Author: তরঙ্গ টিভি

  • জরাজীর্ণ ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ২ স্তরের তদারকি কমিটি, ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ

    জরাজীর্ণ ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ২ স্তরের তদারকি কমিটি, ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশের জরাজীর্ণ ভোটকেন্দ্র সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত নির্বাচনোপযোগী করতে ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব সংস্কারকাজের স্বচ্ছতা ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে দুই স্তরের তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাহিদা অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ ভবনের তালিকা প্রস্তুত করে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি)।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারাদেশে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ৯৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবকাঠামোগতভাবে জরাজীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা–জানালা ভাঙাচোরা, কোথাও স্যানিটেশন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। ভোটার ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কেন্দ্র দ্রুত সংস্কার জরুরি বলে মত দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

    সিটি করপোরেশন এলাকায় যেসব অঞ্চলে ইউএনও নেই, সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে সভাপতি করে তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রভিত্তিক পৃথক কমিটি থাকবে, যারা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অবস্থা মূল্যায়ন ও সংস্কারকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও পুনর্বাসন’ খাত থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের অর্থ শ্রেণিকক্ষের দরজা–জানালা মেরামত, ছাদের লিকেজ বন্ধ, ভবনের সংস্কার, বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণ, শৌচাগার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ব্যয় করা হবে।

    ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারের জন্য ডিডিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছর ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    এর আগে গত ৬ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত অবস্থার তথ্য চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে যেসব প্রতিষ্ঠানে সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা–জানালা জরাজীর্ণ কিংবা ছোটখাটো মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে সেসব তথ্য চাওয়া হয়েছিল।

  • চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩

    চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্তবাসে এক কলেজছাত্রীকে (২৬) রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাসের চালক মো. আলতাফ (২৫), হেলপার মো. সাগর (২৪) ও চালকের সহযোগী মো. রাব্বি (২১)।

    এলেঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ বলেন, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক কলেজছাত্রী ঢাকার রেডিওকলোনী থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনে ওঠেন। বাসে তখন দুইজন যাত্রী ছিলেন। ওই যাত্রীরা নামার পর কলেজছাত্রীকে জোর করে আটকে রেখে সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার, টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় গ্রেপ্তারকৃতরা। পরে বাসটি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করে ওই ছাত্রীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে তারা।

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের করটিয়া আন্ডার পাস এলাকায় মহাসড়কের ওপর সন্দেহজনক অবস্থায় দাঁড়ালে হাইওয়ে পুলিশ বাসটিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা জানতে পারে।

  • ২৫৩ আসনে সমঝোতার ঘোষণা, জামায়াত ১৭৯ ও এনসিপি ৩০

    ২৫৩ আসনে সমঝোতার ঘোষণা, জামায়াত ১৭৯ ও এনসিপি ৩০

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক‍্য।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জোটের পক্ষ থেকে এ আসন সমঝোতার ঘোষণা দেন।

    ঘোষণা অনুযায়ী— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি(এলডিপি) ৭, আমার বাংলাদেশ পার্টি(এবি পার্টি) ৩, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ২ ও বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি ২।

    এর বাইরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জন্য আসন চূড়ান্ত করা হয়নি। চূড়ান্ত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতার বিষয়টিও।

    সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রাথমিক বক্তব্যে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির(এলডিপি) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, এবারের নির্বাচনটি অতীতের নির্বাচনগুলোর মতো নয়, এটি আমরা জানি। অতীতের নির্বাচনগুলো ছিল মূলত ক্ষমতার পালাবদলের জন্য— যে দল বেশি ভোট পাবে তারা ক্ষমতায় যাবে। কিন্তু এবারের নির্বাচনটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। জুলাই বিপ্লব রক্ষা এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এটি একটি সংগ্রাম। এই নির্বাচন মূলত সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অর্জনের মাধ্যমে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার নির্বাচন। সুতরাং, নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই নির্বাচনে আমাদের ঐক্যবদ্ধতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের (সিরিয়াসলি) সঙ্গে বিজয়ী করা আপনাদের ওপর একটি নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে আমি মনে করি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে নানা দর্শনে বিশ্বাসী এতগুলো দল মিলে এর আগে কখনো এত বড় জোট গঠন করেনি। এটি সব মতকে ধারণ করেছে, যা জাতীয় ঐক্যের একটি মডেল এবং ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে কাজ করবে। আমরা বলেছিলাম যে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’তে অগ্রসর হব। অর্থাৎ, এই জোটে অন্তর্ভুক্ত দলগুলোর মধ্য থেকে প্রতিটি আসনে মাত্র একজন অভিন্ন প্রার্থী থাকবেন। সেই নীতি ধারণ করেই আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।

