Author: তরঙ্গ টিভি

  • যশোর জেলা পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্ব বুঝে নিলেন দেলোয়ার হোসেন খোকন, ফুল দিয়ে বরণ

    যশোর জেলা পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্ব বুঝে নিলেন দেলোয়ার হোসেন খোকন, ফুল দিয়ে বরণ

    যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন আজ সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

    দায়িত্ব গ্রহণের সময়
    সকালে ১০টায় তিনি যশোর জেলা পরিষদের কার্যালয়ে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন। এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শাহীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    অফিস পরিদর্শন এবং মতবিনিময়
    নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেলোয়ার হোসেন খোকন কার্যালয়ের বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অগ্রগতি
    দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, যশোর জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য আমি কাজ করব। সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”

    প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ
    রোববার (১৫ মার্চ) সরকারের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেলোয়ার হোসেন খোকনকে যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    নতুন গতি আসবে যশোর জেলা পরিষদে
    নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে যশোর জেলা পরিষদের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।

  • দুমকি উপজেলায়, নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন- সড়ক ও সেতু মন্ত্রী।

    দুমকি উপজেলায়, নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন- সড়ক ও সেতু মন্ত্রী।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলাও বাকেরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া পান্ডব, পায়রা নদীর উপর বহুল প্রত্যাশিত নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় উপজেলার রাজাখালী বাজার এলাকায় এ ভিত্তি প্রস্তর ফলক উম্মোচন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, ১১১পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান এমপি। দুপুর ২টায় নলুয়া – বাহেরচর ফেরী পার হয়ে মন্ত্রী পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় প্রবেশ করলে তাকে স্বাগত জানান পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড.মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ। সড়ক ও জনপথ পটুয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জামিল আক্তার লিমন।২০২১ সালের ৮জুন তৎকালীন সরকার একনেক সভায় ১০২৩.৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশাল (দিনেরারপুল) – লক্ষ্মীপাশা – দুমকি সড়ক এ পান্ডব- পায়রা নদীর উপর ১৩৮০ মিটার নলুয়া – বাহেরচর সেতু প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সেতুর মুল অংশটি ৪২০ মিটার স্টিল টাইড আর্চ এবং ভায়াডাক্ট অংশের ৯৬০ মিটার প্রি-স্ট্রেসড আই গার্ডার। এছাড়া ৩.২৯ কিমি এপ্রোচ সড়ক, ৫.২০ কিমি সংযোগ সড়ক, ব্রীজ হেলথ মনিটরিং সিস্টেম, টোলপ্লাজা, ওয়ে ব্রীজ সহ নদীরতীর রক্ষাপ্রদ কাজ থাকছে এ প্রকল্পে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি নির্মান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিশোগ পেয়েছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন।

  • গোসাইরহাটে ১৪ কিমি খাল খননের উদ্বোধন করলেন  হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    গোসাইরহাটে ১৪ কিমি খাল খননের উদ্বোধন করলেন হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় ১৪ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের পখমসার এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    উদ্বোধনের আগে তিনি নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে ফিতা কেটে এবং নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে খাল খনন কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
    জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার এ কে এম নাছির উদ্দিন কালু।

    এছাড়া জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ফাহিমা আক্তার মুকুল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব তালুকদার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রাফেউল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সিদ্দিকুর রহমান, গোসাইরহাট উপজেলা বিএনপি নেতা তারেক আজিজ মোবারক ঢালীসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
    বক্তারা বলেন, সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচির আওতায় ৫৪ জেলার মধ্যে ৫৩টি খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গোসাইরহাট উপজেলার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খননের ফলে কৃষিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, খাদ্য উৎপাদন বাড়বে এবং এলাকার পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।

    অনুষ্ঠান শেষে খালের পাড়ে গাছের চারা রোপণ করেন হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

  • দুমকি উপজেলায়, নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন- সড়ক ও সেতু মন্ত্রী।

