Author: তরঙ্গ টিভি

  • ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, প্রশাসন জবাব চাই’

    ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, প্রশাসন জবাব চাই’

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এতে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন তিনি।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) তার নির্বাচনি এলাকার মানুষের উদ্যোগে এ বিজয় র‍্যালি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি ধানমন্ডি-কলাবাগান-সায়েন্স ল্যাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

    মিছিলে রিকশার উপর দাঁড়িয়ে আসিফ মাহমুদকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। অসংখ্য মানুষ মিছিলে অংশ নেন। এ সময় ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, প্রশাসন জবাব চাই’সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়।

    একই দিন সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় আগামী নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন আসিফ মাহমুদ।

    এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।

  • গুলি হাদির ডানে ঢুকে বাম দিক দিয়ে বেরিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যের ডিজি

    গুলি হাদির ডানে ঢুকে বাম দিক দিয়ে বেরিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যের ডিজি

    গুলি ওসমান হাদির ডান দিক দিয়ে ঢুকে বামে বেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবু জাফর। তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বাগান গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    আবু জাফর বলেন, ঢাকা মেডিকেলে অস্ত্রোপচার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওসমান হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। যখন হাদিকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন তার জিসিএস (গ্লাসগো কোমা স্কেল) ছিল সর্বনিম্ন। যেটা ৩ থেকে ১৫ পর্যন্ত থাকে। সেখান থেকে চিকিৎসকের চেষ্টায় উন্নত হয়েছে। তিনি এখন আর্টিফিশিয়াল ভেন্টিলেশনে আছেন।

    তিনি আরও বলেন, ওনার ব্রেনের অবস্থা ছিল— গুলি কানের ডান দিক দিয়ে ঢুকে বাম দিয়ে বের হয়ে গেছে। বুলেট ইনজুরি হচ্ছে— যেদিক দিয়ে ঢুকে সেদিক ছোট, যেদিক দিয়ে বের হয়, সেখানে বড় ইনজুরি হয়, সেটাই হয়েছে। ব্রেন ইনজুরি হচ্ছে, ব্রেন ফুলে ফেঁপে যায়, প্রেশার বেড়ে যায়। এটা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এটা যেন না হয়, এজন্য নিউরো সার্জনরা যারা ছিলেন, ডা. জাহিদ রায়হান ও তার টিমরা ব্রেনের খুলিটা বড় করে খুলে দিয়েছে, যেন প্রেশার না বাড়ে।

    স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, কিছু রক্তক্ষরণ হচ্ছিল নাক ও গলা দিয়ে। সেটা নাক-গলার চিকিৎসকেরা ঠিক করে দিয়েছেন। আমাদের সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত ছিল তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে চাচ্ছিল এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যেতে। আমরা এভারকেয়ার হাসপাতালে যোগাযোগ করে সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছি।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, হাদি একটি রিকশায় বিজয়নগরের দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় হেলমেট পরা দুজন মোটরসাইকেলে এসে বায়তুস সালাম জামে মসজিদের সামনে তাকে গুলি করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ গুলির ঘটনা ঘটে পল্টন ডিআর টাওয়ার ও বাইতুস সালাম জামে মসজিদের মাঝামাঝি সড়কে।

    ডিআর টাওয়ারের নিরাপত্তাকর্মী সাকিব হোসেন বলেন, যখন গুলি চলে তখন আমি ভবনের ভেতরে ছিলাম। শব্দ শুনে দ্রুত রাস্তায় গিয়ে দেখি একটি রিকশায় তাকে (হাদিকে) নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় রক্ত পড়ছিল।

    সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন হাদি। এ সময় পিছু নেয় একটি মোটরসাইকেল। রিকশাটির ডান পাশ ঘেঁষে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলটি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে।

     

     ঘটনাপ্রবাহ: ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

  • Untitled post 4608

     নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নবাগত উপজেলা নিবাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ আলাউল ইসলাম সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ , শিক্ষক, অফিসার বৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে এক মত বিনিময় সভা করেছেন।

