Author: তরঙ্গ টিভি

  • নানা বাড়ি থেকে ফেরা হলো না প্রাইভেটকার গাছের সাথে ধাক্কা, এক পরিবারের ৩ জন নিহত

    নানা বাড়ি থেকে ফেরা হলো না প্রাইভেটকার গাছের সাথে ধাক্কা, এক পরিবারের ৩ জন নিহত

     

    চুয়াডাঙ্গা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেয়ে ফেরার পথে গাছের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যশোর জেলা মনিরামপুরের এক পরিবারের তিন জন নিহত হয়েছেন। এসময় গুরুতন আহত হয়েছেন প্রাইভেটকারে থাকা ওই পরিবারের তিনজন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাত আড়াইটার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

    নিহত তিনজন হলেন, মনিরামপুর বাজারের ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩), তার বাবা মনিরামপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ সাবেক পরিচালক আব্দুল মজিদ সরদার (৭৫) ও জনির চার বছরের মেয়ে শেহেরিশ।

    আহতরা হলেন, জনির মা মনোয়ারা বেগম (৬০), স্ত্রী সাবরিনা জাহান (৩০) ও ছেলে সামিন আলমাস (১০)। বারোবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি বলেন, প্রাইভেটকারটি যশোরের দিকে আসছিল। চালক জনির ঘুমজনিত কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। কারটি রাত আড়াইটার দিকে গাইদঘাট এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বিপরীত পাশে বটগাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে কারটিতে থাকা চালক জনি ও তার বাবা আব্দুল মজিদ মারা গেছেন।

    চুয়াডাঙ্গা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেয়ে ফেরার পথে গাছের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় এক পরিবারের তিন জন নিহত হয়েছেন।

    ওসি আরও বলেন, কারটির ভিতরে থাকা আহত চারজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। আহত তিন জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    নিহত জনির আইটি ফার্মের এক্সপার্ট রিয়াদ হোসেন বলেন, জনি সোমবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রাইভেটকারে চড়ে চুয়াডাঙ্গা নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। রাতে সেখান থেকে ফেরার পথে কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জনি , তার বাবা ও ছোট্ট মেয়েটি মারা গেছে। এসময় আহত হয়েছেন জনির মা, স্ত্রী ও ছেলে। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    রিয়াদ হোসেন আরও বলেন, রাতে সব আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে আমরা নিহত তিন জনের মরদেহ তাদের বাড়িতে নিয়ে যাই। নিহতের দাফন প্রক্রিয়াধীন।

  • ভারত থেকে ফেরার পর বেনাপোলে মফিজ চেয়ারম্যান আটক।

    ভারত থেকে ফেরার পর বেনাপোলে মফিজ চেয়ারম্যান আটক।

    ভারত থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ফেরার পর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন শেষে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের এক নেতাকে আটক করেছে।

    শুক্রবার সন্ধায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানান বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন।

    আটক মফিজুর রহমান (৭২) বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের আনোয়ার হোসেন বিশ্বাসের ছেলে। মফিজুর বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

    মফিজুরের নাম ইমিগ্রেশন স্টপলিস্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তিনি চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য ভারত গমন করেছিলেন বলে জানান বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শাখাওয়াত হোসেন।

    বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আশরাফ হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় ৩ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-৪। ১৮৬০ এর অধীনে একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে। এই মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য ২০২৫ সালের ৪ মে রাতে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পৌর সদরের পারবাজার পাঁচপুকুরের পাশের একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানসহ বেনাপোল ও শার্শার সাত আওয়ামীলীলীগ ও যুবলীগের নেতাকে গ্রেপ্তার করে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। সেই মামলায় জামিনে রয়েছেন চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান।

  • ট্রাভেল পারমিটে ভারতে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন ৩৩ বাংলাদেশি

    ট্রাভেল পারমিটে ভারতে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন ৩৩ বাংলাদেশি

    ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। আজ রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    ​ফেরত আসাদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ৬ জন শিশু রয়েছে। তাঁরা দেশের পাবনা, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট ও বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

