Author: তরঙ্গ টিভি

  • সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত

    সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত

    সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণের খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন। প্রস্তাবে গত ১০ বছরের ব্যবধানে বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে ৯০ থেকে ৯৭ শতাংশ।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) এই খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে জাতীয় বেতন কমিশন।

    প্রস্তাবে গ্রেড-১ এর কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৪ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

     

     

    এছাড়াও গ্রেড-২ এ ১ লাখ ২৭ হাজার ৪২৬ টাকা, গ্রেড-৩ এ ১ লাখ ৯ হাজার ৮৪ টাকা, গ্রেড-৪ এ ৯৬ হাজার ৫৩৪ টাকা, গ্রেড-৫ এ ৮৩ হাজার ২০ টাকা, গ্রেড-৬ এ ৬৮ হাজার ৫৩৯ টাকা, গ্রেড-৭ এ ৫৫ হাজার ৯৯০ টাকা, গ্রেড-৮ এ ৪৪ হাজার ৪০৬ টাকা, গ্রেড-৯ এ ৪২ হাজার ৪৭৫ টাকা, গ্রেড-১০ এ ৩০ হাজার ৮৯১ টাকা মূল বেতনের পস্তাব করা হয়েছে।

     

    সর্বোচ্চ বেতন দেড় লাখ সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা

    সর্বোচ্চ বেতন দেড় লাখ সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা

     

    অন্যদিকে গ্রেড-১১ তে ২৪ হাজার ১৩৪ টাকা, গ্রেড-১২ তে ২১ হাজার ৮১৭ টাকা, গ্রেড-১৩ তে ২১ হাজার ২৩৮ টাকা, গ্রেড-১৪ তে ১৯ হাজার ৬৯৩ টাকা, গ্রেড-১৫ তে ১৮ হাজার ৭২৮ টাকা, গ্রেড-১৬ তে ১৭ হাজার ৯৫৫, গ্রেড-১৭ তে ১৭ হাজার ৩৭৬ টাকা, গ্রেড-১৮ তে ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা, গ্রেড-১৯ তে ১৬ হাজার ৪৪১ টাকা এবং গ্রেড-২০ এর কর্মচারীদের জন্য ১৫ হাজার ৯২৮ টাকা মূল বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন।

  • বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন এক প্রতিষ্ঠানেরই ১৩ হাজার ডলারের পণ্য পুড়ে ছাই, নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ

    বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন এক প্রতিষ্ঠানেরই ১৩ হাজার ডলারের পণ্য পুড়ে ছাই, নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ আমদানি পণ্য পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কয়েক ঘণ্টা পরও ধোঁয়ায় ঢেকে ছিল পুরো এলাকা। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের সাত ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে কোটি কোটি টাকার আমদানি-রপ্তানি পণ্য, গার্মেন্টসের কাঁচামাল ও বিভিন্ন কনসাইনমেন্ট ভস্মীভূত হয়ে যায়।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগুনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিভিন্ন সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ক্ষুদ্র আমদানিকারকরা।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পরপরই ওয়্যারহাউসের ভেতরে প্রচণ্ড ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ প্রথমে বিষয়টিকে ছোটখাটো শর্ট সার্কিট ভেবে গুরুত্ব দেননি। কিন্তু কিছু সময়ের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কেমিক্যাল ও কাপড়ের অংশে পৌঁছালে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ইমুট্রান্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার (আমদানি রপ্তানি শাখার ইনচার্জ) হাসান জানান, তাদের চারটি ডকুমেন্টসহ ১৩ হাজার ডলারের কনসাইনমেন্ট পুড়ে গেছে।

    তিনি জানান, বড় শিপমেন্ট হওয়ায় এটির ইনস্যুরেন্স করা ছিল।

    তিনি বলেন, এত বড় শিপমেন্ট সাধারণত ইনস্যুরেন্স করা থাকে। তবে ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট, এয়ারবিলসহ প্রয়োজনীয় সব নথি আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া এখন অনেক জটিল হয়ে গেছে।

    হাসান বলেন, বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি ও ইকুইপমেন্ট সাধারণত ইনস্যুরেন্স করা হয় এবং এটি বায়ার বা আমদানিকারকের চাহিদামতোই করা হয়ে থাকে। ইনস্যুরেন্স থাকলে আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানির আইন অনুযায়ী ইনস্যুরেন্স কোম্পানি তখন এই ক্ষতিপূরণ বহন করে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তাদের বায়ারদের এই ক্ষতির কথা জানানো হয়েছে, তবে এখনো ক্ষতিপূরণ বা ক্লেইম বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রশ্ন

