Author: তরঙ্গ টিভি

  • শাহজালালের কার্গো ভিলেজের আগুন ৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    শাহজালালের কার্গো ভিলেজের আগুন ৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে লাগা আগুন ৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান আগুন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তদন্ত শেষ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

    এর আগে এদিন দুপুর ২টা ৩৪ মিনিটে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের প্রথমে নয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে আরও ইউনিট যোগ হয়ে মোট ৩৭টি ইউনিটের ৭ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তাহলা বিন জসিম বলেন, বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট কাজ করেছে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। আগুনে কেউ হতাহত হয়েছে এমন সংবাদও আমাদের কাছে আসেনি।

    ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুটি ফায়ার ইউনিট, নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। এছাড়া উদ্ধার সহায়তায় যোগ দিয়েছে বিজিবির ২ প্লাটুন সদস্য।

  • শাহজালাল বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ তারেক রহমানের

    শাহজালাল বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ তারেক রহমানের

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) তিনি তার এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করেছেন।

    তারেক রহমান লিখেছেন, ‘ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি আমার প্রার্থনা রইল, এবং আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, সবাই নিরাপদে আছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য উদ্ধারকর্মীদের সাহসিকতা প্রশংসনীয়। তারা দ্রুত ও নিষ্ঠার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন, যা জনসেবার প্রতি তাদের অঙ্গীকারের উজ্জ্বল প্রমাণ।

    সাম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘনঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতের জন্য জন-নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সম্প্রতি চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (সিইপিজেড) এবং মিরপুরের গার্মেন্টস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলোও এ বিষয়ে সতর্ক সংকেত বহন করছে বলে উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

  • নির্বাচন কীভাবে করবেন তা নিয়ে নিজেরা বসুন, রাজনৈতিক নেতাদের ড. ইউনূস

    নির্বাচন কীভাবে করবেন তা নিয়ে নিজেরা বসুন, রাজনৈতিক নেতাদের ড. ইউনূস

    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আজ ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা যেরকম সনদ করলাম, তেমনি রাজনীতির ব্যাপারে, নির্বাচনের ব্যাপারে আপনারা রাজনৈতিক নেতারা বসে একটা সনদ করুন- কীভাবে নির্বাচন করবেন। যেমন-তেমন করে নির্বাচন করলে তো আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে যাওয়া। এতকিছু করে লাভটা কী হলো তাহলে? এই কথা লিখে আমার লাভ কী হলো? কথা লিখলাম, কথা মানলাম না, কাজের মধ্যে গিয়ে মানলাম না। কাজেই আমার অনুরোধ, আপনারা আবার ঐকমত্য কমিশন বলেন, কমিটি বলেন, নিজেরা বসুন- নির্বাচনটা কীভাবে সুন্দরভাবে করবেন, উৎসবমুখর করবেন, ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবেন।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই জাতীয় সনদ সাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই সুর, যে সুর আজকে আমরা এখানে বাজালাম, সেই সুর নিয়ে আমরা নির্বাচনের দিকে যাব। ঐক্যের সুর। ঐক্যের সুর দিয়ে আমরা নির্বাচনের দিকে যাব। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে এবং এই ঐক্য যেন বজায় থাকে।

    ড. ইউনূস বলেন, এই সনদের মাধ্যমে আমরা আরেকটা বড় কাজ করলাম। আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় এলাম। আমরা এক বর্বর জগতে ছিলাম, যেখানে আইন-কানুন ছিল না। মানুষের যা ইচ্ছা তা করতে পারত। এখন আমরা সভ্যতায় এলাম এবং এমন সভ্যতা আমরা গড়ে তুলব, মানুষ বিস্ময় চোখে আমাদেরকে দেখবে। কাজেই সেটা এখন আমাদের পরবর্তী জীবন- এই সনদ-পরবর্তী জীবন আমরা কীভাবে গঠন করব, তার উপর নির্ভর করবে। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমরা আমাদের যে সম্পদ আছে, যেটা আমরা ব্যবহার করতে পারিনি। আমি বারে বারে যেটার কথা উল্লেখ করি- এটা হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর আমাদেরই অঞ্চল, আমাদেরই বাংলাদেশের অংশ। কোনোদিন আমরা খেয়াল করে দেখি নাই এই অংশে আমরা কী করি। এই অংশ অত্যন্ত সম্পদশালী অংশ। আমরা বলছি যে এটা আমরা পূর্ণ ব্যবহার করতে চাই, সম্পদকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমরা আর তর্ক-বিতর্কের মধ্যে থাকতে চাই না। সেজন্যই আজকে সনদ হলো। এই সনদ তর্ক-বিতর্কের অবসান করবে। আমরা নিয়মমতো চলে যাবো। আমরা এখন নিয়ম মাফিক চলার জন্য তৈরি হয়েছি।

    তিনি বলেন, আমি বারবার বলছি যে, আমরা যদি সমুদ্র বন্দর করে দিই, তাহলে সারা দুনিয়ার জাহাজ আমাদের বন্দরে ভিড়তে বাধ্য হবে। আমাদের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে চলে যেতে হবে না। অন্য দেশের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে যেতে হবে না। আমার দুয়ার পর্যন্ত নিয়ে আসতে পারবে এবং অন্যান্য দেশের যারা সুযোগ দিতে পারবে না, তাদের পণ্য এখানে দেওয়া যাবে। আমাদের এখান থেকে তারা নিয়ে যাবে। কাজেই এটা একটা বিরাট সুযোগ।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিকল্পনায় যদি আমরা মাতারবাড়ি, কক্সবাজার, মহেশখালী সবকিছু মিলিয়ে একযোগে বন্দর উন্নত করি, তাহলে পুরো এলাকা নতুন সিঙ্গাপুরে পরিণত হবে। এটা নির্ঘাত। এটার থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবে না। সব দেশের মানুষ এখানে আসবে। আমরা আমাদের অর্থনীতির অংশ হিসেবে আঞ্চলিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারি। আমরা নেপালে, ভুটানে, সেভেন সিস্টারসে- তাদের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি শুধু এই বন্দরের কারণে, এই যোগাযোগের কারণে। তারাও সমৃদ্ধ হবে, আমরাও সমৃদ্ধ হবো। কাজেই এই সুযোগগুলো আছে, যদি আমরা পথমত ঠিকমতো চলতে পারি।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিবৃতি নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিবৃতি নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজসহ অন্যান্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার তা গভীরভাবে অবগত। আমরা সব নাগরিককে আশ্বস্ত করতে চাই—নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

    আরো বলা হয়, নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উসকানির মাধ্যমে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

    ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—যদি এসব অগ্নিকাণ্ড নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয়, এবং এর উদ্দেশ্য হয় জনমনে আতঙ্ক বা বিভাজন সৃষ্টি করা, তবে তারা সফল হবে কেবল তখনই, যখন আমরা ভয়কে আমাদের বিবেচনা ও দৃঢ়তার ওপর প্রাধান্য দিতে দেব’, বলা হয় বিবৃতিতে।

    বাংলাদেশ অতীতেও বহু কঠিন সময় অতিক্রম করেছে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা ঐক্য, সংযম ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যেকোনো হুমকির মোকাবিলা করব। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

  • গাইবান্ধায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি-নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক ভাঙচুর

    গাইবান্ধায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি-নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক ভাঙচুর

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ক্লিনিকে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোররাত ৪টার দিকে পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী এলাকায় মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে এ ঘটনা ঘটে। ক্লিনিকটির মালিক পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগম।

    মৃত প্রসূতির নাম পারভীন আক্তার পারুল বেগম (২৫)। তিনি পৌর শহরের জামালপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে এবং মহদীপুর ইউনিয়নের বিশ্রামগাছী গ্রামের শামীম মিয়ার স্ত্রী। দুই সন্তানের জননী পারুল তৃতীয়বারের মতো সিজার করাতে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভর্তি হয়েছিলেন ওই ক্লিনিকে।

    মৃতের পারিবারের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ‘মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে পারুলের সিজার হয়। রাত ৪টার দিকে পারুল ও তার নবজাতক দুজনেই মারা যায়। এ সময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করে মরদেহ রংপুরে রেফার্ড করার চেষ্টা করলে স্বজনরা বিষয়টি বুঝে ফেলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ভাঙচুর চালান। বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মরদেহ পারুলের স্বামীর বাড়ি বিশ্রামগাছী গ্রামে নেওয়া হয়।

    নিহত পারভিন বেগমের স্বামী শামীম মিয়া বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। এর আগে পারুলের দুটি সিজার ঠিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু এবার ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার স্ত্রী ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। পরে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্স ফাতেমা বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্লিনিকটি স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানাই।

    গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এর আগেও এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই ক্লিনিক কিছুদিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও এমন একটি ঘটনা ঘটল। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কোনো প্রকার গাফিলতির প্রমাণ পেলে লাইসেন্স বাতিলসহ অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঘটনার বিষয়ে জানতে ক্লিনিকটির মালিক পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগমের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনার পর থেকে ক্লিনিকটি বন্ধ থাকায় দায়িত্বরত চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্ট ঢাকা পোস্টকে বলেন, “মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। ক্লিনিকে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”

  • কলেজের প্রশাসনিক ভবনের কক্ষে সংসার পেতেছেন অধ্যক্ষ

    কলেজের প্রশাসনিক ভবনের কক্ষে সংসার পেতেছেন অধ্যক্ষ

    কলেজের প্রশাসনিক ভবনের দোতলার একটি কক্ষের পর্দা সরালেই মনে হবে এটি যেন কোনো বসতবাড়ি। আসলে কক্ষটি সরকারি কলেজের প্রশাসনিক কাজের কক্ষ। সরকারি নির্দেশনা ও প্রশাসনিক নীতিমালা উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ ওই কক্ষকে নিজের বাসস্থানে পরিণত করেছেন।

    কলেজের একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী জানান, অধ্যক্ষ দীর্ঘদিন ধরে কলেজের প্রশাসনিক ভবনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অবস্থান করছেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের চিলমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজে। অধ্যক্ষকের নাম প্রফেসর ড. মো. মজিবল হায়দার চৌধুরী। তিনি চলতি বছরের এপ্রিল মাস হতে প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে রাত্রীযাপন করে আসছেন। এতে পরীক্ষার সময় ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে দায়িত্বে থাকা বাকি শিক্ষকদের।

    অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি সপ্তাহের বুধবার রাতে তার নিজ বাড়িতে চলে যান এবং আসেন রোববার সকালে। প্রতি বৃহস্পতিবার তিনি ছুটিতে থাকেন। এছাড়া তিনি একাদশ শ্রেণির দুটি কক্ষের দেয়াল ভেঙে বড় করছেন।

    তবে, সব অভিযোগ মিথ্যা জানিয়ে তিনি বলেন, কলেজের স্বার্থেই আমি একটি রুমে অবস্থান করছি।

    কলেজটিতে গিয়ে দেখা গেছে, প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বিছানা ও আসবাবপত্র রয়েছে। কক্ষে টানানো দড়িতে কাপড় ঝুলছে। টেবিলের ওপর প্লেট, জগ, ফ্যান। প্রথম দিকে কিছু দিন তিনি ওই খানে রান্না করেও খেতেন বলে জানা গেছে। তবে বর্তমানে এক কর্মচারীর বাড়ি হতে নিয়মিত খাবার আসায় রান্না করেন না। কলেজের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষের তালা খুলে দেখা যায় দেয়াল ভাঙা।

    শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রভাষক এ কে এম গোলাম ফারুক বলেন, কলেজ কক্ষের দেয়াল ভাঙার বিষয়ে আমি অবগত নই। আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রেজুলেশন লেখানো হয়েছে। অধ্যক্ষ স্যার আমাকে হুমকি দিয়েছেন, আপনার অবসরের কাগজপত্র কিন্ত আমাকেই স্বাক্ষর করতে হবে।

    শিক্ষক পরিষদের কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, দেয়ালগুলো ভেঙে যে রুমগুলো বড় করা হয়েছে, এতে একাডেমি কাউন্সিলের অনুমতি দরকার। কিন্তু সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি। উপস্থিতির স্বাক্ষরে রেজুলেশন লিখে দেখানো হয়েছে। আসলে দেয়াল ভাঙার বিষয়ে আমাদের কোনো মিটিংও হয়নি।

    প্রভাষক এটিএম আতিকুর রহমান বলেন, কলেজে রাত্রিযাপন করার কোনো আইন নেই। তাছাড়া সরকার প্রতিমাসে বাড়ি ভাড়া দেয়। অধ্যক্ষ স্যার যে রুমে অবস্থান করছেন সেটি পরীক্ষার সময় কন্ট্রোল রুম হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তিনি রুমে অবস্থান করায় পরীক্ষার সময় আমাদের নানান জটিলতায় পরতে হচ্ছে।

    কলেজের নৈশপ্রহরী লাল মিয়া বলেন, স্যার ওপরে একটা রুমে থাকেন। তিনি বুধবার রাতে বাড়িতে যান, আর রোববার সকালে যথাসময়ে এসে কলেজ করেন। আগে তো রুমেই রান্না করে খেতেন। এখন আমি আমার বাড়ি থেকে খাবার দিয়ে আসি।

    তবে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. মজিবল হায়দার চৌধুরী এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে বেশি কথা বলতে রাজি হয়নি। শুধু জানিয়েছেন, কলেজের স্বার্থে তিনি একটি কক্ষে অনেক কষ্ট করে থাকেন। বাকি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। ছুটির দরখাস্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে শুধু ডিজি স্যার প্রশ্ন করার অধিকার রাখেন।

  • পাবনায় চরমপন্থি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    পাবনায় চরমপন্থি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    পাবনার ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আব্দুল মতিন (৪৬) নামে এক চরমপন্থি নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মঙ্গলগ্রাম বাজারে মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। 

    ফরিদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত আব্দুল মতিন (৪৬) পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার শ্রীকোল বটতলা এলাকার আজিমুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি চরমপন্থি গ্রুপ নকশালের নেতা ছিলেন বলে জানা গেছে।

    ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম জানান, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চরমপন্থি নকশালের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তারই জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুল মতিনকে মঙ্গলগ্রাম বাজারে মাদরাসার সামনে গুলি করে ও কুপিয়ে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। গুরুতর আহত অবস্থায় মতিনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার পরে মারা যান মতিন।

    ওসি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কারা তাকে হত্যা করেছে সে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করেছে।

  • রূপগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    রূপগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    ‎ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি দখল ও চাঁদা দাবি, হামলা-হুমকির ঘটনায় পাঁচ জনের  বিরুদ্ধে আদালতে মামলা  দায়ের করা হয়েছে ।

     

    তারাব পৌরসভার কান্দাপাড়া এলাকার মতিউর রহমান ভুইয়ার ছেলে রোবেল ভুইয়া বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ আমলী আদালতের বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ৪৭৭/২০২৫ নং সি.আর মামলা দায়ের করেন। মামলার  আসামিরা হলেন,  মাহাবুব খান (৬৫), কে.এম সিয়াম খান (৩৫), আফজাল কবির, হাসান ইমাম বাবুল ওরফে হাজী বাবুল ও আরিফসহ অজ্ঞাত আরো ৪-৫ জন।


    ‎ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদী রূপগঞ্জের মাসাব মৌজার আর.এস দাগ নং ৪৩৮ এর ১৯ শতাংশ জমি শংকর চন্দ্র বিশ্বাসের কাছ থেকে ২০২৩ সালের ২১ মে রেজিস্ট্রিকৃত বায়নাপত্র দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। জমিটি তিনি তার অংশীদার শাহ আলম ভুইয়া, খোকন ভুইয়া, বাদল চন্দ্র মণ্ডল ও মিঠুন চন্দ্র বিশ্বাসের সঙ্গে যৌথভাবে ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপন করে তারা দখল ভোগ করছিলেন।

    ‎কিন্তু ১নং আসামি মাহাবুব খান ও তার ছেলে কে.এম সিয়াম খানসহ অন্যরা অবৈধভাবে উক্ত জমির দাবি তোলে এবং জমির সাইনবোর্ড তুলে ফেলার চেষ্টা চালায়। বাদীর অভিযোগ, গত ৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে রাত ৯টার দিকে আসামিরা দা, ছুরি, চাকুসহ সশস্ত্র অবস্থায় জমিতে প্রবেশ করে দুটি সাইনবোর্ড তুলে নেয়, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা। বাধা দিতে গেলে তারা বাদীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

    ‎পরবর্তী সময়ে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বিকেল ৫টার দিকে আসামি আফজাল কবির ও মাহাবুব খান বাদীর কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বাদী জানায়, রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মোক্তার হোসেন বিষয়টি তদন্তের জন্য বাদী ও আসামীদের থানায় ডেকে পাঠান। কিন্তু থানার ভেতরেও আসামিরা পুলিশের উপস্থিতিতে বাদীর কাছে পুনরায় চাঁদা দাবি করে এবং জীবননাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

    ‎মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জে তদন্তাধীন রয়েছে।

  • বেনাপোল স্থলবন্দরের আনসারের দুইপ্লাটুন কমান্ডার প্রত্যাহার ও সিকিউরিটি গার্ড কর্মকর্তা বরখাস্ত: ম্যাজিস্ট্রট নিয়োগ

    বেনাপোল স্থলবন্দরের আনসারের দুইপ্লাটুন কমান্ডার প্রত্যাহার ও সিকিউরিটি গার্ড কর্মকর্তা বরখাস্ত: ম্যাজিস্ট্রট নিয়োগ

    দেশের সর্ব বৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে অবৈধভাবে পণ্যচালান পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রী অসিত কুমার এবং ইয়ামিন কবির নামে দুইজন আনসারের প্লাটুন কমান্ডার প্রত্যাহার ও বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ডের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদারকে বরখাস্ত করেছে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপ-সচিব) শামীম হোসেন রেজা।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে আনসারের দুইজন প্লাটুন কমান্ডার প্রত্যাহার এবং বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ডের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে ১৬ অক্টোবর বেনাপোল স্থলবন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্হায়ী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে দুইজন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ
    ম্যাজিস্ট্রট নিয়োগ দিয়েছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজহারুল ইসলাম।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরভেড় বাইপাস সড়কের ট্রাক টার্মিনালের সামনে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ঢাকা মেট্রো ট-২২-৭৫৬৬ নম্বরের একটি বাংলাদেশি ট্রাক থেকে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ পণ্যচালান আটক করে। এ ঘটনার পর ২৩ সেপ্টেম্বর বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

    তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসে, ওই দিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের ৯, ১০, ১১ এবং ছোট আচড়া মোড়ে গেটে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা অবৈধ পণ্য পাচারের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এরা হলেন নাজমুল হক, কৃষ্ণ কুমার দাস, ,শ্রী আনন্দ কুমার দাস ও মোঃ রাসেল শেখ।

    এছাড়া ও বন্দরের আনসার ক্যাম্পের দুইজন প্লাটুন কমান্ডার শ্রী অসিত কুমার বিশ্বাস এবং ইয়ামিন কবীর একই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় থেকে উল্লিখিত আনসার সদস্যদের বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে প্রত্যাহার ও তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ও ১৫ অক্টোবর থেকে তাদের বায়োমেট্রিক হাজিরা স্থগিত করা হয়েছে।

    অপরদিকে, বেনাপোল স্থলবন্দরের বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা আল আরাফাত সার্ভিসেস লিমিটেড এর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদারের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত অনিয়ম সংক্রান্ত প্রতিবেদনের সত্যতা মেলায় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে তাকে বরখাস্ত করেছেন।

    বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপ-সচিব) শামীম হোসেন রেজা বন্দরের জানান, যাতে সংশ্লিষ্ট কেউ আর বন্দরের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আনসার সদস্যদের প্রত্যাহার ও বন্দরের বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা আল আরাফাত সার্ভিসেস লিমিটেড এর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদারকে অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্দর এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নজরদারি জোরদার করা হবে।

    এদিকে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় কতৃক বেনাপোল স্থলবন্দরের ব্যবস্হাপনা সংক্রান্ত গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কতৃপক্ষ বেনাপোল স্থলবন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্হায়ী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে যশোরের শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজহারুল ইসলাম।
    ১৬ অক্টোবর থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • বীরগঞ্জে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বানে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালি

    বীরগঞ্জে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বানে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালি

    দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনগণকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বানে জাকের পার্টির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়নে সাংগঠনিক জনসভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    বৃহস্পতিবার বিকেলে জাকের পার্টি সাহিত্য ও সাংস্কৃতি ফ্রন্ট এর দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার ঝাড়বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় জাকের পার্টি সাহিত্য সাংস্কৃতি ফ্রন্ট এর কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলার সভাপতি আব্দুল হামিদ মাষ্টারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাকের পার্টির দিনাজপুর জেলার সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাকের পার্টি মৃত্তিকা ফ্রন্ট এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মাল, জাকের পার্টির জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি মতিউর রহমান, সহ সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, কৃষক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও জেলার সভাপতি আফজাল হোসেন, জেলা যুব সেচ্ছাসেবক ফ্রন্টের সভাপতি সাহেব জামান বাবু, মৃত্তিকা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সদস্য রঘুনাথ চন্দ্র রায়, মহিলা ফ্রন্টের জেলার সভাপতি আনোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক শিউলি খাতুন, জাকের পার্টির বিরল উপজেলার সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জাকের পার্টির বীরগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র ফ্রন্টের জেলার সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম।

    এসময় জাকের পার্টি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জনসভা শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে শেষ হয়। পরে দেশ ও জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়।