Author: তরঙ্গ টিভি

  • বগুড়া শেরপুরে মহান বিজয় দিবসে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

    বগুড়া শেরপুরে মহান বিজয় দিবসে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

    আজ ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ৯ টায় মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে শেরপুর উপজেলার অন্তর্গত আম্বইল বাগানপাড়া’র আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনার বেদিতে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন সহ সকল শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখা’র সভাপতি উত্তম কুমার, সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার সিং, সহ সাধারণ সম্পাদক শান্ত কুমার সিং, কোষাধ্যক্ষ শাওন কুমার, সদস্য পরিমল সিং, বিমল সিং, পলান সিং, ভক্ত কুমার সিং, সৌরভ কুমার সিং প্রমুখ

    আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যদের মত বাংলাদেশের আদিবাসীরাও সমান ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং জীবন দিতে ও পিছপা হাটেনি। কিন্তু দেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি আদিবাসীদের প্রাণের দাবি আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে,  মহান বিজয় দিবস  উদযাপিত।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, মহান বিজয় দিবস উদযাপিত।

    যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের হয়।উক্ত র‍্যালীটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারের সম্মুখে শেষ হয়।র‍্যালীশেষে শহীদ মিনারের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার সদস্যরা প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এস এম হেমায়েত জাহানকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করেন।সাড়ে১০টায় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন প্রো -ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এস এম হেমায়েত জাহান।এছাড়া পবিপ্রবি ইউট্যাব,জিয়া পরিষদ,জাতীয়তাবাদী ছাএদল, জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদ পুস্পস্তবক অর্পণ করে।পরে এক আলোচনা সভায় ইউট্যাব সভাপতি প্রফেসর ড.মো: মামুন অর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এস এম হেমায়েত জাহান।ড.এবি এম সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএএম অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর বদিউজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.মো: হাবিবুর রহমান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো:মাহফুজুর রহমান সবুজ, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ড.হাচিব মোহাম্মদ তুষার, সহকারী রেজিস্ট্রার এম রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ, ছাএদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রাতুল, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি, কর্মচারী প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন, মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় সৃজনী বিদ্যানিকেতনে শিশু-কিশোরদের জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শিক্ষক, কর্মকর্তা,শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।দুপুরে শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও দেশ-জাতির শান্তি কামনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মো: আব্দুল কুদ্দুছ।এছাড়া মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ২দিন আগেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনা আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।।#
    জাকির হোসেন হাওলাদার।

  • বীরশ্রেষ্ঠের বাড়িতে মাদকসেবীদের আড্ডা

    বীরশ্রেষ্ঠের বাড়িতে মাদকসেবীদের আড্ডা

    নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার সাবেক রামনগর, বর্তমান বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর গ্রামে কেটেছে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের শৈশব। সরকারিভাবে গ্রামের নাম পরিবর্তন করে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর নামকরণ করা হলেও তার স্মৃতি রক্ষায় গড়ে তোলা গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর আজও পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি।

    রামনগর হাইস্কুলের পাশে ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সেখানে বীরশ্রেষ্ঠের জীবন ও মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনো উল্লেখযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত নেই। নামমাত্র জাদুঘর, বাস্তবে সেটি কার্যত একটি সাধারণ পাঠাগারেই সীমাবদ্ধ।

    সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গ্রন্থাগারে কিছু বই থাকলেও পাঠক সংখ্যা কম। বই পড়তে আসা অধিকাংশই স্থানীয় স্কুলের ছাত্রছাত্রী। জাদুঘর কক্ষে নেই কোনো ঐতিহাসিক দলিল কিংবা ব্যবহার সামগ্রী ছবি।

    স্থানীয় পাঠক শান্ত ইসলাম বলেন, আমি মাঝেমধ্যে এখানে বই পড়তে আসি। আমাদের গ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের আত্মত্যাগ আমাদের গর্বের। কিন্তু জাদুঘরে তার স্মৃতিচিহ্ন না থাকায় আমরা হতাশ। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বই না থাকায় ধীরে ধীরে পাঠকের আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

    গ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান বিউটি আক্তার জানান, বর্তমানে এখানে ৪ হাজার ২০০ বই রয়েছে। তবে ২০০৮ সালের পর নতুন কোনো বই আসেনি। পাঠকদের জন্য নিয়মিত ৩টি বাংলা ও ১টি ইংরেজি পত্রিকা রাখা হতো, এখন বন্ধ।

    এদিকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের নিজ বাড়িটিও পড়ে আছে অযত্ন-অবহেলায়। স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় বসবাস করেন। বছরে এক-দুবার এসে বাড়ি দেখে আবার চলে যান। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বাড়িটির অবস্থা এখন খুবই করুণ।

    বাড়ির অদূরেই স্মৃতি জাদুঘর এলাকা নিয়েও রয়েছে উদ্বেগজনক অভিযোগ। স্থানীয় কয়েকজন যুবক জানান, দিনের বেলায় একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি থাকলেও রাতের বেলায় সেখানে নেশাখোরদের আড্ডা বসে এবং মাদকসেবনের ঘটনাও ঘটে। এতে বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিবিজড়িত স্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

  • বিজয় দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প ও বিশেষ অ্যারোবেটিক

    বিজয় দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প ও বিশেষ অ্যারোবেটিক

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়তে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার আকাশ থেকে ‘ফ্রি ফল জাম্প’ করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আকাশের ১২ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে লাফিয়ে মাটিতে অবতরণ করেছেন তারা।

    প্যারেড স্কয়ারে অবস্থানকালে দেখা যায়, বিমান থেকে ফ্রি ফল জাম্প করার পর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার আকাশে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েক মিনিট ঘুরে বেড়ান। পরে এক এক করে সবাই নিরাপদে ভূমিতে অবতরণ করেন।

    dhakapost

    এর আগে, মহান বিজয় দিবসটিকে আরও মহিমান্বিত ও আকর্ষণীয় করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে একটি মনোজ্ঞ ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প এবং বিশেষ অ্যারোববেটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনে অংশ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই প্রতিটি প্রদর্শনীকে অত্যন্ত আকর্ষণীয়তার সঙ্গে উপভোগ করেন।

    ঢাকার বাইরে বিমান বাহিনী সীমিত আকারে ফ্লাই পাস্ট (খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া, চট্টগ্রাম শহর ও ফৌজদারহাট এলাকা, কক্সবাজার এবং মাতারবাড়ী এলাকায়) পরিচালিত হয়।

    বিজয়ের ৫৪তম বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিকুর রহমান এবং সশস্ত্র বাহিনীর ৫৩ জনসহ সর্বমোট ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করেন, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং আজ পর্যন্ত এ রেকর্ডটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে লিপিবদ্ধ হয়নি। সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের এই উদ্যোগটি সফল হলে প্রথমবারের মতো এতসংখ্যক পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের রেকর্ডটি বাংলাদেশের পক্ষে লিপিবদ্ধ হবে, যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

    dhakapost

    অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচয় এবং ভাবমূর্তি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আয়োজকরা। একইসঙ্গে এই আয়োজন দেশে-বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে জাতীয় গৌরব ও আত্ম পরিচয়ের অনুভূতি জাগিয়ে তুলবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও মনোজ্ঞ এ আয়োজনে প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনৈতিক ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরাসহ আমন্ত্রিতরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বগুড়া শেরপুরে মহান বিজয় দিবসে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।

    বগুড়া শেরপুরে মহান বিজয় দিবসে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।

    আজ ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ৯ টায় মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে শেরপুর উপজেলার অন্তর্গত আম্বইল বাগানপাড়া’র আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনার বেদিতে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন সহ সকল শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখা’র সভাপতি উত্তম কুমার, সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার সিং, সহ সাধারণ সম্পাদক শান্ত কুমার সিং, কোষাধ্যক্ষ শাওন কুমার, সদস্য পরিমল সিং, বিমল সিং, পলান সিং, ভক্ত কুমার সিং, সৌরভ কুমার সিং প্রমুখ

    আদিবাসী ছাত্র পরিষদ শেরপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যদের মত বাংলাদেশের আদিবাসীরাও সমান ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং জীবন দিতে ও পিছপা হাটেনি। কিন্তু দেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি আদিবাসীদের প্রাণের দাবি আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

    মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৫৭ মিনিটের দিকে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

     

    আরও পড়ুন

    ৫৪ বছরেও রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মুক্তি মেলেনি

    ৫৪ বছরেও রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মুক্তি মেলেনি

    এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল ৬টা ৩৩ মিনটের দিকে তিনি ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    এদিকে বিজয়ের ৫৫ বছর উদযাপনকে ঘিরে বর্ণিল আলোয় সেজেছে রাজধানী ঢাকা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই লাল-সবুজের আলোকচ্ছটায় ঝলমলিয়ে উঠেছে পুরো ঢাকা। এতে মুগ্ধ নগরবাসী।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

    তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। এই ভিত্তি গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে এবং সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আনবে। বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন এখনো পূর্ণতা পায়নি, সেই লক্ষ্য অর্জনের যাত্রা এখান থেকেই শুরু করা সম্ভব হবে।
    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
    রিজওয়ানা বলেন, ‘এটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি এক ধরনের গণভোটও। সংস্কার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে। এর ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন রূপে শুরু হতে পারে।’
    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে দমন করতে যুক্তি ও তর্কের বদলে হত্যাচেষ্টার মতো সহিংস পন্থা নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত। এতে কোনো বীরত্ব নেই।’
    উপদেষ্টা বলেন, ‘শক্তি থাকলে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সামনে যাওয়ার পথ সবারই জানা।’
    তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে তার কোনো স্থান নেই। এই সরকার তখনই সফল হবে, যখন সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার এবং সংস্কারের যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা যাবে।’
    উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য একটি শক্তি সক্রিয় রয়েছে। সেই শক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও প্রয়োজন।’
    তিনি বলেন, ‘সরকার শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকেই তাকিয়ে আছে। তবে জনগণকে ভীত করার একটি প্রচেষ্টা চলছে। জনগণের সুরক্ষায় সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছে।’
  • একাত্তরের স্বাধীনতার শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়: মির্জা ফখরুল

    একাত্তরের স্বাধীনতার শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়: মির্জা ফখরুল

    একাত্তরের স্বাধীনতার শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার শত্রুরা যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে একাত্তর সালে অবস্থান নিয়েছিলো আজকে তারা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়। বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষ, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ তাদের সব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে অবশ্যই বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অটুট রাখবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে ইনশাল্লাহ।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই যুদ্ধে আমরা এই মাসের ১৬ তারিখে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিলাম। এজন্যই এই দিনটি আমাদের কাছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আজকে আমাদের দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির স্থায়ী সদস্যরাসহ আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও জিয়ারত করতে এসেছি।

     

    তিনি বলেন, আজকে এই মাজারে আমরা শপথ নিয়েছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ন রাখবার জন্য আমাদের যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রাম সবসময় অব্যাহত থাকবে। আমরা শপথ নিয়েছি, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য আমরা যে সংগ্রাম করেছি লড়াই করেছি, করছি এগুলো আমরা অব্যাহত রাখবো।

    মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এ দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অত্যন্ত প্রহরী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য যিনি নিরন্তর সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন, সেই মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি অসুস্থ অবস্থায় আছেন। আমরা তার রোগ মুক্তির জন্য দোয়া চাইছি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশা করছি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। তার আগমনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই আরও বেগবান হবে।

    কর্মসূচিতে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ও আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ অন্যান্য নেতারা।

  • বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

    বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

    মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করছেন সর্বস্তরের মানুষ।
    আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।
    এর আগে ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
    তারও আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান। সেখানে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    এরপর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
    এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
    এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
    পূব আকাশে সূর্য ওঠার আগেই বিজয়োল্লাসে মেতে ওঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা। কুয়াশা আর হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে হাতে লাল-সবুজের পতাকা আর হৃদয়ে দেশপ্রেম নিয়ে হাজির হন হাজারও মানুষ। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ বীর শহীদদের স্মরণ করতে ভিড় করছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শহীদ বেদীতে ফুল দিতে আসেন।
    শিশুদের মাথায় জাতীয় পতাকা আর গালে আঁকা আল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আমেজ। সবার কণ্ঠে ছিল অসাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেকে।
  • সরাইলে গরুর লাথিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে  ৫০ জন আহত ও বাড়িঘর ভাঙচুর।

    সরাইলে গরুর লাথিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত ও বাড়িঘর ভাঙচুর।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চানমনি পাড়া ও সৈয়দটুলা গ্রামের মধ্যে দুপুর ১১টা থেকে বিকেলে ৫ ঘটিকা পযন্ত দীর্ঘ ৬ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ৫০জন ব্যক্তি আহত সহ বাড়িঘরের ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) মালম মিয়া’র গরুর লাথিকে কেন্দ্র করে চানমনি পাড়া ও সৈয়দটুলা গ্রামের যুবকদেরমধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে অনেককে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় কয়েকটি বসতঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

     

    সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের ভুইয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।