    রয়্যাল ক্লিয়ারিং হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের মালামালের অবস্থা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। কারণ সংশ্লিষ্ট সব নথি ও তথ্যসংগ্রহ ব্যবস্থা পুড়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, এটি দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকা। এখান থেকে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়। অথচ এমন স্থানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় এতটা অবহেলা অগ্রহণযোগ্য।

    ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের শুরুতে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা এড়ানো যেত।

     

    তৌফিক আহমেদ নামে আরেক ক্ষতিগ্রস্ত এজেন্ট বলেন, আগুন প্রথমে ছোট ছিল, কিন্তু দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কেমিক্যালের অংশে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মনে হচ্ছে ওয়্যারহাউসে কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।

    ওয়্যারহাউসটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে বহুদিন ধরেই অভিযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য সংরক্ষণের পরও এখানে জরুরি ফায়ার এক্সটিংগুইশার, হাইড্রেন্ট বা প্রশিক্ষিত কর্মী ছিল না।

    পুরোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি

    ২০১৩ সালেও একই স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। তখন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি সীমিত ছিল।

    পুরোনো কর্মীরা বলছেন, আগের ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবে করা হয়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুরোনো কর্মচারী বলেন, তখনও ক্ষতি হয়েছিল, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভয়াবহ। তখন সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মতো আগুন ছিল। সময় মত বুঝতে পারা এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তখন এতো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু এবার দুদিন লেগে গেল।

    দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব

    অগ্নিকাণ্ডে শুধু পণ্য নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজারো সিএন্ডএফ কর্মীর জীবিকা। এই খাতে প্রায় ৩০–৪০ হাজার মানুষ দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করেন। কাজ বন্ধ থাকলে আয়ও বন্ধ। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, তদন্ত ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে।

    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অনেকেই এখন ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। তবে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না, কতটুকু ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ২টা ২০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

  • বিমানবন্দরে আগুন, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

    বিমানবন্দরে আগুন, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের তিন দিন পার হলেও এখনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত সিএনএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকরা। আগুনে কোটি টাকার পণ্য পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে লাগা আগুনের ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

    সরেজমিনে দেখা যায়, কার্গো ভিলেজের পুড়ে যাওয়া ভবন থেকে আর ধোঁয়া উঠছে না। ভবনের সামনে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি মোতায়েন রয়েছে এবং কয়েকজন কর্মী ভেতরে কাজ করছেন। পুরো এলাকা পুলিশ ও শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তায় ঘেরা। কাউকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও দেখা যায়, ভবনের সামনে ফুটপাতে অবস্থান করছেন বিভিন্ন সিএনএফ এজেন্ট ও আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীরা। গতকালের তুলনায় আজ উপস্থিতি কিছুটা কম হলেও তাদের মুখে হতাশা স্পষ্ট। তারা এখনো ভাবছেন, কীভাবে ক্ষতিপূরণ পাবেন এবং নতুন করে আগত শিপমেন্টগুলো কীভাবে নিরাপদে সরানো যাবে।

    dhakapost

    সিএনএফ এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা শুধু বর্তমান ক্ষতির কথা ভাবছে না, ভবিষ্যতেও এই আগুনের প্রভাব থাকবে। সরকার যদি আর্থিক সহায়তা দেয়, তাহলে হয়ত ব্যবসা স্বাভাবিকভাবে চালাতে পারবেন বলে জানান তারা।

    এ বিষয়ে টেলি বাংলাদেশ নামের সিএনএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক নাসির উদ্দিন বলেন, ভারত ও চায়না থেকে আমরা গার্মেন্টস শিল্পের জন্য সুতা নিয়ে আসি। আগুনে আমাদের ৪৫টি শিপমেন্ট পুড়ে গেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। এর বেশিরভাগই স্যাম্পল ছিল। গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল পুড়ে যাওয়ায় রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। কারণ এসব কাঁচামাল দেশের বাজারে বিক্রি করা হয় না—বিভিন্ন পোশাক কারখানা এগুলো দিয়ে তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি করে।

