Author: তরঙ্গ টিভি

  • পুরান ঢাকায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন

    পুরান ঢাকায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন

    পুরান ঢাকার ইসলামবাগে একটি প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টায় চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, ইসলামবাগ চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় একটি প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে মোট ৬টি ইউনিট।

    ডিউটি অফিসার বলেন, সিদ্দিকবাজার থেকে আরও ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

  • মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় হট্টগোল

    মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় হট্টগোল

    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। অনুষ্ঠানে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তার বক্তব্যে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন অনুষ্ঠান স্থগিত করে।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। এতে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে বন্ধ করে দেওয়া হয় অনুষ্ঠান।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠান শুরু হলে সেখানে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বছির উদ্দিন। তিনি নিজের বক্তব্যের শেষাংশে বলেন, ‘ইতিহাস ‍মোছা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রণ করেছিলাম। বঙ্গবন্ধুকেই আমরা মানি, জাতির পিতা হিসেবেই মানি। সেদিন রণযুদ্ধে জয়বাংলা ছাড়া অন্য কোনো স্লোগান কি ছিল? এই বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা থাকবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা বছির উদ্দিনের বক্তব্যে শেষে ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ বলে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানান জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া একটি দল। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুবসংগঠন জাতীয় যুবশক্তির ময়মনসিংহের সংগঠক আল মামুনের নেতৃত্বে একটি দল প্রতিবাদ শুরু করে। তার সঙ্গে ছিলেন জুলাই যোদ্ধা খাইরুল ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদের মুক্তাগাছা উপজেলা শাখার সভাপতি শাহীনুর আলমসহ আরও অন্তত ১৫-২০ জন। দলটির একটি অংশ অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠে মুজিববাদ মুর্দাবাদ স্লোগানের প্রতিবাদ জানাতে থাকলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করেন।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা বছির উদ্দিন বলেন, আমার বক্তব্যে জনগণের কাছে জানতে চেয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্তমান সরকার প্রধান ড. ইউনূস তো প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন, তার ভূমিকা কি ছিল। এরপর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কথা বলি। বক্তব্য দিয়ে নামার পর জুলাই যোদ্ধারা প্রতিবাদ করে। তারা বলতে থাকে বঙ্গবন্ধুর নাম বলা যাবে না। এসময় তারা উল্টাপাল্টা বক্তব্য দেওয়ায় আমি সেখান থেকে চলে যাই।

    মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্যের প্রতিবাদে নেতৃত্বে দেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুবসংগঠন জাতীয় যুবশক্তির ময়মনসিংহের সংগঠক আল মামুন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই একজন ভালো বক্তব্য রাখলেও একজন ইচ্ছাকৃতভাবে ন্যারেটিভ সৃষ্টি করেছে। তিনি শুরু থেকেই ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘ইউনূস সরকার মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন না’ এসব কথা বলতে থাকেন। এ সময় আমিসহ কয়েকজন প্রতিবাদ করি। সবাই যখন উত্তেজিত হয়ে যায় তখন বিষয়টি অন্যভাবে চলে যায়। পরে অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে মুক্তিযোদ্ধাসহ সবাই চলে গেলে ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর ইউএনও স্যারের কক্ষে আলোচনায় বসা হয়।

    তিনি আরও বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করি। এ পর্যন্ত আমরা কোনো মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে বেয়াদবি করিনি। আমাদের দাবি মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের জায়গায়। এখন ফ্যাসিস্টদের বন্দনা পূর্বপরিকল্পিত। পরবর্তীতে এমন লোককে আর অনুষ্ঠানে ডাকা হবে না এমন আশ্বাস দেওয়া হয়।

    মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজের বক্তব্যে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলায় অনেকে আপত্তি তোলে। এ সময় ছাত্র প্রতিনিধরাও মঞ্চে গিয়ে বক্তব্য দেয়। পরবর্তীতে এটি নিষ্পত্তি হয়।

  • চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় এ‍্যানামনাই এ‍্যাশোসিয়েশন অব নর্থ  আমেরিকা ২৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান সরদার

    চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় এ‍্যানামনাই এ‍্যাশোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ২৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান সরদার

