Author: তরঙ্গ টিভি

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক  কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়ে আপত্তি জানাল জামায়াত

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়ে আপত্তি জানাল জামায়াত

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে কাদের নিয়ে এই আপত্তি, তাদের নাম প্রকাশ করেনি দলটি।

    আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, যারা উপদেষ্টা তাদের ব্যাপারে বলেছি, সকলের ব্যাপারে নয়। আমরা বলেছি, কিছু কিছু লোক আপনাকে (প্রধান উপদেষ্টাকে) বিভ্রান্ত করে। আপনার প্রতি আমাদের আস্থা আছে। কিন্তু আপনার কিছু লোক আপনার পাশে আপনাকে বিভ্রান্ত করে এবং ওরা কোনো একটা দলের পক্ষে কাজ করে আমরা মনে করি। তাদেরকে, তাদের ব্যাপারে আপনাকে হুঁশিয়ার থাকা দরকার।

    একদিন আগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপিও কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। নাম উল্লেখ না করে বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আহ্বান জানিয়েছিল দলটি।

    বৈঠকে কোনো উপদেষ্টার অপসারণের দাবি তুলেছেন কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা প্রথম দিন দৃষ্টি আকর্ষণ করছি… আমরা প্রথমদিন যাইয়াই অপসারণ চাইনি। আমরা বলছি, আমরা এখন দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা সময় দিচ্ছি। আপনাকেও শুনতে দিচ্ছি। যদি না হয় তাহলে আমরা যা যা করার, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা চিন্তা করব।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো দাবি তোলা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে এখনও সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হচ্ছে। তার দল সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষায় আছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোনো ব্যত্যয় না হলে অন্তর্বর্তী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা পালন করবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।

    জামায়াতে ইসলামীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা কী বলেছেন, এমন প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলছেন যে উনি এগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করছেন এবং যেটা করতে হবে, সেটি উনি করবেন, ইনশা আল্লাহ।

    এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, নভেম্বর মাসের শেষ দিকে গণভোট এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য ‘এক্সট্রা জুড়িশিয়াল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ জারির বিষয়ে আলোচনা হয় বলেও সাংবাদিকদের জানান আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। বৈঠকে তিনি জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

  • জাজিরায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্টের অভিযোগ

    জাজিরায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্টের অভিযোগ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

    অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের উত্তর কেবলনগর কাজী কান্দি এলাকার বাসিন্দা ও জাজিরা মোহর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) লিয়াকত হোসেন তার পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চাচাতো ভাই রাজ্জাক বেপারী ও তার সহযোগীদের দখলে রয়েছে বলে জানান। দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়া চালিয়েও জমি উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তিনি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন।

    জেলা প্রশাসক আবেদনটি তদন্তের জন্য জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দিলে ইউএনও তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসানের কাছে প্রেরণ করেন।

    লিয়াকত হোসেনের দাবি, “মেহেদী হাসান আমাকে বলেন, জমির সমস্যা সমাধানের জন্য এক লাখ টাকা দিতে হবে। প্রথমে রাজি না হলেও তার চাপে আমি ৮০ হাজার টাকা দিই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে আমি নিজ খরচে এক্সকাভেটর মেশিন এনে সরকারি খাল উদ্ধার করি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, খরচ ফেরত দেবেন ও জমি বুঝিয়ে দেবেন, কিন্তু পরে আর প্রতিশ্রুতি রাখেননি। জমি মাপজোকের প্রতিবেদনও গোপন রেখেছেন।”

    তবে লিয়াকত হোসেন স্বীকার করেন যে, টাকা লেনদেনের কোনো ভিডিও বা অডিও প্রমাণ তার কাছে নেই, যদিও কয়েকজন সাক্ষী আছে বলে দাবি করেন।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান দৃঢ়ভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো অর্থ গ্রহণ করিনি। যারা সাক্ষী হিসেবে নাম দিয়েছে, তাদের কাউকেই আমি চিনি না বা কখনও দেখিনি।”

    তিনি আরও জানান, “যে সাংবাদিক রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে, সে আগে আমার কাছে সুপারিশ নিয়ে এসে অর্থ দাবি করেছিল। আমি না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রতিবেদন করেছে।”

    এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে যদি কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে সাংবাদিকের মিথ্যা রিপোর্ট বলে দাবি করছেন, আবার অনেকে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

    বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের নজর এখন জাজিরার এই আলোচিত ঘটনার দিকেই নিবদ্ধ হয়েছে।

  • নড়িয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    নড়িয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    শরীয়তপুরে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ বাহিনির বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ মানিক মোল্লা (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে ১০টায় নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের কোব্বাস মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে সেনাবাহিনির একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোব্বাস মাদবর কান্দি এলাকার শাহজাহান মোল্লার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিঙ্গেল শর্টগান ও দেশীয় তৈরি অস্ত্রসহ শাহজাহান মোল্লার ছেলে মানিক মোল্লা(৩০ )কে গ্রেফতার করা হয়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মানিক মোল্লাকে প্রাথমিক আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মানিক মোল্লার দেখানো মতে তার বসত ঘড় থেকে একটি সিঙ্গেল শর্ট গান ও দেশীয় অস্র উদ্ধার করা হয় ।

    অভিযানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনির এমন অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। আটক মানিক মোল্লাকে নড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    সম্প্রতি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে

  • কালিয়াকৈরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়

    কালিয়াকৈরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়

    “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি”—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে।

     

    বুধবার সকালে নাওজোড় হাইওয়ে থানা পুলিশ এর আয়োজনে কালিয়াকৈর বাসটার্মিনালে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা শেষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এক বর্ণাঢ্য ‍র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

    নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলমের সভাপতিত্বে ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান মোঃ জসিম উদ্দিন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মিনার উদ্দিন, বাস মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন আলী, জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সড়ক সম্পাদক মোঃ কিরণ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন সহ বিভিন্ন নেতা কর্মীরা।

    বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালক ও যাত্রী উভয়ের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার, গতিসীমা মেনে চলা ও যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তারা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক গড়তে পুলিশ, পরিবহন শ্রমিক, মালিক ও যাত্রী—সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটি’তে ফিজিক্স অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খোকন হোসেন।।

    পটুয়াখালী ভার্সিটি’তে ফিজিক্স অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খোকন হোসেন।।

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ফিজিক্স অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং(পি এম ই) বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. খোকন হোসেন।

     

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

    ২১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কক্ষে ফিজিক্স অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। তাঁরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল দায়িত্ব পালনের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

    জানা যায়, অধ্যাপক ড. খোকন হোসেন একজন বর্ণাঢ্য একাডেমিক ও গবেষণা জীবনের অধিকারী। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে স্পেনের খ্যাতনামা University of Santiago de Compostela থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এম.এস. ডিগ্রি এবং জার্মানির বিশ্ববিখ্যাত Max-Planck Institute for Nuclear Physics, Heidelberg থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

    এ পর্যন্ত তাঁর প্রায় অর্ধশতাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    দায়িত্ব গ্রহণের দিন প্রফেসর ড. খোকন হোসেন সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিভাগের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • বেনাপোলে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় একই পরিবারের ৫ জন আটক

    বেনাপোলে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় একই পরিবারের ৫ জন আটক

    অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

     

    বুধবার(২২ অক্টোবর) ভোরে বেনাপোল সাদিপুর গ্রামের, বাংলাদেশ- ভারত সীমান্তবর্তী ঘেষা আবু হাসানের আমবাগান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    বেনাপোল আইসিপি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় সীমান্তের মেইন পিলার ১৯/১-এস হতে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে সাদীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে একই পরিবারের ৫ জনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন রঞ্জন বাড়ৈ (৩৮), তার স্ত্রী কনিকা বাড়ৈ (২৮), মেয়ে রিতিকা বাড়ৈ (১৪), ছেলে রাজু বাড়ৈ (১২) ও রিপা বাড়ৈ (১২)। তারা সবাই বরিশাল জেলার বানাইপাড়া থানার বিসারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

    বিজিবি জানায়, আটককৃতরা পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়ের
    করে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • নড়িয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    নড়িয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    শরীয়তপুরে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ বাহিনির বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ মানিক মোল্লা (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে ১০টায় নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের কোব্বাস মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে সেনাবাহিনির একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোব্বাস মাদবর কান্দি এলাকার শাহজাহান মোল্লার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিঙ্গেল শর্টগান ও দেশীয় তৈরি অস্ত্রসহ শাহজাহান মোল্লার ছেলে মানিক মোল্লা(৩০ )কে গ্রেফতার করা হয়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মানিক মোল্লাকে প্রাথমিক আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মানিক মোল্লার দেখানো মতে তার বসত ঘড় থেকে একটি সিঙ্গেল শর্ট গান ও দেশীয় অস্র উদ্ধার করা হয় ।

    অভিযানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনির এমন অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। আটক মানিক মোল্লাকে নড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    সম্প্রতি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে।

  • মিথ্যার জালে প্রশাসনকে ঘিরে ফাঁদ: জাজিরার ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার?”

    মিথ্যার জালে প্রশাসনকে ঘিরে ফাঁদ: জাজিরার ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার?”

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা, যিনি নিয়ম ও প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করার জন্য এলাকায় পরিচিত। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে এক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মহল মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত “ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ” শিরোনামের প্রতিবেদনের মাধ্যমে। সেখানে দাবি করা হয়, জাজিরা উপজেলার মোহর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিয়াকত হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, ভূমি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান তার কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

    কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক ভিন্ন বাস্তবতা যেখানে ঘুষের অভিযোগের পেছনে লুকিয়ে আছে জমি জালিয়াতি ও প্রশাসন বিভ্রান্ত করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা।

    জালিয়াতির ছক: আদালতের রায় বিকৃত করে নামজারি চেষ্টা

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক লিয়াকত হোসেন কিছুদিন আগে একটি নামজারির আবেদন নিয়ে জাজিরা ভূমি অফিসে আসেন। জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য তিনি আদালতের একটি রায়ের কপি দাখিল করেন, যেখানে মূল রায়ে উল্লেখ ছিল ৩ শতাংশ জমি।

    তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো রায়ের ওই কপিতে হাতের লেখায় “৩ শতাংশ” পরিবর্তন করে “৩৭ শতাংশ” করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান বিষয়টি যাচাইয়ের সময় জালিয়াতির ইঙ্গিত পান এবং সঙ্গে সঙ্গেই নামজারি প্রক্রিয়া স্থগিত করেন

    এরপর থেকেই শিক্ষক লিয়াকত ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘুষের অভিযোগ ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    জাজিরা উপজেলা রাজনীতিবিদ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযোগকারী লিয়াকত হোসেন নিজ বংশের প্রায় ১০-১২ জন আত্মীয়কে এলাকায় বসিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। তিনি স্থানীয় এক মালিকের কাছ থেকে জমি কিনে অন্য পক্ষকে উচ্ছেদ ও দখলের চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন
    কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তিনি দমনমূলক আচরণ করেন এবং ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন।

    ভূমি কর্মকর্তার বক্তব্য: “আইন অনুযায়ী কাজ করেছি” জাজিরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন আমি সরকারি নিয়ম মেনেই কাজ করেছি। আদালতের রায়ের কপি বিকৃত করে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে নামজারি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গেই তা প্রত্যাখ্যান করেছি। এখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।”

    তিনি আরও জানান, প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এ ধরনের প্রচেষ্টা শুধু ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা নষ্ট করার অপচেষ্টা

    শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এ বিষয়ে বলেন বিষয়টি তদন্তাধীন। যদি দেখা যায় কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারি কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চাইছে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে প্রকৃত অনিয়ম থাকলেও তা আইন অনুযায়ী যাচাই করা হবে।”

    ঘুষের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমে প্রচার ও জনমনে বিভ্রান্তি—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন ‘সত্য বনাম ষড়যন্ত্রের’ সংঘর্ষে পরিণত হয়েছে।
    তবে অনুসন্ধান ও প্রশাসনিক সূত্রের তথ্য বলছে—এই অভিযোগ শুধু একজন কর্মকর্তাকে নয়, বরং পুরো প্রশাসনিক কাঠামোকেই প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি কৌশল

    যদি প্রমাণিত হয় যে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত মিথ্যা অভিযোগ, তাহলে এটি হবে “সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা” এবং “রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা মানহানি”—যা আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধ।

    জাজিরা উপজেলার এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, সত্যকে আড়াল করতে মিথ্যার জাল যতই ঘন হোক, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও আইন প্রয়োগের শক্তি শেষ পর্যন্তই সত্যকে সামনে নিয়ে আসে।

  • দুমকি উপজেলায়, বাহেরচর – নলুয়া ঘাটে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি।

    দুমকি উপজেলায়, বাহেরচর – নলুয়া ঘাটে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, অযত্নে-অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের অধীনে থাকা ফেরি বিভাগের কোটি টাকার সম্পদ।

    তদারকির অভাব ও চুরির কারণে ফেরি দুটি এখনও সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় পড়ে আছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বাহেরচর এলাকায় পায়রা নদীর তীরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে দুটি ফেরি।

    রোদ-বৃষ্টি, পানির নিচে ডুবে থাকা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ফেরিগুলোর দেহে মরিচা ধরেছে। কোথাও ভাঙা দরজা-জানালা, কোথাও উধাও যন্ত্রাংশ। ভেতরে জমেছে ময়লা-আবর্জনা, চারপাশে আগাছায় ঢেকে গেছে এলাকা।

    স্থানীয়রা জানান, ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর পায়রা সেতু চালু হওয়ার পর ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের প্রভাব খাটিয়ে ফেরি দুটি তার নিজ এলাকার বাহেরচর নদীতীরে স্থানান্তর করা হয়। তারপর থেকে এগুলো অব্যবহৃত-অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফেরি দুটি পড়ে আছে, কোনো রক্ষণাবেক্ষণ নেই। এতে কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

    চাইলে কর্তৃপক্ষ এগুলো নিলামে বিক্রি বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে পারত।আরেক বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, সরকারি সম্পদ এভাবে পড়ে থাকা দুঃখজনক। সংস্কার বা বিক্রির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়ের সুযোগ রয়েছে।

    পটুয়াখালী সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার বলেন, ফেরি দুটি বাহেরচর এলাকায় পড়ে আছে-বিষয়টি আমাদের জানা আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ফেরি বিভাগের কোটি টাকার এই সম্পদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।।



     

  • বোচাগঞ্জে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    বোচাগঞ্জে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনগণকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বানে জাকের পার্টির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ১নং নাফানগর ইউনিয়নে সাংগঠনিক জনসভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    রবিবার বিকেলে বিরল বোচাগঞ্জ উপজেলা জাকের পার্টি ও সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বড় সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় কৃষক ফ্রন্ট এর বোচাগঞ্জ শাখার সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জাকের পার্টির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা, মৃত্তিকা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মাল, দিনাজপুর জাকের পার্টির সিনিয়র সহ সভাপতি মতিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর হক, কৃষক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও জেলার সভাপতি আফজাল হোসেন, দিনাজপুর যুব সেচ্ছাসেবক ফ্রন্টের সভাপতি সাহেব জামান বাবু, জেলা সেচ্ছাসেবক ফ্রন্টের সভাপতি আব্দুল মালেক, বিরল উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও কাহারোল উপজেলার সভাপতি নুর এ আলম।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র ফ্রন্টের জেলার সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম। এসময় জাকের পার্টি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    জনসভা শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে শেষ হয়। পরে দেশ ও জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়।