    তিনি আরও বলেন, এই সুতা দিয়ে বিদেশি অর্ডারের সোয়েটার তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন শিপমেন্টগুলো পুড়ে যাওয়ায় সেই অর্ডার বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে শুধু আমদানিকারকই নয়, আমরা সিএনএফ এজেন্ট, এমনকি পোশাক কারখানার কর্মচারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করে তিনি বলেন, আমরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছি। পাশাপাশি দ্রুত একটি কার্গো ভিলেজের বিকল্প সংরক্ষণাগার তৈরিরও অনুরোধ করেছি, যেখানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকবে। এখনকার মতো বাইরে মালামাল রাখলে তা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত তাপে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    dhakapost

    অন্যদিকে সিএনএফ এজেন্ট কোম্পানি ইমুট্রান্স বাংলাদেশ লজিস্টিক্স লিমিটেডের ম্যানেজার (আমদানি-রপ্তানি শাখার ইনচার্জ) হাসান জানান, তাদের চারটি ডকুমেন্টসহ প্রায় ১৩ হাজার ডলারের কনসাইনমেন্ট পুড়ে গেছে।

    তিনি বলেন, এত বড় শিপমেন্ট হওয়ায় এটি ইনস্যুরেন্স করা ছিল বলে আশা করছি। সাধারণত বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি ও ইকুইপমেন্ট ইনস্যুরেন্সের আওতায় থাকে। ইনস্যুরেন্স থাকলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইনের অধীনে কোম্পানি ক্ষতিপূরণ বহন করবে। তবে এখনো বায়ারদের কাছ থেকে ক্লেইম বা প্রতিক্রিয়া পাইনি। আমরা চাই সরকার আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। না হলে আমরা স্বাভাবিকভাবে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবো না।‌ কারণ এই আগুনের দীর্ঘ মেয়াদি একটা প্রভাব পড়বে একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ওপর।

  • কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের দায় কেউই এড়াতে পারে না : ইএবি

    কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের দায় কেউই এড়াতে পারে না : ইএবি

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দায় কেউই এড়াতে পারে না বলে অভিযোগ করেছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)।

    (২০ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) পক্ষ থেকে এ অভিযোগ জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আমাদের ব্যবসায়ী সমাজ ও রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা শঙ্কিত এবং আমাদের বৈদেশিক ক্রেতারাও উদ্বিগ্ন। এই ধরনের ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং এটি নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। একইভাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

    তারা বলেন, অনেক বছর ধরে আমরা রপ্তানিকারকরা অভিযোগ করে আসছি যে আমাদের পণ্য ও মালামাল খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়, সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, এবং প্রায়ই আমদানিকৃত মালামাল চুরি হয়। এটি শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

    ব্যবসায়ীদের এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই অগ্নিকাণ্ডের দায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টম হাউস এবং বিমান বাংলাদেশ প্রিয়ারলাইনস কেউই এড়াতে পারে না। কারণ, সিএএবি এই কার্গো ভিলেজের মালিক, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকৃত পণ্যের তত্ত্বাবধায়ক, আর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস হলো হ্যান্ডলিং এজেন্ট। এমন একটি সংবেদনশীল স্থানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কেউই যথাযথ মনোযোগ দেয়নি। বর্তমান গুদাম ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল এবং এখনো ম্যানুয়ালি পরিচালিত হয়। এছাড়া কাস্টমস ছাড়পত্র প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতার কারণে প্রচুর পণ্য জমে থাকে, ফলে সীমিত স্থানের সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

    সংগঠনের তারা বলেন, কেমিক্যাল ও ওষুধের কাঁচামালের মতো স্পর্শকাতর পণ্যের গুদাম আলাদা, অধিক সুরক্ষিত এবং নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন করা উচিত ছিল। এই ঘটনায় শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, দেশের ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে একাধিক আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ঢাকায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও উদ্বেগজনক। এখন জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- এই অগ্নিকাণ্ড কি কেবলই একটি দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে কোনো পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে? এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কি কোনো অটো ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিস্টেম ছিল?

    সেখানে সারাক্ষণ বহু মানুষের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আগুন কীভাবে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো কোথায় ছিল? বাহির থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসলেও তাদের প্রবেশে বিলম্ব হলো কেন? এর জন্য দায়ী কারা? ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার দায় কেউ যেন এড়াতে না পারে সেজন্য দায়িত্ব অবহেলার শান্তি হবে কি?

