Author: তরঙ্গ টিভি

  • ডামুড্যায় ফসলি জমি ও মাছের ঘেরকাটা দায়ে ভেকু জব্দ।

    ডামুড্যায় ফসলি জমি ও মাছের ঘেরকাটা দায়ে ভেকু জব্দ।

    শরীয়তপুর ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নে তিন ফসলের জমি অনুমতি ছাড়া বিনষ্ট করে মাছের খের কাটার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে একটি ভেকু সহ
    ড্রাইভার আটক করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

    কনেশ্বর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড উত্তর সৈয়দ বস্তা গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত ভেকু দিয়ে প্রকাশ্যে মাছের ঘেরের মাটি কাটা হচ্ছে।

    ২৯ শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালাউদ্দিন আইয়ুবীর নেতৃত্বে , মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সহকারী কমিশনার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শরীয়তপুর অভিযানটি পরিচালনা করেন এ সময় তাদের সহযোগিতা করেন আনসার পিডিবি সদস্য সহ ডামুড্যা থানার একটি পুলিশ টিম। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় মোঃ শিমুল নামক ১জনকে গ্রেফতার করেন , তাকে (১)মাসের কারা দন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত ।

    এ সময় মাটি কাটার সাথে যারা যুক্ত ছিল সবাই দৌড়ে পালিয়ে যান। গ্রেফতার ক্রিত আসামি কে ডামুড্যা থানায় এবং জব্দকৃত বেকুকে কলেজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনিসুর রহমান বাচ্চু মাদবরের নিকট জিম্মাদার হিসাবে হস্তান্তর করেন।

  • দুমকির শ্রীরামপুর প্রিমিয়ার লিগ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

    দুমকির শ্রীরামপুর প্রিমিয়ার লিগ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, শ্রীরামপুর প্রিমিয়ার লিগ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় লুথ্যারাণ হেলথ কেয়ার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুমকি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা।

    ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে জমজমাট ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপভোগ করেন বিপুলসংখ্যক দর্শক। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম উদ্দিন, সরকারি জনতা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক এবিএম আসাদুজ্জামান আসাদ ও শহীদুল ইসলাম শহীদ, লুথ্যারাণ হেলথ কেয়ার বাংলাদেশের মেডিকেল অফিসার ডা. অমিতাভ তরফদার, দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সিরাজুল ইসলাম সুজন এবং উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    ১৬ দলীয় এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে রাজিবুল এক্সপ্রেস, আর রানার্সআপ হয় ধামাকা দল। আয়োজকরা টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করার ঘোষণা দেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সফলভাবে শেষ করেন। স্বল্প সময়ে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত অতিথি ও খেলোয়াড়রা।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজিবুল ইসলাম । টুর্নামেন্টটির আয়োজন করে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুণ সমাজ।

  • শার্শায় ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার বেনাপোল হাই স্কুল মাঠে বিএনপির বিশাল জনসভা।

    শার্শায় ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার বেনাপোল হাই স্কুল মাঠে বিএনপির বিশাল জনসভা।

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর–৮৫/১ (শার্শা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দিনভর শার্শা উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল চারটায় বেনাপোল হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। জনসভায় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন তাঁর বক্তব্যে বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে বিজয় নিশ্চিত হবে।”

    বেনাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেনাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিমুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত, সহসভাপতি মহসিন কবির, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আলীকদর সাহেবের জ্যেষ্ঠ পুত্র বাবলু রহমান, আলহাজ্ব শামসুর রহমান, মফিজুর রহমান স্বজন, শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মফিজুর রহমান বাবু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী সাদ্দামসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকা জুড়ে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করে।

  • যশোর ৮৫-১ (শার্শা) : সীমান্ত জনপদে দুই অপরাজিতের লড়াই।

    যশোর ৮৫-১ (শার্শা) : সীমান্ত জনপদে দুই অপরাজিতের লড়াই।

    যশোর-১ (শার্শা)ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসনে ঘিরে রাজনীতির মাঠে বাড়ছে উত্তাপ। ভোটের মাঠে দুই অপরাজিত প্রার্থী এবার আসন্ন নির্বাচনে সীমান্ত জনপদ শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে যশোর-১ আসন গঠিত।

    দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল এই আসনে অবস্থিত। যশোর-১ আসনে একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছেন। তিন লাখ ১১ হাজার ভোটারের এ আসনে ইতোমধ্যে দুই প্রার্থীই নিজেদের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সমানতালে। ভোট যুদ্ধে প্রভাবশালী বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় জনপদে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের দুই জন প্রাথী থাকলেও তাদের নেই এলাকায় পরিচিতি। এই দুই প্রার্থীর শুধু মাত্র মাইকে প্রচার সীমাবদ্ধ।

    সব রাজনৈতিক দলের কাছে আসনটির গুরুত্ব বেশি। বিগত ১২টি সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগ সাতবার, বিএনপি তিনবার, স্বতন্ত্র ও জামায়াত একবার করে বিজয়ী হয়েছে।

    নির্বাচনের তপশীল ঘোষণার আগে থেকেই মাঠে আছে প্রার্থীরা। প্রতীক হাতে পেয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন দলের মনোনয়ন প্রতাশীরা।

    এই আসনে আওয়ামী লীগ দৃশ্যত অনুপস্থিত থাকায় নির্বাচনী প্রতিযোগিতা মূলত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

    ৫ আগস্টের পর মাঠে সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্রদের। এবার এ আসনে পাল্টে যেতে শুরু করেছে রাজনীতির দৃশ্যপট। হাসিনা সরকারের পতনের পর এ আসনে রাজপথে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।

    আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের দখলদারিত্বের পর যশোর-১ আসনে বিএনপি-জামায়াত পুনরায় উত্থানকে রাজনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জনগণের আকাঙ্খা, দীর্ঘ দমন-পীড়নের ইতিহাস এবং বিরোধী দলগুলোর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় আসনটি এখন পরিণত হয়েছে একটি ‘নির্বাচনী হটস্পটে’।

    এ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার তিন লাখ ১১ হাজার ৬৩৩ জন। পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৫ হাজার ৮০৭ জন। মহিলা ভোটার এক লাখ ৫৫ হাজার ৮২৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ৩ জন। আওয়ামীলীলের সাধারন কর্মীরা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারলে, তৃণমূল আওয়ামীলীগের ভোট পড়বে বিএনপি না জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে সেটা হিসেব নিকেশ করছে দুই দলই। সেক্ষেত্রে এই আসনটি বিএনপির ঘরে যাবে না জামায়াতের ঘরে এমনটি মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন চার নেতা। প্রথমে দল মনোনয়ন দেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তিকে। পরে চুড়ান্ত মনোনয়ন পান দলের শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন। জামায়াতে ইসলামী‘র একমাত্র প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমান। তিনি দলের একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় নিজের অবস্থানে বেশ আত্মবিশ্বাসী। ইতিমধ্যে মাওলানা আজিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী ময়দান চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে নুরুজ্জামান লিটনের পক্ষে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা বিভিন্নভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রকাশ্য সভা থেকে শুরু করে অনলাইন প্রচারণা-কোনো কিছুই বাদ রাখছেন না। চলছে কেন্দ্রভিত্তিক কর্মীসভা, আলোচনা ও মতবিনিময়ও। দলের মধ্যে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এবং আওয়ামী লীগ নির্বাচন না করলে ধর্মপ্রাণ ভোটারদের বড় একটি অংশ বিএনপি বা জামায়াতের পক্ষে যেতে পারে বলে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতারা আশা করছেন। প্রত্যেকেই দলের বার্তা ও নিজের ইশতেহার, প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় যাচ্ছেন। সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সাংগঠনিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। এই দুই দল ছাড়াও এই আসনে জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বখতিয়ার রহমান প্রাথী হলেও তাদের নেই এলাকায় পরিচিতি। এই দুই প্রার্থীর শুধু মাত্র মাইকে প্রচার সীমাবদ্ধ।

    শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তরুণ নেতা নুরুজ্জামান লিটন তরুণ ভোটারদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। আওয়ামী আমলে নাশকতার মামলায় কারাবরণ করলেও তার বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই, যা তাকে গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে তার অবস্থান অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন।

    বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী নুরুজ্জামান লিটন বলেন, আমি শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম। পরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। আমার নামে বেনাপোল, শার্শা, যশোর, ঢাকায় খুলনায় রাজনৈতিক মামলা আছে। দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছি। মাঠ পর্যায়ে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। তাই সকল দিক বিবেচনা করে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। দল ও দলের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরা এক যোগে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত।

    এদিকে এই আসনে ১৯৮৬ সালে জামায়াতের প্রার্থী এ্যাড. নূর হুসাইন সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা আজীজুর রহমান। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিনের কাছে প্রায় ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। সেই মাওলানা আজিজুর রহমান আগামী সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন। তিনি জামায়াতের প্রার্থী হলেও তার সর্বদলীয় জনপ্রিয়তা রয়েছে এলাকায়।

    তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের শাসনের সাড়ে ১৫ বছরে আমরা প্রকাশ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে পারিনি। কিন্তু পুলিশ ও আওয়ামী লীগের অগোচরে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে আমরা মানুষের কাছে যাচ্ছি। জামায়াতের প্রতি সমর্থনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি। জামায়াতে ইসলামীর প্রতি অতীতের চেয়ে মানুষের ভালোবাসা বেড়েছে। মানুষ চায়, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ। এজন্য জামায়াতের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। তিনি বলেন, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা, ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত শার্শা গড়তে চাই। বেনাপোল বন্দরকে দেশ উন্নয়নের সোপান করে তুলতে চাই।

    শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো হাজারো সমস্যায় জর্জরিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের চেয়ে একটু ভাল। তবে কিছু কিছু এলাকায় এখনো রাস্তা পাকা হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ধূলোর রাস্তা কাঁদায় পরিণত হয়। এছাড়াও গ্রুপিং লবিং আছে সব গ্রামে। নির্বাচনে এ সমস্ত সমস্যাগুলোই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা আশ্বাস দিচ্ছেন তিনি নির্বাচিত হলেই এসব সমস্যা থাকবে না। স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুতের চেয়েও সীমান্ত এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা চোরাচালান ও সন্ত্রাস। শার্শা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসীরা দাপটের সঙ্গে বিচরণ করে। প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকার সমাবেশে বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে শার্শায় কোন সন্ত্রাস হতে দেবেন না। সে যে দলেরই হোক না কেন সন্ত্রাস করে কেউ রেহাই পাবে না। শার্শার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

    পক্ষ-বিপক্ষ, মত-দ্বিমত আর উৎসাহ উদ্দীপনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে যশোর-১ আসনের নির্বাচনী পরিবেশ। ভোটাররা মনে করছেন, এই দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে শেষ পর্যন্ত কে অপরাজিত থাকছেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারী মধ্যরাত পর্যন্ত।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বাধা; ক্যাম্পাস ঘিরে উত্তেজনা।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বাধা; ক্যাম্পাস ঘিরে উত্তেজনা।

    শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করার প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বাঁধা প্রদানে ক্যাম্পাস ঘিরে হট্টগোল।২৮ জানুয়ারি(বুধবার) দিবাগত রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ছাত্রশিবির সভাপতি জান্নাতীন নাঈম জীবনের নেতৃত্বে ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে।

    এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন বিরুদ্ধে কিছু স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিল চলাকালীন সময়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হল-০২ এর সামনে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি বিক্ষোভ মিছিল থামিয়ে শিবির সভাপতি জীবনকে বিএনপি এবং ছাত্রদলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করে।সোহেল রানা জনি জানতে চান আজকের হত্যাকাণ্ডে বিএনপি জড়িত এ ব্যাপারটা প্রমাণ হয়েছে কিনা? এসময় ছাত্রশিবির সভাপতি ও ছাত্রদল সেক্রেটারি পরস্পর বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সেসময় শিবির সভাপতি জীবন কথা অসমাপ্ত রেখে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হয়ে মুক্তবাংলার সামনে তাদের নেতাকর্মী নিয়ে জড়ো হন। মুক্তবাংলায় মিছিল পরবর্তী জমায়েতে শিবির সভাপতির বক্তৃতা চলাকালীন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ রাতুল ও সেক্রেটারি জনি তার কর্মীদের নিয়ে উচ্চবাচ্য করতে করতে এগিয়ে আসেন । শিবির সভাপতির সাথে অনেক সময় ধরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে বাকবিতন্ডা ও হট্টগোল বিরাজ করছিলো ক্যাম্পাসে মুক্ত বাংলা চত্ত্বরে।