    দুমকি উপজেলায়, নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন- সড়ক ও সেতু মন্ত্রী।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলাও বাকেরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া পান্ডব, পায়রা নদীর উপর বহুল প্রত্যাশিত নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় উপজেলার রাজাখালী বাজার এলাকায় এ ভিত্তি প্রস্তর ফলক উম্মোচন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, ১১১পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান এমপি। দুপুর ২টায় নলুয়া – বাহেরচর ফেরী পার হয়ে মন্ত্রী পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় প্রবেশ করলে তাকে স্বাগত জানান পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড.মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ। সড়ক ও জনপথ পটুয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জামিল আক্তার লিমন।২০২১ সালের ৮জুন তৎকালীন সরকার একনেক সভায় ১০২৩.৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশাল (দিনেরারপুল) – লক্ষ্মীপাশা – দুমকি সড়ক এ পান্ডব- পায়রা নদীর উপর ১৩৮০ মিটার নলুয়া – বাহেরচর সেতু প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সেতুর মুল অংশটি ৪২০ মিটার স্টিল টাইড আর্চ এবং ভায়াডাক্ট অংশের ৯৬০ মিটার প্রি-স্ট্রেসড আই গার্ডার। এছাড়া ৩.২৯ কিমি এপ্রোচ সড়ক, ৫.২০ কিমি সংযোগ সড়ক, ব্রীজ হেলথ মনিটরিং সিস্টেম, টোলপ্লাজা, ওয়ে ব্রীজ সহ নদীরতীর রক্ষাপ্রদ কাজ থাকছে এ প্রকল্পে।

    সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি নির্মান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিশোগ পেয়েছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন।

  • পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম

    পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম

    পশ্চিম পাইকপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম
    ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শহরের পশ্চিমপাইকপাড়ায় দুপুর ২টায় নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
    প্রধান অতিথি বলেন, আয়োজক নাসির হোসেন একজন প্রাণ খোলা মানুষ, মানবিক মানুষ, সজ্জন ব্যক্তি। রমজান মাসে, সিয়াম সাধনার মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য সে উপলব্ধি করেছে পেরেছে মানুষ দীর্ঘদিন নানাভাবে নির্যাতিত, নীপিড়িত। মানুষের আর্থিক অবস্থা বেশি ভাল নেই। তাই সে নিজ উদ্যোগে এলাকার হিন্দু মুসলিম মা বোনদের কাছে, কিভাবে ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া যায়। তার এই আয়োজনে আজকে আমরা এখানে ঈদ সামগ্রী মা বোনদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য উপস্থিত হয়েছি। আজকে মানবিক নাসির অত্র এলাকায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মানুষের দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষকে ভালবেসে কিভাবে মূল্যায়ন করা যায়, সেভাবে মানুষকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেছে। আমরা তাকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মোবারকবাদ জানাই। আজকে যারা কষ্ট করে এখানে এসেছেন সবাই ঈদ সামগ্রী নিয়ে যাবেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে ফুল দিয়ে বরণ করেন আয়োজ কমিটি।

    অনুষ্ঠানে এমএ কাশেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি জসিম উদ্দিন রিপন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, এসএম নাসের বাহার, সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র সভাপতি নিয়াজ মো. খান বিটু, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহের, জেলা যুবদল নেতা মান্না, মাওলানা ইয়াছিন মিয়া, মাওলানা ইসহাক আল মামুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইয়াছিন বাবু প্রমূখ।

  • শার্শা-বেনাপোলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

    শার্শা-বেনাপোলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

    ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল সঙ্কট ও মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুদের ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হলেও হুজুগ থামছে না। সঙ্কটের ‘হুজুগে’ মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার মালিকরা ট্যাংকি ফুল করার চেষ্টা করছেন। ফলে যশোরের শার্শা-বেনাপোলে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেলের চাহিদাও বেড়ে গেছে। এই অজুহাতে কিছু পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখার অভিযোগও উঠেছে। আবার কোন কোন পাম্প একশ’ টাকার বেশি পেট্রোল বা অকটেন বিক্রি করছে না বলে অভিযোগ করছেন চালকরা। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন মোটরসাইকেল চালকরা।

    শনিবার ও রবিবার এই দুই থানার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি। তেলের আশায় চালকরা এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন। যেসব স্টেশনে সামান্য মজুত আছে, সেখানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকে চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, সরবরাহ না থাকায় বেনাপোল ফিলিং স্টেশন, মিলন ফিলিং স্টেশন, তনিমা ফিলিং ও হক ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেল না থাকায় প্রায় পাম্পগুলো অর্ধেক বন্ধ হয়ে আছে। গত দুই দিন ধরে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহে ঘাটতি থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা যায়।

    স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ রিপন হোসেন বলেন, দুটি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। তেল না পেলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে ফিরব কীভাবে তা বুঝতে পারছি না। সিয়াম আহমেদ নামে আরেক বাইক চালক বলেন, পবিত্র রমজান মাসে তেলের জন্য এভাবে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ঘোরাঘুরি করা খুবই কষ্টদায়ক।