    এরা হলেন-ফেরত আসারা হলো:- পাবনা জেলার জহির আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (৩৬) একই জেলার আজিজুল মল্লিক এর ছেলে হোসেন আলী (২৯) ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার শামছুল হক এর ছেলে মফিজুল হক,(৩৪) ত্রিশাল থানার আব্দুল আলীম এর ছেলে মোকামজেল হোসেন (২৮) নারায়নগঞ্জ জেলার বাবুল ভুইয়ার ছেলে শ্যামল ভুইয়া (২৮) একই জেলার আমির হোসেন এর ছেলে মনির হোসেন (২৮) ঠাকরগাঁও জেলার খলিফ এর ছেলে আব্দুর রশিদ (২৩) কুষ্টিয়া জেলার ইমন শেখ এর ছেলে মামুন শেখ (২৯) গাজিপুর জেলার আব্দুল হামিদ এর ছেলে শিপন ইসলাম (৩৪) বাগেরহাট জেলার ইদ্রিস আলীর ছেলে মনির শেখ (৩৪) নিলফামারী জেলার আনছার আলীর ছেলে আনিছুর রহমান (৩৫) নেত্রকোনা জেলার মোকলেস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৩) কুড়িগ্রাম জেলার সিকন্দার মিয়ার ছেলে মুনসুর আলী (২৪) রংপুর জেলার সালেক মিার ছেলে রিফাত মিয়া (১৯) বাগেরহাট জেলার রুহুল আমিন এর মেয়ে রুমা খাতুন (২৮) খুলনা জেলার সিদ্দিক আলী শেখ এর ছেলে হাসান শেখ (২৪) পিরোজপুর জেলার হাসান শেখ এর ছেলে তানভির শেখ (৬) ও মেয়ে শ্রাবনী (৪) বাগেরহাট জেলার মোহাম্মাদ মৃধার মেয়ে রাখি (৩৪) ও রাখির ছেলে রহমত উল্লাহ (৭)ও মেয়ে রুখসানা (৩) একই জেলার চানমিয়া হাওলাদার এর মেয়ে নাজমা, আবদুল সাইদ এর ছেলে মোহাম্মাদ বাবু ভুইয়া (১৮) পিরোজপুর জেলার হাসান এর মেয়ে সুমা খাতুন (৫) মকবুল বাঘার ছেলে খলিল বাঘা (২৩) সাতক্ষীরা জেলার ইসমাইল সানার ছেলে আবুল বাশার (৩৩) কুমিল্লা জেলার জামাল মিয়ার ছেলে সুলাইমান (২৩) রাজবাড়ী জেলার মকবুল আলী খান এর ছেলে মিলন খান (২৭) বরিশাল জেলার আবুল কাশেম এর ছেলে জুলহাস বেপারী।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন এই নাগরিকরা। ভারতের চেন্নাই শহরে রাজমিস্ত্রি ও বাসাবাড়ির কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে তাঁরা আটক হন। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে (১ থেকে ২ বছর) জেলখানায় রাখা হয়।

    কারাভোগ শেষে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা তাঁদের ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি চালাচালির পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাঁরা আজ দেশে ফেরার সুযোগ পান।

    বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান, “ফেরত আসা নাগরিকরা পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই চোরাই পথে ভারতে গিয়েছিলেন। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

    ​যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কোঅর্ডিনেটর শফিকুর রহমান বলেন, “দালালদের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় তাঁরা সীমান্ত পাড়ি দিয়েছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আজ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আমরা সংস্থাটির পক্ষ থেকে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছি।”

    ​বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বেসরকারি সংস্থাগুলো তাঁদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।

  • যশোরে সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দান জামাতের জন্য প্রস্তুত

    যশোরে সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দান জামাতের জন্য প্রস্তুত

    পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যশোর জেলায় এখন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার আটটি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নে এবারও প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিল্লাল বিন কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলার সর্বত্র মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের মসজিদ ও ঈদগাহগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

    তিনি আরও জানান, যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এখানে প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    এছাড়া যশোর জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রেও ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন এই মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    শার্শা, ঝিকরগাছা,চৌগাছা, বাঘারপাড়া অভয়নগর, কেশবপুর,ও মনিরামপুর
    উপজেলাসহ প্রতিটি এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ ও ঈদগাহে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমন্বিতভাবে তদারকি করছেন।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজকে ঘিরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইমাম, খতিব ও মসজিদ কমিটির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। খুতবায় ধর্মীয় মূল্যবোধ, মানবিকতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ ও বড় মসজিদগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