    এসময় দায়িত্বরত এক ক্যাম্পাস সাংবাদিককে তার  দায়িত্ব পালনে বাধাস্বরূপ ভিডিও বন্ধের জন্য বারবার হাত দিয়ে ইশারা করতে থাকেন ছাত্রদল সেক্রেটারি সোহেল রানা জনি। এসময় তাচ্ছিল্যের স্বরে তুই-তোকারি করে সেই সাংবাদিককে সরেও যেতে বলেন জনি। ‌এরপর ক্যাম্পাসে উভয়দল সহাবস্থানের ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদল সেখান থেকে তাদের নেতাকর্মী নিয়ে স্থান ত্যাগ করে। পরবর্তীতে ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে সংক্ষিপ্ত মিছিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন।  এসময় তারা শিবিরের বিভিন্ন স্লোগানের বিরোধীতা করেন।  তাছাড়া শিবিরের কাজের সমালোচনাও করেন তারা।

    পবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রাতুল বলেন, “জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এবং ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অশ্লালীন স্লোগান কোন ভাবেই আমারা মেনে নেব না, আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে যাবো। ইসলামি ছাত্রশিবিরের এই মব কালচারকে বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমারা চাই ক্যাম্পাসে সহ অবস্থানের একটি সুস্থ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পরিস্থিতি বজায় থাকুক।”

    ছাত্রশিবিরের সভাপতি জান্নাতীন নাঈম জীবন বলেন “আমাদের কার্যক্রমে বাঁধা দেওয়ার  অধিকার কারো নেই। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমার মতাদর্শ প্রচার করার স্বাধীনতা আমার আছে। কিন্তু গতকাল ছাত্রদল কিছু অছাত্র নিয়ে এসে আমাদের জনশক্তিদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিনষ্ট করেছে।একজন মানুষকে বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে যা স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ নৃশংস হত্যার বিচার চাই এবং ভিন্ন মতকে দমনের উদ্দ্যেশ্যে নগ্ন হস্তক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায়। “এদিকে, গত ১৪ আগস্ট, ২০২৪ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে সকল প্রকারের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।উল্লেখ্য যে, ২৮ জানুয়ারি(বুধবার) শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের উপর বিএনপির সমর্থকদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় তিনি নিহত হন। উক্ত ঘটনার পরেই শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করা হয়।

  • হিজলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সাথে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র  মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান

    হিজলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সাথে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র  মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-৪ আসন (হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ–কাজিরহাট) বিনির্মাণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মোঃ রাজিব আহসানের সঙ্গে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার সকাল ১১টায়  হিজলা উপজেলার কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ধর্মীয় মূল্যবোধ, সামাজিক ঐক্য, নৈতিকতা ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির গুরুত্ব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

    মতবিনিময় সভায় মোঃ রাজিব আহসান বলেন, ধর্মীয় নেতৃত্ব সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ন্যায়বিচার, সততা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আগামী দিনে হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ–কাজিরহাটকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সভা শেষে উপস্থিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানান বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থী।এ সময় বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদল  কেন্দ্রীয় সংসদ এর সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অলি উদ্দিন সুমন,  হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডঃ দেওয়ান মনির হোসাইন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • শেরপুরের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা দেখতে চায় জনগণ : জামায়াত আমির

    শেরপুরের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা দেখতে চায় জনগণ : জামায়াত আমির

    শেরপুর-৩ শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম হত্যার ঘটনাকে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভূমিকা জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া স্ট্যাটাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি একথা বলেন।

    জামায়াতে ইসলামীর আমির পোস্টে লিখেন, ‘শহীদ হলেন শেরপুর-৩ শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। আজ বিকেলে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা বিলম্বে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা করে।’

    dhakapost

    তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় ৫০ এর অধিক জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক আহত হন। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আজ রাত ৯টায় রেজাউল করিম শাহাদাতবরণ করেন। আল্লাহ তায়ালা তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।’

