Author: তরঙ্গ টিভি

  • ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

    ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারণাকালে তাকে গুলি করা হয়।

    ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, তাকে যখন জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয় তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। পরে তাকে সিপিআর দেওয়া হয়। এখন একটু প্রেসার ভালো আছে। তবে তার মাথার ভেতরে গুলি আছে, কানের পাশে গুলি লেগেছে।

    ওসমান হাদির ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে তার জন্য ‘বি’ নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। তবে হাদির শারীরকি অবস্থা সম্পর্কে এখনও কোনো চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন,‌ আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবদ্ধ হয়েছেন। তবে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত নই, আমাদের টিম পাঠিয়েছি। টিম আমাদের কনফার্ম করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।

    ওসমান হাদিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মিসবাহ জানান, জুমার নামাজ পড়ে মতিঝিল বিজয়নগর কালভার্ট এলাকা দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময় দুইজন মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায়। তার বাম কানের নিচে লাগে। গুলি করেই তারা পালিয়ে যায়। এরপর ওসমান হাদিকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

    মিসবাহ আরও জানান, চিকিৎসক জানিয়েছেন তার শরীর থেকে অনেক রক্ত বেরিয়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    গত মাসে (নভেম্বর) দেশি-বিদেশি ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুন দেওয়াা এবং তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    ওসমান হাদি লিখেছিলেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।

  • অবশেষে শিশু সাজিদকে উদ্ধার

    অবশেষে শিশু সাজিদকে উদ্ধার

    রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অবশেষে ৩২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শিশুটিকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

    শিশু সাজিদ কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিব উদ্দীনের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে জমি থেকে মাটি নিয়ে আসার সময় একটি ট্রলি আটকে যায়। রাকিব ও তার স্ত্রী তাদের দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে মাটিতে গেঁথে যাওয়া ট্রলিকে দেখতে যান। শিশুটি তার মায়ের কোল থেকে নেমে জমির মধ্যে হাঁটছিল। কোনো এক সময় পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে যায় সে।

    পরে স্থানীয়রা ছাড়াও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এরপর ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। তারা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়। বৃহস্পতিবার ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করে। তারা ৪০ ফুট মাটি খনন করেও শিশুটি পাচ্ছিলেন না। অবশেষে রাত ৯টার দিকে শিশুটিকে মাটির নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে শিশুটি জীবিত নাকি মৃত তা এখানো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে ভাষণের মাধ্যমে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    তিনি বলেন, আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ (বৃহস্পতিবার) ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

    সিইসি জানান, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। কমিশনে দায়েরকৃত আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত তথা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

    এর আগে, গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিকেল ৪টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করা হয়। যেটি আজ প্রচার করা হয়।

    নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, তফসিল ঘোষণার পর আসন বিন্যাস, আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদের প্রজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি করা হবে। মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইনশৃঙ্খলা সেল গঠন— এগুলোর ফরমেট তৈরি রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২টি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৬ বার, বিএনপি চারবার ও জাতীয় পার্টি দুবার জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ প্রথম, সপ্তম, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে; দ্বিতীয়, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এবং তৃতীয় ও চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় জাতীয় পার্টি।

    সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও দ্বাদশ সংসদ মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। তবে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম ও একাদশ সংসদ তাদের মেয়াদকাল পূরণ করে।

  • সলঙ্গায় বসতবাড়ী বে-দখলের চেষ্টায় সাংবাদিক পরিবারকে হামলা ও অপপ্রচার।

    সলঙ্গায় বসতবাড়ী বে-দখলের চেষ্টায় সাংবাদিক পরিবারকে হামলা ও অপপ্রচার।

    সিরাজগন্জের সলঙ্গায় সাংবাদিক পরিবারের বসতবাড়ী জোর করে বেদখলের চেষ্টা চালায় ভুমিদস্যু মর্তুজা ও গোলাম মোস্তফা ওরফে লেংড়া গোলাম গং। থানায় সাধারণ ডায়রী করার পর ক্ষিপ্ত হয়ে রানীনগর গ্রামের সাংবাদিক পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায় এবং সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একই গ্রামের সন্ত্রাসীরা গোলাম মর্তুজা ও গোলাম মোস্তফা ওরফে লেংড়া গোলাম গং কুরুচিপুর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। ঐ বিষয়ে সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
    এর আগে গত ০৩ (তিন) ডিসেম্বর বসতবাড়ী কিছু অংশ বে-দখলের চেষ্টায় সলঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী এবং কিছু অংশ বাড়ীর পালান দখল করায় ০৮ডিসেম্বর একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন সাঈম সরকার। যা তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন এএসআই রফিক ও মহিদুল ইসলাম।
    দৈনিক গণমুক্তির স্টাফ রির্পোটার সাঈম সরকার জানায়, আমার গ্রামে বাড়ীতে একই গ্রামের মৃত-আব্দুল মজিদ সরকারের ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাস প্রকৃতির এবং বিকৃত মস্তিষ্কের ৪ সন্তান আমাদের বসতবাড়ী বে-দখলের চেষ্টায় উম্মাদ ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।আমাকে হেয় করতে আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপুর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয়,আমার ১০ বছরের শিশু কন্যা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে প্রতিদিন বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি ও আজে-বাজে কথা বলে আসছে গোলাম মর্তুজা ও লেংড়া গোলাম গং। গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধা অনুঃ ৬.০০টায় বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ পুর্বক বিভিন্ন ভয়ভিতি হুমকী প্রদান করায় আমার মেয়ে ও স্ত্রী ভয়ে ঘর থেকে বাহীর হতে পারছে না। তাদের ভয়ে আমার কন্যার ফাইনাল পরিক্ষা চলা অবস্থায় পরিক্ষা দিতে যেতে পারে নাই। তিনি আরো বলেন যে,আমার বাবা ইন্তেকাল করার পরে দীর্ঘদিন যাবৎ আমার বাবার ক্রয়কৃত সম্পতি জোর জুলুমে দখলের চেষ্টা করে আসছিলো। তার-ই ধারাবাহিকতায় গত ২০১৩ সালে হত্যার উদেশ্য দেশিও অস্ত্র স্বস্ত্র সুসজ্জিত হয়ে এসে আমাদের স্বপরিবারের উপর আচমকা হামলা চালায় এবং পরিবারের সবাই আহত হয়। ঐসময় ৩২৬ধারাঃসহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করলে সেই মামলা ১৫লাখ টাকার বিনিময়ে স্বাক্ষী প্রমান ছাড়াই একতরফা রায়ে তারা খালাস পায়। পরে জমিজমা নিয়ে একটি মামলা দায়ের করলে মহামান্য আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন। সেই রায় অমান্য করে উচ্চ আদালতে রিবিশন মামলা দায়ের করে।সেখানেও আমাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন আদালত। এমনকি, স্থানীয় সরকার ইউপি চেয়ারম্যান এর গ্রাম্য আদালতেও আমাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। যা ক্রয় সুত্রে,১৯৯২সালে হতে নামজারি ও ২০২৮ সাল পর্যন্ত খাজনা-খারিজ সম্পন্ন পরিশোধ রহিয়াছে। পুরুষ শূন্য ফাকা বাড়ীতে আবারও কিছু অংশ দখল করার চেষ্টায় ২ট্রাক মাটি ভরাট করেছে এবং সেখানে খড়ের পালা দিয়েছে। খবর পেয়ে আমি বাড়ীতে গিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করি। পুলিশ বাড়ীতে তদন্তে এসে ফিরে যাওয়ার পর হতে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপুর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনায় দা, ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে বের হয় গোলাম মর্তুজা ও লেংড়া গোলামসহ ওরা ৪ (চার) ভাই। সাথে গোলাম মোস্তফা ওরফে লেংড়া গোলামের স্ত্রী ও মর্তুজার স্ত্রীসহ ৭/৮জন। আমি নিজেকে বাচাতে দৌড়ে সরে যেতে পারলেও আমার অসহায় পরিবারের উপর চালাচ্ছে অমানুষিক নির্যাতন। এবিষয়ে গত ০৮ ডিসেম্বর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে আমার কর্মস্থল ঢাকার আশুলিয়ায় ফিরে আসি। সলঙ্গা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধায় আমার মুঠোফোনে জানায় ১০ ডিসেম্বর গোলাম মর্তুজা গং বাদি হয়ে আমার বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় একটি কাউন্টার অভিযোগ দায়ের করেছে। সলঙ্গা থানার সহ-উপ পরিদর্শক জানায় প্রসিকিউশন মামলাটি ৪ দিন আগে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে অভিযোগ তদন্তকারী উপ পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম বলেন,৮ডিসেম্বর সাঈম সরকার বাদি হয়ে করা অভিযোগ তদন্ত চলছে

  • দুমকির লেবুখালীতে বিএনপি প্রার্থীর  পথসভায় বলেন ১৬ ববছরে যে ভাবে মায়ের কোল খালি হয়েছে এখন আর হবে না।  —- আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

    দুমকির লেবুখালীতে বিএনপি প্রার্থীর পথসভায় বলেন ১৬ ববছরে যে ভাবে মায়ের কোল খালি হয়েছে এখন আর হবে না। —- আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

    পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে দুমকির লেবুখালী ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে লেবুখালী এলাকায় গণসংযোগ শেষে ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এ সভা হয়।

    মতবিনিময় সভায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন তিনি।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পবিপ্রবি কৃষি অনুষদের চেয়ারম্যান ড. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমান, শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. খালিল জোমাদ্দার।

    এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মুসা ফরাজি, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ও যুগ্ম আহ্বায়ক লাল মিয়া, আহসান ফারুক, , সাখাওয়াত মো. সোহেল, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো.খলিল আকন, কৃষক দলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সুমন শরিফ,’ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান, অভি, নুরজামালসহ দলীয় কর্মীরা।মতবিনিময় সভায় বক্তারা আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে থাকার সংকল্প ব্যক্ত করেন।

  • রাণী বিলাসমণি বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিল্পকলার সমন্বয়

    রাণী বিলাসমণি বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিল্পকলার সমন্বয়

    রাণী বিলাসমণি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, জয়দেবপুর, গাজীপুর—এক শতাব্দী প্রাচীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি তার আদর্শ, সাফল্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য গাজীপুরের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত।

    ১৯০৫ সালে ভাওয়ালের রাজা রাজেন্দ্রনারায়ণ তার সহধর্মিণী রাণী বিলাসমনি দেবীর স্মরণে “এম.ভি স্কুল” নামে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালের এপ্রিল মাসে সরকারি অনুমোদন লাভের পর এটি “রাণী বিলাসমণি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়” নাম ধারণ করে এবং তখন থেকেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছে। বিদ্যালয়টি ভাওয়াল রাজবাড়ীর একেবারে কাছ ঘেঁষে অবস্থিত, যা এর ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য মূল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    বিদ্যালয়ের মূল আদর্শ হল “Come to learn & Go out to serve” অর্থাৎ শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলা এবং সমাজের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা। এই আদর্শকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের গুণাবলী গড়ে তোলা হয়। প্রতিদিন দুই শিফটে (প্রভাতি ও দিবা) ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়, এবং মোট ১৭টি শ্রেণিকক্ষ, তিনটি বিজ্ঞানাগার, একটি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ এবং প্রায় চার একরের ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা লাভ করে। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৭০০ থেকে ১৮০০ এর মধ্যে রয়েছে, যা বিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার প্রমাণ।

    সাফল্যের দিক থেকে বিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হারের শীর্ষে রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পদক প্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোঃ নূরুল ইসলাম (ভাওয়াল রত্ন) সহ বেশ কয়েকজন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক এখানে কর্মরত আছেন। এছাড়াও বিদ্যালয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন মার্শাল মিডল স্কুলের সাথে তথ্য বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে, যা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করেছে।

    শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং স্কাউট ডেনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের দলগত কাজ ও নেতৃত্ব ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। স্থানীয় দাতাদের মধ্যে জমিদার পরিবার, সামাজিক সংগঠন এবং ব্যক্তিগত দাতারা বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নিয়মিত সহায়তা প্রদান করে আসছেন। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে বিদ্যালয়টি গাজীপুরের শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

  • পটুয়াখালীতে মানবাধিকার দিবস পালনে বর্ণনাঢ্য রেলি ও পথসভা।

    পটুয়াখালীতে মানবাধিকার দিবস পালনে বর্ণনাঢ্য রেলি ও পথসভা।

    ৭৭ তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন উপলক্ষে BHRC পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে রেলি ও পথসভা অনুষ্ঠিত।

    ১০ ডিসেম্বর (বুধবার) সকাল দশটায় পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাট চত্বর থেকে দিবস উদযাপন উপলক্ষে রেলি শুরু হয়ে নিউমার্কেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয় পরে উক্ত স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন BHRC পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড, মোঃ মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন BHRC পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা নাসির উদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ ফিরোজ আহমেদ এবং সদস্য মাহফুজা ইসলাম, কবি সিদ্দিকুর রহমান এছাড়াও পথসভায় পটুয়াখালী বোতলবুনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আমিনুল ইসলাম সিরাজের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন এ্যাড, জাহাঙ্গীর হোসেন।

  • মানবিকতার আলোকবর্তিকা ডা. অমিতাভ তরফদার।

    মানবিকতার আলোকবর্তিকা ডা. অমিতাভ তরফদার।

    চিকিৎসা যখন পেশার গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক দায়বদ্ধতায় রূপ নেয়, তখনই জন্ম নেয় ডা. অমিতাভ তরফদারের মতো মানুষ। আন্তরিক ব্যবহার, সততা ও গভীর সহমর্মিতায় তিনি প্রান্তিক মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। রোগীর সঙ্গে তার বন্ধুসুলভ আলাপন অনেক সময় ওষুধের আগেই কাজ করে—ভরসা জাগায়, সুস্থতার মনোবল বাড়ায়।

    একজন আদর্শ চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব রোগীকে সম্মান করা—এই নীতিতেই বিশ্বাসী ডা. অমিতাভ। কোনো তুচ্ছতা নয়, বরং ধৈর্য ও মানবিক মমতায় তিনি রোগীর কষ্ট অনুভব করেন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই তার কাছে পান সমান মনোযোগ ও যত্ন। মানুষকে আপন করে নেওয়ার যে সহজাত ক্ষমতা তার আছে, সেটাই তাকে আলাদা করে তুলে ধরেছে।শহরের আরামদায়ক জীবন ছেড়ে মানবসেবার টানে তিনি গ্রামাঞ্চলে আসেন। লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া। বর্তমানে তিনি দুমকি উপজেলার বিশেষায়িত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান লুথ্যরান হেলথ কেয়ার-এ আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অল্প সময়েই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন এবং “মানবিক ডাক্তার” হিসেবে জেলা জুড়ে পরিচিতি লাভ করেন।

    ডা. অমিতাভ তরফদার ২০১৩ সালের জুলাই মাসে এমবিবিএস পাস করেন এবং ২০১৪ সালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ইমার্জেন্সি, মেডিসিন, সার্জারি ও শিশু বিভাগে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে তিনি লুথ্যরান হেলথ কেয়ারে যোগ দেন এবং তখন থেকেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নির্ভরতার প্রতীকে পরিণত হন।রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ, সেবার মানোন্নয়ন এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে তিনি লুথ্যরান হেলথ কেয়ারের হারানো বিশ্বাস পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া ও নিজ খরচে ওষুধ সরবরাহ—এমন মানবিক উদ্যোগে বহু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

    লুথ্যরান হেলথ কেয়ারে চিকিৎসা নেওয়া রোগী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “ডিগ্রি নয়, গুণই একজন মানুষকে ভালো চিকিৎসক বানায়—ডা. অমিতাভ তার প্রমাণ।” শিশুর মা সোনিয়া আক্তার বলেন, “তার সঙ্গে কথা বললেই মনের ভয় কেটে যায়, রোগও যেন অর্ধেক কমে যায়।”
    ১৯৮৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর খুলনায় জন্ম নেওয়া ডা. অমিতাভ তরফদার একজন অবসরপ্রাপ্ত নার্সিং সুপারভাইজারের সন্তান। ব্যক্তিজীবনে তিনি সদালাপী ও হাস্যোজ্জ্বল মানুষ। মানবসেবাকে জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আজ তিনি দুমকি ও আশপাশের অঞ্চলে একজন সত্যিকারের মানবিক চিকিৎসক হিসেবে ব্যাপক সম্মান ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

  • মাহফুজ-আসিফকে বিদায় জানাতে প্রধান উপদেষ্টার মধ্যাহ্নভোজ

    মাহফুজ-আসিফকে বিদায় জানাতে প্রধান উপদেষ্টার মধ্যাহ্নভোজ

    উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিদায়ী যুব ও ক্রীড়া, সমবায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সম্মানে এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন।

    বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে গতকাল বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া, সমবায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

  • প্রেস সচিবের কড়া হুঁশিয়ারি তফসিল ঘোষণার পর রাস্তায় নামলে কঠোরভাবে দমন করা হবে

    প্রেস সচিবের কড়া হুঁশিয়ারি তফসিল ঘোষণার পর রাস্তায় নামলে কঠোরভাবে দমন করা হবে

    তফসিল ঘোষণার পর কোনো ধরনের দাবি-দাওয়া বা আন্দোলন নিয়ে রাস্তায় নামলে পুরো বিষয়টি খুব কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, আমরা এখন নির্বাচনের মোডে। এই তফসিল ঘোষণার পরে কোনো ধরনের দাবি-দাওয়া, আন্দোলন নিয়ে রাস্তায় নামলে এই পুরো বিষয়টি খুব কঠোরভাবে দমন হবে। আমরা একটি ভালো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।