Author: তরঙ্গ টিভি

  • নিহত কালামের সন্তানদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন বিএনপি নেতা

    নিহত কালামের সন্তানদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন বিএনপি নেতা

    রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে নিহত আবুল কালাম আজাদের দুই সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও শরীয়তপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরণ।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে নড়িয়ার মোক্তারেরচর ইউনিয়নের ঈশ্বরকাঠি গ্রামে নিহত আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন তিনি। এ সময় নিহতের দুই সন্তানের লেখাপড়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেন এবং পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, আমরা শুধু একটি সন্তান হারাইনি, আমার এলাকার এক কর্মক্ষম তরুণকেও হারিয়েছি। এই কষ্ট সরকার ভোগ করবে না, ভোগ করবে পরিবার ও আমাদের সমাজ। কোনো ক্ষতিপূরণ দিয়েই একজন কর্মক্ষম মানুষকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে পরিবারের কথা চিন্তা করে আমি ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। যদি পরিবার তা না পায়, আদালতের আশ্রয় নিতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাব ইনশাআল্লাহ।

    তিনি আরও বলেন, এটি কোনো ছোট দুর্ঘটনা নয়। এটি একটি বিশাল রাষ্ট্রীয় প্রকল্প মেট্রোরেল। এখানে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এটি কোনো ত্রিশ লাখ টাকার বাস দুর্ঘটনা নয় কিংবা রাস্তার পিচের সমস্যাও নয়। এটি অবহেলা ও নিম্নমানের কাজের ফল। সরকারকে এর জন্য দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

    নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, আমি পৃথিবীর ৮৮টি দেশে ঘুরেছি, কিন্তু কোথাও এমন ঘটনা দেখিনি- বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে যাবে। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তবে যারা কাজ করেছে তারা সঠিকভাবে নজরদারি করেনি এবং নিম্নমানের বিয়ারিং প্যাড ব্যবহার করেছে। সেখানে সেন্সর বসানো উচিত ছিল, যাতে যেকোনো সমস্যা মুহূর্তেই শনাক্ত করা যায় এবং অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা তত্ত্বাবধান করতে পারেন।

    তিনি আরও বলেন, আমি নড়িয়া-সখীপুর নির্বাচনী এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এসে দেখেছি বাচ্চাগুলো ছোট। তাই তাদের লেখাপড়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আমি নিয়েছি। পাশাপাশি বিএনপি আগামী নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে নিহত আজাদের স্ত্রীকে একটি কর্মসংস্থানও দেওয়া হবে।

    শফিকুর রহমান কিরণ জানান, জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকেও নিহতের পরিবারের জন্য একটি অনুদান অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে, যা সপ্তাহখানেকের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। এ সময় নিহত আবুল কালামের পরিবারের পাশে ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • বাউফলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    বাউফলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    পটুয়াখালীর বাউফলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি আল আমিন চকিদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে লালমোহন থানা রোডের জমজম হোটেল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গুরুতর আহত শিক্ষার্থী রেদায়েন ইসলাম (১৫) নুর আলম চৌকিদারের ছেলে এবং আব্দুর রশীদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় রেদায়েনের মা শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে গত ২৩ অক্টোবর চারজনের নাম উল্লেখ করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    র‍্যাব-৮ সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর রাশেদ আহসান এবং ভোলা র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার রিফাত অভির নেতৃত্বে যৌথ এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২২ অক্টোবর বিকেলে বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য বেল্লাল চৌকিদারের বাড়িতে শিশুদের খেলাধুলা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একই দিন রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আল আমিন চৌকিদারের নেতৃত্বে রেদায়েনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। তার অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রেফার্ড করা হয়।

    বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, মামলার rপরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনার পর থেকেই প্রধান আসামি আল আমিন চকিদারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। র‍্যাব–৮ এর সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • দুর্বল শাসন ব্যবস্থাই বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের কারণ: অজিত দোভাল

    দুর্বল শাসন ব্যবস্থাই বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের কারণ: অজিত দোভাল

    দুর্বল শাসন কাঠামোই বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল।

    তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র গঠনের মূল শক্তি নিহিত থাকে কার্যকর শাসনব্যবস্থায়, যা জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। শনিবার (১ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।শুক্রবার রাষ্ট্রীয় ঐক্য দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বক্তব্যে দোভাল বলেন, রাষ্ট্র গঠন ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু রাষ্ট্রকে তার লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করে না, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষাও পূরণ করে।

    দোভাল বলেন, “আজকের প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট রাখা। এখন সাধারণ মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা রাখে। তাই রাষ্ট্রেরও তার সন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রাখতে হয়।”

    তিনি বলেন, “একটি জাতির শক্তি নিহিত থাকে তার শাসন ব্যবস্থায়। সরকার যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাজ করে, তখন জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সেই ব্যক্তিরা, যারা এসব প্রতিষ্ঠান তৈরি ও লালন করেন।”

    দোভাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসন মডেলের প্রশংসা করে বলেন, “ভারত এখন এক নতুন কক্ষপথে প্রবেশ করছে— এক নতুন ধরনের শাসনব্যবস্থা, সমাজ কাঠামো এবং বৈশ্বিক অবস্থানে। বর্তমান সরকার প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনে যে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন এনেছে, তা গভীর প্রভাব ফেলছে। সামনে আরও পদক্ষেপ আসতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “যখন পরিবর্তন আসে, তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লক্ষ্য পরিষ্কার রাখা— ঝড়-ঝাপটার ভেতরেও যেন চোখ না বন্ধ হয়, ভয় বা বিভ্রান্তিতে যেন পথ হারানো না হয়।”

    ভালো শাসনের মূল উপাদান হিসেবে দোভাল নারীর সুরক্ষা, সমতা ও ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, “নারীর ক্ষমতায়ন আধুনিক শাসনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। শুধু ভালো আইন বা কাঠামো থাকলেই হবে না, এগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে জরুরি।”

    প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। দোভাল বলেন, “আমাদের এমন প্রযুক্তি কাজে লাগাতে হবে যা শাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসেবার দক্ষতা বাড়ায়। তবে একইসঙ্গে সাইবার হামলার মতো প্রযুক্তিনির্ভর হুমকি থেকেও সমাজকে রক্ষা করতে হবে।”

  • নাহিদ-আখতারসহ এনসিপির শীর্ষ নেতারা যেসব আসনে ভোট করছেন

    নাহিদ-আখতারসহ এনসিপির শীর্ষ নেতারা যেসব আসনে ভোট করছেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।তরুণদের নিয়ে গড়া এই দল পুরোদমে নির্বাচনি মাঠে কাজ করছে। দলটির শীর্ষ নেতারা ঢাকায় বেশ কয়েকটি আসনে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কেউ কেউ নিজ নিজ এলাকায় ভোটের অনানুষ্ঠানিক প্রচারে রয়েছেন।

    সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ অন্তত ১৭০টি আসনে দলীয় প্রার্থীর একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেছে এনসিপি। এসব আসন ধরে কাজ করছে তারা।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, এনসিপিকে নিজেদের নির্বাচনি জোটে পেতে চায় বিএনপি। তবে এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীও পিছিয়ে নেই। তারাও এনসিপিকে তাদের নির্বাচনি জোটে টানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য উভয় দল থেকে বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা পর্দার আড়ালে এনসিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিতে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে দলের শীর্ষপর্যায় থেকে তৃণমূলে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

     

    আরও পড়ুন

    বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েটদের বিপক্ষে এনসিপির শীর্ষ নেতারা কে কোন আসনে লড়ছেন

    বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েটদের বিপক্ষে এনসিপির শীর্ষ নেতারা কে কোন আসনে লড়ছেন

     

    এনসিপি এককভাবে নির্বাচন করলে দলের শীর্ষ নেতারা বেশ কিছু আসন ধরে কাজ করছেন।  দলটির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলের আহ্বায়ক ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে একদফার ঘোষক নাহিদ ইসলাম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ডা. তাসনিম জারা, আরিফুল ইসলাম আদিব, সামান্থা শারমিনসহ দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা এবং আশপাশের কয়েকটি আসন থেকে লড়বেন।

    এছাড়া দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর, সারজিস আলম পঞ্চগড়, হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এর বাইরে উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্রনেতা পদত্যাগ করে এনসিপিতে যোগ দিলে তাদের জন্য দলীয় পদ এবং সংসদীয় আসনের বিষয়টিও চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে।

    জানা গেছে, নাহিদ ইসলাম রাজধানীর সবুজবাগ-মতিঝিল ও ডেমরা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ অথবা ১১ আসন, দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং রাজনৈতিক লিয়াজোঁ কমিটির প্রধান আরিফুল ইসলাম আদিব মিরপুর এলাকার একটি আসন থেকে, মেধাবী চিকিৎসক ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ), রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন ও ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী রাসেল আহম্মেদ, ঢাকা-৭ থেকে আরিফ ও সোহেল, ঢাকা-৪ ও ৫ থেকে এসএম শাহরিয়ার ও নিজাম উদ্দিন, ঢাকা-১৭ থেকে আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, উত্তরা থেকে দলের মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১৯ থেকে যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, ঢাকা-২০ থেকে আসাদুল ইসলাম মুকুল, ঢাকা-৬ থেকে কেন্দ্রীয় সদস্য খান মো. মোরসালিন এবং ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন ও সিনিয়র যুগ্ম সচিব নাহিদা সারোয়ার নিভা।

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে বিএনপি মহাসচিব  যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন সমাধান করুন

    অন্তর্বর্তী সরকারকে বিএনপি মহাসচিব যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন সমাধান করুন

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে সংকট দেখা দিয়েছে, সেটির জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশনকে দায়ী করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই সংকট সমাধান করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
    বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের কাছে আহ্বান থাকবে- যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন সমস্যাগুলোর সমাধান করেন। যাতে সবাই একসঙ্গে নির্বাচনের দিকে এগোতে পারি এবং জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে পারি।
    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) গণসংহতি আন্দোলনের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
    মির্জা ফখরুল বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশন যে সংকট তৈরি করেছে আমি বিশ্বাস করি এই সংকট কেটে যাবে। এই দেশের মানুষ কখনও পরাজয় বরণ করেনি এবং করবেও না।
    তিনি বলেন, আমাদের সবসময় একটা কথা মনে রাখতে হবে, এই দেশ আমাদের এই মানুষ আমাদের। তাদের ঐক্যবদ্ধ করে সমস্ত চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। আমরা বিভিন্ন দল করতে পারি মত থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের বিষয়ে সবার আগে বাংলাদেশ।
    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অতীতেও ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকব, কিন্তু নিজেরা যে সমস্যা তৈরি করেছেন- তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
  • বীরগঞ্জে গলায় ফাঁসি গৃহবধুর মৃত্যু.

    বীরগঞ্জে গলায় ফাঁসি গৃহবধুর মৃত্যু.

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের নখাপাড়ার প্রমোদ চন্দ্র রায় মানিকের স্ত্রী পুজা রায় জুঁই (২০) বৃহস্পতিবার ৩০ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকায় তার নিজ বসত বাড়ির শয়ন ঘরে বাঁশের তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    প্রতিবেশী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় মাত্র ৫ মাস পুর্বে তাদের বিয়ে হয়েছে, কিন্তু কি কারনে আত্মহত্যা করল কেউ বলতে পারে না। তবে পরকিয়া ও যৌতুকের কারনে রহস্য জনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনেকের ধারনা।

    সকলের অজান্তে তার শোয়ার ঘরে ঢুকে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।

    সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধারসহ সুরতহাল রেকর্ড করে ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

    বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল গফুর ঘটনার সড্যতা নিশ্চিত করে বলেন এতদ্ব সংক্রান্ত থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে

  • মানিকগঞ্জ জেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দুর্নীতি,

    মানিকগঞ্জ জেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দুর্নীতি,

    মানিকগঞ্জ জেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ভেতর এবং কর্মকর্তা দুর্নীতির সাথে জড়িত।গত ১৩-৫-২৫ সালে আমার বন্ধু রাশেদ, তার বাবা জমির নকল দেখার জন্য যায়। সেখানে থাকা পিয়ন বলে স্যার নাই । ভেতর তাকিয়ে দেখে সত্য স্যার নাই, পিয়ন বলে কি নকল দেখবেন না উঠাবেন। দুটি করবো, নিয়ম অনুযায়ী প্রথম সাল ৩০০ তার পর ১০০ টাকা করে নিবে ঠিক আছে, বন্ধু যে সালে দলিল তার সব বিপণন দিলো,৫০০ টা দিয়ে বের হলো। পরে পিয়ন তাদের ফোন দিয়ে ১৫ দিন পর দলিল পাওয়া গেছে বলে আসতে বলে, পিয়ন বলে দুটি দলিল এখন নিতে গেলে ১০ হাজার টাকা ফ্রী লাগবে ( পিয়নের নাম দুলাল) বাড়ি চরমত্ত,পরে উপায় না পেয়ে ৭ হাজার টাকা দলিল উঠাতে হলো। শুধু আমার বন্ধু নয়,মানিকগঞ্জ সিংগায়র উপজেলার চান্দু মিয়ার এমন ভুক্তভোগী শিকার হয়। তেমন এক ভুক্তভোগী শিকার হয়ে চিঠি লেখন, তারিখ: ১৪/১০/২০২৫
    বরাবর, প্রতিনিধি, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, মানিকগঞ্জ জেলা।
    বিষয়: মানিকগঞ্জ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের লাগামহীন অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রকট সিন্ডিকেট এবং সাধারণ জনগণের চরম ভোগান্তি প্রসঙ্গে অভিযোগ।
    মহোদয়,সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি মানিকগঞ্জ সদর এলাকার একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বসবাস করছি গত কিছু দিন ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সেবাপ্রার্থী হিসেবে ঘুরে চরম ভোগান্তির শিকার হই। আপনাদের মাধ্যমে এই অভিযোগটি জনসম্মুখে তুলে ধরতে চাই।
    দীর্ঘদিন ধরে মানিকগঞ্জ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রেশন ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার কাজে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেট সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী, কিছু দলিল লেখক এবং কতিপয় বহিরাগত দালাল চক্রের সমন্বয়ে গঠিত। এদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ জনগণ প্রতিদিন চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
    বিশেষভাবে যেসকল অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতীয়মান:
    ১. ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়: নিয়ম অনুযায়ী ফি প্রদান করার পরেও প্রতিটি ধাপে, বিশেষত দলিল পরীক্ষণ, নকল উত্তোলন, তল্লাশি এবং রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে প্রকাশ্যে ও গোপনে অতিরিক্ত অর্থ বা ঘুষ দাবি করা হয়। এই ‘অতিরিক্ত ফি’ না দিলে ফাইল আটকে রাখা হয় বা অপ্রয়োজনীয় ত্রুটি দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয়।
    ২. সিন্ডিকেটের প্রাধান্য: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ভিতরে ও বাইরে একটি প্রকট দালাল ও সিন্ডিকেট সক্রিয়। সাধারণ মানুষ সরাসরি নিয়ম মেনে কাজ করতে চাইলে তাদের নানাভাবে নিরুৎসাহিত করা হয় বা কাজ অসম্ভব করে তোলা হয়। অন্যদিকে, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গেলে সব কাজ দ্রুত হলেও অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। সিন্ডিকেটের বাইরে কোনো কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    ৩. সেবাপ্রার্থীদের প্রতি বৈষম্য: যারা ঘুষ দিতে বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ করাতে রাজি হন না, তাদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করা হয় এবং তাদের কাজগুলো মাসের পর মাস ফেলে রাখা হয়। এতে সাধারণ মানুষ চরম আর্থিক ক্ষতি এবং মানসিক কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছেন।
    ৪. সময়ক্ষেপণ ও হয়রানি: সামান্য একটি কাজের জন্যও মাসের পর মাস ঘোরানো হয় এবং নানা অজুহাতে দিনের পর দিন সময়ক্ষেপণ করা হয়। এতে ভূমি সংক্রান্ত জরুরি কাজগুলোও সঠিক সময়ে সম্পন্ন করা যাচ্ছে না।
    এমতাবস্থায়, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যম হিসেবে ইনডিপেনডেন্ট টিভির অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি বিনীত অনুরোধ করছি, আপনি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক এই অফিসের অনিয়ম, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে একটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন। আপনার মাধ্যমে সংবাদটি প্রচারিত হলে সাধারণ জনগণ এই হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
    অতএব, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার একান্ত মর্জি হয়।
    নিবেদক,
    সাধারন জনগন (ভুক্তভোগী

