Author: তরঙ্গ টিভি

  • সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা বলছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

    সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা বলছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফল প্রকাশ, মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) ও চূড়ান্ত নিয়োগ হবে কি না– এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। খাতা দেখার কার্যক্রম শেষে শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে সামছুল আহসান বলেন, ইসি বা সরকার থেকে আমরা কোনো নির্দেশনা পাইনি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। খুব শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হবে।

    ২০ জানুয়ারির মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা আছে কি না– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ নিয়ে বিভিন্নভাবে অনুমাননির্ভর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা স্পেসিফিকভাবে কোনো তারিখ নির্ধারণ করিনি। ঠিক কবে ফল প্রকাশ হবে– এটা এখন কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। তবে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে বা ফল প্রকাশ করা হবে না– এমন তথ্য সঠিক নয়। ফল প্রস্তুত হলেই তা প্রকাশ করা হবে।

    উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি।

    পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায়। কেউ কেউ ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দাবি করে সেগুলো ফেসবুকে শেয়ারও করেন। পাশাপাশি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে ওঠে ‘ডিভাইস পার্টি’। তারা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে নকলের সহায়তা দেয়।

    এ ঘটনায় ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া ২০৭ জন চাকরিপ্রার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩ জন, নওগাঁয় ১৮ জন, দিনাজপুরে ১৮ জন, কুড়িগ্রামে ১৬ জন ও রংপুরে দুজন রয়েছেন।

    প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনেও নামেন চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যারা জালিয়াতির চেষ্টা করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ কারণে পরীক্ষা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

  • ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন ৩০৫ জন, প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা মাঠে নামছে আজ

    ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন ৩০৫ জন, প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা মাঠে নামছে আজ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে চূড়ান্ত লড়াইয়ে থাকছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে। আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামবেন।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, এবারের নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অধিকাংশ প্রার্থী দলীয় হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন শতাধিক। এর আগে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৯৬ জন। সেই তুলনায় এবার প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আদালতের নির্দেশনায় নতুন তফসিল হওয়ায় ওই দুই আসনের হিসাব আপাতত এই তালিকার বাইরে রয়েছে।

    এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করেন, যার মধ্যে শুনানি শেষে ৪৩১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। এছাড়া মঙ্গলবার শেষ দিন পর্যন্ত ৩০৫ জন সরে দাঁড়ানোয় এখন ভোটের মাঠে থাকছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী।

    রিটার্নিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়ে কমিশন বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা প্রচারণায় নামতে পারলেও সেখানে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি থাকবে।

    উল্লেখ্য, পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনায় সংশোধিত তফসিলে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী, গত রোববার এই দুটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে পাবনা-১ আসনে ৭টি এবং পাবনা-২ আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এই দুই আসনের প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ে মূল প্রতিযোগিতায় যুক্ত হবেন।

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে : সিইসি

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে : সিইসি

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের নতুন উদ্যোগ নিয়ে নানা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন।

    তিনি বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আপনারা (সাংবাদিকরা) পাশে আছেন বলেই মানুষ সঠিক তথ্য পাচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে রাজনৈতিক দলগুলোকে পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম নিয়ে বিফ্রিংয়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

    ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সিইসি বলেন, বিশ্বের ১২২টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা সফল হলে বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। এর আগে দেশে এই ধরনের সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ কেউ নেয়নি। অনেক উন্নত দেশও যা পারেনি, বাংলাদেশ তা করে দেখাচ্ছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই না বুঝে সমালোচনা করেন। আপনারা (সাংবাদিকরা) আমাদের সঙ্গে আছেন বলেই মানুষ সঠিক তথ্যটা পাচ্ছে। কোনো নতুন কাজে ভুলত্রুটি বা ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কিন্তু এখানে অন্য কোনো মোটিভ কাজ করেনি। সাংবাদিকরা যদি মানুষের কনফিউশনগুলো পরিষ্কার করে দেন, তবে এই প্রক্রিয়া আরও বেগবান হবে।

    সিইসি আরও বলেন, বিদেশি কূটনীতিকরা যখন আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন, তারা বলেন যদি বাংলাদেশ এই পোস্টাল ব্যালট সফল করতে পারে, তবে তা বিশ্ব ইতিহাসে স্থান পাবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোও এভাবে সফল হতে পারেনি। প্রথম বছর হিসেবে আমরা এখন পর্যন্ত যা করেছি, তা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে।

    শুধু প্রবাসী নয়, যারা কর্মস্থলের কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারেন না বা যারা কারাগারে আছেন, তাদের জন্যও ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগে কেউ এই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেখায়নি। আমরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে এই কাজ শুরু করেছি।

  • সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

    সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়েছে সরকার। অথচ পুঁজিবাজারের মাধ্যমে বৈদেশিক ঋণের চাপ কমানো যেত। বাংলাদেশে এটির চর্চা নেই। আমরা এটিতে গুরুত্ব দেবো। 

    তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে বন্ড ছেড়ে ঋণ নির্ভরতা কমানো সম্ভব। বাংলাদেশেও এই প্র্যাক্টিসটি চালু করতে চাই। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতি যে জায়গায় পিছিয়ে রয়েছে, সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড আয়োজিত ‘পোস্ট ইলেকশন ২০২৬ হরিজন : ইকোনমি পলিটিক্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থায়নের যোগান দিতে ক্যাপিটাল মার্কেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে ব্যাংকের পরিবর্তে ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে অর্থায়ন হওয়া উচিত। অথচ আমাদের দেশে এটি পুরোপুরি উল্টো।

    পুঁজিবাজার কার্যকর না হওয়ায় সরকার আইএমএফ এর কাছ থেকে অনেক শর্তের ঋণ নিয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে আমীর খসরু বলেন, উড়োজাহাজ কেনা ও রেলওয়ের বড় খাতে বিনিয়োগের জন্য এখন বিদেশে ধার করতে যেতে হয়। অথচ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা রেলওয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলো মিউনিসিপ্যাল বন্ড বা সার্বভৌম বন্ড ছেড়ে বিমান কেনা বা বড় প্রকল্পের অর্থায়ন করতে পারত। এমনকি জেপি মরগানের মতো প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের জন্য বন্ড ছাড়তে আগ্রহী হতে পারে, যদি আমরা সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারি।

    ভিয়েতনাম, চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ সমস্যায় পড়েছে। বাংলাদেশ তার চেয়ে অনেক সুবিধাজনক আবস্থানে আছে। প্রতিনিয়ত বিদেশিরা বাংলাদেশ আসছে, কিন্তু তারা বিনিয়োগ করছে না। নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন বলেও মন্তব্য করেন আমীর খসরু।

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার আসলে সবাই বিনিয়োগ করবেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাস রাখতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই বিশ্বাসের অভাব। আস্থাহীনতার কারণে ডি-রেগুলেটে (ভুলভাবে নিয়ন্ত্রণ) করা হয়েছে।

    আমীর খসরু বলেন, আগামী সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতিকে এখান থেকে কীভাবে তুলে আনা হবে সেটা। আমাদের সংস্কারের বিকল্প নেই। সংস্কারেই যেতে হবে, বাজারই ঠিক করবে কি ধরনের সংস্কার লাগবে। পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা আনতে হবে। আমি এ কথার সঙ্গে একমত যে, বছরের পর বছর ধরে যেসব ‘গারবেজ অ্যাকাউন্ট’ দিয়ে সাজানো হয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করা জরুরি। প্রতিবছর হিসাব সাজিয়ে সমস্যা ঢাকার কোনো মানে নেই; এতে সমস্যা আরও বাড়ছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে মূলত এই হিসাব সাজানোর সংস্কৃতির কারণেই।

    সবশেষে আবারও বলছি—বাজারের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং বাজারকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। আমি মনে করি, তা করতে পারলে আমাদের অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব হবে।

    সম্মেলনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, অর্থনীতিবিদ ও র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। এতে বিদেশি ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকরী ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

  • জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে : র‍্যাব মহাপরিচালক

    জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে : র‍্যাব মহাপরিচালক

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুর একটি সন্ত্রাসীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। খুব শিগগিরই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছে, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা রয়েছে, তাদের নির্মূল করা হবে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় র‌্যাব-৭ এর প্রধান কার্যালয়ে হামলায় নিহত র‌্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনের জানাজা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে মোতালেব হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

    র‍্যাব মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বলেন, সুবেদার মোতালেব শহীদ হয়েছেন। এজন্য যারা দায়ী, তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে যেন তাদের শাস্তি নিশ্চিত হয়, সেটি আমরা যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করব। আপনাদের কথা দিতে চাই, এই ঘটনা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। বিচারের রায় না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন পুরো বিষয়টি মনিটরিং করবে এবং রায় কার্যকর হওয়া পর্যন্ত আমরা এটি মনিটর করব। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি এবং আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাব।

    তিনি বলেন, শহীদ মোতালেবের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার স্ত্রী স্বামী হারিয়েছেন, সন্তানরা পিতা হারিয়েছে। আমরা সেই পিতা বা স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এই পরিবারের দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করেছি এবং মোতালেবের পরিবারের পাশে থাকব।

    এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন নিহত হন। একই ঘটনায় র‍্যাবের আরও তিন সদস্য এবং মনা নামে একজন সোর্স গুরুতর আহত হন। নিহত মোতালেব বিজিবির নায়েব সুবেদার এবং প্রেষণে র‍্যাবে কর্মরত ছিলেন।

    পুলিশ, র‍্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে ইয়াসিনের নেতৃত্বে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় একটি বিএনপি কার্যালয় উদ্বোধনের কথা ছিল। এ উপলক্ষ্যে সেখানে বিপুলসংখ্যক লোকজন জড়ো হয়। অন্যদিকে রুকন গ্রুপের অনুসারী ও র‍্যাবের সোর্স মনা র‍্যাবকে জানান যে, ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইয়াসিন উপস্থিত থাকবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম র‍্যাবের পতেঙ্গা কোম্পানি থেকে একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনার জন্য যায়।

    বিকেল পৌনে ৪টার দিকে অভিযানে যাওয়া র‍্যাব সদস্যদের ওপর ইয়াসিন গ্রুপের অনুসারীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে র‍্যাবের চার সদস্য ও সোর্স মনাকে আটকে ফেলা হয়। এ সময় র‍্যাবের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। আটকে রাখা সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে তাদের ওপর ব্যাপক মারধর করা হয়।

    খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং স্থানীয় একটি পক্ষের সহায়তা নেয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • কোন কোন আসনে লড়বে জাতীয় পার্টি, তালিকা প্রকাশ

    কোন কোন আসনে লড়বে জাতীয় পার্টি, তালিকা প্রকাশ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দলটি ১৯৫ জনের এ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। যদিও এর আগে এদিন দলটির চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে ১৯৬ জন বৈধ প্রার্থীর কথা জনান।

    জিএম কাদের বলেন, ১৯৬ জন বৈধ প্রার্থী পেয়েছে জাতীয় পার্টি। এদের মধ্যে ৬ জন নারী প্রার্থী আছেন। পরবর্তীতে আরও ২-৩ জন বৈধ তালিকার অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।

    নির্বাচনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত অনেকে জেলে বসে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মামলার নামে অন্তর্বর্তী সরকার জনসাধারণকে হেনস্তা করছে, সাধারণের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা মামলা দিচ্ছে সেখানে বিরাট বাণিজ্য হচ্ছে। গরিবরা বাণিজ্য করছে, পুলিশ বাণিজ্য করছে। যাকে ইচ্ছে তাকে মামলা দিচ্ছে। অনেককে রাজনৈতিক কারণে বা ব্যবসায়ীক কারণে মামলা দেয়া হচ্ছে, কেউ আবার ব্যক্তি আক্রশে মামলা দিচ্ছে।

    যেসব আসনে লড়বেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা: 

  • হাসনাতকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা তুলে নিলেন খেলাফতের প্রার্থী

    হাসনাতকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা তুলে নিলেন খেলাফতের প্রার্থী

    কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোফাজ্জল হোসেন।

    তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে এবং এলাকার উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একই সঙ্গে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    মোফাজ্জল হোসেন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি, ভোটাররা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখবেন।

    এদিকে খেলাফত মজলিস প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর ঘটনায় কুমিল্লা-৪ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

    এর আগে হাসনাতের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে একই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আবেদন করেছিলেন। তবে আবেদন খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে হাসনাতের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে।

  • আয়নাঘরে হুম্মামকে যেসব খাবার দেওয়া হতো

    আয়নাঘরে হুম্মামকে যেসব খাবার দেওয়া হতো

    জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে দেয়া জবানবন্দিতে তিনি গুম ও এরপরের ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

    হুম্মাম বলেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাকে গুম করে রাখার সময় বারবার নির্যাতনের শিকার হতেন। ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট আমাকে গুম করা হয়। গুম থাকা অবস্থায় আমি দিন-রাতের পার্থক্য বুঝতে পারতাম না। দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আনলে বুঝতে পারতাম, নতুন দিন শুরু হয়েছে। দুপুর ও রাতের খাবারে থাকত ভাত, এক পিস মাছ অথবা এক পিস মুরগি, সঙ্গে কিছু সবজি।

    তিনি বলেন, প্রথম দুই মাস আমি একটি পেরেক দিয়ে দেয়ালে দাগ দিয়ে দিনের হিসাব রাখতাম। দুই মাস পর হিসাব রাখা বন্ধ করে দেই। কক্ষের ভেতর দেওয়ালে অনেক কিছু লেখা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারি আমার আগে যারা এই কক্ষে বন্দি ছিলেন, সেগুলো তাদের লেখা। একজন লিখেছিলেন, ‘আপনাকে কত দিন এখানে রাখা হবে, তা কেউ আপনাকে বলবে না।’ অন্য পাশের দেওয়ালে বাংলাদেশের পতাকা আঁকা ছিল বলে উল্লেখ করেন হুম্মাম।

    জবানবন্দিতে হুম্মাম আরও বলেন, গুম থাকাকালে মাঝেমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আমাকে মারধর করা হতো। আমার বাবার রাজনীতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো। আমি আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করি কি-না, বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি-না, এসব বিষয়ে বারবার জিজ্ঞাসা করা হতো।’ এই মামলার আসামি ১৩ জন। এর মধ্যে ১২ জনই বর্তমান সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের সম্মানে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন এম সরওয়ার

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের সম্মানে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন এম সরওয়ার

    ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার এম সরওয়ার হোসেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন।

    জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি আনুগত্য ও দলীয় নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

    নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক বাছাইয়ে ব্যারিস্টার সরওয়ারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান। আরপিও অনুযায়ী আজ ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত দিন। আইনি লড়াইয়ে প্রার্থিতা টিকিয়ে রাখার পরও দলীয় প্রধানের কারণে তিনি সরে দাঁড়ালেন।

    ব্যারিস্টার সরওয়ার হোসেন বলেন, আমি জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধারণ করি। দীর্ঘদিন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতি করেছি। এমনকি কারাবরণও করেছি। তাই চেয়ারম্যানের সম্মানে ও তার সমর্থনে আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি।

    দলীয় প্রধান তারেক রহমান এ আসনে লড়ছেন, একজন দলীয় সদস্য হিসেবে তাকে সহযোগিতা করা নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি।

    আগামী দিনের রাজনীতি ও রাষ্ট্র গঠন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সরওয়ার বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রেখে তারেক রহমান বাংলাদেশে একটি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গড়বেন। বিশেষত সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনবেন।

  • অভিযোগ মির্জা আব্বাসের  দু’টি দল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু আসন দখলের চেষ্টা করছে

    অভিযোগ মির্জা আব্বাসের দু’টি দল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু আসন দখলের চেষ্টা করছে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দু’টি দল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু আসন দখলের চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

     

     

    তিনি বলেন, তারা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক করেছে যাতে বিএনপি ক্ষমতায় না আসতে পারে। তাদের একটি বড় দল, আরেকটি তাদের বাচ্চা। তাদের নির্বাচনি প্রচারণা নেই বললেই চলে। অথচ, তারা বলে তারা জিতবে। তারা কীভাবে এসব কথা বলছে।

    সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কিছু কিছু ছেলে-ফেলে খুব আজেবাজে কথা বলছে। তারা নিজেরা চাঁদাবাজি করে বিএনপির নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ, সরকার তাদের। তাই এখন পর্যন্ত একজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেনি। আরেকটি দল বলছে, আমাদের একবার দেখেন। আমরা বলবো, একাত্তরে তোমাদের দেখেছি। কত মানুষকে কচুকাটা করেছো।

    তিনি আরও বলেন, একটি বাচ্চা দল নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করেছে। তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা কথা বলছে। তোরা যা কিছু কর, আমি কিছু কমু না। আমার গলায় সাইনবোর্ড নিয়ে চলতে হবে না যে আমার বাড়ি শাহজানপুর। কিন্তু, তাদেরকে সারাক্ষণ নিজেদের পরিচয় জাহির করতে হয়। আমারা কোনও ধান্দাবাজ ও কসাইয়ের কাছে দেশ তুলে দেবো না।

    নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা কলেজে পড়তাম, ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম; সেই পড়াশোনা করতে চলে গেছি। তোমাদের মতো লোভ করিনি। তোমরা আজকে লোভ করতেছ। এত পাগল হওয়ার কী আছে ভাই? বয়স কম, রাজনীতি শেখো। ধীরে ধীরে রাজনীতি করো, দেশের উন্নতি করো- আমরা কামনা করি। রাজনীতি করার জন্য আমরা তোমাদের রাস্তায় ফুল বিছিয়ে দেব। কিন্তু অপকর্ম করার জন্য কোনো কাজ যদি করো, তার জবাব আমরা দিতে পারি ইনশাআল্লাহ।