    তিনি আরও লিখেন, ‘এ ব্যাপারে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভূমিকা জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়। আর যারা এই খুনের নেশায় মত্ত হয়েছে, এদের পাকড়াও করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া দরকার। আমরা চাই দ্রুত এদের পাকড়াও করা হোক। কোনো ধরনের গড়িমসি জাতি বরদাশত করবে না।’

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

  • নোয়াখালী-২ আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, বিএনপির ১৮ নেতা বহিষ্কার

    নোয়াখালী-২ আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, বিএনপির ১৮ নেতা বহিষ্কার

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা ড. নজরুল ইসলাম ফারুক।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো।

    তিনি বলেন, এর আগের দিন মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন— বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো. সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার এবং শহীদ উল্যাহ হেলাল।

    বহিষ্কার প্রসঙ্গে সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা দলের বিপক্ষে নই, আমরা একজন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। সে কারণেই আমরা তার সঙ্গে রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনেছি, তবে এখনো লিখিত কোনো নোটিশ পাইনি।

    এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো ঢাকা পোস্টকে বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বহিষ্কার কার্যকর করা হয়েছে বলে আমি জানতে পেরেছি। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে যাবে তাদের সবার বিরুদ্ধে এভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি কোনো দল ভাঙার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা আমার সঙ্গে আছেন, তারা সবাই এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থেকেই আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি কাউকে দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙতে উৎসাহ দিইনি। তবে দুঃসময়ে মানুষের পাশে থাকার রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আমি নির্বাচনে এগিয়ে যেতে চাই।

    এর আগে গত ৯ জানুয়ারি এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুকের বিরোধিতা করায় সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলেমান রাজু ও ওমর ফারুক শাকিল, সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন এবং সেনবাগ পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ওয়ালিদ আদনানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি বীজবাগ সুলতান মাহমুদ ডিগ্রি কলেজের সভাপতি তানভীর তারেক জয়ের পদ স্থগিত ও কানকিরহাট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

    নোয়াখালী-২ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক, ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মো. শাহাদাত হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী খলিলুর রহমান ও কাপ পিরিচ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান।

    সেনবাগ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬০ হাজার ০৮১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১১১টি, ভোটকক্ষ ৭০০টি, যার মধ্যে ২২টি অস্থায়ী ভোটকক্ষ এবং ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত।

  • সোনারগাঁ যুবদলের ৪ নেতা বহিষ্কার

    সোনারগাঁ যুবদলের ৪ নেতা বহিষ্কার

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, সোনারগাঁ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শহিদুর রহমান স্বপন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল হোসেন, বারদী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দুলু এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান আপেল।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • কালিয়াকৈরে রেলওয়ের জমির মাটি কাটতে বাঁধা দেয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে মারধর।

    কালিয়াকৈরে রেলওয়ের জমির মাটি কাটতে বাঁধা দেয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে মারধর।

     

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মহিষ বাতান এলাকায় কালিয়াকৈর হাইটেক রেলওয়ে স্টেশনের কাছ থেকে রেলের জমির মাটি অবৈধভাবে কেটে নিয়ে নিজ বাড়িতে ভরাট করছেন পুলিশের এটিএসআই রেজাউল করিম।

    অবৈধ এ মাটি কেটে নিয়ে বাড়ি ভরাটের কাজে বাঁধা দেয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান ও তার পরিবারকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামানের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান কালিয়াকৈর হাইটেক রেল স্টেশনের উত্তর পাশে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন। তার পাশে অভিযুক্ত রেজাউল করিম জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

    বুধবার ভোরবেলা রেজাউল করিম মাটি কাটার লেবারদের দিয়ে রেলের জমি থেকে মাটি কেটে তার বাড়ির আঙ্গিনা ভরাট করছেন এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এর ছেলে রেলের জমি থেকে মাটি কাটতে নিষেধ করায় অভিযুক্ত রেজাউল করিম ও তার স্ত্রী সাবেকুননাহার।

    মোঃ আব্দুল্লাহ এর উপরে হামলা করে তাকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে।

    এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামুজ্জামান এগিয়ে আসলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন বলে জানা গেছে।কালিয়াকৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন)রবিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।