    গত শুক্রবার ,১২ ডিসেম্বর ২০২৫,নিউইয়র্কের জ‍্যামাইকার পানসি রেস্টুরেন্টে সন্ধ্যা ৭টায় সংগঠনের নির্বাচন কমিশন ও কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।খবর আইবিএননিউজ।প্রথমে সভাপতিত্ব করে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ আহমেদ।

     

    বিদায়ী কমিটির সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক ভাবে শেয় হয় ।২য় পর্যায়ে সংগঠনের কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক রানা ফেরদৌসী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে শামসুদ্দিন আজাদকে সভাপতি ও আবু নোমান সরকারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় ।

    পুরো কমিটির অন‍্যান‍্য কর্মকর্তা গন হচ্ছেন সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ,সিনিয়র সহসভাপতি সিকান্দর চৌধুরী (টেক্সাস), সহ-সভাপতি সালেহ আহমেদ (নিউজার্সি),সহ-সভাপতি আনোয়ারুল কবির ও সহসভাপতি শফিকুল আনোয়ার চৌধুরী

    ববি,কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আসিফ আহমেদ,সহ সাধারণ সম্পাদক শিবলী ছাদেক,সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিএা সেন,শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহের, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া আফরোজ,এীডা বিষয়ক সম্পাদক

     

    প্রসন রায় এবং সদস্যবৃন্দ হলেন মাহমুদ আহমেদ,মোশাররফ হোসেন,কাজী সোহরাব,রেজা কামাল,বিক্ষু গোপ,দেলওয়ার এম হাসান,মোস্তাক হোসাইন বকুল,সুদিপ্ত দেব,এম রফিকুল ইসলাম,চৌধুরী ইরফানুল কবির,হাসান মাহমুদ,রুবিনা মাহফুজ শম্পা,জামিলা ইলিয়াস চট্টলা,দেলওয়ারা আক্তার রুমা ও অর্জিতা দাস।

    উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক রানা ফেরদৌস চৌধুরী এবং আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সাধারণ সম্পাদক ও নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি ও সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ।অভিষেক অনুষ্ঠানে পূর্বে পূর্নাঈ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে বলে সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ বাপসনিউজকে জানিয়েছেন।কমিটি ঘোষণার সময় কমিশনার অধ্যাপক নোয়াব মিয়া এবং মনজুর হাসান নসু উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে সবাইকে নৈশ ভোজে আপ্যায়ন করা হয়

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত।

    শরীয়তপুরের জাজিরায় বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    ১৬ ডিসেম্বর ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান এবং তাঁদের স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

    সব কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে

  • শরীয়তপুর সদর উপজেলায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    শরীয়তপুর সদর উপজেলায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে দুর্বৃত্তরা কবরের ওপর কাঠ জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।

     

    বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মান্নান খান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। তিনি ২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করলে নিজ বসতঘরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

    তার মৃত্যুর প্রায় ১৫ বছর পর সোমবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা কবরের ওপর কাঠ জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়।  মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে প্রকাশ্যে আসে। প্রতিদিনের মতো সকালে স্বামীর কবর জিয়ারতে গিয়ে আগুন দেওয়ার চিহ্ন দেখতে পান মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মাহফুজা বেগম। এতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

     

    বিজয় দিবসের প্রাক্কালে এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে আফরোজা আক্তার বলেন, মহান বিজয় দিবস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য গর্বের দিন। অথচ এই দিনে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার মতো ঘৃণিত কাজ আর কিছু হতে পারে না। এটি মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

    স্থানীয় বাসিন্দা অনেকেই বলেন, আমরা কখনোই কবরে আগুন দেওয়ার মতো নেক্কারজনক ঘটনা দেখিনি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়া পুরো দেশবাসীর জন্য লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।

    শরীয়তপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সিকদার বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।

    পালং মডেল থানার ওসি মো. শাহআলম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ব্যাপারে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিদয় দিবসের  শুভেচছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সর্বজনীন দলেক সভাপতি ও সাংবাদিক আবুল হাসেম