    আত্রাই উপজেলার সাবিক উন্নয়নে নির লসভাবে কা্জ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি জনকল্যাণ মূলক কাজে সকল শ্রেণী পেশা মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক অফিসার কেএম কামরুজ্জামান সঞ্চলনায় আয়োজিত সভায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ আলাউল ইসলাম তিনি তার বক্তব্যে আত্রাই বাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আনন্দ প্রকাশ করেন। এর আগে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ আলাউল ইসলাম বলেন, একটি গতিশীল ও জনবান্ধব প্রশাসন উপহার দিতে আমি বদ্ধপরিকর। দলমত নিবিশেষে সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় হতে পারে সুন্দর একটি আত্রাই উপজেলা।

    সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজগুলো যেন সঠিক সময়ে ও সঠিকভাবেবাস্তবায়িত হয়, সে দিকে আমার বিশেষ নজর থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান,আত্রাই উপজেলা ইউনিাইটেড প্রেস ক্লাব সভাপতি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন টগর, সাংবাদিক রিমা খাতুন, উপজেলা বিএনপি,র সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলির চকলেট, যুগ্ন –নাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগ, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মন্জুরুল আলম মন্জু,ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক খবিরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন, মামুনুর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান সম্রাট হোসেন নাজিমুদ্দিন, সোনালী ব্যাংক ট্রেজারী শাখা ব্যবস্থাপক নুরুন নবী, ইসলামী আন্দোলনের আত্রাই উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রহমান। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ আবু আনাছ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, যুব উন্নয়ন অফিসার এস এম নাসির উদ্দিন, প্রিন্ট ও ইলেট্রি মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ প্রমূখ।

  • ৩৩ জন্য সাংবাদিক বিরুদ্ধে মামলা করে ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন ।

    ৩৩ জন্য সাংবাদিক বিরুদ্ধে মামলা করে ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন ।

    মানিকগঞ্জ জেলার, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন তার ক্ষমতা কে পুঁজি করে, পূর্বথেকে মোট ৩৩ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করে।

    আওয়ামী লীগের সময় থেকে শুরু করে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ক্ষমতা কে পূঁজি করে বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে আসছিলেন ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন। অবশেষে গত ১১- ১১-২৫ ইং, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবে মানিকগঞ্জ জেলা শাখার ৯ জন প্রতিভাবান, সত্য বাদি,প্রতিবাদি, এবং দুর্নীতি মুক্ত একটা আর্দশ নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের উপর মিথ্যা চুরি মামলা দেওয়া হয়।

    তিনি যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসক হিসেবে ছিলেন, তখন কার সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রালয়ের, এক ছোট সহকারী হিসাব রক্ষাকারি বিরুদ্ধে মামলা দেয় পরে তা মিমাংসা হলেও। যে দুই সাংবাদিক ঐ নিউজ সংগ্রহ করতে যায়,” তার বিরুদ্ধে চুরি মামলা দেয় “! তাদের সবাই টিভি চ্যানেল ঢাকার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। পরে মানিকগঞ্জ জেলার সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেকের দ্বারায়, ফরিদপুর ও নারায়ণগঞ্জ, জেলা হাসপাতালের প্রথম পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করতে থাকে। এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলে শহরের হাসপাতালে কিছু দুর্নীতি করতে শুরু করলে সেখান কার কিছু সাংবাদিক বিষয় টা বুঝতে গিয়ে চাঁদাবাজির মামলায় অভিযুক্ত হয়, সেই সময় নারায়ণগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলা সাংবাদিক নিয়ে মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়, মামলা নম্বর ২৭৬/৩৫ উভয় মামলা এক ছিল। এছাড়াও ক্ষমতার বলে বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের হয়রানি শিকার করতো ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন।
    ২০২২ সালে ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন মানিকগঞ্জ জেলার সদর হাসপাতালে তত্বাবধায়কের দ্বায়িত্ব নিয়ে আসে।