    এদিকে, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছেন, গত চারদিন ধরে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি তেল বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে অনেক পাম্পে স্বাভাবিক সরবরাহ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে চাহিদা প্রায় চারগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তারা। এই কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। কবে নাগাদ এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউই।

    তনিমা ফিলিং এর কর্মচারী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শুক্রবার ও শনিবার কোম্পানি থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল দিতে আসে না। এগুলো দিতে আসে রোববার। আজ আসবে কিনা জানি না। তবে দেশে পেট্রোল বা অকটেন সংকট হবে। একটু দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। বাইরের দেশ থেকে আসে ডিজেল। যুদ্ধ চলতে থাকলে ডিজেলের সংকট হবে। দাম বাড়া বা সংকেটর আশঙ্কায় পেট্রোল কিনতে পাম্পে ভিড় হচ্ছে।

    জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতি যশোর জেলা সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেন, স্রেফ প্যানিক থেকে মানুষের মধ্যে তেল মজুদ করার প্রবণতা শুরু হয়েছে। দেখা গেছে যে বাইক চালক হাফ বা এক লিটার তেল কিনতেন, তিনিও বাইকের ট্যাংকি ফুল করে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে ক্যান বা ড্রাম নিয়েও পাম্পগুলোতে ভিড় করছেন।

  • এবার ঈদে জিন্স আর পাঞ্জাবিতে নজর পুরুষের।

    এবার ঈদে জিন্স আর পাঞ্জাবিতে নজর পুরুষের।

    আধুনিক পুরুষ সময়ের সাথে তাল মেলাতে তার পোশাক আশাকের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে আজকাল মেকওভারেও নজর দেন। তাইতো উৎসবের ফ্যাশন ভাবনা ও সাজসজ্জায় নারীরা এগিয়ে থাকলেও পুরুষরাও কম যান না। ফ্যাশন সচেতনতা বা সাজপোশাক নিয়ে ভাবনা এবং উৎসবের কেনাকাটার তোড়জোড় নিতান্তই মেয়েলি ব্যাপার, এ ধারণা এখন অচল। সুন্দর হয়ে ওঠার ভাবনা মানুষের আজন্মকালের। মার্জিত ও সুন্দর একটি পোশাক সামাজিক মর্যাদা এবং গুরুত্ব বহন করে, আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।

    আধুনিক রুচিশীল পুরুষ যখন উৎসব আসে তখন নিজেকে সাজাতে, সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসেন। আর সে উৎসব যদি হয় ঈদুল ফিতরের মতো বড় উৎসব তবে প্রয়োজন পড়ে বাড়তি প্রস্তুতির। পুরুষের উৎসবের সাজ মানেই পাঞ্জাবী। চিরাচরিত এ সাজেই পুরুষ পরিপূর্ণ। ঈদের সকালে নামাজ থেকে শুরু করে দিনভর উৎসব উদযাপনে পুরুষ তাই প্রথমেই বেছে নেন পাঞ্জাবী। এর পাশাপাশি চলে শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্টও।

    ঈদ উপলক্ষে যশোর শহরের বিভিন্ন বিপনীবিতান পুরুষের পোশাকে সেজে উঠেছে। সকাল সাড়ে ৯টার পরপরই খুলে যাচ্ছে শহরের বিভিন্ন বিপণীবিতান। কেনাকাটা চলছে রাত ১২টা বা একটা পর্যন্ত। রোজার প্রথম থেকেই পুরুষ ক্রেতারা আসছেন তবে ১০রোজার পর থেকে পুরুষদের পোশাকের বিক্রি বেড়েছে বলছেন বিভিন্ন বিপনীবিতানের বিক্রেতা ও সত্ত্বাধিকারীরা। মধ্যবিত্তের বাজার হিসেবে পরিচিত জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, কালেক্টরেট মার্কেট, অভিজাত ক্রেতাদের বিপনীবিতান জেস টাওয়ার, সিটি প্লাজা, মুজিব সড়কের ফ্যাশন হাউজসহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে ঈদের কেনাকাটা। তবে পোশাকের দাম এবারেও বেশি বলছেন ক্রেতারা। সামর্থ্য অনুযায়ী নিজেদের পছন্দের পোশাকটি বেছে নিচ্ছেন পুরুষরা।