    তাহের বলেন, আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে আসন বণ্টনের ব্যাপারে একমত হয়েছি। ছোটখাটো দুই-একটা জায়গায় কিছু অস্পষ্টতা বা সমস্যা এখনো রয়ে গেছে, তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের (উইথড্রল) আগেই সেগুলো চূড়ান্ত করতে পারব।

    বাকি ৪৭টি আসনে ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাকি আসনগুলোর বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আরও যারা আছেন, আমরা আশা করি তারাও ঐক্যমতের ভিত্তিতে আমাদের সঙ্গেই থাকবেন। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত বাকি আসনগুলোর বিষয়ে পরবর্তীতে আপনাদের বিস্তারিত অবহিত করব।

  • কালিয়াকৈরে পৃথক স্থানে বনবিভাগের অভিযানে ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

    কালিয়াকৈরে পৃথক স্থানে বনবিভাগের অভিযানে ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগের একটি টিম।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এই বন্যপ্রাণীগুলো উদ্ধার করে।
    উপজেলার সফিপুর হাটে অভিযান চালিয়ে ১০ টি টিয়া, ১২ টি শালিক এবং ০২ টি তিলা ঘুঘু উদ্ধার করা হয়।
    অপরদিকে উপজেলার মকশবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০৬ টি বাদুর, ০২ টি শালিক ও ০২ টি মাছ রাঙ্গা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় । এসময় প্রায় দুইশত মিটার জাল জব্দ করা হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের জনসম্মুখে জব্দকৃত জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় ও মৃত বন্যপ্রানীদের মাটি চাপা দেওয়া হয়।
    এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন বন্যপ্রানী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও মোঃ কামরুল ইসলাম সহ বাগানমালী শেখ জসিম।
    বন্যপ্রানী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা জানান,বন্যপ্রাণী ক্রয় – বিক্রয়, খাওয়া দাওয়া, শিকার করা, পাচার করা, আটকে রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে অপরাধীর এক বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে

  • কালিয়াকৈরে পৃথক স্থানে বনবিভাগের অভিযানে ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

    কালিয়াকৈরে পৃথক স্থানে বনবিভাগের অভিযানে ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় ৩৫ টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগের একটি টিম।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এই বন্যপ্রাণীগুলো উদ্ধার করে।

    উপজেলার সফিপুর হাটে অভিযান চালিয়ে ১০ টি টিয়া, ১২ টি শালিক এবং ০২ টি তিলা ঘুঘু উদ্ধার করা হয়।

    অপরদিকে উপজেলার মকশবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০৬ টি বাদুর, ০২ টি শালিক ও ০২ টি মাছ রাঙ্গা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় । এসময় প্রায় দুইশত মিটার জাল জব্দ করা হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের জনসম্মুখে জব্দকৃত জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় ও মৃত বন্যপ্রানীদের মাটি চাপা দেওয়া হয়।

    এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন বন্যপ্রানী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও মোঃ কামরুল ইসলাম সহ বাগানমালী শেখ জসিম।
    বন্যপ্রানী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা জানান,বন্যপ্রাণী ক্রয় – বিক্রয়, খাওয়া দাওয়া, শিকার করা, পাচার করা, আটকে রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে অপরাধীর এক বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে।

  • শিক্ষা উপদেষ্টা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে সবুজ শিল্পায়ন সম্ভব

    শিক্ষা উপদেষ্টা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে সবুজ শিল্পায়ন সম্ভব

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেছেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমেই সবুজ শিল্পায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন : সবুজ শিল্পের জন্য উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের সমন্বয় যেখানে ঘটছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা উদ্যোগই ভবিষ্যতের টেকসই সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের সম্মেলন তরুণ গবেষক, শিক্ষার্থী এবং অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে।

    তিনি আরও বলেন, দেশে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার পরিবেশ জোরদার করতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গবেষণার ফলাফলকে বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

    আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার এই সময়ে নিজস্ব মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে আমরা উদ্যোক্তা না হয়ে কেবল ভোক্তায় পরিণত হব। অথচ আমাদের প্রতিভার কোনো ঘাটতি নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল

    গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল

    আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আমরা আগেই ঘোষণা করেছিলাম— এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার ছিল। আজ ক্যাবিনেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত হয়েছে। আশা করি, আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে।

    তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলি থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি— ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট কোনো ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে, তবে সরকার সেই মামলাগুলো প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ নেবে। এ ছাড়া, জুলাই-আগস্ট মাসে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে করা কর্মকাণ্ডের জন্য এখন থেকে আর নতুন কোনো মামলা করা যাবে না। ইতোমধ্যে যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই এবং আগস্ট মাসে কেউ যদি রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে সেই ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে সে রেহাই পাবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ বা প্রতিশোধস্পৃহা থেকে লোভের বশবর্তী হয়ে কেউ যদি হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই আইন করা হয়নি। আইনটি করা হয়েছে কেবল ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য সংগঠিত কার্যাবলি এবং সেই প্রক্রিয়ায় যারা সম্মিলিতভাবে (কালেক্টিভলি) যুক্ত ছিলেন, তাঁদের দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য।

    তিনি বলেন, কোন হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোনটি ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে— তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে যে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে যে এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে করা হয়েছে, তবে তারা তদন্ত করবে এবং তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবে। আদালতে সেই রিপোর্ট পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গণ্য হবে।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

  • বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনদিনে সাড়ে ৪ হাজার পাসপোর্টধারীর যাতায়াত

    বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনদিনে সাড়ে ৪ হাজার পাসপোর্টধারীর যাতায়াত

    বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনদিনে চার হাজার ৫০৬ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছে। এ সময় ভারতের সঙ্গে ৯৬১ ট্রাক পণ্যের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয়েছে। ভ্রমণ খাতে সরকারের প্রায় ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বাণিজ্য খাতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ হয়েছে।

    বুধবার (১৪জানুয়ারি) দুপুরে বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন বেনাপোল-পেট্রাপোল রুটে বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারী যাতায়াতের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে সকাল ৯টা থেকে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়। রোববার, সোমবার ও মঙ্গলবার (১১-১৩ জানুয়ারি) তিনদিনে আমদানি হয়েছে ৭৯০ ট্রাক পণ্য। রপ্তানি হয়েছে ১৭১ ট্রাক পণ্য। এরমধ্যে রোববার আমদানি হয়েছে ৩০৫ ট্রাক, রপ্তানি হয়েছে ৪৩ ট্রাক পণ্য। সোমবার আমদানি হয়েছে ২২২ ট্রাক, রপ্তানি হয়েছে ৭৮ ট্রাক পণ্য ও মঙ্গলবার আমদানি হয়েছে ২৬৩ ট্রাক, রপ্তানি হয়েছে ৫০ ট্রাক পণ্য। আমদানিকৃত পণ্যের তালিকায় রয়েছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, তুলা, শিশু খাদ্য, মেশিনারিজ পণ্য, অক্সিজেন, বিভিন্ন ধরনের ফল, চাল, পেঁয়াজ, মাছসহ নানা ধরনের পণ্য। আর রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে বসুন্ধরা টিস্যু, মেলামাইন, কেমিক্যাল, মাছ ও ওয়ালটন পণ্যসামগ্রী। ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে বেনাপোল স্থলপথে পাট, পাটজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক, কাঠের তৈরি আসবাবপত্রসহ কয়েকটি পণ্য রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাতায়াত শুরু হয়।

    তিনদিনে (১১-১৩ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে মোট যাতায়াত করেছে চার হাজার ৫০৬ জন পাসপোর্টযাত্রী। এরমধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গেছে দুই হাজার ৬২৪ জন। ভারতে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন এক হাজার ৯২০ জন, ভারতীয় ৬৮৮ জন এবং অন্যান্য দেশের ১৬ জন। অপরদিকে ভারত থেকে ফিরেছেন এক হাজার ৮৮২ জন। ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন এক হাজার ৪৯১ জন, ভারতীয় ৩৭৫ জন এবং অন্যান্য দেশের ১৬ জন। গত ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতার কারণে পাসপোর্টধারী যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ট্রাক পণ্যের বাণিজ্য হতো। তবে গত বছরের ৫ আগস্টের পর দুই দেশের একের পর এক বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার ফলে আমদানি-রপ্তানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে।

    এক বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৈঠক বন্ধ রয়েছে। এতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের বিড়ম্বনা ও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি আরও জানান, এতে গত বছরে আগের বছরের তুলনায় দেড় লাখ টনের বেশি পণ্য আমদানি কমেছে। ফলে চলতি অর্থবছরের গত ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এক হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। বাণিজ্যে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এদিকে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান জানান, রেলপথে এসিআই মোটরস নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে শুধু ট্রাক্টর আমদানি করছে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে রেলপথে অন্যান্য পণ্যের আমদানি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা-কলকাতা রুটে দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে।

  • সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

    সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

    স্কটল্যান্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনারারি কনসাল জেনারেল নিযুক্ত হওয়ায় বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে সিলেট প্রেসক্লাবের আমিনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে আজ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার ইংল্যান্ডের এমজেএম গ্রুপের আয়োজনে বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভাপতিত্ব করেন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিব চৌধুরী। পরিচালনা করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সিলেটের ডাকের সিনিয়র রিপোর্টার কাউসার চৌধুরী। শুরুতে
    কুরআন তেলায়ত করেন গোলাম হাফিজ সুফিয়ান।

    অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন ইউরোপ-বাংলাদেশ ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইবিএফসিআই) সভাপতি ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই, ডিবিএ, ডি.লীট। প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাকের অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, দৈনিক মানবজমিনের কুটনৈতিক রিপোর্টার মিজানুর রহমান ও লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পলি রহমান।

    সংবর্ধিত অতিথি’র বক্তব্যে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই বলেন, আমার পরিবারে ১২০ জন গ্র্যাজুয়েট রয়েছেন। তাঁকে ব্রিটিশ সরকার বেস্ট মুসলিম হিসেবে ১৯৮৮ সালে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। সম্মান সব আল্লাহর হাতে। মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে এর প্রতিদান পাওয়া যায়। তিনি আমাদেরকে সম্মানিত করেন। জীবনে শেখার কোনো শেষ নেই। এপর্যন্ত ১৩৪ টি দেশ ভ্রমণের মধ্য দিয়ে এখনও শিখছি। আমাদের বিভিন্ন সেক্টরের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকার পরেও শুধু যথাযথ উদ্যোগ আর চিন্তার অভাবে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমি ৭০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ করিয়েছি। যাতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করে ভালো মানের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নুর বলেন, প্রবাসীরা আমাদের প্রাণ। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের সাথে আমাদের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু প্রবাসীরা দেশে ছুটে আসলেও তাদের সন্তানরা বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম সিলেট বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে দেশে নিয়ে আসতে হবে। যাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে তাদের সন্তানদের সিলেট প্রেসক্লাবে নিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীদের জন্য বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই। এজন্য সিলেট প্রেসক্লাব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাকের অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন বলেন, ওয়ালী তসর উদ্দিন ৬১ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি একজন আলোকবর্তিকা হিসেবে সমাজের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। সিলেট প্রেসক্লাব হতে পারে একটি মিলনকেন্দ্র। এখানে প্রবাসীরা আসবেন। প্রবাসী বিনিয়োগ নিয়ে সিলেট প্রেসক্লাব একটি গ্রন্থ করতে পারে। প্রবাসীরা যাতে করে নিজের জন্মভূমিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে লন্ডন প্রবাসীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন এজন্য সিলেট প্রেসক্লাবে একটা প্রবাসী ডেস্ক স্থাপন করা প্রয়োজন। এই ডেস্ক স্থাপন করা গেলে প্রবাসীদের হয়রানি কমে আসবে। প্রবাসীরা সবসময়ই দেশের কল্যান চান, ভালো কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের তাফাদার, দৈনিক প্রভাতবেলা সম্পাদক কবির আহমদ সোহেল, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা’র সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমদ মিঠু, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার এম জে এইচ জামিল বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপিত শহিদুল ইসলাম, আশরাফ গাজী, শেখ ফারুক আহমদ, নাজাম উদ্দিন, শাহ কায়েস চৌধুরী, রুহী আহাদ, ইয়াহইয়া আহাদ, খালেদ নজরুল, আব্দুল আলেক, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী ,সিলেট প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ফয়ছল আলম, সহ সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ আনিস রহমান, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা’র সাবেক সভাপতি মঈন উদ্দিন মনজু, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক স্পোর্টস সেক্রেটারি নুর আহমদ, বর্তমান পাঠাগার সম্পাদক মুহিবুর রহমান, সাবেক পাঠাগার সম্পাদক সাঈদ নোমান, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনাস হাবিব কলিন্স, সাংবাদিক এম এ মতিন, দুলাল হোসেন, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, মুন্সী ইকবাল, শফিক আহমদ শফি, ইয়াহইয়া মারুফ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, লবীব আহমদ, এমজেএম গ্রুপের সদস্য আমিনুর রহমান ও মুশতাক আহমদ প্রমুখ।

  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতীপূজা উপলক্ষে টানানো শুভেচ্ছা ব্যানার খুলে ফেলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতীপূজা উপলক্ষে টানানো শুভেচ্ছা ব্যানার খুলে ফেলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত

    বস্তুর উর্ধ্বে মানব সত্তার প্রবক্তা,মানবতার রাজনীতির প্রবর্তক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতীপূজা উপলক্ষে টানানো শুভেচ্ছা ব্যানার খুলে ফেলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ২৩ জানুয়ারি সরস্বতীপূজা উপলক্ষে ক্যাম্পাসের কয়েক জায়গায় টানানো ব্যানার সরিয়ে ফেলা নিজের মানুষ স্বত্বাকে হারিয়ে ফেলা। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, কারো ব্যক্তিগত জীবনের উপর কেউ হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাখে না। ওয়াবিবাদ সালাফিবাদ শিয়াবাদ মওদুদিবাদ তালেবান মানে ইসলামপন্থী নয়। ওরা ইসলামের বিপরীত ও ইসলামের ধ্বংসাত্মক শত্রু ওয়াবিবাদ মওদুদিবাদ কুফরি মতবাদ।
    ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের জীবননীতি হচ্ছে আমরা কোনো একক ধর্ম ও একক মতবাদ বা একক অঞ্চল বা বিশেষ কোনো জনগোষ্ঠীর একক গোষ্ঠীর সংগঠন নয়।

    ইনসানিয়াত বিপ্লব মানুষ হিসেবে সব মানুষের নিজের অস্তিত্ব হিসেবে তার মানবসত্তার ভিত্তি ও আত্মপরিচয়ের উৎস উপলব্ধির সংগঠন, কেবল দেহ ভিত্তিক ও প্রবৃত্তির অন্ধদাস জৈবিক জীব মানুষ থেকে বিবেকবোধসম্পন্ন ও ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য করার উপলব্ধি সম্পন্ন এবং মানবিক দৃষ্টি ও মানবিক চেতনার ধারক এবং সর্বোপরি আস্তিক্যভিত্তিক আলোকিত মানবাত্মা ভিত্তিক মানুষ তৈরির সংগঠন।
    বস্তুবাদের আঁধারে মানবসত্তা হারিয়ে- মানবাত্মার বিণাশ ঘটিয়ে- মানবিক চেতনা হারিয়ে- বস্তুবাদি জাতীয়তাবাদের আঁধার গ্রাসে মানব জাতীয়তা হারিয়ে মানুষ দাবির অসত্যতা উপলব্ধি এবং বস্তুবাদি অমানুষ হওয়ার প্রক্রিয়া থেকে আত্মিক মৃত্যু মানবাত্মার মৃত্যু মানবিক দৃষ্টির মৃত্যু থেকে আত্মরক্ষা ও সব মানুষের আত্মিক অস্তিত্ব রক্ষার সংগঠন।

    ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, রাষ্ট্র সবার সব মানুষের, ইসলামের নামে কেবল মুসলিমদের রাষ্ট্র ইসলামের শিক্ষার বিপরীত ইসলামের নামে ধোকা। ইসলামের নামে রাজনৈতিক দল ও রাষ্ট্র ইসলামের নীতিবিরুদ্ধ, কারন ইসলাম ক্ষমতার বলে চাপিয়ে দেয়া আল্লাহতাআলা কোরআনুল করীমে নিষিদ্ধ করেছেন। ইসলামের নির্দেশিত রাষ্ট্র মানবতার রাষ্ট্র মানে মানুষ হিসেবে মুসলিম অমুসলিম সবার নিরাপত্তা-স্বাধীনতা- অধিকার- মর্যাদা- মালিকানার রাষ্ট্র খেলাফতে ইনসানিয়াত।
    আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, রাষ্ট্র নয় এক গোষ্ঠীর, রাষ্ট্র সবার সব মানুষের । ইসলামের নামে রাষ্ট্র মানে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর মতবাদ বলপূর্বক ইসলামের নামে চাপিয়ে দিয়ে আসল ইসলাম হত্যা করা। মানুষের জন্য আল্লাহতাআলার রাসুল প্রাণাধিক প্রিয়নবীকে আল্লাহতাআলা শুধু মুসলিমদের নন সব মানুষের সব সৃষ্টির জন্য আল্লাহতাআলা রাব্বিল আলামীন অসীম রহমত সত্য ও মানবতার মুক্তি ও সকল কল্যাণ নিরাপত্তা অধিকার স্বাধীনতা মর্যাদার উৎস ঘোষণা করেছেন।