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা মনে করি, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে সরকারের পক্ষ থেকে অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর তদন্ত শুরু করা জরুরি।

    সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য এবং আমদানিকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধারণা কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

    এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ধারণা কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আলী এ তথ্য জানান।

    ইএবি সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আলী বলেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, কার্গো ভিলেজের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কার্যকর ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিস্টেম নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। কার্গো ভিলেজের প্রধান ব্যবহারকারীদের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা। তারা সাধারণত হালকা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, ইলেকট্রনিক পণ্য, তৈরি পোশাকের কাঁচামাল, অ্যাক্সেসরিজ এবং নমুনা আমদানি ও রপ্তানির জন্য এই স্থান ব্যবহার করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসগুলোও তাদের গ্রাহকদের গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র ও পার্সেল আদান-প্রদানের জন্য কার্গো ভিলেজ ব্যবহার করে থাকেন।

    তিনি বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পের উদ্যোক্তারা কাঁচামাল আমদানির জন্য এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ রপ্তানির ক্ষেত্রেও এই স্থান ব্যবহার করেন। এছাড়া হিমায়িত খাদ্য, কৃষিপণ্য, শাকসবজি, ফলমূল এবং অন্যান্য পচনশীল পণ্য রপ্তানিকারকরাও কার্গো ভিলেজের ওপর নির্ভরশীল। এই ধরনের পণ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল-সময়মতো বিদেশে না পৌঁছালে তা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে, কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড বা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আমাদের রপ্তানি শিল্প ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

    এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানিকারকদের ক্ষতির পরিমাণ এখনই নির্ধারণ করা কঠিন। সরাসরি ক্ষতি হয়েছে আগুনে পুড়ে যাওয়া পণ্যে, তবে এটি কেবল সরাসরি ক্ষতি নয়-পুড়ে যাওয়া কাঁচামাল থেকে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি না হওয়ায় আরও বড় ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণে সামনের কয়েকদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত থাকবে, বাজারে অবস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে, ক্রেতাদের আস্থা কমবে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    আমরা আমাদের সদস্যদের কাছে জরুরি বার্তা পাঠিয়ে ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা করছি, তবে এখনও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি। একটি স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সামগ্রিক ক্ষতির সঠিক চিত্র পাওয়া সম্ভব হবে। তবুও প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা-সব মিলিয়ে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    মোহাম্মদ হাতেম আলী বলেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, বিদেশি ক্রেতারা এই অগ্নিকাণ্ডের খবরে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হতে পারেন, যার ফলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই ঝুঁকি নিরসনে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার দায় কেউ যেন এড়াতে না পারে-সেজন্য দায়িত্ব অবহেলার শাস্তি হবে কি?

    তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে সরকারের পক্ষ থেকে অবিলম্বে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর তদন্ত শুরু করা জরুরি। গত কয়েক দিনে আশুলিয়া, মিরপুর, চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং সর্বশেষ ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ধারাবাহিকতা উদ্যোক্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সদস্য এবং আমদানিকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গাজীপুরে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

    গাজীপুরে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের জিএমএস টেক্সটাইল গার্মেন্টসের সামনে মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার ব্যস্ত সড়কে চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্সেটিতে আগুন ধরে যায়। চালক তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি থামিয়ে দ্রুত নেমে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো অ্যাম্বুলেন্সেটি আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, তবে সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আশঙ্কায় কেউ কাছে যেতে সাহস পাননি।

    খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা) আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

    কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরি বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করছে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে

  • পিঠা বিক্রি করেই পেট চলে”

    পিঠা বিক্রি করেই পেট চলে”

    সাধারণত শীত এলেই সামনে আসে পিঠাপুলির কথা। সকাল সকাল ঘাছ থেকে খেজুর রস নামিয়ে পিঠা বানানোর তোড়জোড়। ভাপ ওঠা চুলার চারদিকে শিশু কিশোরদের অপেক্ষা- কখন নামবে পিঠার হাঁড়ি, কে কতটা পিঠা খাবে তার প্রতিযোগিতা।গ্রাম বাংলার চির চরিত ওিই রীতি এখন আর হয়তো খুব একটা চোখে পড়ে না। তবে শীতের এই অনুষঙ্গ থেকে নেই মোটেও। শীতের শুরুতেই শহর বা গ্রামের অলিগলিতে জমে ওঠে মৌসুমি পিঠার দোকান। সেখানে মেলে হরেক পদের পিঠা।এই পিঠা কারও বাড়তি আয়ের উৎস, কারওবা জীবিকার প্যধান মাধ্যম। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাহেবগজ্ঞ বাজার রোডে এমনই একটি পিঠার দোকান টুকু মিয়ার। মাটির চুলা। চুলার কয়েকটি জ্বালামূখ।তাতে তৈরি হচ্ছে চিতাই,ভাপাসহ নানান পিঠা। এর পাশেই ছোট ছোট বাটিতে থরে থরে সাজানো শষে মরিচ,চেপা শুঁটকিসহ নান স্বাদের ভতা সেখানে ক্রেতাদের ভিড়। কেউ খাচ্ছেন, কেউবা কাগজের ঠোঙ্গায় মুড়িয়ে পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। গত শনিবার রাত আটটার দিকে কথা হয় টুকু মিঞার সঙ্গে।তিনি তখন পিঠা বিক্রিতে ব্যস ্ত । কথায় কথায় জানা গেল, টুকু মিঞার মা অসুস্থ এছাড়া ২ সন্তান ঢাকায় থাকেন তাই তিনি পরিবারের একমাত্র উপাজনক্ষম। শীতের এই সময়ে পিঠা বিক্রি করেন তিনি। বাকি সময় ভ্যান চালান তাতে কোন রকম দিন চলে তার। টুকু মিঞা বলেন,“ ঘরে না খেয়ে থাকলেও দেখার কেউ নাই। তাই বাধ্য হয়েই রাস্তায় দোকান নিয়ে বসেছি।এ ছাড়া শীতের এই সময়ে পিঠার প্রচুর চাহিদা। তাই পিঠা বিক্রি করেই পেট চলে। এছাড়া আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ স্টেশন,আত্রাই হেলিপ্যাড রোড, আহসানগঞ্জ হাট খোলা,শুকটিগাছা বাজার ,ব্রজপুর বাজার, সিংসাড়া বাজার, মদনডাঙ্গা, কুশাতলাবাজার, ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজার, সাহাগোলা রেল স্টেশন বাজার বিভিন্ন এলাকা ঘুড়ে দেখা গেছে ভ্যানেও মৌসুমী পিঠা বিক্রি করছে চিতই পিঠা। সাধারণত দোকানগুলো চালু হয় বিকাল চারটায় আর চলে রাত্রি ৯টা পযন্ত। এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় জমে সন্ধ্যার পর থেকেই। অনেকে পরিবার নিয়ে পিঠা খেতে আসেন আবার কেউ কেঊ পিঠা নিয়ে বাড়ি চলে যান। শনিবার বিকালে আত্রাই উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাজারে একটি পিঠার দোকানের সামনে কথা হয় স্থানীয় বাদিস্দা সাদিক মিঞার সঙ্গে। তিনি একসাথে ৭টি পিঠা কিনছিলেন। তিনি বলেন, মূলত শহরের বাড়িতে পিঠা বানানো ঝামেলা। এ ছাড়া সরঞ্জামও নাই। আর বানালেও দোকানের মতো হয় না।তাই ঝামেলা কমাতে দোকান থেকেই কিনে নিচ্ছ।

  • বিএনপির নতুন সদস্য সংহের ফরম বিতরন ও নবায়ন কমসুচি

    বিএনপির নতুন সদস্য সংহের ফরম বিতরন ও নবায়ন কমসুচি

    কালিয়াকৈরে উপজেলা বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনু্ষ্ঠিত হয়।
    রবিবার বিকালে বোয়ালী নলুয়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে প্রাঙ্গণে বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপি ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সভা অনু্ষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন,বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব, এডভোকেট রিপন আল হাসান, বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক, সমীর কুমার গুহ এর সভাপতিত্বে, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড.ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী (সদস্য সচিব, গাজীপুর জেলা বিএনপি), বিশেষ বক্তা ছিলেন, আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম সিকদার (আহবায়ক কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি), আলহাজ্ব এম আনোয়ার হোসেন (কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব),
    আর বক্তব্য রাখেন,রিজবী আহম্মেদ দুলাল,(সদস্য কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি আহবায়ক সদস্য) মোঃ আবিদুর রহমান খোকন(কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য) মেহেরুন কবির বকসী (কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য),এইচ এম শওকত ইমরান(চাপাইর ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক) মোঃ আনোয়ার হোসেন ( ১ নং যুগ্ন আহবায়ক বোয়ালী ইউনিয়ন বি এন পি) শাহিনুজ্জামান শাহিন(কালিয়াকৈর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব) নজরুল ইসলাম(মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপি ১ নং যুগ আহবায়ক)
    ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি প্রার্থী স্বপন সরদার, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী, শাহ আলম মিয়া
    সহ কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির,যুবদলের, নেতৃবৃন্দ।
    অনু্ষ্ঠান আয়োজন করেন বোয়ালী ইউনিয়ন বি এন পি।কালিয়াকৈরে উপজেলা বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনু্ষ্ঠিত হয়।
    রবিবার বিকালে বোয়ালী নলুয়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে প্রাঙ্গণে বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপি ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সভা অনু্ষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন,বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব, এডভোকেট রিপন আল হাসান, বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক, সমীর কুমার গুহ এর সভাপতিত্বে, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড.ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী (সদস্য সচিব, গাজীপুর জেলা বিএনপি), বিশেষ বক্তা ছিলেন, আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম সিকদার (আহবায়ক কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি), আলহাজ্ব এম আনোয়ার হোসেন (কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব),
    আর বক্তব্য রাখেন,রিজবী আহম্মেদ দুলাল,(সদস্য কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি আহবায়ক সদস্য) মোঃ আবিদুর রহমান খোকন(কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য) মেহেরুন কবির বকসী (কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য),এইচ এম শওকত ইমরান(চাপাইর ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক) মোঃ আনোয়ার হোসেন ( ১ নং যুগ্ন আহবায়ক বোয়ালী ইউনিয়ন বি এন পি) শাহিনুজ্জামান শাহিন(কালিয়াকৈর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব) নজরুল ইসলাম(মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপি ১ নং যুগ আহবায়ক)
    ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি প্রার্থী স্বপন সরদার, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী, শাহ আলম মিয়া
    সহ কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির,যুবদলের, নেতৃবৃন্দ।
    অনু্ষ্ঠান আয়োজন করেন বোয়ালী ইউনিয়ন বি এন পি।

  • কালিয়াকৈরে হাজী বাড়ী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পশ্চিম চান্দরা এলাকায় হাজী বাড়ী তরুণ তেজ স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘হাজী বাড়ী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ (সিজন–১)’ এর ফাইনাল ম্যাচ। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর ২০২৫) বিকেলে হাজী বাড়ী মসজিদ মাঠ সংলগ্ন স্থানে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনসাধারণসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটবলপ্রেমীরা। ফাইনাল ম্যাচে আর.কে ব্লাস্টার ও রেড হর্স দলের মধ্যে মুখোমুখি লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো দর্শকদের মাতিয়ে তোলে।

    টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং কালিয়াকৈর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ সামছুল আলম সরকার ।
    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব মোঃ ইসহাক আলী মাতাব্বর।
    এছাড়া টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জসিম উদ্দিন ।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং
    কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান।
    খেলার শেষাংশে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
    এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

  • মানিকগঞ্জে ঘর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার; সনাক্ত হয়নি এখনো

    মানিকগঞ্জে ঘর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার; সনাক্ত হয়নি এখনো

    মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ভাড়া বাড়ির একটি ঘর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, ইংরেজি সকাল প্রায় ৭টার সময়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই দিন সকালে মানিকগঞ্জ সদর থানার জরুরি ডিউটিতে নিয়োজিত এসআই (নিঃ) মোঃ আশরাফুর রহমান সংবাদ পান যে, কামারদিয়া এলাকার জনৈক আশরাফুল মান্নান এর ভাড়া দেওয়া বাড়ির দোচালা টিনের ঘরের দক্ষিণ পাশের একটি কক্ষের বাহির থেকে তালা লাগানো এবং ঘরের ভেতর থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।

    সংবাদ পেয়ে এসআই আশরাফুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির মালিকের সহায়তায় তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামলা এবং মাঝারি গড়নের এক ব্যক্তির পচা লাশ দেখতে পান।

    পুলিশ জানায়, লাশের চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় এখনো পর্যন্ত মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    ঘটনার পর এসআই আশরাফুর রহমান বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা, মানিকগঞ্জ এর তদন্তাধীন রয়েছে।

    পুলিশের ধারণা, অজ্ঞাত ব্যক্তিটিকে হত্যার পর ঘরে রেখে বাহির থেকে তালা লাগানো হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে