Author: তরঙ্গ টিভি

  • তারেক রহমানের জন্য ৫০ কেজি ধান কাঁধে নিয়ে শীতের রাতে খালি গায়ে রাস্তায় সারা রাত

    তারেক রহমানের জন্য ৫০ কেজি ধান কাঁধে নিয়ে শীতের রাতে খালি গায়ে রাস্তায় সারা রাত

    দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে দেশে এসেছেন স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তাকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট BG 202-এ (Boeing 787-9 Dreamliner) চড়ে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশে ফিরেছেন।

    দেশের আকাশে ঢোকার পর তারেক রহমান একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন। সেখানেই লিখেছেন, ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।’

    তার জন্য রাজধানীর পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে, যা ‘৩০০ ফিট’ নামে পরিচিত, সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে সংবর্ধনা মঞ্চ। সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা, স্লোগান ও প্ল্যাকার্ডে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর জনসমুদ্রে।

    সেখানে দেখা গেছে একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য। শেরপুর থেকে আসা অটোচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন কাঁধে করে নিয়ে এসেছেন প্রায় ৫০ কেজি ধান। খোলা গায়ে শীতের রাতে রাস্তাতেই কাটিয়েছেন পুরো রাত।

    রিয়াজ উদ্দিন বলেন, শেরপুর থেকে এসেছি শুধু প্রিয় নেতাকে দেখব বলে। কাঁধে প্রায় ৫০ কেজি ধান নিয়ে সারা রাত খালি গায়ে রাস্তায় কাটিয়েছি। আমার কোনো শীত লাগেনি। উলটো গরম লাগছে। আমার নেতা আসছেন শীত আবার কিসের? তাকে না দেখে এখান থেকে যাব না। ধানগুলো তারেক রহমানকে দিতে চাই।

    এর আগে, বুধবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান।

    বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন। এরপর তিনি সংবর্ধনাস্থলে যাবেন এবং সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন।

    পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে কাকলী মোড় অতিক্রম করে গুলশান-২ নম্বরে তার বাসভবনে ফিরবেন।

  • প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকসের পদত্যাগ

    প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকসের পদত্যাগ

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণও করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বুধবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নির্বাহী ক্ষমতা অনুশীলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরীর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন। গত বছরের নভেম্বরে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজনকে বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ তিন বিশেষ সহকারীকে স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সহযোগিতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এজন্য তাদের ওইসব মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল।

    এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকস চৌধুরী। আর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব পান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক সায়েদুর রহমান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম কয়েক মাস আগেই পদত্যাগ করেন। এখন পদত্যাগ করলেন খোদা বকস চৌধুরী।

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরীর পদত্যাগের দাবি ওঠে। এর মধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মানুষের মধ্যে নানা কথা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরী। তবে কী কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে তা সুনির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।

  • বড়দিন উপলক্ষে যে বার্তা দিলেন মেহজাবীন

    বড়দিন উপলক্ষে যে বার্তা দিলেন মেহজাবীন

    খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের আবহে নিজেকে নতুনভাবে মেলে ধরলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছড়িয়ে দিলেন মুগ্ধতা ও সম্প্রীতির বার্তা। জানালেন ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে বড়দিনের মহোৎসব। এর আগের বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন মেহজাবীন। ছবিগুলোতে তাকে দেখা যায়, বড়দিনের উৎসবমুখর সাজে। অভিনেত্রীর পরনে ছিল বড়দিনের চিরচেনা লাল রঙের সোয়েটার। মাথায় সবুজ রঙের ক্রিসমাস হ্যাট।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, আলোকসজ্জায় মোড়ানো ক্রিসমাস ট্রির পাশে দাঁড়িয়ে নানা ভঙ্গিতে পোজ দিচ্ছেন মেহজাবীন। মিষ্টি হাসিতে বেশ প্রাণবন্ত দেখা যায় তাকে। উৎসবের এই আমেজে তার মায়াবী হাসি মন ছুঁয়ে যায় ভক্ত-অনুরাগীদের।

    বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবির ক্যাপশনে মেহজাবীন লিখেছেন— বড়দিন উদযাপনকারী বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা পাঠাচ্ছি।

    মেহজাবীনের এ শুভেচ্ছাবার্তাকে ধর্মীয় সম্প্রীতির সুন্দর উদাহরণ হিসেবে দেখছেন তার ভক্তরা। পোস্ট দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী তার ছবির কমান্ডবক্সে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

  • পার্কিং গাড়ি সরিয়ে নেতাকর্মীদের সড়ক ফাঁকা করে দিচ্ছে সেনাবাহিনী

    পার্কিং গাড়ি সরিয়ে নেতাকর্মীদের সড়ক ফাঁকা করে দিচ্ছে সেনাবাহিনী

    দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা ও কুড়িল বিশ্বরোডজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় জড়ো হতে থাকেন।

    এতে গাড়ি, রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ বেড়ে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কুড়িল বিশ্বরোড ও আশপাশের এলাকায় কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সড়কের মূল পয়েন্ট থেকে হকারদের ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল এবং পার্কিং করা ব্যক্তিগত গাড়ি সরিয়ে দেওয়া হয়।

    এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসও মূল সড়ক থেকে সরিয়ে দেন সেনাসদস্যরা। এতে ধীরে ধীরে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে মূল সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে যেতে পারছেন।

    সেনাবাহিনীর সদস্যরা কোনো ধরনের যানবাহন মূল সড়কে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। একই সঙ্গে খণ্ড খণ্ড মিছিল যেন নির্বিঘ্নে সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে পারে, সে বিষয়েও তারা সহযোগিতা করছেন বলে জানান উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

    বিএনপির কর্মী আবির হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। ভোর থেকেই মূল সড়কে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির কারণে যানজট তৈরি হয়েছিল। এখন গাড়ি সরিয়ে দেওয়ায় রাস্তা ফাঁকা হয়েছে, মিছিল নিয়ে চলাচল অনেক সহজ হয়ে গেছে।

    সেনাবাহিনীর তৎপরতায় কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

    উল্লেখ্য, বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায়) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনের ফ্লাইটটি ঢাকার পথে রওনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে ঢাকায় বহনকারী বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ পাইলট। ফ্লাইটের পাইলট-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাপ্টেন ইমামুল, যিনি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার জন্য পরিচিত। ডেকে তার সঙ্গে সহকারী পাইলট হিসেবে আছেন দুই অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেন-রাশেদিন ও আসিফ ইকবাল।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অভিজ্ঞ ও সিনিয়র পাইলটদের সমন্বয়ে এই ফ্লাইট ক্রু গঠন করা হয়েছে।

    সূত্রগুলো আরও জানায়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুসরণ করেই এই উচ্চ গুরুত্ব ও সংবেদনশীল ফ্লাইটের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা, পেশাদারিত্ব ও পরিচালন দক্ষতার সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা যায়।

    ঢাকায় পৌঁছানোর আগে বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করবে।

  • তারেক রহমানের জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছে বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    তারেক রহমানের জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছে বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইট ‘বিজি ২০২’ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

    এরই মধ্যে তারেক রহমানের জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছে বুলেটপ্রুফ গাড়ি। সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে গাড়িটি বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এই গাড়িতে করেই বিমানবন্দর থেকে নানা কর্মসূচিতে যাবেন তারেক রহমান।

    এর আগে, গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।

    বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পর্যন্ত গিয়ে তারা তাদের নেতাকে বিদায় জানান। পরে তারেক রহমান ‘চেক-ইন’ করে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করেন। রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার পথে রওনা হয়। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান রয়েছেন।

    এছাড়া দলের প্রায় ৫০ নেতাকর্মী একই ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসছেন। ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছবে।

    ঢাকায় বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সিনিয়র নেতা এবং দেশের বিশিষ্ট ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাবেন। সেখান থেকে সরাসরি রাজধানীর পাশে পূর্বাচল রুটের ৩০০ ফিট সড়কে প্রস্তুত সংবর্ধনা মঞ্চে উঠে দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আগামী দিনে দলের করণীয় ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবেন।

    এদিকে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোরের তীব্র শীত উপেক্ষা করে সংবর্ধনাস্থল জনতার স্রোতে পরিণত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র শীত উপেক্ষা করে জনসমুদ্রে পরিণত ৩০০ ফিট এলাকা। সারা দেশ থেকে অনুষ্ঠানস্থলে আসছেন হাজার হাজার নেতকর্মী। কুড়িল থেকে শুরু করে মঞ্চ এলাকা নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

    নেতাকর্মীদের মধ্য ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সবার মুখে মুখে ফিরছে একটিই স্লোগান—‘লিডার আসছে’। এছাড়া, স্লোগান-প্ল্যাকার্ড আর নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা যেন বিশাল ‘উৎসবকেন্দ্রে’ পরিণত হয়েছে।

  • সহিংস রাজনীতি প্রত্যাখ্যান, নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন ৪০ শতাংশ ভোটার

    সহিংস রাজনীতি প্রত্যাখ্যান, নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন ৪০ শতাংশ ভোটার

    বাংলাদেশের ভোটারদের কাছে নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রত্যাশা। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক (নভেম্বর ২০২৫) জরিপে দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ মানুষ আইন-শৃঙ্খলা ও জানমালের নিরাপত্তাকে আগামী সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখতে চান।

    এছাড়া ৪৯ শতাংশ নাগরিক মনে করেন রাজনৈতিক দলগুলো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। একইসঙ্গে ৯২ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, সহিংসতায় জড়িত কোনো দল বা প্রার্থীকে তারা ভোট দেবেন না। এখনো ৩৩ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্তহীন, যাদের আস্থা অর্জন করাই রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও যমুনা টেলিভিশনের যৌথ আয়োজনে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এই জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়। সংলাপের শুরুতে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান বলেন, নিরাপত্তাহীনতা শুধু জনজীবন নয়, ভোটার অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    সংলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীম রেজা বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে একপক্ষ বাড়তি সুবিধা পায়। অন্যরা বঞ্চিত হয়। এই কাঠামোগত বৈষম্য থেকেই সংঘাত ও সহিংসতার সূচনা হয়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক সাইমী ওয়াদুদ বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি সহিংসতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, রাজনৈতিক সংস্কার এবং দলগুলোর ভেতরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন এখন জরুরি।

    সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. সাজেদুল হক রুবেল বলেন, রাজনৈতিক অর্থনীতির পরিবর্তন ছাড়া সহিংসতার সংস্কৃতি বদলাবে না। রাজনীতিকে রাজনীতিবিদদের জন্য সহজ করতে হবে। কালো টাকার মালিক ও অসৎ আমলাদের রাজনীতিতে প্রবেশ বন্ধ না করতে পারলে সহিংসতা বন্ধ হবে না।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাজনূভা জাবীন বলেন, রাজনীতিবিদদের উস্কানিমূলক বক্তব্য সরাসরি সহিংসতাকে উস্কে দেয়, অনলাইনে যেমন, অফলাইনেও তেমন। ভোটের প্রার্থীরা যদি একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার বন্ধ করে, তাহলে সহিংসতা অনেকটা কমে আসবে। তিনি আরও বলেন, দলগুলোর নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক করা, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে নিয়োগ ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত করা, নারীর ক্ষমতায়নে কার্যকর উদ্যোগ এবং গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হলে রাজনীতি সংঘাতমুক্ত হবে ।

    জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য, সাইফুল আলম খান বলেন, রাজনৈতিক দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পুলিশ ও প্রশাসন বেপরোয়া হয়ে ওঠে, এটি বন্ধ করতে হবে। সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে দলের কঠোর অবস্থান না থাকলে এবং দুর্নীতিকে লাল কার্ড না দেখালে সহিংসতা থামবে না। তিনি আরও বলেন, সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা সব মানুষের চাওয়া। কিন্তু নির্বাচনী প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় স্বার্থান্বেষী মহল সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছে। হাদী হত্যার পর যা ঘটেছে, তা রাজনৈতিক নয়, এটি পরিকল্পিত মব সন্ত্রাস। তিনি জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করবে না। বিরোধী দলকে সংসদের আসন সংখ্যার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে না।

    এফসিডিও’র আর্থিক সহায়তায় ‘বি-স্পেস’ প্রজেক্টের আওতায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও যমুনা টেলিভিশনের আয়োজনে, ‘সংঘাত- সহিংসতা মুক্ত হোক রাজনীতি’ শীর্ষক এই নাগরিক সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়।

  • দুমকিউপজেলায়,  পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় সাকুরা পরিবহনের ধাক্কায় টোলকর্মী গুরুতর আহত।

    দুমকিউপজেলায়, পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় সাকুরা পরিবহনের ধাক্কায় টোলকর্মী গুরুতর আহত।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, লেবুখালী পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় টোলকর্মী সহিদুল ইসলাম (৪০) গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-বাউফলগামী সাকুরা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৩০৩) তাকে ধাক্কা দেয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টোল প্লাজায় দায়িত্ব পালনকালে দাঁড়িয়ে থাকা সহিদুল ইসলামকে বাসটি ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে আইল্যান্ডের ওপর পড়ে যান। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হন।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাসের ড্রাইভারকে গন দোলাই দিয়ে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
    দুমকি থানার এসআই সুমন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

  • আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ: প্রেস সচিব

    আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ: প্রেস সচিব

    রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম এ কথা বলেন। প্রশ্নকারী সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টাকে পাঁচ মার্কিন আইনপ্রণেতার চিঠি দেওয়া প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্নটি করেছিলেন।

    জবাবে প্রেস সচিব জানান, তিনি চিঠিটি দেখেননি। এ বিষয়ে তিনি জানেন না। কিন্তু আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। যেহেতু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বাদ দিয়েছে, সেহেতু আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

    চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কথা বলা হয়। তখন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

  • ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন পত্র উত্তোলণ করলেন সমর্থকরা।

    ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন পত্র উত্তোলণ করলেন সমর্থকরা।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাস আর আনন্দ মিছিল নিয়ে বুধবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এ সময় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচন অফিসের বাহিরে শত শত কর্মী-সমর্থকগণ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

    (মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর) সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত এ আসনটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আসন সমঝোতা অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ মার্কায় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি আগেই স্পষ্ট করেছেন। মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়টি আরও নিশ্চিৎ হয়েছে।
    একই সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে ও জেলা বিএনপির সদস্য আক্তার হোসেনও এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করার বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে এই আসনে কাজ করছি। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব। নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আস্থা ও ভালবাসার টানে এখানে আমাকে নির্বাচন করতে হবে। মহান আল্লাহ যদি সহায় হউন মানুষের ভালবাসার প্রতিদান হিসেবে গোপন ব্যালটে জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আমার বিজয় নিশ্চিৎ হবে।

    উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৯ জন, আশুগঞ্জে উপজেলায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯ জন এবং বিজয়নগর উপজেলার দুই ইউনিয়নে ৫৭ হাজার ৭৪০ জন ভোটার রয়েছেন।আনন্দ মিছিল নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন পত্র উত্তোলণ করলেন সমর্থকরা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাস আর আনন্দ মিছিল নিয়ে বুধবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এ সময় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচন অফিসের বাহিরে শত শত কর্মী-সমর্থকগণ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

    (মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর) সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত এ আসনটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আসন সমঝোতা অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ মার্কায় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি আগেই স্পষ্ট করেছেন। মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়টি আরও নিশ্চিৎ হয়েছে।
    একই সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে ও জেলা বিএনপির সদস্য আক্তার হোসেনও এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করার বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে এই আসনে কাজ করছি। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব। নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আস্থা ও ভালবাসার টানে এখানে আমাকে নির্বাচন করতে হবে। মহান আল্লাহ যদি সহায় হউন মানুষের ভালবাসার প্রতিদান হিসেবে গোপন ব্যালটে জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আমার বিজয় নিশ্চিৎ হবে।

    উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৯ জন, আশুগঞ্জে উপজেলায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯ জন এবং বিজয়নগর উপজেলার দুই ইউনিয়নে ৫৭ হাজার ৭৪০ জন ভোটার রয়েছেন।

  • রামপুরায় হত্যাযজ্ঞ  বিজিবির রেদোয়ানুলসহ ৪ জনের বিচার শুরুর আদেশ

    রামপুরায় হত্যাযজ্ঞ বিজিবির রেদোয়ানুলসহ ৪ জনের বিচার শুরুর আদেশ

    জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এদিন শুরুতেই আসামিদের অব্যাহতির জন্য আইনজীবীদের আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে রয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান, সহিদুল ইসলামসহ অন্যরা।

    রেদোয়ানসহ গ্রেফতার দুজনের পক্ষে আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেনও উপস্থিত আছেন।

    ২১ ডিসেম্বর পলাতক দুই আসামির পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। উপস্থিত দুই আসামির হয়ে লড়েন আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ। শুনানিতে প্রত্যেকেই ডিসচার্জের আবেদন করেন।

    রেদোয়ানুল ছাড়া গ্রেফতার অপরজন হলেন- বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। এদিন সকালে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

     

    আরও পড়ুন

    টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতন: আসামি হাসিনা, কামালসহ আরও যেসব ভিআইপি

    টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতন: আসামি হাসিনা, কামালসহ আরও যেসব ভিআইপি

     

     

    এ মামলায় পলাতক রয়েছেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

    এর আগে, ১৪ ডিসেম্বর এ বিষয়ে শুনানির কথা ছিল। কিন্তু বিশেষ কারণে হয়নি। ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলেছে। এর মধ্যে রামপুরায় নিহত হয়েছেন ২৮ জন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রামপুরায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা যায়।

    এছাড়া অন্যরাও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এ হত্যাযজ্ঞে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ট্রাইবুনালে চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।