    তার পর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী নিজের করে দুর্নীতি করা শুরু করে। কোন সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে নিউজ করলে মামলা দেওয়া হতো এই জানা থাকার কারণে সব সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে নিউজ করা বন্ধ করে দিলো। গত ১০-১১-২৫ ইং তারিখে সাংবাদিক নিউজ করতে গেলে সুকৌশলে তার ব্যাগ দিয়ে মিথ্যা চুরি মামলা দেয়। সে মিডিয়ার সামনে বার বার বলছে আমি সব কিছু ফিরে পেয়েছি, সব টিক আছে, তাহলে সে মামলা দিলো কেন, কারণ তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলুক সে চায় না। সেই মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালটি দুর্নীতির আতুর ঘড় তৈরি করছে বা করতে চায়। জনগন সত্য ও ন্যায় বিচারক তার বিচার কি হবে,আর যে সব সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলা দিয়েছে তাদের কি করবে।
    নারায়ণগঞ্জ ও ফরিদপুর দুই ঘটনার লিখতো দেওয়া হয় বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রালয়, কিন্তু তা গ্রহণ হয় নাই।

  • নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল।

    নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল।

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার ( ১২ ডিসেম্বর ) বিকেলে উপজেলার চৌমুহনী হোয়াইট হাউজে এই দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

    খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মফিজুর রহমান দিপু, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন রুবেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেও দোয়া করা হয়।

    অনুষ্ঠানে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। আজকে তিনি অসুস্থ। তার সুস্থতা দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা। আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে শিগগিরই পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করবেন এবং আবারও তিনি জনগণের মাঝে ফিরে আসবেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারির বিরুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা রাখছে  ৫৯ বিজিবি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারির বিরুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা রাখছে ৫৯ বিজিবি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়নের গোপন সূত্রে ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত হতে ফেন্সিডিল এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত আবারো ৯৪ বোতল নেশাজাতীয় চকো প্লাস সিরাপ আটক করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।

    আজ ( ১২ ডিসেম্বর) শুক্রবার মধ্যরাত ০১:৫৫ ঘটিকায় চকপাড়া বিওপি’র ০১টি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৮২/৫-এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপচাকপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল হতে টহলদল মালিকবিহীন ৯৪ বোতল ভারতীয় চকো প্লাস সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত চকো প্লাস সিরাপ এর ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

    এ ব্যাপারে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শীত মৌসুমে মাদক চোরাচালানে এটি একটি নতুন সংযোজন, আমরা সীমান্তে সক্রিয় আছি, সকল প্রকার মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে

  • অপপ্রচারের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নামে মামলা

    অপপ্রচারের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নামে মামলা

    অপপ্রচারের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

    জানা গেছে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ বজলুর রহমান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে, এর আগেও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইফুল অপপ্রচার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সাইফুল ইসলাম “জুম বাংলা” নামক একটি অনলাইন পত্রিকায় কর্মরত। তিনি সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের পারিল নওদা গ্রামের মৃত মিনাজ উদ্দিনের ছেলে এবং বর্তমানে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার ঘুন্টি পাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

    মামলা ও ভুক্তভোগী থেকে জানা যায়, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল গেটে পৌরসভার পাবলিক টয়লেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে। ইজারাদার কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে সাইফুলের সহযোগিতায় হাসপাতাল গেটে একটি বিড়ি সিগারেটের দোকান দিয়েছেন। সেই টয়লেট দোকানের মালামাল রাখার জন্য গুদামঘর হিসাবে ব্যবহার করে আসছিল। বিনিময়ে সাইফুল এখান থেকে সুযোগ-সুবিধা নিত বলে খোঁজ পাওয়া গেছে।

