Author: তরঙ্গ টিভি

  • হাদির মৃত্যু : বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

    হাদির মৃত্যু : বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

    শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত বরিশাল নগরের চৌমাথা এলাকায় এ অবরোধ চলে।অবরোধের কারণে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দরসহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

    আরো পড়ুন

    ওসমান হাদির মৃত্যুতে খুবি উপাচার্যের শোক ও দোয়ার আয়োজন

    ওসমান হাদির মৃত্যুতে খুবি উপাচার্যের শোক ও দোয়ার আয়োজন

     

    এ সময় বিক্ষোভকারীরা ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। রাত পৌনে ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

    বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। বিক্ষোভকারীরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

  • বেতাগীতে একই রাতে সরকারি দুই কার্যালয়ে চুরি, শহরে আতঙ্ক

    বেতাগীতে একই রাতে সরকারি দুই কার্যালয়ে চুরি, শহরে আতঙ্ক

    বরগুনার বেতাগী উপজেলায় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) গভীর রাতে সরকারি দুটি গুরুত্বপূর্ণ অফিসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। একই রাতে পৃথকভাবে এই দুই অফিসে চুরি হওয়ার ঘটনায় পৌর শহরে ভয়ে ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সরকারি পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও উপজেলা পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশে থাকা অফিসে তালা ভেঙে আলমারি থেকে দেড় লাখ টাকার মতো নগদ টাকা চুরি করা হয়।
    এসময় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ফেলে যায়। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চুরির বিষয়টি পুলিশকে জানান।এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাতের পাহারা জোরদার না থাকায় চোরেরা সহজেই অফিসে প্রবেশ করতে পেরেছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়েও আমরা উদ্বিগ্ন।
    চুরির ঘটনায় শহরের সাধারণ মানুষও আতঙ্কিত। অনেক ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল এবং সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি করেছেন।বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জুয়েল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনা তদন্তে আমাদের কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজন শনাক্তে কাজ চলছে।

    দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। বেতাগী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করেছেন।
  • খুলনায় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ভারতীয় হাই কমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা

    খুলনায় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ভারতীয় হাই কমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা

    ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় এবং বাংলাদেশের ওপর অব্যাহত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘খুলনায় মার্চ টু ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন’ কর্মসূচি পালন করেছে আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐক্যজোট।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকালে আন্দোলনকারীরা নগরীর সামসুর রহমান রোডের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিসের সামনে অবস্থান নেন।

    কর্মসূচি চলাকালে ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, ভারত তুই জবাব দে’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘ভারত যদি বন্ধু হও, খুনি হাসিনাকে ফেরত দাও’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে।

    বক্তারা বলেন, আধিপত্যবাদ বিরোধী নেতা হাদিকে আওয়ামী সন্ত্রাসী দ্বারা গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সেই সব সন্ত্রাসীদের ভারত আশ্রয় দিয়ে ভুল করেছে। এর ফল ভালো হবে না। বাংলাদেশের ওপর দিল্লির কোনো তাঁবেদারি আর মানবো না। হাদি আমাদের পথ দেখিয়েছেন, কীভাবে ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে হয়। এক হাদির রক্তের বিনিময়ে হাজার লক্ষ হাদি বাংলাদেশে জন্ম নেবে।

    বক্তারা আরও বলেন, ভারতের রক্ত চক্ষু ভয় করি না। বাংলাদেশের দিকে রক্ত চক্ষু দিয়ে তাকালে ভারত খণ্ড খণ্ড করে দেব। ভারতে আশ্রয় দেওয়া সন্ত্রাসীদের ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ফেরত দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

    এর আগে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আন্দোলনকারীরা খুলনার রয়েল মোড়ে অবস্থান নেন এবং পরে মিছিল সহকারে কমিশন অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিসের সামনে এসে জড়ো হন তারা।

    এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য সেখানে ব্যারিকেড দেয়। সেখানে আন্দোলনকারীরা কিছু সময় অবস্থান নিয়ে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ফের মিছিল সহকারে রয়েল মোড় চত্বরে এসে কর্মসূচি শেষ করেন।

  • খুলনায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

    খুলনায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

    খুলনার ডুমুরিয়ায় ইমদাদুল হক মিলন নামের এক সংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা শলুয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে সাংবাদিকদের জানান আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আহমেদ।

    নিহত সাংবাদিক মিলন শলুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব ছিলেন।

    আড়ংঘাটা থানার ওসি শাহজাহান আহমেদ জানান, স্থানীয় একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক মিলন হামলার সময় শলুয়া বাজারে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন।

    এমন সময় দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন লোক এসে আকস্মিকভাবে তার ওপর গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় মিলনের সঙ্গে চা দোকানে বসে থাকা আরও এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।

    ঘটনার পর আশপাশের লোকজন তাদের দুই জনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    কারা এই হামলাটি চালিয়েছে, সেটি এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

    হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি শাহজাহান আহমেদ।

  • হাদি হত্যার প্রতিবাদে বরগুনায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় অবরোধ

    হাদি হত্যার প্রতিবাদে বরগুনায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় অবরোধ

    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বরগুনায় বিক্ষোভ মিছিল ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ফটক অবরোধ করেছে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতা। একই সঙ্গে জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং তাদের সব ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিও জানান বিক্ষোভকারীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত প্রায় ১১টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সদর রোড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। পরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে রূপ নেয়। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে সড়ক অবরোধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

    অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, শরীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেও এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি। বরগুনায় প্রশাসনের নজরদারি থাকার পরও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিং করছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ‘আমাদের মতো বিপ্লবীদের আর কত রক্ত দিতে হবে? হাদির মতো আর কতজন জীবন দিলে রাজপথ ঠান্ডা হবে? কীভাবে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরও হত্যাকারীরা পালিয়ে যায়—এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আমরা জবাব চাই।’ তারা বরগুনা থেকে ছাত্রলীগের অস্তিত্ব সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আবারও জুলাই আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন।

    জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ইমাম হোসেন বলেন, ‘হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে ছাত্রলীগ বরগুনায় থাকতে পারবে না। তারা যে হত্যাসহ নানা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তা বরগুনার ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না। আমাদের কথা স্পষ্ট—বুলেটের ভয় দেখিয়ে আমাদের দমন করা যাবে না।’

    আরও পড়ুন

    হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

    হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

     

    আরেক বিক্ষোভকারী সিনহা রহমান বলেন, ‘হাদির হত্যাকারীরা কীভাবে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরও পালিয়ে যায়, তা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা ও হাস্যকর উদাহরণ। আমরা জুলাই আন্দোলনে রক্ত দিয়েছি, একাত্তরেও শহীদ হয়েছি, কিন্তু এখনো দেশ পুরোপুরি নিরাপদ হয়নি। বরগুনায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে মিছিল করলেও তাদের গ্রেফতার করা হয় না। আবার যাদের গ্রেফতার করা হয়, তারাও দ্রুত ছাড়া পেয়ে যায়। বর্তমানে আমাদের নিরাপত্তা নেই। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।’

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘পুলিশ যাদের অপরাধী মনে করে, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। আসামিরা আদালতের মাধ্যমে জামিন পায়—পুলিশের জামিন দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। পুলিশ আপনাদের পাশে আছে এবং আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২

    বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাটের বড়ছড়া স্থল শুল্ক স্টেশন এলাকা থেকে যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের ওই দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের আব্দুল হামিদের ছেলে কাদের পাশা, যিনি ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা এবং উপজেলা সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের ছেলে এনামুল হক, যিনি সদর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি।

    আরও পড়ুন

    হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

    হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

     

    কাদের পাশাকে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তবর্তী ট্যাকেরঘাটের বড়ছড়া স্থল শুল্ক স্টেশন এলাকা থেকে এবং এনামুল হককে তাহিরপুর উপজেলা সদর বাজার থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।

    শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ জানান, ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে দায়ের করা একটি নাশকতা মামলার তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় কাদের পাশা ও এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে তাদের সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

    হাদির মৃত্যুতে যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়ায় মহাসড়ক অবরোধ

    জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি ও শনিরআখড়ায় ছাত্র-জনতা ব্যাকেট কর্মসূচি করে।

    ফলে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-ডেমরা সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শতশত রোগী ও যাত্রীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত শনিরআখড়া ও যাত্রাবাড়ির একাধিক পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন ছাত্র-জনতা। এর পর থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী যান চলাচল প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট আরও দীর্ঘ হতে থাকে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের রায়েরবাগ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়-বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইভেটকারসহ সব ধরনের যানবাহন দীর্ঘ সময় ধরে সড়কে আটকে আছে।

    একাধিক যাত্রী জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে তাদের বাস আটকে আছে। 

    বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের একাধিক চালক যুগান্তরকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে তারা সড়কে আটকে আছেওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের যাত্রাবাড়ি জোনের টিআই মো. মুন্নাফ মুন্সী যুগান্তরকে বলেন, জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনা ওসমান হাদী মৃত্যুর প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ি ও শনিরআখড়া সড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। তারপর থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-মাওয়া সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত ২টার পর অবরোধ ছেড়ে দেওয়ার পর যানবাহন চলাচল শুরু হয়। তবে সেই রেশ এখনও চলছে। আশাকরি এক-দেড় ঘন্টার মধ্যে সড়কে পুরোপুরি যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে।
  • ওসমান হাদির মরদেহ আজই দেশে আসছে

    ওসমান হাদির মরদেহ আজই দেশে আসছে

    সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।

    আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) তার মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় আনা হবে এবং আগামীকাল শনিবার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে পারিবারিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবং ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ শুক্রবার বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

    তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ফ্লাইটটি সিঙ্গাপুর ছাড়বে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটির সম্ভাব্য অবতরণের সময় সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিট।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

  • ওসমান হাদির খুনিদের বিচারের দাবিতে উত্তাল ঢাবি

    ওসমান হাদির খুনিদের বিচারের দাবিতে উত্তাল ঢাবি

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজু ভাস্কর্য।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আমরা সবাই হাবি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো, বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই, আর নয় প্রতিরোধ,  এবার হবে প্রতিশোধ, দিল্লি যাদের মামা বাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি, পেতে চাইলে মুক্তি ছাড়ো ভারত ভক্তি, সুশীলতার দিন শেষ, বিচার চাই বাংলাদেশ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    ঢাবি শিক্ষার্থী রিয়াদুল ইসলাম জুবা বলেন, জুলাইয়ে আমরা ভারতীয় আধিপত্যবাদকে এ দেশ থেকে বিতাড়িত করে যে সরকারের ওপর ভরসা করেছিলাম, সেই সরকার তা করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তারা ভারতের আধিপত্যের কাছে নতজানু হয়েছে। জুলাইয়ে শহীদরা এজন্য জীবন দেয়নি।

    এ সময় তিনি আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার দাবি করেন। একই সঙ্গে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবি করেন এই শিক্ষার্থী।

  • হাদির মৃত্যুতে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

    হাদির মৃত্যুতে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে আগামী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। 

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন।

    বিস্তারিত আসছে…