    কোথায় কেমন দাম
    যশোর কালেক্টরেট মার্কেটে পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে ৫০০থেকে চার হাজার ৫০০টাকায়। শার্ট ৪০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। টি-শার্ট ৪০০ এক হাজার ২০০ টাকা। জিন্স প্যান্ট ৬০০ থেকে দুই হাজার টাকা। গ্যাবাডিন প্যান্ট ৫০০থেকে এক হাজার ৪০০টাকা। জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটে পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে ৫০০থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়। জেস টাওয়ারে পুরুষদের শার্ট পাওয়া যাবে ৬০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায়। প্যান্ট ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা। টি-শার্ট ৩০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সিটি প্লাজায় পুরুষদের পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকায়। টি-শার্ট ৮০০ থেকে তিন হাজার টাকা। জিন্স প্যান্ট এক হাজার ৫০০ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা। গ্যাবাডিন এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার টাকা। মুজিব সড়কের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯৮০ থেকে তিন হাজার ২৫০টাকায়। শার্ট এক হাজার ৪৫০থেকে তিন হাজার ১৯০টাকা। টি-শার্ট ৩৯০থেকে দুই হাজার ৮৮০টাকা। জিন্স প্যান্ট দুই হাজার ৪৯০থেকে চার হাজার ৯০০টাকা। গ্যাবাডিন প্যান্ট এক হাজার ৯৯০থেকে দুই হাজার ৮৮০টাকা।

    যা বলছেন ক্রেতারা
    পালবাড়ি এলাকার আবু সাঈদ বলেন, পাঞ্জাবী ছাড়া আজ পর্যন্ত কোন ঈদ করিনি, তাই এবারেও কিনতে আসলাম। সাতক্ষীরা থেকে আসা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অনেকগুলো পাঞ্জাবী দেখেছি পছন্দও হয়েছে, তবে দাম বেড়েছে মনে হচ্ছে। ঈদ বলে কথা, না কিনে উপায়ও নেই। নীলগঞ্জ এলাকার মোহম্মদ হোসেন বলেন, পাঞ্জাবী ছাড়া ঈদ ভাবাই যায় না, তবে এবারে গতবারের চেয়ে দাম বেশি মনে হচ্ছে। রেল রোড এলাকার শাহেদুজ্জামান বলেন, পাঞ্জাবী এবারে গতবারের চেয়ে দুই তিনশো টাকা বা দোকানভেদে ৫০০টাকা পর্যন্ত বেশি মনে হলো। বাড়তি দাম না রাখা উচিত।

    যা বলছেন বিক্রেতারা
    জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের এস.কে ফ্যাশনের সত্ত্বাধিকারী আকবর মোল্লা বলেন, রোজার প্রথম দিকে ফাঁকা গেছে, বসে থেকেছি। এক সপ্তাহ হচ্ছে বেচাবিক্রি বেড়েছে। কালেক্টরেট মার্কেটের রয়েল পাঞ্জাবী’র ম্যানেজার রবিউল ইসলাম বলেন, রোজার প্রথম থেকেই কাস্টমাররা আসছেন। তবে বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে ১০রোজার পর থেকে। সিটি প্লাজার জিনস্ বাজার এর সত্ত্বাধিকারী ফিরোজ মৃধা বলেন, বেচাকেনা মোটামুটি হচ্ছে। পুরুষরা সাধারণত পরিবারের সবার জন্য কিনে শেষের দিকে নিজের কেনাকাটা করেন। ২০রোজার পর থেকে বেচাবিক্রি বাড়বে মনে হচ্ছে। মুজিব সড়কের ফ্যাশন হাউজ ইজি’র বিক্রয়কর্মী ইমন মিয়া বলেন, আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে, প্রথম রোজা থেকেই কাস্টমাররা আসছেন।

  • লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার।

    লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার।

    যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি আইবিএননিউজকে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবীর।

    কমনওয়েলথের এক সফরে যুক্তরাজ্যে এসে হিথ্রো বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, লন্ডনে নিযুক্ত ওই হাইকমিশনার দীর্ঘদিন ধরে বিভেদমূলক আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিকে বিভক্ত করে রেখেছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলীয়করণের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