    বিদয় দিবসের শুভেচছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সর্বজনীন দলেক সভাপতি ও সাংবাদিক আবুল হাসেম

    বাংলাদেশ সর্বজনীন দলের সভাপতি ও সাংবাদিক আবুল হাসেম ৫৪তম মহান বিজয় দিবসের শুভেচছা জানিয়ে বলেছেন,মহান স্বাধীনতা অর্জন করতে অসংখ্য মায়ের ইজ্জত হারাতে হয়েছে,
    অসংখ্য মায়ের বুক খালি হয়েছে,অসংখ্য মানুষের রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা অস্বীকার কারি এই বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি করার অধিকার নাই।

    যে বা যাহারা অস্বীকার করবে তাদের এই দেশের রাজনীতি করার কোন অধিকার নাই তাদের কে আইনের আওতায় আনতে হবে।
    বর্তমান সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টা সহ সকল দায়িত্ব পালন কারী
    সম্পূর্ণ ব্যার্থ হয়েছে। খবর আইবিএননিউজ ।তিনি আরো বলেছেন,
    মাজার ভাংচুর,হত্যা, দর্শন, দখলবাজি, চাঁদাবাজি,লুটপাট নিয়োগ বানিজ্য সহ সকল তথ্য দেশের জনগণের কাছে রয়েছে।
    এখন দেখছি দেশ বিরুদী বক্তব্য দেওয়া ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোনো ব্যাবস্থা নেওয়া হয় নাই।
    তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
    আর নয়তো ক্ষমতা ছাড়তে হবে।

  • ৫৪তম বিজয় দিবস পালন করবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভ্যাটারন্স’৭১ ইউএসএ  শনিবার ,২০ ডিসেম্বর।

    ৫৪তম বিজয় দিবস পালন করবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভ্যাটারন্স’৭১ ইউএসএ শনিবার ,২০ ডিসেম্বর।

     নিউইয়র্কের বাংগালি এলাকা হিসেবে পরিচিত জ‍্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে শনিবার,২০ ডিসেম্বর ২০২৫,সন্ধ্যায় বাংলাদেশের ৫৪তম মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভেটারন্স-১৯৭১’ ইউএসএ “র সমাবেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের শুচনা করা হবে ।

    খবর আইবিএননিউজ ।বিজয় দিবসের হোস্ট ও সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ এবং সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন এক বিরৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ,সহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক,পেশাজীবী,কবি, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী,সাহিত্যিক,কলামিস্ট, লেখক,কমিউনিটির সবাইকে উক্ত বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানে সাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ।

  • বিজয় দিবসে জাতীয় সম্মিলিত  ফোরাম (জেএসএফ)বাংলাদেশের শুভেচ্ছা।

    বিজয় দিবসে জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম (জেএসএফ)বাংলাদেশের শুভেচ্ছা।

    নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের মধ্য দিয়ে জাতি আজ নতুন করে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করছে।এমন কথা বলেছেন সংগঠনের লেতা হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ।খবর আইবিএননিউজ। তিনি আরো বলেছেন,
    ছাত্র-জনতার আন্দোলন-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দৃঢ় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পতিত স্বৈরাচার ও তার প্রভূ ভারত জাতীয় ঐক্যে ফাটল এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ ও অজনপ্রিয় করার জন্য লাগাতার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জাগ্রত জনতা ও সতর্ক সরকার ইতোমধ্যে অনেকগুলো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এদিকে খেয়াল রেখে স্বাধীনতার লক্ষ্য ও প্রত্যাশা অর্জনে জাতীয়ভাবেই আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, সুবিচারের নিশ্চয়তা ও সুশাসনই কেবল দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে।

    ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছেন। তার সরকারের পতন ঘটেছে। দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জনগণের আকাক্সক্ষার অনুবর্তী, অন্তর্বর্তী সরকার। দেশ নতুন করে মুক্ত ও স্বাধীন হয়েছে। এই নতুন স্বাধীনতার লক্ষ্য ’৭১-এর স্বাধীনতা থেকে ভিন্ন নয়। এখন একটা সুযোগ এসেছে, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের। গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনের একমাত্র উপায় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সেই নির্বাচন শেখ হাসিনার স্বৈরাশাসনামলে বিতর্কিত হয়েছিল। পর পর তিনটি নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়েছিল। এসব নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। ভুয়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একদলীয় জবরদস্তিমূলক শাসন জনগণের বুকের ওপর চেপে বসেছিল। সুশাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের মতো মৌলিক বিষয়গুলো হারিয়ে গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিভক্তি, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তাচার স্থায়ী রূপ লাভ করেছিল। দেশ এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে পতিত হয়েছিল। অর্থনৈতিক মন্দা, রিজার্ভ-ঘাটতি, পণ্যমূল্যের অস্বাভাবিক স্ফীতি, দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অভাব, বিনিয়োগশূন্যতা ইত্যাদিতে মানুষের উদ্বেগ ও কষ্টের শেষ ছিল না। এসব সমস্যা ও সংকট নিরসনে যখন সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্তরিক প্রয়াস চালানো দরকার ছিল, তখন শাসক দল ও শ্রেণি হিংসা-বিদ্বেষে মত্ত ছিল এবং লুণ্ঠন ও অর্থপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা ও লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হলে, উন্মুক্ত রাজনীতি, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

    ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে চলা স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে শেখ হাসিনা রাজধানী ঢাকার রাজপথে জন বিস্ফোরণের মধ্যদিয়ে উৎখাত হন। ভিন্নমতাবলম্বীদের উপর নিপীড়ন চালানোর জন্য তার সরকার ক্ষুব্ধ জনতার রাজনৈতিক রোষানলের মুখে পড়লে তিনি ভারতে পালিয়ে যান।

    এ বছর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর, বাংলাদেশের নবযাত্রায় জাতি নতুন উদ্যম ও উদ্দীপনা নিয়ে দিনটি পালন করবে। মহান স্বাধীনতা ও বিজয়ের ৫৩ বছর পূর্ণ হয়েছে। সঙ্গত বিবেচনাতেই আমরা কী পেয়েছি, কী পাইনি, সাদামাঠা হলেও তার একটা হিসাব করা দরকার। একথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে, স্বাধীনতার কিছু লক্ষ্য থাকে, যা আমাদেরও ছিল। স্বশাসন, সুশাসন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়েছিল এবং সে সংগ্রামে আমরা বিজয়ী হয়েছি। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ও জনসমর্থিত লক্ষ্যগুলো অর্জিত না হলে এ বিজয়কে সার্বিক অর্থে বিজয় বলে চিহ্নিত করা যায় না।

  • কালিয়াকৈর বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি ৫ নং ওয়ার্ড  ছাত্রদলের শাহেদের  বিনম্র শ্রদ্ধা।

    কালিয়াকৈর বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের শাহেদের বিনম্র শ্রদ্ধা।

    কালিয়াকৈর উপজেলায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কর্মরত সাংবাদিকরা একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালবেলায় কালিয়াকৈর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় স্বাধীনতা ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের সকল ছাত্রবৃন্দ ও মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত ও র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন
    কালিয়াকৈর পৌর ছাত্রদলের নেতকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
    কালিয়াকৈর পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, মো: সারোয়ার হোসেন হৃদয়, ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি, জিহাদ, ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, ফাহাদ, রিফাত, সিফাত, সাহেদ, মোঃসিয়াম হোসেন,আলামিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কালকিনিতে ইসলামী আন্দোলনের র‍্যালি

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কালকিনিতে ইসলামী আন্দোলনের র‍্যালি

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কালকিনি উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এক বিশাল বিজয় র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন মাদারীপুর-৩ আসনে হাত পাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আজিজুল হক।

    আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এসময় অংশগ্রহণকারীরা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করেন।

    র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কালকিনি উপজেলা সভাপতি মেহেদী হাসান সুমন, পৌর সভাপতি লুতফুর রহমান মুন্সি, ডাসার উপজেলা সভাপতি রুহুল আমীন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ মাদারীপুর জেলা সভাপতি তালুকদার দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা সভাপতি নাঈম ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি বশির উদ্দীন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন হাওলাদারসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে ইসলামী আন্দোলন কাজ করে যাচ্ছে। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা