Author: তরঙ্গ টিভি

  • টঙ্গীর দুই বস্তিতে অভিযান, অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩৫

    টঙ্গীর দুই বস্তিতে অভিযান, অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩৫

    গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর ও হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। অভিযানে হেরোইন, ইয়াবাসহ দেশীয় অস্ত্র ও তিনটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকায় ৩৫ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। 

    ‎শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিতে সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিক।

    তিনি জানান, শুক্রবার ভোরে যৌথবাহিনীর পৃথক দুটি দল টঙ্গীর দুই বস্তিতে অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালে বস্তির বিভিন্ন কক্ষ থেকে এক কেজি হেরোইন,৩৪৭ পিস ইয়াবা,দেশীয় অস্ত্র ও তিনটি হাতবোমা উদ্ধার করেন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়াও এসব কাজে জড়িত থাকায় ৩৫ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান জানান, শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনায় একটি মামলা শেষে আটককৃতদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • আদেশ প্রত্যাহার, ঋণ খেলাপি নন চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার

    আদেশ প্রত্যাহার, ঋণ খেলাপি নন চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার

    ঋণ পুনঃতফসিল করায় চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে এখন থেকে তিনি ঋণ খেলাপি হিসেবে গণ্য হবেন না।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আগের আদেশ প্রত্যাহার করে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।

    আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    এদিকে প্রার্থিতা ফিরে পেতে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের দায়ের করা রিট আগামী রোববার (২৫ জানুয়ারি) শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের শুনানি হতে পারে।

    গত ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার জজ আদালত।

    প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।

    আদালতে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মলয় কুমার রায়।

    আইনজীবী জানান, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সরোয়ার আলমগীরের কাছে পাওনা ১৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ৫টি ব্যাংকে তার মোট ঋণের পরিমাণ দুইশ ১৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

    এর আগে হাইকোর্ট চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন।

    একইদিন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।

  • আসন্ন নির্বাচন আদর্শিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের : গোলাম পরওয়ার

    আসন্ন নির্বাচন আদর্শিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের : গোলাম পরওয়ার

    খুলনা-৫ আসনের ১০ দলীয় জোট প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে দ্বীন কায়েমের নিয়মতান্ত্রিক জিহাদ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় অস্ত্রের যুদ্ধের পরিবর্তে ব্যালটের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতা ও আইন পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এটিই বর্তমান সময়ের সংগ্রামের পথ।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে খুলনার আরাফাত এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    বক্তব্যে ধর্মীয় ব্যাখ্যা, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী ইতিহাস এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে একত্র করে তিনি আসন্ন নির্বাচনকে একটি আদর্শিক লড়াই হিসেবে উপস্থাপন করেন।

    বক্তব্যের শুরুতে তিনি ইসলামের প্রাথমিক যুগের নির্যাতনের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, মক্কার কুরাইশদের অত্যাচারের মধ্যেও নবী মুহাম্মদ (সা.) দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম থেকে সরে যাননি।

    তিনি দাবি করেন, ইসলাম কেবল নামাজ, রোজা, ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠাই ইসলামের মূল উদ্দেশ্য। শহীদ প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, যারা আল্লাহর পথে জীবন দেন, তারা মৃত নন, তারা জীবিত এবং আল্লাহর কাছে রিজিকপ্রাপ্ত। দ্বীনের পথে সংগ্রাম ও আত্মত্যাগই আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ।

    নির্বাচনি রাজনীতি প্রসঙ্গে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আগে যুদ্ধ হতো তরবারি, তীর-ধনুক ও কামান দিয়ে, এখন যুদ্ধ হচ্ছে ব্যালট দিয়ে। তিনি বলেন, সহিংসতা, সন্ত্রাস ও জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল ইসলাম সমর্থন করে না এবং জামায়াতে ইসলামী নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যেই রাষ্ট্র ও সরকার পরিবর্তনের পক্ষে।

    তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে পাঁচটি ইসলামী দল,  জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা, যারা রাজনীতিতে কর্তৃত্ববাদী স্বৈরাচারকে বিদায় দেওয়ার জন্য পেটোয়া বাহিনীর গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। বুকের মধ্যে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। এমন সাহস নিয়ে আবু সাঈদসহ যারা জীবন দিয়েছিল, সেই জুলাই যোদ্ধারা, সেই তরুণরা একটা দল গঠন করেছে। সেটা হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারাও এই ১০ দলের মধ্যে আসছে। মুক্তিযুদ্ধের বীর বিক্রম কর্নেল অলি আহমেদের নেতৃত্বাধীন দলসহ মোট ১০টি দল একত্র হয়ে জোট গঠন করেছে। এই জোটে ইসলামী চেতনা, জুলাই আন্দোলনের চেতনা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমন্বয় ঘটেছে।

    তিনি জানান, ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য জোটের মধ্যে আসন বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে এবং খুলনা-৫ আসনে জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সাহস পেলে আমি দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, সৎ লোক নির্বাচিত হলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দমন-পীড়ন বন্ধ হবে বলেই কিছু মহল জামায়াতের বিরোধিতা করছে। একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশে জামায়াতকে কুফুরি আখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ১৯৭১ সালের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনেক দল পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, যা রাজনৈতিক মতপার্থক্য হতে পারে, কিন্তু অপরাধ নয়। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে এবং জামায়াতের গঠনতন্ত্রে মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামী বা ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ নেই। বরং তিনি বিভিন্ন সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তির মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তোলেন।

    দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তাদের কেউই দুর্নীতিমুক্ত শাসনের দাবি করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে একযোগে দায়ী করে তিনি বলেন, প্রত্যেক সরকারের আমলেই দুর্নীতি, দলীয়করণ ও বিরোধী দমননীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট কেনার জন্য দেওয়া কালো টাকা প্রত্যাখ্যান করতে হবে। টাকা দিয়ে মানুষের বিবেক কেনা যায় না এবং ভোট বিক্রি করা মানে ভবিষ্যৎ বিক্রি করা। ভোট কেনার উদ্দেশে দেওয়া আর্থ-সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার পরামর্শও দেন তিনি।

    তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ। তার ভাষায়, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন অপরিহার্য। তিনি দাবি করেন, ১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি নির্মূল, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।

    সমাবেশ শেষে তিনি উপস্থিত জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসন্ন নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং আদর্শিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি সন্ধিক্ষণ।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামাতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, হরিণটানা থানা কর্মপরিষদ সদস্য লিখন হোসেন, মতিউর রহমান, আব্দুর রশীদ মল্লিক, শহিদুল ইসলাম, ডা. ইলিয়াস হোসেন, তাজুল ইসলাম, আমির হোসাইন, সালাউদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাসেল গাজী, রফিকুল ইসলাম, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ, আবু মুহসীন প্রমুখ।

  • ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : প্রেস সচিব

    ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : প্রেস সচিব

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে আর ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে কেবিনেট বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিনদিন ছুটি পাবেন।

    প্রেস সচিব বলেন, আমাদের এই সরকারের নির্বাচনের আর মাত্র ২১ দিন আছে। ক্যাবিনেট মিটিংয়ে যথেষ্ট এজেন্ডা ছিল। আজকেও প্রায় তিন ঘণ্টা মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে ১৩টা এজেন্ডা ছিল।।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়া অঞ্চলের আইন (রোহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৬) এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এমেন্ডমেন্ট অর্ডিনান্স ২০২৬)এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ সংশোধন অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এটা রিভিউ করার জন্য আবার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, এটা খুবই ইম্পর্টেন্ট একটা আইন। মানি লন্ডারিংকে প্রতিহত করার জন্য এই আইন। আপনারা দেখেছেন গত ১৬ বছরে হাসিনার বাংলাদেশের থেকে প্রচুর টাকা বিভিন্নভাবে চলে গেছে। সেটাকে কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় সেটার জন্য এই আইনটা ছিল।

    প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশ হাউসবিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশন (এমেন্ডমেন্ট অর্ডিনান্স ২০২৬) এর খসড়াটা নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স এমএলএ ট্রিটি বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড মালয়েশিয়ার খসড়া অনুমোদন হয়েছে।

    তিনি বলেন, তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বিজিইপিএ স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো নীতিমালা ২০২৬ এর খসড়া আবারও আলোচনা হয়েছে এবং এটাকে আবার রিভিউ করার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৬ এর খসড়া অনুমোদন হয়েছে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসরা নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে।

  • স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা, আরেক শুটার গ্রেপ্তার

    স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা, আরেক শুটার গ্রেপ্তার

    স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মোছাব্বির (৪৪) হত্যা মামলায় আরেক শুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ছাড়া, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় আরেক শুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামীকাল বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

    এর আগে মোছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় পুলিশ। গত ১০ জানুয়ারি দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিন্নাতকে (২৪), আব্দুল কাদির (২৮) ও মো.রিয়াজ (৩২)।

    এর আগে ৭ জানুয়ারি রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির পেছনে স্টার হোটেলের সামনে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ৮ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। নিহত মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে এই মামলা করেন।

  • তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দেন: তারেক রহমান

    তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দেন: তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে বলেছেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অনুরোধ করব- তাদের প্রটোকল তিনগুণ বাড়িয়ে দিন।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে মৌলভীবাজারের শেরপুরের আইনপুরে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে এ সরকারের উপদেষ্টাদের অনুরোধ করব, লাখো জনতার পক্ষ থেকে বলব- তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দেন। কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং মানুষ এটা জানতে পেরেছে।

    তিনি বলেন, মানুষ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই না মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের কিছু করে বসুক। সেজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে তাদের প্রটোকল তিনগুণ করে দেন। বিএনপিকে যা নিরাপত্তা দিয়েছেন, তার তিন গুণ করে দিন তাদের।

    ধানের শীষ মার্কায় ভোট চেয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশকে যদি বাঁচাতে হয়, আগামী মাসের ১২ তারিখে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের জয়ী হতে হবে। এ দেশের বহু মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, বহু মানুষ গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যদি আমরা দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই এবং একই সঙ্গে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চাই, তবে কোথায় সিল মারতে হবে? ধানের শীষেই আমাদের সিল মারতে হবে।

    ‘দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। একমাত্র কোন দল এই নিশ্চয়তা দিতে পারে? ধানের শীষই পারে সেই নিশ্চয়তা দিতে।

    বিগত বিএনপি আমলের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এখানে বহু মুরুব্বি উপস্থিত আছেন; আপনারা সাক্ষী, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ— সব নির্বাচনই আল্লাহর রহমতে মোটামুটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি বলেন, যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল, প্রত্যেকটি মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। সরকারের কোনো ভুল হলে মানুষ তা নির্দ্বিধায় বলতে পেরেছে। তখন কোনো মানুষকে গুম বা খুনের শিকার হতে হয়নি।

  • লালমনিরহাটে কালিগঞ্জ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের অটিষ্টিক শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে

    লালমনিরহাটে কালিগঞ্জ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের অটিষ্টিক শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে

    এসো দেশ বদলাই,পৃথিবীহ বদলাই – এই শ্লোগানে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ক্রীড়া পরিদপ্তর,যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় উদ্যোগে জেলা ক্রীড়া অফিস লালমনিরহাট এর আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আওতায় লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় অটিস্টিক শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। লালমনিরহাট জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহিদ ইশরাক।এছাড়াও লালমনিরহাট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বকুল, কালিগঞ্জ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর হারুন অর রশিদ সহ শিক্ষক,অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল,সাত চাড়া,চকলেট দৌড়,মোরগ লড়াই,বেলুন ফাটানো, বালিশ বদল সহ বিভিন্ন খেলা পরিচালনা করা হয়। উৎসব মুখর পরিবেশে অটিস্টিক শিশুরা দিনভর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও আনন্দ উৎসব পালন করে। উক্ত ক্রীড়া অনুষ্ঠানে পঞ্চাশ জন অটিস্টিক শিশুকে জার্সি,পুরস্কার ও দুপূরের খাবার প্রদান করা হয়। এছাড়াও সকল প্রতিযোগীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • মাদারগঞ্জে ৩ ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির মহাউৎসব হুমকির মুখে কৃষি জমি ও ফসল উৎপাদন

    মাদারগঞ্জে ৩ ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির মহাউৎসব হুমকির মুখে কৃষি জমি ও ফসল উৎপাদন

    জামালপুরের মাদারগঞ্জে ৩ ফসলি কৃষি জমি থেকে অবাধে মাটি কেটে ইটভাটায় সরবরাহ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এলাকার কৃষি জমি ও ফসল উৎপাদন। এক শ্রেণির প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের নজরদারি উপেক্ষা করে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে টপ সয়েল কেটে দেদারসে মাটি বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
    বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৩ নম্বর গুনারীতলা ইউনিয়নের ক্ষুদ্র জোনাইল মৌজায় ভেকু লাগিয়ে ৩ ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে তা সোহাগ ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে আশপাশের কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    স্থানীয় কৃষকরা জানান, ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার ফলে পাশের জমিগুলোও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন,
    “আমাদের জমিতে পানি দিলে কেটে নেওয়া জায়গা দিয়ে পানি নেমে যায়। ফলে জমিতে সেচ দেওয়া ও চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই নিজেদের জমির মাটিও বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে কমে যাচ্ছে ৩ ফসলি জমি ও কৃষি পণ্যের উৎপাদন।”

    এ বিষয়ে ইটভাটা কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রনু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও জানান,
    “ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ইটভাটায় দেওয়া ও বিক্রির বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এদিকে সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় কৃষি জমির পরিমাণ কমে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

  • সারা দেশে বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করল বিএনপি, তালিকায় যারা

    সারা দেশে বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করল বিএনপি, তালিকায় যারা

    সারা দেশে বিএনপির সকল বিদ্রোহী প্রার্থীদের একযোগে বহিষ্কার করেছে দলটি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও যেসব বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াননি তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিল বিএনপি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কৃত নেতাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপির নিম্নবর্ণিত নেতৃবৃন্দকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    নিম্নে বহিস্কৃত নেতৃবৃন্দের নাম উল্লেখ করা হলো-

    রংপুর বিভাগ

    ১. দিনাজপুর-২: আ ন ম বজলুর রশিদ দিনাজপুর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিরল উপজেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা।

    ২. দিনাজপুর-৫: এ জেড এম রেজয়ানুল হক, সদস্য, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি।

    ৩. নীলফামারী-৪: রিয়াদ আরাফান সরকার রানা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ, সৈয়দপুর জেলা, বিএনপি।

    রাজশাহী বিভাগ

    ১. নওগাঁ- ৩: পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, সদস্য , মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপি

    ২. নাটোর-১: তাইফুল ইসলাম টিপু, সহ দপ্তর সম্পাদক বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি

    ৩. নাটোর-১: ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, সদস্য জেলা বিএনপি নাটোর।

    (গতকাল প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার ১০ মিনিট পরে প্রত্যাহার পত্র জমা দিতে গিয়েছিল কিন্তু প্রত্যাহার পত্র গৃহীত হয়নি)

    ৪. নাটোর-৩: দাউদার মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা বিএনপি নাটোর

    ৫. রাজশাহ-৫: ইসফা খাইরুল হক শিমুল, সদস্য , পুঠিয়া উপজেলা বিএনপি

    ৬. রাজশাহ-৫: ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, সহ সভাপতি লন্ডন জিয়া পরিষদ

    ৭. পাবনা-৩: কে এম আনোয়ারুল ইসলাম- সদস্য, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি

    ৮. পাবনা-৪: জাকারিয়া পিন্টু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পাবনা জেলা বিএনপি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপি

    খুলনা বিভাগ

    ১. কুষ্টিয়া-১: নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি।

    ২. নড়াইল-২: মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি

    ৩. যশোর-৫: এ্যাড. শহিদ ইকবাল, সভাপতি, মনিরামপুর থানা

    ৪. সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহীদুল আলম, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি

    ৫. বাগেরহাট-১: ইঞ্জি. মাসুদ, সদস্য, জেলা বিএনপি

    ৬. বাগেরহাট-৪: খায়রুজ্জামান শিপন, সদস্য, জেলা বিএনপি

    বরিশাল বিভাগ

    ১. বরিশাল-১ আব্দুস সোবহান, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি

    ২. পিরোজপুর-২ মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন, প্রথমিক সদস্য

    ঢাকা বিভাগ

    ১. নারায়ণগঞ্জ-১: মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন, সাবেক সদস্য নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।

    ২. নারায়ণগঞ্জ-২: মো. আতাউর রহমান খান আঙ্গুর – সাবেক সদস্য নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।

    ৩. নারায়ণগঞ্জ-৩: অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম-  সদস্য জাতীয় নিবার্হী কমিটি বিএনপি।

    ৪. টাঙ্গাইল-১: এ্যড. মোহাম্মাদ আলী   সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি

    ৫. টাঙ্গাইল-৩: লুৎফর রহমান খান আজাদ, উপদেষ্টা চেয়ারপারসন

    ৬. টাঙ্গাইল-৫: এ্যড. ফরহাদ ইকবাল, সাধারন সম্পাদক টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি

    ৭. নরসিংদী-৫: মো. জামাল আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি নরসিংদী জেলা বিএনপি

    ৮. মুন্সিগঞ্জ-১: মো. মুমিন আলী, সদস্য মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি

    ৯. মুন্সিগঞ্জ-৩: মো. মহিউদ্দিন, সদস্য সচিব মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    ৪. কিশোরগঞ্জ-১: রেজাউল করিম চুন্নু, সদস্য কিশোরগঞ্জ সদর থানা

    ৫. কিশোরগঞ্জ-৫: শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও সভাপতি বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি

    ৬. ময়মনসিংহ-১: সালমান ওমর রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক, হালুয়া ঘাট উপজেলা বিএনপি

    ৭. ময়মনসিংহ-১০: এবি সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি

    ৮. ময়মনসিংহ-১১: মো. মোর্শেদ আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ভালুকা উপজেলা বিএনপি

    ৯. নেত্রকোনা-৩: মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, সদস্য, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি

    ১০. শেরপুর-৩ মো. আমিনুল ইসলাম বাদশাহ, সদস্য, সাবেক জেলা বিএনপি

    ফরিদপুর বিভাগ

    ১. মাদারিপুর-১: লাভলু সিদ্দিকী, যুগ্ন-আহবায়ক মাদারিপুর জেলা বিএনপি।

    ২. মাদারিপুর-১: কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, সদস্য, শিবচর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি।

    ৩. মাদারিপুর-২: মিল্টন বৈদ্য, সদস্য মাদারিপুর জেলা বিএনপি

    ৪. রাজবাড়ী-২: নাসিরুল হক সাবু, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি,  বিএনপি।

    ৫. গোপালগঞ্জ-২: এম এস খান মঞ্জু, সদস্য, জেলা বিএনপি

    ৬. গোপালগঞ্জ-২: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সদস্য, জেলা বিএনপি

    ৭. গোপালগঞ্জ-৩: এ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য, জেলা বিএনপি

    সিলেট বিভাগ

    ১. সুনামগঞ্জ-৩: আনোয়ার হোসেন, সাবেক সহ সভাপতি জেলা বিএনপি ও সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি

    ২. সুনামগঞ্জ-৪: দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সাবেক সহ সভাপতি জেলা বিএনপি ও সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি

    ৩. সিলেট-৫: মামুনুর রশীদ (চাকসু), উপদেষ্টা (বহিস্কৃত) সিলেট জেলা বিএনপি

    ৪. মৌলভীবাজার-৪: মহসিন মিয়া মধু, সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি জেলা বিএনপি

    ৫. হবিগঞ্জ-১: শেখ সুজাত মিয়া, সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি

    কুমিল্লা বিভাগ

    ১. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১: এ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন, সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপি

    ২. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫: কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপি।

    ৩. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬: কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, সাধারণ সদস্য

    ৪. কুমিল্লা-২: ইঞ্জি. আব্দুল মতিন, সাধারণ সদস্য, উপদেষ্টা, ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

    ৫. কুমিল্লা-৭: আতিকুল আলম শাওন, সভাপতি, চান্দিনা উপজেলা বিএনপি

    ৬. চাঁদপুর-৪: এম এ হান্নান, সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি

    চট্টগ্রাম বিভাগ

    ১. চট্টগ্রাম-১৪: এড: মিজানুল হক চৌধুরী, সাবেক সদস্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি

    ২. চট্টগ্রাম-১৪: শফিকুল ইসলাম রাহী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল

    ৩. চট্টগ্রাম-১৬: লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি

    ৪. নোয়াখালী-২: কাজী মফিজুর রহমান, সদস্য বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি

    ৫. নোয়াখালী-৬: প্রকৌশলী ফজলুল আজীম, সাবেক সংসদ সদস্য

    ৬. নোয়াখালী-৬: ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীব, সদস্য নোয়াখালী জেলা বিএনপি

    এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বিএনপি।

  • শিবির নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    শিবির নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেটের সমাবেশ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পরে রফিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

    এসময় ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, রাজনৈতিক কারণে আমাদের আবেগের জায়গা তারেক রহমানকে নিয়ে সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্তু হীন ভাষা ব্যবহার করলে আমরা মেনে নেব না। ফ্যাসিবাদের ভাষা ব্যবহার করবেন না। তা যদি না করেন, মনে রাখবেন দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার।

    বক্তব্যে শিবিরকে উদ্দেশ্য করে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, আমাদের আবেগের জায়গা তারেক রহমান। আপনারা গতকাল মানববন্ধন করেছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নাকি শাকসু নির্বাচন বানচাল করেছে। অথচ জকসু নির্বাচনসহ সারা দেশের সব ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য ছাত্রদল আন্দোলন করেছে।

    তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের জন্য আমরা চেষ্টা করছি ও করব। কিন্তু দেশনায়ক তারেক রহমানকে নিয়ে কোনো কটূক্তি হলে এই ক্যাম্পাসে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপনাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।

    এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচন স্থগিতের ঘটনায় তারেক রহমানের সিলেটের সমাবেশ বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল। জবি ছাত্রশিবিরের ডাকা এক মানববন্ধনে ইব্রাহিম খলিল বলেন, ২০ তারিখে শাকসু নির্বাচন না হলে তাদের তথাকথিত দেশনায়ক তারেক রহমানের সিলেটের সমাবেশ বন্ধ করে দিন।

    ছাত্রসমাজকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সিলেটের সড়কপথ, রেলপথ সবকিছু বন্ধ করে দিন। যারা শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে, তাদের সমাবেশ করার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।