Author: তরঙ্গ টিভি

  • বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল সেট, চালু হচ্ছে এনইআইআর সিস্টেম

    বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল সেট, চালু হচ্ছে এনইআইআর সিস্টেম

    অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধ করা এবং টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু করা হচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এতে দেশের নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন কিংবা আনঅফিসিয়াল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) বোর্ডরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্য

    তিনি বলেন, এনইআইআর চালুর মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এটি এমন একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা, যা প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেটের আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত আইএমইআই নম্বরকে ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত করে নিবন্ধিত করবে। ফলে বৈধ ও অবৈধ হ্যান্ডসেট সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এই ব্যবস্থা চালু হলে অবৈধভাবে আমদানিকৃত বা নকল মোবাইল ফোনের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হবে। এর ফলে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে এবং দেশীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্প আরও সুরক্ষিত হবে। পাশাপাশি, চুরি বা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত ডিভাইস শনাক্ত ও ব্লক করা সম্ভব হবে, যার ফলে অপরাধ দমনেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    তিনি বলেন, এনইআইআর শুধু একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নয়, এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা এবং টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিটিআরসির (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) পাশাপাশি দেশের চারটি মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক এবং টেলিটক বাংলাদেশ— তাদের নিজস্ব ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (ইআইআর) সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করছে।

    তিনি আরও বলেন, এনইআইআর চালুর ফলে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) জালিয়াতি, সিম প্রতারণা ও স্ক্যাম কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে ইকেওয়াইসি যাচাই আরও শক্তিশালী হবে, টেলিকম সেক্টরে নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে।

    উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও বিভিন্ন অপারেটরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের টেলিকম খাত একটি নতুন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ যুগে প্রবেশ করবে। আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এই উদ্যোগ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করুন এবং বৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহারে উৎসাহিত করুন।

    এ সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • থানায় হামলার অভিযোগে ডিএসসিসির ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ

    থানায় হামলার অভিযোগে ডিএসসিসির ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কয়েকজন ড্রাইভারের বিরুদ্ধে থানায় ঢুকে হামলা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সোহেল মিয়া জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    লিখিত অভিযোগে সোহেল মিয়া উল্লেখ করেছেন, গত ২৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে রাত প্রায় ৩টার দিকে ডিএসসিসির ড্রাইভার মো. রুবেল মিয়া, সাবেক ড্রাইভার শাহ আলম, আব্দুল মান্নান, মিজান, নুরু মিয়াসহ আরও কয়েকজন তার বাসায় ঢুকে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় হামলাকারীরা সাংবাদিক হোসেনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, আহত সোহেল মিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে হামলাকারীরা পুনরায় হুমকি দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    তিনি বলেন,

    > “আমি থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তারা আবারও ভয় দেখায় যে, অভিযোগ দিলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি এখন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

                                                                                                              মো. রুবেল মিয়া

    ভুক্তভোগী আরও দাবি করেছেন, তিনি ডিএসসিসির গাড়িচালক হিসেবে দীর্ঘদিন সৎভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিছু অসাধু কর্মচারীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    সোহেল মিয়া জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তপূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন,

    > “আমি চাই, যারা থানার ভেতরে গিয়ে সাংবাদিকের নামে ভয় দেখিয়ে হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

     

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রক্রিয়া চলছে

  • মেট্রোরেলে দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল

    মেট্রোরেলে দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল

    মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মেট্রোরেলে সার্বিক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ।

    এর আগে মেট্রোরেল ও সব ফ্লাইওভারের বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান নির্ণয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে মেট্টোরেল ও সব ফ্লাইওভারে ব্যবহার করা বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করতে একটি কমিটি গঠন করতে বলা হয়। এছাড়া মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে আরেকটি রিট করা হয়।

    রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে আবুল কালাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ২৬ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঈশরপাটি গ্রামে।

  • সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে থানার আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

    সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে থানার আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

    শরীয়তপুরের জাজিরা থানায় ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    সোমবার সন্ধ্যায় জাজিরা থানার এএসআই (নিরস্ত্র) আতাউর রহমান এ মামলা করেন।

    গ্রেপ্তাররা হলেন- ইমরান মাদবর ও নির্জন মাদবর।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন- স্বপ্নীল মাদবর, রিয়াদ মোল্যা, রিহাদ মোল্যা, বাধন মাদবর, রাহাত মাদবর। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আলমগীর হোসেন।

    মামলার বিবরণীতে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে অভিযুক্তরা সরকারি ব্যবহৃত অস্ত্র ও ওয়াকিটকি প্রদর্শন করে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে তারা জাজিরা থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে প্রবেশ করে একজন আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং কয়েকজনকে মারধর করে আহত করা হয়।

    পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

    এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শরীয়তপুরের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির বলেন, “বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, সেখানে গিয়ে দেখেছি- যারা পরিচয় দিয়েছে, তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা নয়।

    পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম জানান, সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দোষীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

  • শরীয়তপুর সদরের শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

    শরীয়তপুর সদরের শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

    জাতীয়তাবাদী যুবদল শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়ন শাখার নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোঃ ইলিয়াস মৃধা সভাপতি, মোঃ আরিফ মোল্লা সহ-সভাপতি এবং মোঃ আরমান খান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি রুহুল আমিন বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে উপজেলা যুবদলের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অধীনস্থ সাংগঠনিক ইউনিটগুলোকে ৪৫ দিনের মধ্যে তাদের নিজ নিজ ইউনিট কমিটি গঠন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি রুহুল আমিন বেপারী বলেন, “শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সেটি বিলুপ্ত করে নতুন ৩১ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবদল আরও গতিশীল ও সংগঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “যুবদল একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন, তাই যোগ্য ও কর্মঠ নেতাদের মাধ্যমেই তৃণমূলকে শক্তিশালী করা হবে।”

    স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়েছে, এ কমিটির মাধ্যমে শৌলপাড়া ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

     

  • সংবাদ করায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জিডির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সংবাদ করায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জিডির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত এম এ হকের সন্তান, সিলেট মহানগর বিএনপির সহসভাপতি রিয়াসাদ আজিম আদনানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ বাংলাদেশির ভুমি আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।

    সেই অভিযোগে সূত্র ধরে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমান হাতে নিয়ে রিপোর্ট করায় রানার টিভির রিপোর্টার নুরুল হক শিপুসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়রি দায়ের করেছেন আদনান। এই জিডির প্রতিবাদে বরিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরামের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির সাংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ নুরুজ্জামান হীরা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাসিমা আক্তার সোমা, পিবজার সহ-সভাপতি ড. দিপু সিদ্দিকী, বিপিজেএফের সাধারণ সম্পাদক রোমান আকন্দ, সহ-সভাপতি এফ রহমান রুপক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম রেজাউল করিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন, মানবাধিকার সম্পাদক জাকিয়া হোসেন, সহ-ধর্ম সম্পাদক এসএম জাহান ইমাম, সাংবাদিক রোজিনা আক্তার, মোস্তফা সরদার প্রমূখ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকেরা নিশ্চুপ থাকলে সমাজ অন্ধকার হয়ে যাবে। প্রকৃত সাংবাদিকদের কোনো বন্ধু নেই। সাংবাদিকদের প্রকৃত বন্ধু হচ্ছে জনগণ। আমরা কোনো দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি। সাংবাদিক নুরুল হক শিপু দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সঙ্গে সিলেটে সাংবাদিকতা করার পর সাড়ে ৩ বছর যাবৎ যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত অনলাইন রানার টিভির রিপোর্টার হিসেবে সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি সঠিক তথ্য উপাত্ত হাতে সে একটি জমি আত্মসাতের সংবাদ ও অভিযোগকারীদের ইন্টারভিউ সহ প্রচার করে। এতে ক্ষুদ্র হয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি রিয়াসাদ আজিম আদনান অভিযোগকারীসহ সাংবাদিক শিপুর বিরুদ্ধে সিলেট কোতায়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এখানে শিপুর কি অপরাধ। শিপুর সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ প্রচার করেছে। আমরা চাই, অবিলম্বে শিপুর বিরুদ্ধে দায়ের করা সাধারণ ডায়েরীর প্রত্যাহার।

    উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক নুরুল হক শিপু জানান, ব্রিটিশ বাংলাদেশি প্রয়াত দুদু মিয়া ও বিএনপির প্রয়াত নেতা এম.এ হক ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই সম্পর্কের কারণে দুজন জীবিত থাকতে এম. এ হক সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট উপকণ্ঠে ৬০ শতক জায়গা বিক্রি করেন দুদু মিয়ার কাছে। বিক্রিত জমি রেজিস্ট্রারি দলিলও করে দেয়া হয়। এরমধ্যে ৩০ শতক জায়গা এম.এ হক জীবিত থাকতে বুঝিয়েও দিয়েছেন। বাকি জায়গা দুদু মিয়া বুঝে নিতে এবং এম.এ হক বুঝিয়ে দেয়ার আগেই দুজনই মারা যান। ২০২৪ সালে দুদু মিয়ার বড় ছেলে হুমায়ুন কবির দেশে গিয়ে হকপুত্রঅ ভিযুক্ত সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি রিয়াসাদ আজিম আদনানের সাথে যোগাযোগ করে জায়গা বুঝিয়ে দিতে বলেন। এসময় আদনান জায়গা দিবেন না জানিয়ে প্রকাশ্যে হুমায়ুন কবিরকে হুমকি দেন। জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে হুমায়ুন কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়রি করে দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে ফিরেন। হুমায়ুন যুক্তরাজ্যে ফেরার পরই আদনান জায়গার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন এবং নিজেই জায়গায় অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ হুমায়ুনের।

    এঘটনায় হুমায়ুনের মা রাহেলা আক্তার চৌধুরী বাংলাদেশ হাইকমিশন যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ভূমি উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, ভূমি সচিব, আইজিপি, সিলেট জেলা প্রশাসক ও সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে ভূমি ফিরে পেতে আইনি সহযোগিতা চেয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এই সকল অভিযোগের তথ্য প্রমান নিয়ে প্রয়াত দুদু মিয়ার দুই ছেলে হুমায়ুন কবির ও নাসিম কবিরের ইন্টারভিউ রানার টিভিতে প্রকাশ করেন রানার টিভির রিপোর্টার নুরুল হক শিপু। রিপোর্ট প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ হয়ে তিনজনের নামোল্লেখ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়রি করেন অভিযুক্ত সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি রিয়াসাদ আজিম আদনান। তার করা সাধারণ ডায়রিতে অভিযুক্তরা হলেন, প্রয়াত দুদু মিয়ার ছেলে নাসিম কবির ও হুমায়ুন কবির। সাধারণ ডায়রিতে রিপোর্ট করার অভিযোগে রানার টিভির রিপোর্টার নুরুল হক শিপুকে ৩ নম্বর আসামি করেছেন আদনান।

  • বেনাপোল-পেট্রাপোলে সন্ধ্যা ৬টার পর আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

    বেনাপোল-পেট্রাপোলে সন্ধ্যা ৬টার পর আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

    কাগজপত্র বিহীন ও চোরাই পণ্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কোনো পূর্ব ঘোষণা বা প্রস্ততি ছাড়াই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করেছে বেনাপোল কাস্টমস।

     

    তাদের এমন সিদ্ধান্তে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দরে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের সীমান্ত জুড়ে পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়েছে। বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা।

    তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের বৈকঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে তবে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

    জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ আগস্ট দুই দেশের সিদ্ধান্তে বেনাপোল-পেট্রাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) ২৪ ঘণ্টা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের সব কাস্টমস হাউসকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বেনাপোলে তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

    ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, বন্দর ও কাস্টমস কার্যক্রমে সমন্বয়ের অভাবে প্রায়ই প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়। প্রতিদিন গড়ে ২০০-২৫০ কোটি টাকার আমদানি-রপ্তানি হয় এ বন্দর দিয়ে। সময়সীমা কমে যাওয়ায় বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

    বন্দর সূত্র জানায়, বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে প্রতিদদিন আটকে থাকছে দেড় হাজারেরও বেশি পণ্যবাহী ট্রাক। এসব ট্রাকে রয়েছে ফল, সবজি, মাছ, কসমেটিকস, রাসায়নিক কাঁচামালসহ দ্রæত পচনশীল পণ্য, যেগুলোর অনেক কিছুই নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। সূত্র আরো জানায়, আগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ ট্রাক পণ্য বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করলেও এ সিদ্ধান্তের পর তা কমে ১৮০-২০০টিতে নেমে এসেছে।

    আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির হিসাবে, প্রতিদিন প্রায় ১০০-১৫০ কোটি টাকার পণ্য খালাস আটকে থাকায় ব্যবসায়ীরা যেমন বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন, তেমনি সরকারও প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। তারা বলছেন দুর্নীতির মাধ্যমে কেউ অবৈধ মালামাল আমদানি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে সবার উপর দেষারুপ করে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করতে পারে না কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

    বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, পূর্ব ঘোষণা ছাড়া সন্ধ্যার পর বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করায় ব্যবসায়ীরা হতবাক। দুই পাশে শত শত ট্রাক আটকে আছে, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। এভাবে সিদ্ধান্ত চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা বিকল্প হিসেবে ভোমরা, হিলি বা সোনামসজিদমুখী হতে বাধ্য হবে, এতে সরকারের রাজস্বও কমে যাবে।

    ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশের এই একতরফা সিদ্ধান্তে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দুই দেশের বাণিজ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। পেট্রাপোল বন্দরে প্রতিদিন ট্রাক জটের মধ্যে পড়ছি। প্রতিদিন হাজারেরও বেশি ট্রাক পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে পেট্রাপোল বন্দরে। বিগত সময়ে রাত ১২ টা পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি চালু ছিল।

    বেনাপোলে বন্দর ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তা না করে একতরফাভাবে সময়সীমা কমানো হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী, কর্মচারী এবং সরকারও। আমরা কাস্টমস কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রতিদিন অন্তত ৪০০-৫০০ আমদানিমুখী ট্রাক প্রবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

    বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের সাথে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের একটি বৈঠক হয়েছিল। তারা প্রস্তাব করেছিল সন্ধ্যা ৬টার পর আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার। আমরা বলেছি বন্দর ব্যবহারকারী সবার সাথে কথা বলে বিষয়টি জানানো হবে।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, আমরা বন্দর পরিচালনা করি। তবে কাস্টমস অনুমোদন ছাড়া কোনো পণ্য ক্লিয়ার করা সম্ভব নয়। আকস্মিক এই সিদ্ধান্ত রাজস্ব এবং বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার খালিদ মো. আবু হোসেন এর মোবাইলে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এখানে যোগদানের পর থেকে তিনি সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলছেন না। কাস্টমস হাউজের কোন কর্মকর্তাকেও দায়িত্ব দেননি সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলার। এর আগে একজন সহকারী কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তা সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলতেন।

    তবে কাস্টমসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সমন্বয়ের কারণে সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রত সমাধান হতে পারে।

  • বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা শাখার অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা শাখার অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ সরকার রেজিস্ট্রেশনকৃত ‘বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব’ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪শে অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০ঘটিকায় ক্লাবের নিজস্ব কার্যালয় পশ্চিম দাশড়া ৪২/১, মানিকগঞ্জ পৌরসভায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল বাছিত ভূইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও আইন বিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটি।
    তিনি তাঁর বক্তব্যে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, নৈতিকতা ও পেশাগত দায়িত্বশীলতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়—এটি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষার অন্যতম চালিকা শক্তি।”

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মোঃ আজাহার হোসেন, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা।
    তিনি সংগঠনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নবীন, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক হারুন অর রশিদ, সভাপতি, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা।
    তিনি তাঁর বক্তব্যে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক এস এম শাহিন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ।

    বিশেষ বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মোঃ বজলুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা ।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক খন্দকার জিনাতুন্নিছা মৌসুমী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা।

    সভায় জেলা কমিটির সকল সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
    শেষে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।

  • একক প্রার্থীর আসনে ‘না’ ভোটের বিধান থাকবে : আসিফ নজরুল

    একক প্রার্থীর আসনে ‘না’ ভোটের বিধান থাকবে : আসিফ নজরুল

    আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, যে আসনে একজন প্রার্থী থাকবে, সেখানে ‘না’ ভোটের বিধান রাখা হয়েছে। ভোটাররা চাইলে একক প্রার্থীর বিপরীতে ‘না’ ভোট দিতে পারবেন। 

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরপিও আইন চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়।

    আসিফ নজরুল বলেন, আপনাদের ২০১৪ সনের ভুয়া ইলেকশনের স্মৃতি নিশ্চয়ই মনে আছে। ১৫৪ আসনে একজন করে প্রার্থী ছিল। সাজানো নির্বাচন ছিল। এ ধরনের নির্বাচন যেন না হয়, সেজন্য এখন একজন প্রার্থী থাকলে সেখানে যারা ভোটার আছে তারা না ভোট দিতে পারবে। প্রার্থী পছন্দ না হলে না ভোট দেবে। তখন সেখানে আবার নির্বাচন হবে। এ সময় তিনি বলেন, যদি নির্বাচনী জোট হয় তাহলে জোটের অংশ হওয়া দলকে তার নিজের প্রতীকে ইলেকশন করতে হবে। যাতে ভোটাররা ক্লিয়ার আইডিয়া পান যে প্রার্থী কোন দলের।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, যারা রাজনৈতিক দলকে টাকা পয়সা দেবেন, দান অনুদান বা চাঁদা যেভাবে হোক না কেন, ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি হলে এটা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দিতে হবে। যিনি দেবেন তার ট্যাক্স রিটার্নটাও জমা দিতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আগের আইনের বিধান ছিল যে কোনো একটা নির্বাচনী এলাকায় যদি কোনো ভোট কেন্দ্রে গণ্ডগোল হতো সে ভোট কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করার বিধান ছিল। এখন নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে একটা নির্বাচনী এলাকাতেই এত বেশি অনিয়ম হয়েছে যে পুরো নির্বাচনী এলাকার ভোট বাতিল করা উচিত, তাহলে ইলেকশন কমিশন সেটা করতে পারবে। সেই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

  • জাজিরায় এসিলেন্ড মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার: স্থানীয় কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অডিও ফাঁস

    জাজিরায় এসিলেন্ড মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার: স্থানীয় কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অডিও ফাঁস

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাজিরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি পলাশ খান, সাধারণ সম্পাদক শাওন বেপারী, সাংবাদিক বরকত মোল্লা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সদস্য সম্প্রতি এসিল্যান্ডের কাছ থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা দাবি করেন। কিন্তু কর্মকর্তা মেহেদী হাসান নীতিনিষ্ঠভাবে কোনো অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

    এর পরপরই ওই তথাকথিত সাংবাদিকরা তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। স্থানীয় কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও ফেসবুক পেজে মেহেদী হাসানের নামে নানা অপপ্রচার চালানো হয়, যা প্রশাসনিক মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    এ ঘটনায় ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে কথোপকথনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, কীভাবে কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ তৈরির কৌশল নিয়ে আলোচনা করছিলেন। রেকর্ডটিতে তাঁদের কণ্ঠে সরকারি কর্মকর্তাকে ‘চাপ দেওয়ার’ ইঙ্গিতও শোনা যায়, যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

    এছাড়াও জাজিরার স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করেন এ সকল তথাকথিত সাংবাদিকরা, জাজিরা টাইমস নামে একটি ফেসবুক পেইজ দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে নিউজ প্রচার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতে নেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

    জাজিরা উপজেলার সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তাকে হেয় করার এ ধরনের অপপ্রচার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হয়রানি করার এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।”

    তাঁরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন “আমি সবসময় জনগণের স্বার্থে এবং আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। কিছু অসাধু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আমি বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে অবহিত করেছি, এবং সত্য প্রকাশ পাবে।”

    জেলা প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অডিওসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয় সমাজে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নৈতিকতা, পেশাদার সাংবাদিকতা ও প্রশাসনিক সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার রোধে প্রশাসন ও মিডিয়া উভয়ের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে সচেতন মহল