধাপ। তারপর সেগুলোকে নিশ্চিত করা, সুরক্ষা করা। গণতন্ত্র হচ্ছে এমন এক জিনিস যেটাকে প্রতিদিন রক্ষা করতে হয়। কারণ যারা গণতন্ত্রের বিরোধী শক্তি, তারা তো চেষ্টাই করবেন এটাকে ডিজম্যান্টল (dismantle) করা।

    এটাকে অনুসরণ করা এবং এটাই একেবারে চূড়ান্ত তা নয়।

    ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অমুক জিতবে না বলে ভোট দিচ্ছে না লোকে-এটার কিন্তু একটা সমাধান জুলাই জাতীয় সনদ দিয়েছে। সেটা হচ্ছে যে-উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতে থাকা। তার মানে হচ্ছে একটা রাজনৈতিক দল জিতবে না; অর্থাৎ আমি যে এলাকায় আছি সেখানে আমার প্রার্থী জিতবে না, তাতে আমার পছন্দের দল যে আকারের ছোট, জনসমর্থন কম, ফলে সে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবে না, সে কারণে আমি ভোট দিচ্ছি না।

    কিন্তু এখন যদি উচ্চকক্ষ তৈরি হয় সংখ্যানুপাতে-যেটা জাতীয় সনদে আছে, যেটা গণভোটে বলা হয়েছে-তাহলে কী হবে? ৫-৬ শতাংশ ভোট পেলেও তার প্রতিনিধি কিন্তু সংসদে থাকবে। ফলে নাগরিকরা কিন্তু এখন এটা বিবেচনা করতে পারবেন যে-ঠিক আছে সে জাতীয় সংসদে সদস্য হয়তো হবে না, কিন্তু আমি যদি আমার পছন্দের দলকে ভোট দিই উচ্চকক্ষে তার প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে। তাহলে কোথাও না কোথাও আইনসভার কোনো না কোনো জায়গায় তার একটা প্রতিনিধিত্ব থাকবে। এটা এ প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটু পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আমরা আশা করছি এটা যখন চর্চা হতে থাকবে, তখন আমার পছন্দের রাজনৈতিক দল জিতবে অথবা জিতবে না-এ বিবেচনা থেকে মানুষ বেরিয়ে আসতে পারবেন।

    নতুন বা তুলনামূলক মানুষের কাছে কম গ্রহনযোগ্য দলগুলো যদি তাদের দলের সমর্থন বা জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টার চাইতে ক্ষমতায় যাওয়া বা ক্ষমতার কাছে থাকার বেশি চেষ্টা করে- তখন এ ধরনের প্রবণতার একটা নেতিবাচক প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়তে পারে। তা হচ্ছে একটা ভয়াবহ মেরুকরণকৃত (polarized) পলিটিক্স তৈরি হয়ে যেতে পারে। যেমন আপনার মধ্যে সব ছোট দল বিলীন হয়ে গেল, আবার আমি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী আমি কী করলাম-আমি আবার সব ছোট দল বা যাদের সমর্থন কম কিন্তু সমাজে এক ধরনের প্রভাব আছে তাদের আমার মধ্যে বিলীন করে ফেললাম। তাহলে কী হবে? খুব প্রত্যক্ষ মুখোমুখি একটা বাইনারি পলিটিক্স (binary politics) তৈরি হবে। এবং এ বাইনারি পলিটিক্স যে কোনো জায়গায় সবসময় এলে গণতন্ত্রের জন্য খুব ইতিবাচক হয় না।

    এমনকি যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ব্রিটেনে ক্ষমতার কাছাকাছি অর্থের বিবেচনায়-ব্রিটেনের ক্ষেত্রে লেবার পার্টি এবং কনজারভেটিভ, আর আমেরিকার ক্ষেত্রে যেটা আমরা দেখতে পাই তা হচ্ছে-হয় রিপাবলিকান না হয় ডেমোক্র্যাট-এই তো? কিন্তু অন্য দলগুলো কিন্তু আছে। তারা বিলীন হয়ে যায়নি। তারা হয়তো সমাজে উপস্থিত থাকছে, রাজনীতিতে কথাবার্তা বলছে। খুব যে বড় কিছু হয়েছে তা নয়। একটা ম্যাচিউর ডেমোক্রেসিতে (mature democracy) যদি একটা বাই-পার্টিজান (bi-partisan) ফ্রেমওয়ার্ক দাঁড়ায় সেটা এক জিনিস; আর আপনি যখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ঢুকছেন তখন যদি এরকম মেরুকরণ তৈরি করেন তাহলে তা বিপজ্জনক হয়।

    অনেকেই অনেক দল থাকার ব্যাপারে আপত্তি করেন যে, এটা আসলে সমাজে এক ধরনের বিভক্তি তৈরি করে, অসংখ্য দল অসংখ্য মত। আমি মনে করি, গণতন্ত্রের চর্চার জন্য বিভিন্ন মতের উপস্থিত থাকা দরকার। আমি যেভাবে বলি কথাটা হচ্ছে-একটি গণতান্ত্রিক সমাজে বহুমত বহুপথ থাকবে।

    জাতীয় স্বার্থ, বাংলাদেশ, তার সার্বভৌমত্ব, তার জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি এবং বিভিন্নভাবে মানুষকে যুক্ত করা-এ সবকিছু মিলিয়ে আমাদের একটা অভিন্ন মোহনা আছে। ফলে বিভিন্ন মত-পথ থাকা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ার কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। আমি মনে করি, ভিন্নমত থাকবেই। আমি সবসময় এটার জন্য বাংলাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকাই এবং সেখানকার নদীগুলোকে দেখি। আমাদের কত নদী! কিছু নদী ছোট, কিছু নদী বড়, কিছু নদী কখনো অত্যন্ত উত্তাল হয়ে ওঠে, আবার কখনো বা শুকিয়ে যায়। তবে এ নদীগুলোকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব কিন্তু মানুষের। নদী কিন্তু নিজে নিজে টিকে থাকবে না। আমরা যদি নদীর ক্ষতি করি-যেমন ধরুন, পদ্মা নদীর অবস্থা; আমরা দেখলাম যে শুকিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে রাজশাহী এলাকায়। এর কারণ হলো ওপর থেকে পানি আসছে না। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকালে অসংখ্য ছোট নদী, বড় নদী (খাল-বিলের কথা বাদই দিলাম)-এগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে মিশেছে? এগুলো সব গিয়ে মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। ওই যে মোহনা, সেটা আবার আমাদের নতুন সুযোগও দিচ্ছে। মোহনা আছে বলেই তো আমরা সেখানে বন্দর তৈরি করছি, বন্দরের প্রয়োজনে একে আরও বড় করছি-এটা আমাদের একটা বড় সম্ভাবনা। যদি আমাদের এমন কোনো মোহনা না থাকত, তবে আমরা কখনোই বড় বন্দর বা তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবতেই পারতাম না।

    তাই রাজনৈতিকভাবে আমি মনে করি, সমাজে বিভিন্ন মত-পথ থাকবে। কিন্তু একইসঙ্গে কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যও থাকতে হবে। সর্বোপরি, আমাদের সেই মিলনের জায়গাটা তৈরি করতে হবে। আমরা যেন আলাদা আলাদা লক্ষ্য নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়ি। কারণ আমাদের লক্ষ্য যখন এক হবে, মোহনা যখন এক হবে, তখন আমরা অনেক বড় কিছু অর্জন (achieve) করতে পারব।

  • বিদ্যুৎ যাওয়া আশায় দুর্ভোগ চরমে

    বিদ্যুৎ যাওয়া আশায় দুর্ভোগ চরমে

    শীতের মাস, শেষ না হলেও। এখনি বিদ্যুৎ যাওয়া – আশায় চরম দুর্ভোগে পৌছিয়ে গেছে। মানিকগঞ্জ জেলার সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার প্রায় ১৫ টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা।সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে দিনের বেলায় ৪ থেকে ৫ বার আর রাতে ২ বার। বিশেষ করে সন্ধ্যা আগ মূহুর্তে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন হচ্ছে গত দুই সপ্তাহ ধরে। বর্তমানে নির্বাচনের কারণে রাতের দিক বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও সারাদিন যাওয়া – আশায় চলছে বিদ্যুৎ।

    সাধারণ জনগন বলে, বিদ্যুৎ সমস্যা কারণে বাড়ির মানুষ ঠিক কাজ করতে পারে না। ছেলেমেয়েদের লেখা পড়া ঠিক মত হচ্ছে না। বিদ্যুৎ যাওয়া আশার কারণে কখন টেলিভিশন, মোবাইল, চার্জ লাইট, ইত্যাদি মত পণ্য নষ্ট হতে শুরু করেছে। মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার মাঝে কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে যাদের পণ্য উৎপাদন করতে সমস্যা হচ্ছে।

    মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের বিসিক শিল্প নগরীর এলাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান চলে বিদ্যুৎ দ্বারা। কিন্তুু সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ না পাওয়ার কারণে তাদের উৎপাদন বিঘ্ন ঘটে। বিদ্যুৎ যাওয়া আশার বিষয় নিয়ে বিসিক শিল্প নগরীর দ্বায়িত্ব পালন রত পরিচালকের সাথে কথা বলে, তিনি বলেন যে বিসিকের ভেতর প্রায় ২০ টি প্রতিষ্ঠান আছে যা বেশি চলে বিদ্যুৎ দিয়ে।তাই বিদ্যুৎ না পাওয়া গেলে উৎপাদন ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হয়।

    সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ পেলে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো। আপনি দেখবেন শীতকালীন সময় সব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, কিন্তু গরম কালে অর্থেকে নামে।এর মূল কারণ বিদ্যুৎ। এছাড়াও ছাত্র ছাত্রীরা দের লেখা পড়া করার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক ভাবে করা উচিৎ। মানিকগঞ্জ জেলা পল্লী বিদুৎ সমবায় সমিতি পরিচালক, লোডশেডিং এর বিষয় কথা বলতে চাইলে, তিনি বলেন, শীতের চেয়ে গরমের সময় বিদ্যুৎ বেশি ব্যবহার হয়। যার ফলে আমাদের পাওয়ার গিডে সমস্যা হয় ফলে লোডশেডিং দেখা দেয়। আশা রাখি এমন সমস্যা খুব তারাতাড়ি ঠিক করে ফেলবো। বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় সম্পদ তাই এর সঠিক ব্যবহার করা দরকার।

  • দুর্বৃত্তদের আগুনে দুমকিতে তিনটি খড়ের গাদা পুড়ে ছাই।

    দুর্বৃত্তদের আগুনে দুমকিতে তিনটি খড়ের গাদা পুড়ে ছাই।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে দুই পরিবারের তিনটি খড়ের গাদা (কুটার কুড়) পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) গভীর রাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন শ্যামল সাহা ও রনজিৎ শীল। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে শ্যামল সাহার একটি ও রনজিৎ শীলের দুটি খড়ের গাদায় দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

    বাড়ির লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে তিনটি খড়ের গাদা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে স্থানীয়দের দ্রুত চেষ্টায় পাশের গোয়ালঘর ও সেখানে থাকা চারটি গরু রক্ষা পায়।

    ঘটনার পর পরই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মোঃ মজিবুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ মতিউর রহমান দিপু, যুগ্ম আহ্বায়কসহ পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক ফেরদাউস আলম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তারা।

  • মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

    মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে জনগণের আরও বেশি সমর্থন আদায় করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সংগঠনের শক্তি ও জনসম্পৃক্ততাই বিএনপির মূল ভরসা।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলেই ধানের শীষের প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়বে।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনি সফরের তৃতীয় দিনে বগুড়া শহরতলির ছিলিমপুরের হোটেল নাজ গার্ডেনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, বগুড়া বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। এ কারণে বগুড়ার নির্বাচনি দায়িত্ব আমি নিশ্চিন্ত মনে সহকর্মীদের হাতেই ছেড়ে দিতে চাই।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নেতাকর্মীরাই ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ভোটের দিন জনগণের অধিকার রক্ষায় আপনারাই থাকবেন সামনে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- বগুড়ার সাতটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

    বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালামের সঞ্চালনায় মতবিনিময়কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হেলালুজ্জামান তালুককদার লালু ও অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও আলী আজগর তালুকদার হেনা, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু প্রমুখ।

    আরও পড়ুন

    হিন্দু-মুসলমানকে ভাগ করলে দেশ এগোবে না: ফখরুল

    হিন্দু-মুসলমানকে ভাগ করলে দেশ এগোবে না: ফখরুল

     

    এছাড়াও মতবিনিময় সভায় বগুড়া জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

    সভা শেষে তারেক রহমান সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে বগুড়ার শাজাহানপুরে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন ও শেরপুরের ধুনট মোড়ে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনি পথসভায় বক্তব্য দেন।

  • কালিয়াকৈরে বেকারি কারখানায় অগ্নিকান্ড,   (ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে)

    কালিয়াকৈরে বেকারি কারখানায় অগ্নিকান্ড, (ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে)

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উপজেলার লতিফপুর জোড়া ব্রীজ এলাকায় শুক্রবার দুপুরে বিসমিল্লাহ জম জম বেকারির কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।
    ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লতিফপুর জোড়া ব্রীজ এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    বিসমিল্লাহ জম জম বেকারির কারখানায় মালিকানাধীন মোঃ জামিল উদ্দিন। স্থানীয়রা আগুন নিভাতে ব্যর্থ হলে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই কারখানার বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

    কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর ইখতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী নেতৃত্বে, ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছিয়ে দেড় ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।