Author: তরঙ্গ টিভি

  • অধিকার বঞ্চিত শিশু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালিত

    অধিকার বঞ্চিত শিশু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালিত

    অধিকার বঞ্চিত শিশু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিজয় দিবসের র‌্যালি শুরু হয় সকাল আটটায়। র‌্যালি বিশ্ব কলোনি লেক সিটি হয়ে আকবরশাহ থানার সামনে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    র‌্যালি শেষে সকাল নয়টায় বাচ্চাদের নাস্তা ব্যবস্থা করা হয় এবং দশটায় থেকে শুরু হয় রচনা প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা। রচনা প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছিন ভূঁইয়া। খেলাধুলা শেষে দুপুর দুইটায় শিশুদের মাঝে দুপুরের খাবার আয়োজন করা হয়। দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অত্র সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মোমেন মোল্লা। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় বিকেল পাঁচটায় অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠাতা জান্নাতুল ফেরদৌস বৃষ্টির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস বৃষ্টি, প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছিন ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মোমেন মোল্লা, অত্র সংগঠনের ফেনী জেলার সমন্বয়ক কাউসার শরীফ নয়ন, চট্টগ্রাম ইউনিট লিডার ফোরকান আলী, প্রচার সম্পাদক স ম জিয়াউর রহমান, উপদেষ্টা খুরশিদা খানম খুশি, অত্র সংগঠনের আহ্বায়ক সাবরিনা আফরোজা, উপদেষ্টা কাউছার উদ্দিন, উপদেষ্টা মো. আক্তার হোসেন, উপদেষ্টা মনিরা আক্তার রুনা, শিক্ষা সম্পাদিকা তাসলিমা আক্তার প্রিয়া, অর্থ সম্পাদিকা নাদিয়া সুলতানা, সদস্য মাহাবুব আলম, সদস্য মো. শামীম।

    বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরব ও আত্মমর্যাদার এক চিরস্মরণীয় প্রতীক। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও মা বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন ও দেশপ্রেম জাগ্রত করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিজয়ের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক জীবনের সততা ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে একটি সুন্দর উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা

  • স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই হাউস অব লর্ডসে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত।

    স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই হাউস অব লর্ডসে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত।

    বাংলাদেশের ৫৫তম বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার লন্ডনের হাউস অব লর্ডস-এর কমিটি রুম–১ এ। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপনের পাশাপাশি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, কমিউনিটি লিডার এবং স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের সম্মানসূচক কনসাল জেনারেল ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই, ডিবিএ, ডি.লিট-এর অসামান্য অবদানকে বিশেষভাবে সম্মাননা জানানো হয়।

     

    অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে নর্থ্যাম্পটন ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বার।এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাউস অব লর্ডসের সদস্য, সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী এবং কমিউনিটি প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, স্কটল্যান্ড থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন আগামী স্কটিস পার্লাম্যান্ট নির্বাচনে আলবা পার্টি স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য এমপি পদপ্রার্থী আবু মিরন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম ডি মতিন ও আব্দুল মতলিব চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন নর্থ্যাম্পটন ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বারের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। এরপর পরিবেশিত হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লর্ড রামি রেঞ্জার, হাউস অব লর্ডসের সদস্য। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর নাজ ইসলাম, নর্থ্যাম্পটন টাউন কাউন্সিল ও ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বারের প্রেসিডেন্ট।অনুষ্ঠানে জাতীয় ও কমিউনিটি পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

     

    তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুজাহিদ খান এমবিই ডিএল, ব্যারোনেস পোলা উদ্দিন, মাইক রিডার এমপি, আপসানা বেগম এমপি, মিসেস রুহালি উদ্দিন কাউন্সিলর ওহিদ আহমেদ, কাউন্সিলর রীতা বেগম, প্রফেসর ড. সানাওয়ার চৌধুরী, অলি খান এমবিই, মিতু চৌধুরী, টিপু রহমান, রফিক হায়দার, শাহাগীর বখত ফারুক, প্রফেসর ড. রইস আলী, কামাল ইয়াকুব, ড. মিশবাউর রহমান এবং সালিম শরীফ। বক্তারা বিজয় দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং ব্যবসা, দাতব্য কার্যক্রম ও কমিউনিটি নেতৃত্বে ড. উদ্দিনের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন।

    অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই-এর মূল বক্তব্য।
    তিনি ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ঐক্য, সেবা ও যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে সলিসিটার সাদিক চৌধুরী এলএল.এম-এর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে। পরিশেষে মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সার্বিকভাবে, এই অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন এবং একজন ব্যতিক্রমী কমিউনিটি নেতাকে সম্মান জানানোর এক স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন হিসেবে সমাপ্ত হয়।

  • পাঁচলাইশ থানা জাসাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস–২০২৫ উদযাপন।

    পাঁচলাইশ থানা জাসাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস–২০২৫ উদযাপন।

    বাংলাদেশের ৫৫তম মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে জাসাস–পাঁচলাইশ থানার উদ্যোগে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর খোলা ট্রাকযোগে পুরো চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে বিজয় দিবসের গান পরিবেশন করেন জাসাস শিল্পীবৃন্দ।এই মহতী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে।

    উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম–৯ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান।

    পাঁচলাইশ থানা জাসাসের সভাপতি মোঃ সাইদুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির নেত্রী নাজমা সাঈদ, জাসাস দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর জাসাস নেত্রী নাহিদা নাজু, শিল্পী এসবি সুমী, আকবরশাহ থানা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক রিপন ভাণ্ডারি, বন্দর থানা জাসাসের সভাপতি মোঃ সেলিম।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাস পাঁচলাইশ থানার সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান।

    আরও উপস্থিত ছিলেন পাঁচলাইশ থানা জাসাসের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহার, অর্থ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহদাত রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও শিল্পীবৃন্দ।

  • বিজয় দিবস উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    বিজয় দিবস উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড এর বিদিরপুর ব্রাহ্মনডাঙ্গা (আশ্বিনা আম বাগানে) পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ব্রাহ্মণডাঙ্গা (আশ্বিনা আম বাগান যুব সমাজ) এর আয়োজনে ১৬ ডিসেম্বর রাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    সু-গার্ডন এর প্রোপাইটর মোঃ হযরত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মোসাঃ নাজনীন ফাতেমা (জিনিয়া)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়াডের কাউন্সিলর মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়াডের জামায়াতের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম,ব্যবসায়ী পলাশ আলী,শাহিন আলী, হযরত আলীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

  • খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমের প্রধান হলেন শামছুল ইসলাম

    খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমের প্রধান হলেন শামছুল ইসলাম

    খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পেলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

  • প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    পাবনায় প্রকাশ্য দিবালোকে বিরু মোল্লা (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের কামালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত বিরু মোল্লা উপজেলার কামালপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত আবুল মোল্লার ছেলে ও লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।

    এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লাকে অভিযুক্ত করেছে তার স্বজনরা। অভিযুক্ত জহুরুল মোল্লা একই এলাকার মৃত ইসলাম মোল্লার ছেলে।

    নিহত বিরু মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা জানান, আমার বাবা বিরু মোল্লা ও জহুরুল মোল্লা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। জহুরুল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতের আধারে আবারো চরের জমি দখল করে মাটি কেটে বিক্রি করেন তিনি। সকালে বিষয়টি জানতে পেরে আমি ও আমার বাবা জহুরুল মোল্লার বাড়িতে গিয়ে মাটি কাটার বিষয়টি জিজ্ঞেস করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি প্রকাশ্য দিবালোকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে আমার বাবা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আমি আমার বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জহুরুল মোল্লার সঙ্গে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান জানান, গুলিবিদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কের নিহতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • হাদিকে হত্যাচেষ্টা  হামলায় ব্যবহৃত বাইক ৮ জনের হাতবদল, ভুয়া নম্বর প্লেট হেলমেট উদ্ধার

    হাদিকে হত্যাচেষ্টা হামলায় ব্যবহৃত বাইক ৮ জনের হাতবদল, ভুয়া নম্বর প্লেট হেলমেট উদ্ধার

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার উদ্দেশে হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

    রাজধানীর বনলতা আবাসিক এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেটটি উদ্ধার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

    পুলিশ জানায়, আট ব্যক্তির হাতবদল হয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সালের সহযোগী মো. কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাইনুদ্দিন ইসলামের নামে মোটরসাইকেলটি কেনা হয়।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

    তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর প্লেট পরিবর্তনের বিষয়টি উদঘাটন করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম আগারগাঁও বনলতা আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ির নিচ তলার পার্কিং থেকে মোটরসাইকেল ও হেলমেটটি উদ্ধার করা হয়।

    পরে ভুয়া নম্বর প্লেট পরিত্যক্ত অবস্থায় ম্যানহোলের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।

     

    আরও পড়ুন

    হাদিকে গুলির আগের রাতে ফয়সাল তার বান্ধবীকে দেশ কাঁপানোর বার্তা দেন

    হাদিকে গুলির আগের রাতে ফয়সাল তার বান্ধবীকে দেশ কাঁপানোর বার্তা দেন

     