  • যশোরে শহিদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান

    যশোরে শহিদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোরে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।

    বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের পক্ষ থেকে এসব উপহার সামগ্রী হস্তান্তর করেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম (পিপিএম সেবা)।

    এ সময় তিনি শহিদ পাঁচ পুলিশ সদস্যের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
    অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিকল্প দায়িত্ব পেলেন যশোরের অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

    জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিকল্প দায়িত্ব পেলেন যশোরের অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প দায়িত্ব প্রদান করেছে সরকার। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে ওই মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর প্রদান এবং কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মনোনীত করা হয়েছে।

    সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকতে না পারলে তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রণালয়ের মূল মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকলে তার পরিবর্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই বিকল্প ব্যক্তিরাই সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন এবং নির্ধারিত দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করবেন।

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী, ২৫ জন মন্ত্রী এবং দুইজন প্রতিমন্ত্রীর বিকল্প হিসেবে সংসদে কারা দায়িত্ব পালন করবেন, তা নির্ধারণ করতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • দেলোয়ার-সভাপতি, হামিদ-সম্পাদক  চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের কার্যকরি পরিষদ গঠন

    দেলোয়ার-সভাপতি, হামিদ-সম্পাদক চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের কার্যকরি পরিষদ গঠন

    চট্টগ্রামের চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সর্ব সম্মতিক্রমে মো. দেলোয়ার হোসেনকে (দৈনিক পূর্বকোণ) সভাপতি, এম.এ হামিদকে (গ্লোবাল টিভি) সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ২ বছরের জন্য কার্যকরি পরিষদ গঠন করা হয়।

    গত ১৭ মার্চ রাতে দোহাজারীস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি যথাক্রমে আবু তোরাব চৌধুরী (দৈনিক ইত্তেফাক), জাহাঙ্গীর আলম (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ), এস এম জাকের (আলোকিত বাংলাদেশ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন (দৈনিক পূর্বদেশ), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিন উল্লাহ টিপু (আনন্দ টিভি ও জনবানী), অর্থ সম্পাদক সফিউল আজম চৌধুরী ফয়সাল (সি-প্লাস), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরফাত হোসেন (দৈনিক আলোকিত সকাল), দপ্তর ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আসহাব উদ্দিন হিরু (দৈনিক সাঙ্গু ও দৈনিক আনন্দ বার্তা ), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আমান উল্লাহ্ আমান সমরকন্দী (দৈনিক আলোচিত কণ্ঠ), সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাকের আহমেদ বাবু (হৃদয়ে চট্টগ্রাম সংবাদ), নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে- আবু তালেব আনসারি (দৈনিক ভোরের কাগজ ও দৈনিক বাংলা), জাবের বিন আরজু (বিজয় টিভি), মুহাম্মদ সবুজ (বাংলার খবর)। উল্লেখিত কার্যকরি পরিষদ আগামী ৩০ জুন’২৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

    নব গঠিত এই কার্যকরি পরিষদ চন্দনাইশে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন, পারস্পরিক ঐক্য, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চন্দনাইশের বিভিন্ন সমস্যা, ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরে সংবাদ প্রচার করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

  • বেনাপোল সীমান্তে  বিজিবি ১২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

    বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি ১২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

    যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বুধবার (১৮ মার্চ) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহলদল বেনাপোল বিওপি ও বেনাপোল আইসিপি এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এসব পণ্য আটক করে।

    আটককৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ৮২টি শাড়ি, ১৯টি সন পাপড়ি, ৪৮টি বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, ১,১৯৫টি চকলেট এবং ১,২৭৬টি কসমেটিক্স পণ্য। জব্দকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা।

    যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করছে।

  • যশোরের ঝিকরগাছায় ভেজাল চানাচুর কারখানায় অভিযান, জরিমানা

    যশোরের ঝিকরগাছায় ভেজাল চানাচুর কারখানায় অভিযান, জরিমানা

    যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার দেউলী গ্রামে গড়ে ওঠা একটি আলোচিত ভেজাল চানাচুর কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও অনিয়মের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে।

    বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা: রনী খাতুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শংকরপুর ইউনিয়নের দেউলী উত্তরপাড়া গ্রামের মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানে দেখা যায়, ‘মারিয়া চানাচুর’ নামের ওই কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চানাচুর উৎপাদন ও প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। এ অপরাধে কারখানার স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

    এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবর পেয়ে কারখানায় থাকা আখের গুড়, পাটালি, মিশ্রি, ক্ষতিকর রং ও বিভিন্ন কেমিক্যালের কৌটা দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুস সামাদ দাবি করেন, রমজানের শুরুতে কয়েকদিন গুড় ও পাটালি তৈরি করা হলেও বর্তমানে এসব উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

    একই দিনে ভোক্তা সাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ও হাটবাজারেও পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযান চলাকালে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ জালাল আলম, ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আবু সাঈদ এবং প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

  • আতর টুপি জায়নাজাম কেনার ধুম

    আতর টুপি জায়নাজাম কেনার ধুম

    বড় উৎসবে কেনাকাটার তালিকাটা হয় দীর্ঘ। পোশাক, জামা জুতা স্যান্ডেল কেনার পরেও কেনাকাটার তালিকায় সংযোজন হতে থাকে নতুন করে আরো অনেক কিছু। তাই ঈদ বাজারের শেষ পর্যায়েও চলে নানান ধরনের কেনাকাটা। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় যুক্ত হয়েছে তসবি, টুপি, আতর, জায়নামাজ। ঈদ উপলক্ষে যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তা, বড় বাজার, জামে মসজিদ লেনসহ বিভিন্ন প্রান্তে এসকল পণ্যের বিক্রি শুরু হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। যশোর ছাড়াও ক্রেতারা আসছেন বাইরের শহর থেকেও।

    দোরগোড়ায় ঈদ আনন্দ। আর দুদিন পরেই ঈদ, শেষ হচ্ছে উৎসব উদযাপনে অপেক্ষার পালা। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় যশোর শহরবাসী ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিজের ও পরিবারের প্রতিটি সদস্যের কেনাকাটার পরেও তালিকায় রয়ে গেছে আতর, টুপি, জায়নামাজ, তসবি এমন কিছু। কেনাকাটা শুরু হলেও বা এসকল পণ্যের দাম একই থাকলেও বেচাকেনা এবার জমে ওঠেনি এমনটাই বলছেন বিভিন্ন কুতুবখানার স্বত্বাধিকারী ও বিক্রেতারা।

    শহরের চৌরাস্তা ও বড় বাজারে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে আতর, টুপি, জায়নামাজ, তসবি। সকাল থেকে কেনাকাটা শুরু হয়ে চলছে মাঝ রাত অবধি। সামর্থ্য অনুযায়ীকে ক্রেতারা বেছে নিচ্ছে তাদের জরুরী পণ্য। বিক্রির শীর্ষে রয়েছে টুপি। শহরের চৌরাস্তা, বড় বাজারসহ বিভিন্ন প্রান্তে টুপি বিক্রি হচ্ছে ১০টাকা থেকে ৫০০টাকায়। আতর বিক্রি হচ্ছে ১০টাকা থেকে এক হাজার টাকায়। তসবি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৩৫০টাকায়। জায়নামাজ বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা থেকে দুই হাজার টাকায়।

    মাগুরা থেকে আসা আবিদুর রহমান বলেন, কেনাকাটা যশোর থেকে করতেই ভালোলাগে। টুপি আর আতর কিনতে এসেছি। মুড়লী এলাকার মেহেদী হাসান বলেন, নতুন পাঞ্জাবির সাথে নতুন টুপি না হলে দেখতে স্মার্ট লাগে না, তাই প্রতিবছরের মতো এবারও টুপি কিনতে এসেছি। খালধার রোড এলাকার আনোয়ার হোসেন আবির বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারেও টুপি আর আতর কিনতে আসলাম। কারণ আতর আর টুপিটাই দরকার হয় বেশি।

    হক্কানী কুতুবখানার স্বত্বাধিকারী আব্দুল হক বলেন, এবারে বেচাকেনা গতবছরের চেয়ে কম, বিগত বছরগুলোতে আমরা বসে থাকার কোন অবসরই পাইনি। আল আমিন কুতুবখানার বিক্রেতা আবু সাঈদ বলেন, বেচাকেনা গতবছরের চেয়ে কম, টুপি যা একটু বিক্রি হচ্ছে। আশরাফিয়া কুতুবখানার স্বত্বাধিকারী জাহেদ হাসানও একই কথা বলেন।