    বিষয়টি জনস্বার্থ বিধায় গত মাসের ২৬ নভেম্বর সাংবাদিক আসাদুর জামান ও কয়েকজন সহকর্মী এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে যায়। এসময় তাদের ছবি ও তথ্য সংগ্রহে বাধা দেয় দোকানে থাকা রাজিব। এরপরও সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করতে থাকলে সাইফুলকে ডেকে আনেন সে। তারা ছবি ও তথ্য নিতে নিষেধের এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে আসাদ ও তার সহকর্মীদের বিভিন্ন ভাষায় গালাগাল শুরু করে এবং মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওতে সাংবাদিকদের ‘চাঁদাবাজ’, ‘ধান্দাবাজ’ সহ নানান মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয় এবং তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়।

    এই ভিডিও একতরফাভাবে ভাইরাল হলে সাংবাদিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং পেশার সুনামও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

    এর আগেও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সে অপপ্রচার চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    ভুক্তভোগী আসাদুর জামান বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন আচরণ তাদের কাছে আমরা প্রত্যাশা করিনাই। তথ্য সংগ্রহ বাধা দিয়ে উল্টো ভিডিও করে আমাদেরকে অপরাধী বানানো হয়েছে। আমাদের সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে মামলা করেছেন। আশা করি আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

  • **টরন্টোয় চট্টগ্রামের মেজবান: বরফজমা শহরের বুকে মায়ামাখা মাটির গন্ধ— প্রবাসীরা বললেন, “আজ আমরা যেন বাড়ি ফিরলাম!”**

    **টরন্টোয় চট্টগ্রামের মেজবান: বরফজমা শহরের বুকে মায়ামাখা মাটির গন্ধ— প্রবাসীরা বললেন, “আজ আমরা যেন বাড়ি ফিরলাম!”**

    টরন্টোতে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডা আয়োজিত মেজবান ২০২৫ ছিল যেন প্রবাসের মাটিতে চট্টগ্রামের পুনর্জাগরণ। প্রবাসীদের হৃদয়ে জমে থাকা শেকড়ের টান, মাটির গন্ধ ও ঐতিহ্যের অহংকার যেন একদিনে ফিরে এলো রঙে, গন্ধে, স্বাদে ও আবেগে। বাইরে বরফ পড়ছে, ঠান্ডা বাতাসে কাঁপছে শহর, অথচ হলের ভেতর ছিল এক অন্য পৃথিবী—উষ্ণতা, মমতা, ভালোবাসা আর উদযাপনে ভরা। শীতের রুক্ষ বৃষ্টি নয়, ঝরে পড়ছিল সাদা বরফের তুলো। রাস্তা ছিল কুয়াশায় ঢাকা, বাতাস ছিল ধারালো ছুরির মতো ঠান্ডা। ২০২৫ সম্প্রতি এক রবিবার। এমন দিনে ঘর থেকে বের হওয়াই কষ্টকর। কিন্তু সেই দিনটিতে এক অদৃশ্য শক্তি মানুষকে টেনে নিয়ে গেছে এক ঠিকানার দিকে—Chinese Cultural Centre of Greater Toronto—যেখানে সেদিন কানাডার বরফের ভেতর উষ্ণ আগুনের মতো জ্বলে উঠেছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি উৎসব।খবর আইবিএননিউজ ।

    বেলা গড়িয়ে দুপুর নামতেই অতিথিদের ঢল নামে। পরিবার, বন্ধু, শিশু, প্রবীণ—সবার মুখে ছিল হাসি আর আবেগ। প্রবাসজীবনের ক্লান্তি যেন সেদিন পাঁচ ঘণ্টার জন্য ভুলে গিয়েছিল সবাই। তিন হাজার এরও বেশি চট্টগ্রামি এবং বাংলাদেশি অতিথির উপস্থিতি প্রমাণ করল—চাটগাঁর টান ভাষায়, খাবারে, স্মৃতিতে ও হৃদয়ে অটুট। লাইনে দাঁড়িয়ে গল্প করতে করতে কেউ বলছে—“বদ্দা অনে খঅন্ডে?” আরেকজন ফোনে বলছে—“পরিবার নিয়া আইছি, লাইনে আছি।”—এই হাসি, কথোপকথন, ভাষার মিষ্টতা যেন চট্টগ্রামের অলিতে-গলিতে ভেসে যাওয়া সুর হয়ে ফিরে এলো। দুপুর ১২টা বাজতেই দরজা খুলল। চোখে পড়ে লম্বা লম্বা সারি। ভিজে রাস্তা, জমে থাকা বরফ, কড়া ঠান্ডা—কিছুই থামাতে পারেনি মানুষের ঢল। শিশুরা হাত ধরে টেনে এনেছে বাবা-মাকে, তরুণরা দলের পর দল হেসে হেসে ঢুকছে, প্রবীণরা ধীর পায়ে কিন্তু উজ্জ্বল চোখে বলছেন—“মেজবান, বাদ যাইযুম কেনে?” মনে হচ্ছিল এই ঠান্ডা শহরে যেন একদিনের জন্য বসন্ত নেমে এসেছে—হাসি, গল্প, আলাপ, পরিচয়ের গলিঘুঁজি জেগে উঠেছে প্রাণে।

    হল ছিল সাজানো চট্টগ্রামী ঐতিহ্যের রঙে। ব্যানার, সজ্জা, আলো, মানুষের আনাগোনা—মনে হচ্ছিল টরন্টো নয়, আমরা যেন চাটগাঁর সাগরপাড়ের কোনো মহৎ উৎসবে। সংগঠক, স্বেচ্ছাসেবক, কমিটির সদস্যরা সকাল থেকেই কেবল একটি লক্ষ্য নিয়ে ছুটেছেন—প্রতিটি অতিথি যেন হাসিমুখে ফিরে যায়। দরজায় দাঁড়িয়ে অতিথিদের স্বাগত জানানো, খাবারের ধারা বজায় রাখা, প্রবেশ-নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা—সবকিছু তারা করেছেন অবিরাম হাসি ও দায়িত্ববোধ নিয়ে। যত এগোনো যায়, ভেতর থেকে তীব্র মাংসের মেজবানি ঘ্রাণ এসে নাকে লাগে। সেই গন্ধ যেন চাটগাঁর বাড়ির উঠোনে চলে গেলো মানুষকে অচেতন ভাবেই। সাজসজ্জা ছিল চাটগাঁর রঙে—লাল-কালো ব্যানার, ঐতিহ্যবাহী স্টিকার, সংস্কৃতির প্রতীক, বড় বড় অক্ষরে লেখা মেজবান ২০২৫—মনে হচ্ছে যেন সাগরপাড়ের মেলা এসে বাসা বাঁধল টরন্টোর বুকে।সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ বাপসনিউজকে পাঠানো সংবাদে আরো লিখেছেন,হলে প্রবেশ করতেই বেজে ওঠে চিরচেনা কণ্ঠ— “বদ্দা আইছছো না? খঅন্ডে?” এই এক বাক্যে জমে থাকা বরফ ভেঙে যায়, প্রবাসের দীর্ঘ একাকীত্ব এবং ক্লান্তি গলে যায়। কে কোথা থেকে এসেছে তা আর mattered করছিল না। সবাই এক হয়ে গেল—চাটগাঁইয়া পরিচয়ে।

    প্রায় তিন হাজার মানুষের ভিড়। চোখে বিস্ময়—কেউ ছবি তুলছে, কেউ ফেসবুক লাইভ করছে, কেউ দূরদেশে থাকা আত্মীয়কে কল দিয়ে বলছে “দেখো, ক্যানাডার মেজবান দেখতাসো?” শিশুদের দৌড়ঝাঁপ, মায়েদের ব্যাগে বাচ্চার খাবার, বাবাদের হাতে গরম কফির কাপ—সব মিলিয়ে এক অপরূপ দৃশ্য। কেউ কাউকে ঠেলে দেয়নি, কেউ তাড়াহুড়া করেনি—সবাই বরং অপেক্ষার ফাঁকে গল্প করছে, পরিচিতি খুঁজছে, হেসে উঠে বলছে “আপনে কোথায় চাটগাঁ? কাজির দেউড়ি? চৌমুহনী? চকবাজার?”

    সময়ের প্রবাহ নিঃশব্দে গলতে থাকে। ভেতরে তখন খাবারের এক অনন্ত সম্ভার সাজানো। বিশাল টেবিলজুড়ে বাসমতি চালের সাদা ভাত, পাশে ফুটন্ত রসে ভাজা লালচে রঙের মেজবানি বীফ, আরেক পাশে ডাল-মাংসের স্বাদে তুলতুলে গ্রেভি—যা এক চামচ ভাতে মাখালে মনে হয় দুনিয়ার সেরা খাবার। পাশে টাটকা গার্ডেন স্যালাড, ঠান্ডা পানি ও সফট ড্রিংকস, আর শেষে গরম গরম সুগন্ধি চালের পায়েস—যা মুখে দেওয়া মাত্রই শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। তারপর চাটগাঁর অতিথিপরায়ণতার শেষ রীতি—এক খিলি মিষ্টি পান সাথে পান মশলা, মিষ্টি ঠোঁটে লেগে থাকে দীর্ঘক্ষণ।

    আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত ছিল— ভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের বা যাদের গরুর মাংস খাওয়া পছন্দ নয়, বা যারা ছাগলের মাংস ভালোবাসেন তাদের প্রতি সম্মান রেখে আলাদা আয়োজন ছিল। ওদের জন্য ছিল সুগন্ধে ভরা নরম ছাগলের মাংসের কারি, পাশে ছাগলের মাংসের ডাল—যা খেতে খেতে অনেকে বললেন, “এ খাবারের স্বাদ যেন শৈশবের ঈদের দুপুর!” যেন মা রান্না করেছেন, ঘরে বসে খাচ্ছি—এমন অনুভূতিতে ভিজে গিয়েছিল অনেকের চোখ। শুধু খাবার নয়—তাদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে ছিল স্বতন্ত্র সার্ভিং স্টেশন, আলাদা বসার স্থান, যাতে কেউ অস্বস্তিতে না থাকেন, বরং ভালোবাসা আর সম্মানের উষ্ণতায় উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। সেদিন অনেকেই হাত রাখলেন আমাদের হাতে, বললেন—“আপনারা শুধু মেজবান করেননি, মানুষের পছন্দ-অপছন্দের প্রতি যে সম্মান দেখিয়েছেন—এটাই আসল আতিথেয়তা।” এই প্রশংসা, এই কৃতজ্ঞতার শব্দ—দিনের শেষে আমাদের হৃদয় ভরে দিয়েছে পরম শান্তিতে।

    খাবার ছিল অসীম—যে যতবার খেতে চায়। এ যেন শুধু আহার নয়—সম্মানের প্রতীক, সম্ভ্রমের ঘোষণা। চাটগাঁর মেজবানি মানেই অতিথি আপ্যায়নের রাজকীয়তা; সেই রাজকীয়তা প্রবাসেও অমোঘ উজ্জ্বল।

    আয়োজকরা তখন ছুটছেন হলের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে—কারো প্লেটে ভাত কমে গেছে, কেউ মাংস আরেক চামচ চাচ্ছেন, কোথাও সারি বেড়ে গেছে—স্বেচ্ছাসেবকেরা হাসিমুখে বলছেন, “অনেক খানা আছে, লগে লগে পাইবেন, আফসোস নাই, ন খাই যাইবেন না কেউ।” এই হাসি, এই যত্ন—অতিথিরা বলছিলেন, “দেশে না ফিরেও আজ যেন দেশে আছি।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টরন্টোর মেয়রের প্রতিনিধি, কাউন্সিলরগণ, Scarborough–South East এর MPP, ফেডারেল এমপি এবং প্রবাসী কমিউনিটির নামী-দামি ব্যক্তিত্ব। মঞ্চে তাঁদের বক্তব্যে ফুটে উঠেছিল গর্ব—চট্টগ্রাম সংস্কৃতি শুধু বেঁচে নেই, বরং প্রবাসে আরও দুর্দান্তভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠছে।

    বিকেল গড়িয়ে ৫টা এলেও মানুষের মন যায়নি। কেউ বিদায় নিচ্ছেন ধীরে ধীরে, আলিঙ্গন করছেন পুরনো বন্ধু, কেউ বলেছেন “পরেরবার আরেকটা আরোও বড় আয়োজন হবে।” কামরায় এখনো ধরে আছে মাংসের ধোঁয়া, মানুষের চিৎকার, শিশুর হাসি। যেন চলে না গিয়েও দিনটি বুকের ভেতরে থেকে গেলো। একজন স্বেচ্ছাসেবক পরে লিখলেন, “আমি সেদিন ছবি তুলতে পারিনি— কিন্তু আমার হৃদয়ে হাজার ছবি জমা আছে।” এই বাক্যই হয়তো ব্যক্ত করে সেই দিনের অনুভূতি। শরীর ভেঙে পড়েছিল অনেকের, ক্লান্তি চোখে-মুখে, তবুও মনে ছিল শান্তি— কারণ অতিথিরা খুশি, মানুষ বলেছে “এটাই সেরা মেজবান,” আর তারাই এই অনুষ্ঠানের সত্যিকারের পুরস্কার।

    মেজবান ২০২৫ ছিল না কেবল একটি অনুষ্ঠান—
    এটি ছিল প্রবাসে চট্টগ্রামের প্রাণের উৎসব, স্মৃতির পুনর্জন্ম, মাটির প্রতি প্রেমের উৎসর্গ। দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও আমরা ভুলিনি আমাদের পরিচয়।
    আমরা অনুভব করেছি— গায়ের রং, ভাষার টান, খাবারের স্বাদ— আমাদের শেকড় আমাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে।

    চট্টগ্রাম আমাদের আবেগ, মেজবান আমাদের অহংকার।
    এই ঐতিহ্য যেন শুধু ইতিহাস না হয়ে ওঠে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যাক আলোর প্রদীপ হয়ে। টরন্টোর আকাশে সেই দিন যে মায়া ভেসেছিল— তা চিরদিন ভাসুক আমাদের স্মৃতিতে।

    চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডা

    কৃতজ্ঞতা জানায় সব অতিথি, সংগঠক, স্বেচ্ছাসেবক ও মমতায় ভরা মানুষদের। আপনাদের উপস্থিতিই প্রমাণ— চট্টগ্রাম শুধু ভূগোল নয়, চট্টগ্রাম একটি অনুভব।

    বিশেষ কৃতজ্ঞতা — হৃদয়ের গভীর থেকে:
    এই সফলতার মূল ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছেন যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন হাসিমুখে, নিঃস্বার্থভাবে—আমাদের প্রিয় কনভেনর সারোয়ার জামান, যাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, দৃঢ় মনোবল ও দিন-রাত পরিশ্রম না থাকলে এ মেজবান এভাবে স্মরণীয় হয়ে উঠত না। তাঁর দায়িত্ববোধ, সাহস, এবং আবেগ ছিল এই আয়োজনের হৃদস্পন্দন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা সহ-কনভেনর বাহার উদ্দিন বাহার এবং মেজবান কমিটির প্রতিটি সদস্যের প্রতি, যারা নিজের পরিবার, সময়, ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ভুলে শুধুমাত্র একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন— “চট্টগ্রামের মুখ উজ্জ্বল করা, প্রবাসে মেজবানকে পৌঁছে দেওয়া হৃদয় ছুঁয়ে।”

    কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই আমাদের সম্মানিত ট্রাস্টি, উপদেষ্টা, এবং সব এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যদের—
    আপনাদের দিকনির্দেশনা, সমর্থন ও একতাই এই ঐতিহাসিক মেজবানকে করেছে মহিমান্বিত।

    আর সবচেয়ে বড় ধন্যবাদ প্রতিটি অতিথিকে ।
    আপনাদের উপস্থিতি, হাসি, সহযোগিতা এবং ভালোবাসায় মেজবান ২০২৫ আরও রঙিন, আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আপনারাই প্রমাণ করেছেন— চট্টগ্রাম শুধু একটি জায়গা নয়; এটি একটি অনুভূতি, একটি আত্মপরিচয়।

