Author: তরঙ্গ টিভি

  • প্রথম নারী জেলা প্রশাসক পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

    প্রথম নারী জেলা প্রশাসক পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রথমবারের মতো নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শারমিন আক্তার জাহান।

    রোববার (৮ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে তাকে নড়াইল জেলার জেলা প্রশাসক পদ থেকে বদলি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পদায়ন করা হয়েছে।

    ১৯৮৪ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গঠিত হয়। জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর সেই ফেব্রুয়ারি মাসেই অল্প সময়ের মধ্যেই প্রথম জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে যোগদান করেছিলেন মো. আনোয়ার হোসেন।

    তিনি ছিলেন নবগঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক (ডিসি)। সেই ১৯৮৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর দীর্ঘ ৩ যুগ অতিবাহিত হওয়ার পর এবারই প্রথম কোনো নারী এই পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

    মিজ্ শারমিন আক্তার জাহান বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। নড়াইল জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসা অর্জন করেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসার, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রশাসনে সেবার মানোন্নয়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

    স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজ মনে করছে, তার নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।

    সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি অ্যাড. আবদুন নূর বলেন, স্বাধীনতার আগে ও পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারী ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

    জেলায় পদায়নকৃত নারী ডিসিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন ডিসি জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে আশা করছি।

    এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রজ্ঞাপনে বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলমকে বদলির আদেশ জারি করা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছো৷ খুব শিগগিরই মিজ্ শারমিন আক্তার জাহান দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দেখলেই ব্রাশফায়ারের নির্দেশ দিলেন সিএমপি কমিশনার

    অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দেখলেই ব্রাশফায়ারের নির্দেশ দিলেন সিএমপি কমিশনার

    বন্দরগরী চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড এবং অস্ত্রবাজি ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ।

    আজ (মঙ্গলবার) পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশে ওয়্যারলেসে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারী এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র সাবমেশিন গান (এসএমজি) ব্যবহার করে ‘ব্রাশফায়ার’ করার নির্দেশ দেন। তবে এ আদেশ কোনো নিরস্ত্র মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    সিএমপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, মঙ্গলবার দুপুরে কমিশনার ওয়ারল্যাস সেটের মাধ্যমে টহল ও থানা পুলিশকে একাধিকবার নির্দেশ দেন— ‘শটগান হবে না, চায়না রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি ব্রাশফায়ার মুডে থাকবে।’

    একই সঙ্গে পুলিশের উদ্দেশে তিনি টহল ও অভিযানে শিশা শটগান, দুইটি গ্যাস গান এবং নাইন এমএম পিস্তল বহন করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া স্থায়ী চেকপোস্ট সাতটি থেকে বাড়িয়ে ১৩টি করার নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার।

    পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত ৫ নভেম্বর নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলীর খন্দকারপাড়া এলাকায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা নিহত হন। একই ঘটনায় এরশাদ উল্লাহও আহত হন। পরদিন একই এলাকায় গুলিতে এক প্রতিবন্ধী রিকশাচালক আহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিএমপি কমিশনার নতুন করে এ নির্দেশনা দেন।

    এ বিষয়ে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, দেখামাত্র ব্রাশফায়ার হবে শুধুমাত্র অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের জন্য। নিরস্ত্র জনসাধারণের ওপর এটি প্রয়োগ করা হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগের যারা ঝটিকা মিছিল করে এটা তাদের ওপর প্রয়োগ হবে না। তাদের গ্রেপ্তার করব, আদালতে সোপর্দ করবো।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য সন্ত্রাসীদের নগরে প্রবেশের সাহসই কমানো। আমাদের এলাকায় প্রকাশ্যে হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসীরা যেন আর সাহস না পায়, সেজন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নির্দিষ্ট সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করা। দণ্ডবিধি ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার অধিকার সবসময় রয়েছে। প্রয়োজনে সব দায় আমি বহন করব।

    এর আগে ১১ আগস্ট নগরের বন্দর থানার সল্টগোলা ক্রসিং ইশান মিস্ত্রি হাট এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ ওরফে রানা গুরুতর আহত হন। পরদিন (১২ আগস্ট) ওয়্যারলেসে সিএমপির সব সদস্যের উদ্দেশে মৌখিক নির্দেশনায় সিএমপি কমিশনার বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে যে অস্ত্রের প্রাধিকার ছিল, ওই প্রাধিকার অনুযায়ী থানার মোবাইল পার্টি, পেট্রোল পার্টি, ডিবির টিমসমূহ ও সকল ফোর্স অস্ত্র ক্যারি করবে।

    আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া এবং লাইভ এমুনিশন ছাড়া কোনো পেট্রোল পার্টি, মোবাইল পার্টি, ডিবির পার্টি, চেকপোস্ট পার্টি বের হবে না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগের প্রাধিকার অনুযায়ী লাইভ এমুনিশন ছাড়া কেউ বের হবে না। প্রাধিকার অনুযায়ী অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং স্যুট পরে তারপর ডিউটিতে যাবে, বলেন তিনি।

  • টিনের বেড়া দিয়ে পাঁচ পরিবারকে অবরুদ্ধ, মসজিদেও যেতে পারছেন না কেউ

    টিনের বেড়া দিয়ে পাঁচ পরিবারকে অবরুদ্ধ, মসজিদেও যেতে পারছেন না কেউ

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে প্রতিপক্ষের বাধা ও টিনের বেড়া দিয়ে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় পাঁচটি পরিবার প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন। এতে বয়স্ক, নারী ও শিশুদের চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। এমনকি তারা পাশের মসজিদেও নামাজ পড়তে যেতে পারছেন না।

    সোমবার (১০ নভেম্বর) শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের পখমসার গ্রামে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, চলাচলের মূল পথটি স্থানীয় স্বপন খান নামের এক ব্যক্তি টিনের বেড়া দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে আ. হান্নান, শওকত হোসেন দুলালসহ পাঁচটি পরিবারের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমানের ছেলে স্বপন খান ১৯৬০ সাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসা ওই রাস্তাটি দখল করে টিনের বেড়া দিয়েছেন। ফলে ওই পাঁচ পরিবার এখন বিকল্প পথে আধা কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।

    অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য মো. ফয়সাল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা প্রায় ৬০ বছর ধরে এই রাস্তাটিই ব্যবহার করে আসছি। হঠাৎ করে স্বপন খান টিনের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন মসজিদ, স্কুল, বাজার সব জায়গায় যেতে আমাদের আধা কিলোমিটার ঘুরতে হয়। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের প্রতি অন্যাস্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর চলাচলের পথ খুলে দেওয়া হয়।

    ওমর খালেদ নামে আরেক ভুক্তভোগী ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের পরিবার বহু আগেই এখানে বসবাস শুরু করে। আমাদের প্রতিবেশী হিন্দু পরিবার থেকে আমার বাবা চলাচলের জন্য জায়গা কিনতে চেয়েছিলেন। তখন স্বপন খানের বাবা বলেন, চলাচলের জায়গা নিয়ে কোনো অসুবিধা হবে না। পরে আমরা জায়গাটি ক্রয় করি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের আগেও এই পথে চলাচল করেছি। কিন্তু এখন এক সপ্তাহ ধরে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    অভিযোগের বিষয়ে স্বপন খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওটা আমাদের মসজিদের জায়গা। এতদিন ওই জায়গাটা আমার কাজে লাগেনি, তাই তারা চলাচল করেছে। এখন আমি ওই জায়গায় কাজ করব, তাই পথ বন্ধ করে দিয়েছি।

    এ বিষয়ে গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন  বলেন, আমি বিষয়টি মাত্র জেনেছি। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ‘বিএনপি ও জামায়াত নৌকার ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছে’

    ‘বিএনপি ও জামায়াত নৌকার ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছে’

    বিএনপি ও জামায়াত নৌকার ভোট পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোয় সংস্কার না হওয়ার জন্য এই দুই দলকে দায়ী করেছেন তিনি।

    সোমবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে ‘জুলাই সনদে শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক অবমূল্যায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সারোয়ার তুষার এ অভিযোগ করেন। জাতীয় শ্রমিক শক্তি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    তুষার বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বাধার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কার সম্ভব হয়নি। জামায়াত আঙুল বাঁকা-সোজা করার কথা বলছে। আর বিএনপি বলছে রাস্তায় নামার কথা। এ দুই রাজনৈতিক দল নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরে কোনো কিছুকেই মূল্যায়ন করে না। নৌকার ভোট পাওয়ার জন্য দুই দলই বেলেল্লাপনা করছে। জনগণের ওপর ভরসা না রেখে তারা বেলেল্লাপনা করছে। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর ভরসা করছে।জুলাই সনদ ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি কমিশনে একমত হয়ে, জুলাই সনদ আদেশ ও গণভোটে একমত হয়ে এখন অস্বীকার করছে। বিএনপি দাবি করছে গণভোট বোঝে না জনগণ। কিন্তু বিএনপির ডিমেনশিয়া হয়েছে, তাদের জন্মই গণভোটে।

    সারোয়ার তুষার আরও বলেন, জুলাই সনদের আইনিভিত্তি ছাড়া কোনো ধরনের নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হবে না। সনদ বাস্তবায়ন না করে নির্বাচন দিলে তা সুষ্ঠু হবে না। ৬৭ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। কীভাবে নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি হবে? জনগণ অস্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এমন ভরসা পাচ্ছেন না।

  • তারেক রহমান যদি চাইতেন ৫ আগস্টই ক্ষমতা নিতে পারতেন : আব্দুস সালাম

    তারেক রহমান যদি চাইতেন ৫ আগস্টই ক্ষমতা নিতে পারতেন : আব্দুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেছেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতা চাইলে অনেক আগেই ক্ষমতা নিতে পারতেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান যদি চাইতেন ৫ আগস্টই ক্ষমতা নিতে পারতেন। কিন্তু তারেক রহমান যেনতেনভাবে ক্ষমতা নিতে চান না। তিনি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ক্ষমতা নিতে চান। জনগণও বিএনপির পক্ষে আছে। 

    ‎সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনীর পরশুরামের নিজ কালিকাপুর এলাকায় বল্লামুখা বেড়িবাঁধের পাশে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনে জনগণ বিএনপির পক্ষেই রায় দেবে উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, তারা কয়েকজন মিলে, আর কয়েকজন রাজনৈতিক দলের নেতা মিলে ঠিক করে দেবে দেশ কীভাবে চলবে? এ ক্ষমতা আপনাদের কে দিয়েছে? এই অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? আপনারা জনগণের কাছে যেতে ভয় পান। আমরা তো জানি না জনগণ কি বিএনপিকে রায় দেবে, নাকি অন্য কাউকে দেবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি বিএনপি যেহেতু সব সময় জনগণের পাশে রয়েছে, তাই জনগণ বিএনপির পক্ষেই রায় দেবে। এটিই হলো তাদের ভয়।  তারা বলে আমরা ঠিক করেছি, এটিই আইন। কিন্তু কে দিয়েছে এই অধিকার? কেউ যদি আদালতে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করে তাহলে এই সমস্ত আইন-ফাইন কিছুই টিকবে না। তখন দেশটি কোথায় যাবে? একদিকে অর্থনীতি, আরেকদিকে ষড়যন্ত্রের কথা চিন্তা করে আমরা বলেছি একই দিনে গণভোট আর নির্বাচন হোক। এ দাবি আমরা আবারও ব্যক্ত করছি। এটি দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে।

    তিনি বলেন, সীমান্তের ওপার থেকে হাসিনা শুনবে কিনা জানি না, কিন্তু মোদি শুনবে। কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই। আজকে গণভোটের কথা যারা বলে তাদের সঙ্গে হাসিনার যোগাযোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ এই গণভোটে যদি শেখ হাসিনা ওখান থেকে বলে দেয়, তখন তার দলের, তার অনুগত ও তার সহচররা গিয়ে না- এর পক্ষে ভোট দেবে। তখন দেশটির কী অবস্থা হএই বিএনপি নেতা বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বল্লামুখাসহ মুহুরী-কহুয়া ও সিলেনিয়া নদীর টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারত কখনো আমাদের ভালো চায় না। তারা চায় না এ দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, স্বাবলম্বী হোক বা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হোক। বিএনপি সর্বদা মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে দাঁড়িয়ে অসহায় মানুষের কষ্ট ভাগ করে নেয়।

    ‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন খোকন, পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি প্রমুখ।

    ‎এ সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নিজ কালিকাপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে বিএনপিসহ সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান। পরে সেখানে একটি মশাল মিছিল বের করেন তারা।

  • দিল্লিতে বিস্ফোরণের পর মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশে উচ্চ সতর্কতা জারি

    দিল্লিতে বিস্ফোরণের পর মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশে উচ্চ সতর্কতা জারি

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিস্ফোরণের পর দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ, জয়পুর এবং উত্তরাখণ্ডে উচ্চ সতর্কতা জারি করা করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

    আজ সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে দিল্লির অন্যতম জনাকীর্ণ এলাকা লাল কেল্লার একটি মেট্রো রেলস্টেশনের ফটকের কাছে একটি গাড়িতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। ছবি ও ফিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিস্ফোরণে গাড়িটি দরজাসহ উড়ে গেছে।

    মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত দিল্লির লাল কেল্লা প্রতিদেন দেখতে যান হাজার হাজার পর্যটক। সবসময়েই সেখানে ভিড় থাকে। বিস্ফোরণের সময়েও বেশ ভিড় ছিল ওই এলাকায়।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যার বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৮ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। আহতরা সবাই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে অন্তত একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    গাড়িবোমা বিস্ফোরণের পর আশপাশের কয়েকটি গাড়ি এবং দোকানেও আগুন ধরে যায়। দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ট্রাক আগুন নেভানোর কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে সরকারি সূত্র।

    কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য দেয়নি দিল্লি পুলিশ।

    সূত্র : এনডিটিভি

  • সাভারে সাংবাদিক পরিবারের উপর দুই দফায় হামলার পর খামচি মানিকের নাটক ফাঁস!

    সাভারে সাংবাদিক পরিবারের উপর দুই দফায় হামলার পর খামচি মানিকের নাটক ফাঁস!

    নিষিদ্ধ কার্যক্রম ঘোষিত সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পতিত উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম রাজীবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেহেদী হাসান মানিক ওরফে খামচি মানিকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সালেহ আহমেদ ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩ টায় অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে খামচি মানিক ও তার লোকজন সালেহ আহমেদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার স্ত্রী নাজমুন নাহারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাড়িতে লুটপাট চালায়। একইদিন রাত সাড়ে ৮ টায় দ্বিতীয় দফায় সালেহ আহমেদ ও তার ভাই বাবুকে একা পেয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় খামচি মানিক বাহিনী। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদের সবাইকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের একজনকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পর অধিকতর ভালো চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রেফাট করা হয় বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসার চলছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এ ছাড়া মানিক পরিকল্পিতভাবে হামলার পর নাটক সাজিয়ে সাংবাদিক সালেহ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পুলিশ জানায়, অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে

  • কাহারোলে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির মরদেহ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ….

    কাহারোলে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির মরদেহ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ….

    দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরে কাহারোল উপজেলার ১ নং ডাবর ইউনিয়নের কোটগাঁও এলাকা ধানক্ষেত থেকে এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি কামাল হোসেন পায়েল পিতা:মৃত নূর হোসেন এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    গতকাল ৮ নভেম্বর শনিবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ।

    নিহত ঐ তৃতীয় লিঙ্গের কামাল হোসেন পায়েল জয়নন্দ দোহচি মধুপুর প্রাইমারি স্কুলের পাশে ভাড়া থাকতো বলে জানা যায়।

    এ বিষয়ে কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ধানক্ষেত থেকে ঐ তৃতীয় লিঙ্গ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

  • সরকারের আশ্বাসে প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি আপাতত স্থগিত

    সরকারের আশ্বাসে প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি আপাতত স্থগিত

    দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করেছেন। তবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি আগের মতোই চলবে।

    রোববার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ।

    তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ সকালে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।

    শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বৈঠকে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়— সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির ব্যবস্থা করা। দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষক নেতাদের আশ্বাস দেয় যে, অর্থ মন্ত্রণালয়কে বিষয়গুলো অবহিত করে দ্রুততম সময়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চলমান কর্মবিরতি কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিচ্ছি।

    সেখান থেকে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দাবি বাস্তবায়ন ও পুলিশের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষকরা আজ সারা দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। এতে দেশের প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষক পাঠদান থেকে বিরত থাকেন।

    শিক্ষকদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—

    ১. সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন প্রদান,

    ২. উচ্চতর গ্রেডের জটিলতার স্থায়ী সমাধান, এবং

    ৩. সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৭টি। কর্মবিরতি শুরুর পর থেকে এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

    এর আগে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল সরকার প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে এবং ১৩তম গ্রেডের শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু এতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সহকারী শিক্ষকরা আন্দোলনে নামেন।

  • জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণ আর কোনো ভোট চায় না: রহমাতুল্লাহ

    জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণ আর কোনো ভোট চায় না: রহমাতুল্লাহ

    বরিশালে ধানের শীষের পক্ষে রিকশা শ্রমিকদের নিয়ে একটি ব্যতিক্রমী রিকশা র‌্যালি ও সমাবেশ করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

    রোববার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বরিশাল বেলস পার্ক উদ্যান থেকে শুরু হয় এই র‌্যালি ও সমাবেশ। এর আগে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত রিকশা জড়ো হয় এখানে। দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বেলস পার্ক থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    সমাবেশে আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, আমরা ভোট দিতে পারি নাই ২০ বছর। আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীনতার কারণে ভোটের অধিকার ফিরে এসেছে। এখনো একটা পক্ষ নির্বাচন বানচাল করতে চায়। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, জাতীয় নির্বাচনের আগে অন্য কোনো নির্বাচন, গণভোট জনগণ চায় না।

    তিনি আরও বলেন, রিকশাচালকরা আমাদের ভাই। এবারের নির্বাচনে তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তারাও এবার ভোট দিতে পারবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে।

    ব্যতিক্রমী এই প্রচারণা নির্বাচনি মাঠে ভিন্ন আমেজ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    র‌্যালিতে অংশ নেওয়া রিকশাচালকরা বলেন, আমাদের নিয়ে কেউ আগে এভাবে ভাবেনি। আমরাও সমাজের অংশ। নির্বাচনে আমরাও ভূমিকা রাখব। রিকশা নিয়ে শোভাযাত্রা অংশ নিয়ে খুব ভালো লাগছে।