  • মানিকগঞ্জ শিবালয় মা ও মেয়ে হত্যা,,আসামির চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    মানিকগঞ্জ শিবালয় মা ও মেয়ে হত্যা,,আসামির চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পরকীয়ার বলি হলেন মা ও মেয়ে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সুজন (২৭) নামে এক যুবক।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে।
    নিহতরা হলেন শিবালয়ের জাফরগঞ্জ ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল রাজ্জাক শেখের স্ত্রী স্মৃতি বেগম (৩০) এবং তাদের তিন বছরের শিশু কন্যা মরিয়ম।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে বিদেশফেরত সুজনের সঙ্গে স্মৃতি বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সুজনের অন্যত্র বিয়ে ঠিক হলে, স্মৃতির সঙ্গে তার বিরোধ দেখা দেয়।

    গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে সুজন স্মৃতিকে ফোনে ডেকে নিয়ে স্থানীয় একটি পেয়ারা বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সে স্মৃতিকে গলা টিপে হত্যা করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছোট মেয়ে মরিয়ম বিষয়টি দেখে ফেললে তাকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে।

    পরে মরিয়মের গলায় দড়ি বেঁধে যমুনা নদীতে ফেলে দেয়, আর স্মৃতির মরদেহ বস্তায় ভরে নদীতে নিক্ষেপ করে সুজন।

    পরদিন শুক্রবার সকালে যমুনা নদীর তীরে শিশু মরিয়মের লাশ ভেসে ওঠে, তবে এখনো স্মৃতির দেহ উদ্ধার করা যায়নি।

    নিহত স্মৃতির স্বামী আব্দুল রাজ্জাক শেখ জানান, ঘটনার রাতে তিনি মাছ ধরতে নদীতে ছিলেন। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে মেয়ের মরদেহের খবর পান। স্ত্রী স্মৃতির কোনো সন্ধান পাননি এখনও। তিনি ঘাতক সুজনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।

    শিবালয় থানার ওসি মো. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “২৪ অক্টোবর সকালে স্থানীয়রা যমুনা নদীতে শিশুর লাশ ভাসতে দেখে খবর দেয়। তদন্তে নামলে ভিক্টিমের মোবাইলের কল রেকর্ড ধরে মূলহোতা সুজনকে শনাক্ত করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়েছে, তবে স্মৃতির লাশ এখনও উদ্ধার সম্ভব হয়নি।”

    পরকীয়ার আগুন পুরো সমাজের নৈতিক বন্ধনকে ধ্বংস করে দেয়। সাময়িক আবেগের মোহে পড়ে এমন ভয়াবহ অপরাধ সমাজে দিন দিন বাড়ছে- যা খুবই উদ্বেগজনক।

    এ থেকে দূরে থাকতে হলে আত্মসংযম ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলাই একমাত্র পথ। পাপের পথে এক পা বাড়ানো মানেই নিজের জীবন, পরিবার ও মর্যাদাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া

  • এখনো গ্রেফতার হয় নি ক্রিয়া সম্পাদক আপেল মিয়া।

    এখনো গ্রেফতার হয় নি ক্রিয়া সম্পাদক আপেল মিয়া।

    মানিকগঞ্জ জেলার অনেক নেতা কর্মী ৪ আগষ্টের পর গ্রেফতার হয়ে এবং কেউ সেচ্ছায় আতস্মাপন করে, তার মাঝে আওয়ামী লীগের সভাপতি মো এডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, মানিকগঞ্জ ১ ও ২ আসেন সংসদ সদস্য নাইমুর রহমান দুর্জয় ও মমতাজ বেগম সহ অনেক নেতা কর্মী গ্রেফতার হয়ে আজ জামিনে আছে। কিন্তু মানিকগঞ্জ জেলার সাবেক ক্রিয়া সম্পাদক ও মানিকগঞ্জ জেলা ডায়বেটিস সমিতির সভাপতি মো অ খ ম সুলতানা আপেল মিয়া কে এখন ধরতে বা সে নিজেও আতসম্মাপন করেনি। বড় তিনি মানিকগঞ্জ নবীন সিনেমার বউকে নিয়ে উধাও হয়ে আছে শুধু তাই নয় নবী সিনেমার মালিক নবীনকে হত্যার মামলা দেও আছে। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার ক্রিয়া সম্পাদক থাকার সময় জেলা এষ্টিডিয়াম ( বিজয় মেলার) মাঠের এবং বাহিরে কাজে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়,তার মোট সম্পত্তি প্রায় ২০০ কোটি টাকার উপরে, এছাড়াও মানিকগঞ্জ জেলা ডায়বেটিস সমিতি অভিভাবক হওয়ার পর অনেক চাকরি আশায় হাতিয়ে নেয় কোটি টাকা, কিন্তু আজ এক বছর প্রায় পাঁচ মাস হবে এখন আপেল মিয়া ধরা পরে নি, তাহলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ব্যার্থ নাকি সমন্বয় তার ব্যার্থ তাদের। যে নাকি কোটি টাকা ও দুটি মালার আসামি তাকে ধরছে না। বিএনপি কিছু নেতা কর্মী কাছে শোনা যায় যে সে বিএনপি হাত ধরে বিদেশ চলে গেছে,এটা আসলে কতটুকু সত্যতা পাবে তা নির্ভর করে প্রশাসনের উপর।কারন তাকে ধরলে আসলে সত্য বের হবে

  • দুমকি উপজেলায়, বএিশ লাখ টাকার সেতুতে উঠতে হয় বাঁশ-কাঠের মই বেয়ে।

    দুমকি উপজেলায়, বএিশ লাখ টাকার সেতুতে উঠতে হয় বাঁশ-কাঠের মই বেয়ে।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আসুরিয়ার সোতা খালের ওপর ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বক্স কালভার্ট সেতুটি দুই বছরেও জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী হয়নি। সেতুর দুপাশে অ্যাপ্রোচ রোড না থাকায় এলাকাবাসী এখনো ঝুঁকি নিয়ে বাঁশ ও কাঠের মই বেয়ে পারাপার করছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এ সেতুটি নির্মাণ করে প্রায় দুই বছর আগে। কিন্তু সেতুর দু’প্রান্তে মাটি ভরাট ও সংযোগ সড়ক না করায় এটি এখন অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল ও মাদরাসাগামী শিশু-কিশোরদের জন্য এটি হয়ে উঠেছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ।

    এলাকাবাসীর দাবি-দ্রুত সেতুর দুই প্রান্তে অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী হাওলাদার বলেন, ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু বানানো হলেও আমরা এখনো সুফল পাচ্ছি না। সেতুর দুই পাশে সংযোগ না থাকায় বাঁশ আর কাঠের মই বসিয়ে পারাপার হচ্ছি। একই কথা জানান স্থানীয় নারী আকলিমা বেগমও। তিনি বলেন, বৃষ্টি হলে মই পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, তখন বাচ্চাদের নিয়ে পার হওয়া দুঃসাধ্য হয়ে যায়।
    এ বিষয়ে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী মৃধা বলেন, বিষয়টি এলজিইডি কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জানিয়েছি। চলতি শুকনো মৌসুমেই অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করা হবে।
    ঠিকাদার মো. ইমরান হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুম থাকায় মাটির সংকটে অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। আসছে শুকনো মৌসুমেই কাজ শুরু করা হবে।দুমকি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সেতুর কাজ শেষ হলেও বর্ষা মৌসুম থাকায় অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ করা সম্ভব হয়নি। ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে, চলতি শুকনো মৌসুমেই কাজ শুরু করা হবে।