    চট্টগ্রাম আমাদের আত্মা। মেজবান আমাদের ভালোবাসা।
    এই ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক—হৃদয়ে, প্রবাসে, ইতিহাসে।
    আবার ফিরবো আরও বড় আয়োজন নিয়ে—আরও হাসি, আরও মিলন, আরও মেজবানি নিয়ে। এ ভালোবাসা বেঁচে থাকুক—মেজবান ফিরে আসুক আবারও, আরও জাঁকজমক রুপ নিয়ে। প্রবাসেও আমরা এক, আমরা চাটগাঁইয়া, আমরা মেজবানের উত্তরাধিকারী।সংগঠন ও আয়োজকদের পক্ষ খেকে অতিথিদের শুভেচছা জানিয়েছেন সভাপতি সাহাব সিদ্দিকী বুলবুল ,সাধারন সম্পাদক ড.মঞ্জুরমোর্শেদ ,কোষাধক্ষ সানাথ বডুয়া,সারওয়ার জামান ,বাহাউদ্দিন বহার ,মোহাম্মদ সোলাইমান,মোহাম্মদ আবু তাহের,সাঈদা সেলিনা সারওয়ার,ফারা হোসেন,জাহেদ আহমেদ মানিক,শরিফা কামাল মসি,শামিমা ইয়াসমিন রুমা,কানিজ ফাতিমা এবং কাজী এ বাসিত প্রমূখ

  • ২৬ বছরে সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাব: ইতিহাসের পথে অবিচল এক স্বপ্নসাক্ষর

    ২৬ বছরে সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাব: ইতিহাসের পথে অবিচল এক স্বপ্নসাক্ষর

    কিছুদিন পরই ২৬ বছরে পা দিতে যাচ্ছে সেনবাগের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন “সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাব”। দীর্ঘ বছর ধরে সেনবাগের তরুণদের খেলাধুলার চর্চা, ক্রিকেটের প্রসার ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে অপরিসীম অবদান রেখে আসছে ক্লাবটি।

    প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ক্লাবটি দৃঢ়তার সঙ্গে মাথা উঁচু করে টিকে আছে। সেনবাগে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং ক্রীড়াচর্চার সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে ক্লাবটি ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা ও আস্থা অর্জন করেছে।

    এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিজানুর রহমান সুমন সকল পূর্ব ও বর্তমান সদস্যদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে ‘সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাব’ যে সুনাম ধরে রেখেছে তা সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া সম্ভব হত না। বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সেইসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে, যারা এই দীর্ঘ পথচলায় সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন। আপনাদের নিরঙ্কুশ ভালোবাসা ও সহযোগিতা-ক্লাব সারাজীবন মনে রাখবে।”

    আগামী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে ক্লাবে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে নানা আয়োজনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, “সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাব শুধু একটি দলের নাম নয়, এটি সেনবাগের ক্রীড়া ঐতিহ্যের প্রতীক।

  • ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : যা বলছেন চিকিৎসক

    ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : যা বলছেন চিকিৎসক

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, হাদিকে যখন জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয় তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। পরে তাকে সিপিআর দেওয়া হয়। এখন একটু প্রেসার ভালো আছে। তবে তার মাথার ভেতরে গুলি আছে, কানের আশেপাশে গুলি লেগেছে।

    বিকেল সাড়ে ৩টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।

    দুপুর আড়াইটার কিছু আগে রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

    ওসমান হাদিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মিসবাহ জানান, জুমার নামাজ পড়ে মতিঝিল বিজয়নগর কালভার্ট এলাকা দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময় দুইজন মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায়। এতে গুলিটি তার বাম কানের নিচে লাগে। গুলি করেই তারা পালিয়ে যায়। এরপর ওসমান হাদিকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুনসহ তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    ওসমান হাদি লিখেছিলেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।