    মোটরসাইকেলটির মালিকানা শনাক্তে নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হয়। হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির প্রথম মালিক ছিলেন আব্দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। পরে শহিদুল, রাসেল, মার্কেটপ্লেস, ওবায়দুল ইসলাম, আনারুল, আনারুল থেকে পুনরায় ওবায়দুল হয়ে শুভ নামে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি কেনেন।

    ৮ ব্যক্তির হাতবদল হয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সালের সহযোগী মো. কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাইনুদ্দিন ইসলামের নামে মোটরসাইকেলটি কেনা হয়।

    উদ্ধার মোটরসাইকেল, হেলমেট এবং ভুয়া নম্বর প্লেটটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান ডিসি তালেবুর রহমান।

  • হাদিকে গুলির আগের রাতে ফয়সাল তার বান্ধবীকে দেশ কাঁপানোর বার্তা দেন

    হাদিকে গুলির আগের রাতে ফয়সাল তার বান্ধবীকে দেশ কাঁপানোর বার্তা দেন

    হাদিকে গুলির আগের রাতেই হত্যাচেষ্টার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শুটার ফয়সাল। ঢাকার সাভারে একটি রিসোর্টে অবস্থানকালে তিনি তার কথিত বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে জানান, পরদিন এমন একটি ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে—যা ‘সারা দেশ কাঁপাবে’। পরদিনই প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানীর পল্টন এলাকায় বক্স কালবার্ট রোডে জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর চালানো হয় গুলি। গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে পাওয়া এসব তথ্য নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে, মোহাম্মদপুরের এক সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড। অন্তত ২০ জনের একটি সংগঠিত গ্রুপ হত্যাচেষ্টা, অর্থায়ন, অস্ত্র সরবরাহ, পালিয়ে যাওয়া এবং সীমান্ত পারাপারে সহায়তায় জড়িত ছিল।

    র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯ জন গ্রেফতার হয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ম্যাগাজিন এবং কয়েক কোটি টাকার চেক। গ্রেফতারদের রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলছে এবং আরও শুটার গ্রুপ সক্রিয় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

    এসব তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ধারণা করছে, এ ধরনের একাধিক শুটার গ্রুপ মাঠে সক্রিয় থাকতে পারে। এজন্য গোয়েন্দা সংস্থার চৌকশ সদস্যরা সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের অবস্থান চিহ্নিত করতে একযোগে মাঠে কাজ করছেন।

    তদন্তসংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ওসমান হাদিকে হত্যার লক্ষ্যে কয়েক কোটি টাকা ইনভেস্ট করার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। শুটার ফয়সালের বাসা থেকে বেশকিছু চেকও উদ্ধার করা হয়েছে। ওইসব চেকে ফয়সালের স্বাক্ষর রয়েছে। এসব নিয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের কর্নেল গলিতে ফয়সালের বোনের বাসার নিচ থেকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের ২টি ম্যাগাজিন ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র্যাব। র্যাব জানিয়েছে, ম্যাগাজিন ও গুলি বোনের বাসা থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হাদির ওপর গুলিবর্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, একটি খেলনা পিস্তল ও ৪১ রাউন্ড গুলি নরসিংদী সদর উপজেলার তরুয়া এলাকার মোল্লার বাড়ির সমানে তরুয়ার বিলে পানির মধ্য থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। শুটার ফয়সলের বাবা হুমায়ুন কবির ও মা মোসাম্মাৎ হাসি বেগমকে র্যাব-৩ গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ওসমান হাদি হত্যাচেষ্টায় এখন পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ও পুলিশ। তারা হলেন, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের কথিত মালিক আবদুল হান্নান, সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারে জড়িত সন্দেহে সঞ্জয় চিসিম ও সিবিরন দিও এবং ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মোটরসাইকেলের মূল মালিক মো. কবির এবং ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী মোসাম্মাৎ হাসি বেগম। এর মধ্যে আবদুল হান্নানকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে রোববার তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এছাড়া গ্রেফতার কবিরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে আছে। এ ঘটনায় ডিএমপির পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের করা হত্যাচেষ্টা মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

    জানতে চাইলে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হাদি হত্যাচেষ্টায় কার কী ভূমিকা ছিল, এর পেছনে কারা কাজ করেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।

    সূত্র বলছে, রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। ওসমান হাদির ওপর হামলার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন কথিত বান্ধবী মারিয়া। ঘটনার আগের রাতে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে ফয়সাল ও আলমগীর সাভারের গ্রিন জোন রিসোর্টের ২০৪ নম্বর রুমে রাত্রিযাপন করেন। সেখানে ছিলেন ফয়সালের কথিত বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা। ওই রাতে ফয়সাল তার বান্ধবীকে বলেন, ‘কাল (শুক্রবার) এমন কিছু হবে, সারা দেশ কাঁপবে’।

    শুক্রবার সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে তারা রিসোর্ট ছেড়ে একসঙ্গে ঢাকায় আসেন। মারিয়াকে তিন হাজার টাকাও দেন ফয়সাল। রিসোর্টের ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সিয়াম নামে রিসোর্টের এক কর্মচারীর মাধ্যমে তারা চার হাজার টাকায় রুম বুকিং দেন।

    গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য বলছে, শুক্রবার দুপুরে হামলা চালানোর সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটটি ছিল ভুয়া। ঘটনার পর ফয়সাল ও আলমগীর চলে যান রাজধানীর আগারগাঁওয়ের কর্নেল গলিতে বোন জেসমিনের বাসায়। সেখানে ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট বদল করে আসলটি লাগিয়ে দেন। ফয়সালকে পালাতে গাড়িও ডেকে দেন তিনি। এছাড়া স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া তার ভাই ওয়াহিদ আহমেদ শিপুকে দিয়ে বিকাশে ফয়সালের কাছে মোট ৪০ হাজার টাকা পাঠান। জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী সামিয়া দাবি করেছেন, তিনি ওসমান হাদির ওপর হামলার বিষয়ে কিছুই জানতেন না। ফয়সাল নিয়মিত বাসায়ও থাকতেন না। তিনি ফয়সালের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে জানান।

    তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট পর্যন্ত যেতে যে প্রাইভেট কার ভাড়া করা হয়, এর চালক এখন পুলিশ হেফাজতে। তার দেওয়া তথ্যমতে আরেক প্রাইভেট কারচালকও নজরদারিতে রয়েছেন। যিনি ময়মনসিংহে যাওয়া প্রাইভেট কারটি ভাড়া করে দেন। পুলিশ বলছে, তাকে গ্রেফতার করতে পারলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। যদিও ধূর্ত ওই চালক ফোনসেট ও নম্বর পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এছাড়া ফয়সালের বাসা থেকে কয়েক কোটি টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মিশন বাস্তবায়নের জন্য ফয়সালের চুক্তি করা টাকার চেক এগুলো।

    ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির সাত দিনের রিমান্ডে : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেফতার মো. কবিরকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিমের ইনস্পেকটর ফয়সাল আহমেদ। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে বলেন, হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক আসামি মো. কবির। তার মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করে হাদিকে হত্যাচেষ্টার মিশন চালানো হয়।

    রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার পূর্বপরিকল্পনা, সহযোগী ও অর্থায়নকারীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

    রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর কাইয়ুম হোসেন নয়ন আদালতে রিমান্ড শুনানিতে বলেন, কবির আদাবর থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। যে মোটরসাইকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে হাদিকে গুলি করা হয়, সেখানে এ আসামি উপস্থিত ছিল। কবির ফয়সালকে নিয়ে হাদির বাসায়ও যায়। ভিডিও ভাইরাল হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। হাদিকে হত্যাচেষ্টার অস্ত্র সরবরাহ করেছে কবির। এই কবিরই ওই মোটরসাইকেলের মালিক।

    এদিকে আদালতে কবিরের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তার কিছু বলার আছে কি না জানতে চান আদালত।

    পরে কবির আদালতকে বলেন, ‘আমি উবার গাড়ি চালাতাম। মাঝেমধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদ আমাকে ফোন দিত। আমাকে গুলশানসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত। ১৮ থেকে ২০ দিন আগে ফোন করে হাদির অফিসে নিয়ে যেতে চায়। বলে, গেলে উপকার হবে। পরে হাদির অফিসে নিয়ে যায়।

    তিনি বলেন, মোটরসাইকেলটি আমার বন্ধু মাইনুদ্দিন ইসলাম শুভ কিনেছে। আমরা দুজনই একই দিনে গাড়ি কিনতে যাই। ও আমার আইডি কার্ড দিয়ে গাড়ি কেনে। মোটরসাইকেলের সবকিছু ওর নামে, শুধু আমার আইডি কার্ড ব্যবহার করেছে। গাড়ি কেনার সময় আমি ছিলাম। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালত কবিরের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার বেলা ২টা ২০ মিনিটে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সিটি স্ক্যান এবং অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ওইদিন রাতেই তাকে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়েছে সিঙ্গাপুরে।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকার ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকার ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ।

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকার ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার সামনে ঘৃণাস্তম্ভে শনিবার বেলা ১২টা থেকে জুতা নিক্ষেপ করা হয়। সেখানে ‘নিঃশব্দ ঘৃণা’ নামে গণস্বাক্ষর বোর্ডে শিক্ষার্থীরা রাজাকারদের প্রতি ঘৃণাও প্রকাশ করেন।খবর আইবিএননিউজ।

    স্বাক্ষর বোর্ডে কেউ কেউ লিখেন, ‘একাত্তরের রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘গণহত্যার সমর্থকরা কীভাবে রাজনীতি করে’, ‘রাজাকারের বাচ্চারা এ যুগের কুলাঙ্গার’, ‘রাজাকার ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিকৃষ্ট ইতর প্রাণী’।

    কর্মসূচির আয়োজকদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত চৌধুরী বলেন, “১৯৭১ সালে যারা এদেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে আমরা এ আয়োজন করেছি। পাকিস্তানি বাহিনীর যে বর্বরতা আমরা তা জাতির কাছে তুলে ধরতে এ আয়োজন যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুলে না যায়।”

    জুতা নিক্ষেপ করতে আসা সুফি হাশিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমি চরম মাত্রায় ঘৃণা করি, যারা এদেশের এ সম্পদগুলোকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমি মনে করি না তারা কোনো মুসলমান, যারা পাখির মত মানুষ মারে।”

    আয়োজকদের আরেকজন আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, “এটা (ঘৃণাস্তম্ভ) ২০০৭ সালে কয়েকজন সেক্টর কমান্ডার উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, আমরা সেখানে আয়োজক ছিলাম।

    “আমি ভেবেছিলাম, শিক্ষার্থীরা রাজাকার ও এই স্তম্ভকে ভুলে যাবে। কিন্তু আজ সকালে শিক্ষার্থীরা যখন এই ঘৃণাস্তম্ভে ঘৃণা প্রকাশ করতে এসেছে, সেটা দেখে অত্যন্তু খুশী হয়েছি। আমিও সেখানে ঘৃণা প্রকাশ করতে এসেছি।”

    ঘৃণাস্তম্ভের পেছনে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধে দন্ডিত গোলাম আজম,মতিউর রহমান নিজামী, আলবদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মইনুদ্দীন, পূর্ব-পাকিস্তানের সামরিক প্রধান আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীসহ অনেকের ছবি রাখা হয়েছে

  • মেয়র যোহরান মামদানি গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন

    মেয়র যোহরান মামদানি গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন

    নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি তার স্ত্রী রামাকে নিয়ে গ্রেসি ম্যানশনের বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন।

    তিনি কীভাবে ও কবে নাগাদ সেখানে মুভ করবেন, সেই পরিকল্পনাও করেছেন। জানুয়ারি মাসে শপথ গ্রহণের পর তারা সেখানে মুভ করবেন।খবর আইবিএননিউজ।
    তার ট্রানজিশন টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেয়র-নির্বাচিত জোহরান মামদানি গ্রেসি ম্যানশনে বসবাসের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

    তিনি বলেছেন, যদিও আমি আর অ্যাস্টোরিয়ায় থাকতে পারব না, কিন্তু অ্যাস্টোরিয়া সর্বদা আমার ভেতরে এবং আমার কাজের মধ্যে বাস করবে। জোহরান মামদানি জানুয়ারিতে শপথ গ্রহণের পর তার স্ত্রী রামার সঙ্গে গ্রেসি ম্যানশনে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

    গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করে মেয়র (নির্বাচিত) জোহরান মামদানি একটি বিবৃতিও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি এবং আমার স্ত্রী রামা জানুয়ারিতে গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা অ্যাস্টোরিয়ায় আমাদের বাড়ির অনেক কিছু মিস করব। আমাদের রান্নাঘরে পাশাপাশি রাতের খাবার রান্না করা, সন্ধ্যায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঘুমন্ত লিফটে চড়ি, অ্যাপার্টমেন্টের দেয়ালজুড়ে গান ও হাসির শব্দ শুনি।

    মামদানি আরও বলেছেন, আমার অগ্রাধিকার সর্বদা এই শহরের মানুষের সেবা করা। আমি স্টেইনওয়েতে লাইন কুকদের জন্য, ডাচ কিলস খেলার মাঠে দুলতে থাকা শিশুদের জন্য, কিউ ১০১ বাসের জন্য অপেক্ষা করা বাস আরোহীদের জন্য মেয়র হব। যদিও আমি আর অ্যাস্টোরিয়ায় থাকব না, তবে অ্যাস্টোরিয়া সব সময় আমার ভেতরে এবং আমার কাজের মধ্যে বেঁচে থাকবে