    হুমায়ূন কবীর বলেন, কমিউনিটির স্বার্থ কিংবা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি উপেক্ষা করে তিনি মূলত দলীয় স্বার্থ হাসিলেই ব্যস্ত ছিলেন। এ কারণে তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এ সময় হিথ্রো বিমানবন্দরে হুমায়ূন কবীরের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র জানায়, আবিদা ইসলামের পরিবর্তে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আপাতত দুটি নাম সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তারা হলেন মেক্সিকোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিক ফজল আনসারি এবং রাশিয়ায় নিযুক্ত সহকারী রাষ্ট্রদূত ফয়সল আহমেদ। তাদের মধ্য থেকে একজনকে যুক্তরাজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

    উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য প্রদর্শনের অভিযোগ বিভিন্ন মহলে আলোচিত ছিল।

    এর মধ্যে লন্ডনে বাংলাদেশ সেন্টারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বড় বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

  • বেনাপোলের মাদক ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলামের ১০ বছরের কারাদণ্ড।

    বেনাপোলের মাদক ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলামের ১০ বছরের কারাদণ্ড।

    বেনাপোল মাদক ব্যবসায়ীকে ফেনসিডিলের মামলায় তরিকুল ইসলামকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছে যশোরের একটি আদালত। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি ইকবালকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

    রোববার (০৮ মার্চ) বিশেষ দায়রা জজ ও বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস এম নূরুল ইসলাম এক রায়ে সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত তরিকুল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানার শিবনাথপুর গ্রামের মৃত আবু বক্কারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান পলাশ।

    মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর বিকেলে পোর্ট থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বারোপোতা জামতলা গ্রামের সরকারি প্রাইমারি স্কুলের মাঠে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করে তরিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। পালিয়ে যায় তার সহযোগী ইকবাল।

    আটক তরিকুলের ব্যাগ তল্লাশি করে ৭৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আটক তরিকুল ও পলাতক ইকবালকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেন এসআই ইব্রাহিম হোসেন।

    তদন্ত শেষে এজাহারনামীয় দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জসিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই চন্দ্র কান্ত গাইন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি তরিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
    বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত তরিকুল ইসলাম কারাগারে আটক আছে।

  • শংকরপুরের সন্ত্রাসী ‘গোল্ডেন ফিরোজ’ ও ৩০ মামলার আসামি চাঁচড়ার ‘বড় রুবেল’ গ্রেফতার।

    শংকরপুরের সন্ত্রাসী ‘গোল্ডেন ফিরোজ’ ও ৩০ মামলার আসামি চাঁচড়ার ‘বড় রুবেল’ গ্রেফতার।

    যশোরে পৃথক দুটি অভিযানে দুর্ধর্ষ দুই সন্ত্রাসী শেখ ফিরোজ ওরফে গোল্ডেন ফিরোজ (২৫) ও রকিবুল ইসলাম রুবেল ওরফে বড় রুবেলকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

    আজ শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাতে শহরের বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকা থেকে অভিরাজ শেখ ফিরোজ ওরফে গোল্ডেন ফিরোজ (২৫) ও চাঁচড়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে রকিবুল ইসলাম রুবেল ওরফে বড় রুবেলকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার গোল্ডেন ফিরোজ শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার আলী আজীবর শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ অর্ধডজন মামলা রয়েছে। অন্যদিকে আটক রুবেল শহরের মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার ইনসান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধেও হত্যা, বিস্ফোরক ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৩০টি মামলা রয়েছে।

    যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জানান, যশোরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত রকিবুল ইসলাম রুবেল ওরফে বড় রুবেল দীর্ঘদিন ধরে ৩০ মামলার আসামি হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, তিনি চাঁচড়া মধ্যপাড়ার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। আত্মগোপনে থাকলেও সেখান থেকেই মাদক বিক্রি করছিলেন।

    পরে ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রির সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে সাত বোতল ভারতীয় ‘উইন কোরেক্স’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

    অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শেখ ফিরোজ ওরফে গোল্ডেন ফিরোজকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী তিনি একজন তালিকাভুক্ত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী। যশোর কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি ছিল।

    ডিবি পুলিশের দাবি, গোল্ডেন ফিরোজ দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

    ওসি মোহাম্মদ আলী আরও জানান, গ্রেফতার দুই আসামিকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসী গোল্ডেন ফিরোজ গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর একটি বার্মিজ চাকু ও দুইটি হাতুড়িসহ র‌্যাবের জালে গ্রেফতার হন। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ছিনতাই মারামারি মাদক ব্যবসাসহ অনেক অভিযোগ আছে। পরে তিনি জামিনে বের হয়ে পুরনো পেশায় ফিরে যান