Author: তরঙ্গ টিভি

  • বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু : সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা ফখরুলের

    বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু : সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা ফখরুলের

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নির্যাতনে বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ঘটনায় সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এই অমানবিক ও পৈশাাচিক ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গতরাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এতে তার মৃত্যু হয়।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের ঘটনা দেশের জন্য শুভ নয়। বিচারবহির্ভূতভাবে শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি চরম অবমাননা।’

    dhakapost

    শোকবিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে কোনো অপরাধের জন্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে দোষীর শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটিই জনগণের প্রত্যাশা। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা কখনোই দেশের মানুষের নিকট সমর্থনযোগ্য নয়।’

    তিনি বলেন, ‘আমি এ ধরনের লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

  • ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবি বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

    ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবি বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

    সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়াটি প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করেছে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রে জানা গেছে আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫-এর হালনাগাদ করা খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক।

    এ অবস্থায় এক দফা দাবিতে ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

  • শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিচার শুরু

    শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিচার শুরু

    শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    প্রথমে জিয়াউলের অব্যাহতি চেয়ে করা আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পড়েন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ। অভিযোগ পড়া শেষে কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউলকে নিজের দোষ স্বীকার করবেন কি না জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। তখন দাঁড়িয়ে জিয়াউল বলেন, ‘নট গিল্টি’।

    পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়।

    এদিন সকালে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন তিনি।

    এর আগে গত ৮ জানুয়ারি জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করেন তার আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য-উপাত্ত মতে এসব ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করা হয়। এজন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে তার অব্যাহতি প্রার্থনা করেন তারা। ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। এতে জিয়াউলের অপরাধমূলক সব কর্মকাণ্ডের বিবরণ দেওয়া হয়। তথ্যপ্রমাণাদি বিবেচনায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।

    এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো— ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

    দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

    তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।

    এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

  • বেনাপোল কাস্টমসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা

    বেনাপোল কাস্টমসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা

    দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রায় এক হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। আমদানি কমে যাওয়া, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন ও বন্দরের অভ্যন্তরীণ নানা জটিলতা এবং মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে শুল্কফাঁকি বৃদ্ধিই এই ঘাটতির প্রধান কারণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের জন্য মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। কিন্তু এ সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১২০ দশমিক ৫ কোটি টাকা। ফলে ছয় মাসেই রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে প্রায় এক হাজার ১৩ কোটি টাকা। অর্থবছরের জুলাই মাসে ৫০৮ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫৪৪.০৪ কোটি টাকা। আগস্টে ৪৯৩ কোটির বিপরীতে আদায় ৪৪৭.৯৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৬০১ কোটির বিপরীতে ৫১৩.৫৮ কোটি, অক্টোবরে ৬৪৫ কোটির বিপরীতে ৪৪৯.২৮ কোটি, নভেম্বরে ৭৫৫ কোটির বিপরীতে ৫৬৪.৪১ কোটি এবং ডিসেম্বর মাসে এক হাজার ১৩১ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৬০০.৮১ কোটি টাকা। প্রথম ছয় মাসে ঘাটতি থাকলেও বছর শেষে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে কাস্টমস সূত্র জানান।

    কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বেনাপোল বন্দরে। এছাড়াও আগের তুলনায় উচ্চ শুল্কযোগ্য পণ্য যেমন শিল্প কাঁচামাল, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, যন্ত্রাংশ ও কেমিক্যাল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে কাস্টমস শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

    তবে ব্যবসায়ীরা এ ব্যাখ্যার সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন। তাদের দাবি, ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাণিজ্য নিরাপত্তায় দুর্বলতার সুযোগে কিছু অসাধু চক্র আমদানি পণ্য পাচার করে শুল্কফাঁকি দিচ্ছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় বন্দরে আমদানি কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এছাড়াও কাস্টমস ও বন্দরের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, জটিলতা ও অতিরিক্ত শুল্কায়নের কারণেও আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

    আমদানিকারক হাবিবুর রহমান বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা রয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য নিরাপত্তা দুর্বল হওয়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আমদানি পণ্য পাচার করে শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় রাজস্ব আদায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
    বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, বৈধ সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন। পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দ্রত পণ্য খালাস এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে আমদানি ও রাজস্ব আয় দুটোই বাড়বে।

    বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন বলেন, কাস্টমসের নিচের স্তরের কিছু কর্মকর্তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পণ্যের অতিমূল্যায়ন করছেন। এর সঙ্গে বন্দরের নানা অনিয়ম যুক্ত হয়ে আমদানিকারকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে উচ্চ শুল্কযোগ্য পণ্য অন্য বন্দর দিয়ে আমদানি হচ্ছে। আর বেনাপোলের রাজস্ব কমছে।

    বেনাপোল স্থলবন্দর সূত্রের তথ্য, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ১৫ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন পণ্য। অথচ আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি হয়েছিল ১৮ লাখ ৬৩ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন পণ্য। এক বছরের ব্যবধানে আমদানি বাণিজ্যে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়, সেখানে বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২৫০ ট্রাকের মত। আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি শ্রমিক ও পরিবহন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সর্বশেষ তিন দিনে (১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি) বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে মাত্র ৭৮৩ ট্রাক পণ্য এবং রফতানি হয়েছে ২০১ ট্রাক পণ্য।

    বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, শুল্কফাঁকির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে জরিমানাসহ কাস্টমস আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা ও পণ্য খালাস দ্রত করতে কাজ করছি। আশা করছি, অর্থবছরের শেষ দিকে রাজস্ব আদায়ে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

  • গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে ব্যর্থ হবে জুলাই অভ্যুত্থান : নাহিদ ইসলাম

    গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে ব্যর্থ হবে জুলাই অভ্যুত্থান : নাহিদ ইসলাম

    বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটে ‘না’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে একটি রাজনৈতিক দল। গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে আগের পদ্ধতিই বহাল থাকবে, ব্যর্থ হবে জুলাই অভ্যুত্থান।

    আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ভোটের গাড়ি উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি আরও বলেন, যারা ‘না’-এর পক্ষে কথা বলছেন, তারা আসলে কী বার্তা দিতে চান তা স্পষ্ট নয়। ‘না’ ভোট পাস হলে যে ক্ষমতায় আসবে, সেই শক্তি স্বৈরাচারী হবে। তাই এবারের ভোট বাংলাদেশকে আগামী ৫০ বছর এগিয়ে নেওয়ার ভোট। মানুষকে সচেতনভাবে ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান রইল।

    নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, এই সরকারের আমলেও আমরা প্রশ্নফাঁসের ঘটনা দেখেছি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোট নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে সংস্কার করবে। আওয়ামী লীগ ১০ টাকায় চাল খাওয়াবে বলে দেশকে ছাড়খার করে দিয়েছে। সস্তা প্রচারণা করে মানুষের সাথে প্রতারণা করা যাবে না।

    অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সারাদেশে গণভোটের পক্ষে আজ থেকে আমাদের প্রচারণা শুরু হচ্ছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে দেশব্যাপী গণভোটে ‘হ্যাঁ; ভোটের ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যে গণভোটের গাড়ি  উদ্বোধন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে গাড়িটি উদ্বোধন করা হয়।

  • সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান

    সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান

    অর্থনৈতিক সংকটের ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি বলেছেন, গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ-প্রতিবাদে কমপক্ষে ২ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তাদের মধ্যে দেশটির বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা রয়েছেন। এই প্রাণহানির ঘটনায় সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছেন ওই কর্মকর্তা।

    বিস্তারিত আসছে…

  • জাজিরা–নড়িয়ার দুই ইউনিয়নে ডগ স্কোয়াডসহ যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান। ৪৫ ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ৪

    জাজিরা–নড়িয়ার দুই ইউনিয়নে ডগ স্কোয়াডসহ যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান। ৪৫ ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ৪

    শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নে ডগ স্কোয়াডসহ যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর ৪টা থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নে এ অভিযান চালানো হয়।


    অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র, ৪৫টি ককটেল এবং ককটেল বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজন নারী ও একজন পুরুষকে আটক করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সরেজমিনে জানা যায়, জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত মুলাই বেপারি কান্দির বাবুল বেপারীর বাড়ির পশ্চিম পাশে মজিদ বেপারীর বাড়ির বাঁশঝাড় থেকে ১২টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া নুরুজ্জামান বেপারীর বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে বসতঘরের বাইরের অংশে ১২টি, শামচুল বেপারীর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় থেকে ১২টি এবং চেরাগ আলী বেপারি কান্দির শাজাহান ছৈয়ালের বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আরও ৯টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ককটেলগুলো পরবর্তী সংঘর্ষের প্রস্তুতির জন্য প্লাস্টিকের বালতিতে রাখা ছিল বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    অভিযানে প্রায় ৫০–৬০ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর প্রায় ১২০ জনেরও বেশি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া ককটেল বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম, দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র এবং একটি খেলনা ড্রোন উদ্ধার করা হয়।
    উদ্ধারকৃত ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম বোম ডিসপোজাল ইউনিটের মাধ্যমে ধ্বংস করা হবে এবং অন্যান্য আলামত সংরক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

    অভিযান শেষে বিলাসপুর কুদ্দুস বেপারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত প্রেস

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আখতারুল ইসলামে প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র  আওয়ামী লীগসহ প্রাবাশীদের শোক।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আখতারুল ইসলামে প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগসহ প্রাবাশীদের শোক।

    নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সাবেক আইনজীবী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, কক্ষপথের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আখতারুল ইসলাম (৭৪) গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬,রবিবার সকালে নিউইয়র্কস্থ একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রতাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র—এর সদস্য সচিব ও নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলামের বড় ভাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। বসবাস করতেন নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে। ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। তার ইন্তেকালের খবরে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।খবর আইবিএননিউজ।

    জানা গেছে, রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চিকিৎসা কেন্দ্রের এক সেবিকা ওষুধ দিতে গিয়ে বুঝতে পারেন— আখতার উল ইসলাম আর নেই। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। এক মেয়ে বৈবাহিক সূত্রে কানাডায় বসবাস করেন। ২০১১ সাল থেকে পরিবার নিয়ে নিউইয়র্কে বসবাস করলেও পেশা ও মাটির টানে তিনি নিয়মিত দেশে যাতায়াত করতেন।

    সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর, শেখপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান আখতার উল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই একজন ছাত্রনেতা হিসেবে জেলা পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যৌবনে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। প্রবাস জীবনের আগে তিনি ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন গণ ফোরামের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
    মরহুম শেখ আখতারুল ইসলামের নামাজে জানাজা গত ৫ জানুয়ারি, সোমবার বেলা ১টায় মসজিদ দারুল কুরআনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরাস্থানে মরহুমের মরদেহ দাফন করা হয়।


    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ,আওয়ামী পরিবার,সকল সহযোগী অংগসংগঠনসহ আমেরিকাবাসী নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলামের বড় ভাই এডভোকেট শেখ আক্তার উল ইসলাম—এর ইন্তেকালে —যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ,সকল সহযোগী অংগসংগঠন সহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, সাংবাদিক,কবি, শিল্পী,লেখক,বুদ্ধিজীবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ।সংগঠন গুলের পক্ষথেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে হিহৃতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্ আওয়ামী লীগ,আওয়ামী পরিবার ও সহযোগী অংগসংগঠন এর পক্ষথেকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা,বাকসু’র সাবেক জিএস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.প্রদিপ কর,অন্যতম উপদেষ্টা হাজী শফিকুল আলম,অন্যতম উপদেষ্টা ড.মহসিন আলী,অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,অন্যতম উপদেষ্টা রমেশ নাথ,দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ বখতির আলী,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ করিম জাহাঙ্গীর,বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটারেনস ১৯৭১ ইউএসএ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মুলধারার রাজনৈতিক আমেরিকা-বাংলাদেশ এ‍্যালাইয়েনস সভাপতি এমএ সালাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক এবং কৃষিবিদ মকবুল তালুকদার,বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান চৌধূরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী,বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু,বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরাফ সরকীর,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক আলমগীর ভূইয়া,আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান মিলন,আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গনি,আওয়ামী লীগ নেতা বিশ্বজিৎ সাহা,আওয়ামী লীগ নেতা সুহাস বড়ুয়া ,শেখ হাসিনা মন্ত্রের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জালাল উদ্দিন জলিল ও সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ নেতা কায়কোবাদ খান, স্বাধীনতা চেতনা মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্র সভাপতি প্রকৌশলী খন্দকার গিয়াস উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়এর সাবেক ছাত্র নেতা আকতার হোসেন,বংগবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র এর সভাপতি এডভোকেট মোর্শেদা জামান,কক্ষপথ এর সাধারন সম্পাদক এডভোকেট জাকির হোসেন মিয়া,আওয়ামী লীগ নেতা টি.মোল্লাহ,আওয়ামী লীগ নেতা দেলওয়ার হোসেন মোল্লা,আওয়ামী লীগনেতা একে চৌধুরী,যুবনেদতা খন্দকার জাহেদুল ইসলাম,ভূতত্ত্ববিদ গিয়াস উদ্দীন,শিক্ষাবিদ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী, প্রকৌশলী আজিজুল ইসলাম,নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আরিফুর রহমান আরিফ,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এইচএম ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক কিবরিয়া জামান,যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়, সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল হোসেন,যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমান আক্তার,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ ) যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম জিকু,জেএসএফ-বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন,যুব লীগ নেতা শেখ জামান হোসেন এবং আইবিএননিউজ২৪.কম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবিসহ ১০১ জন বিশিষ্ট প্রবাসী ।

  • বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি ‘পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে’: আরাগচি।

    বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি ‘পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে’: আরাগচি।

    ইরানজুড়ে চলমান অস্থিরতা ও বিক্ষোভের পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার,১২ জানুয়ারী ২০২৬,তেহরানে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ দাবি করেন।

    বৈঠকে আরাগচি বলেন, গত সপ্তাহান্তে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মাত্রা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, দেশব্যাপী চলমান বিক্ষোভকে পরিকল্পিতভাবে ‘রক্তাক্ত ও সহিংস’ করা হয়েছে, যাতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের একটি ‘অজুহাত’ খুঁজে পান।

    আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে সংলাপের পথও খোলা রেখেছি।’ তিনি জানান, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার কাজ চলছে। বিশেষ করে দূতাবাস ও সরকারি মন্ত্রণালয়গুলোয় দ্রুত সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নাম উল্লেখ না করে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইতিহাসের ‘অহংকারী স্বৈরশাসকদের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। খামেনি লিখেছেন, ‘যিনি দম্ভের সঙ্গে বসে সারা বিশ্বকে বিচার করছেন, তিনি জেনে রাখুন—ফেরাউন, নমরুদ ও রেজা শাহর মতো অহংকারী শাসকেরা যখন ক্ষমতার চূড়ায় ছিলেন, তখনই তাঁদের পতন হয়েছিল। তাঁর (ট্রাম্প) পতনও অনিবার্য।’ সূত্র : আল–জাজিরা

  • ইরানে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা।

    ইরানে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা।

    ইরানে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সহিংস দাঙ্গায় সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যুর পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ১১ জানুয়ারি (রবিবার) সন্ধ্যায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    ১২ জানুয়ারি (সোমবার) বার্তাসংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সরকারবিরোধী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে সংঘটিত সহিংস দাঙ্গায় বিপুল সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছেন।খবর আইবিএননিউজ।বিবৃতিতে বলা হয়, এই জাতীয় শোক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধের সময় নিহতদের স্মরণে পালন করা হচ্ছে।

    সরকার জানিয়েছে, ইরানি জাতি প্রত্যক্ষ করেছে, কীভাবে দায়ীদের বর্বর সহিংসতা—যা দায়েশের (আইএসআইএল/আইএস) কর্মকাণ্ডের মতো—সাধারণ মানুষ, বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক এবং পুলিশ বাহিনীর ওপর চালানো হয়েছে, যার ফলে অনেকেই শহীদ হয়েছেন।

    সরকার এই সহিংসতাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করে দাবি করেছে, এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রসমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। একই সঙ্গে ইরান সরকার সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাজতন্ত্রপন্থি দাঙ্গাকারীরা ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব হামলায় সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজতন্ত্রসমর্থক দাঙ্গাকারীরা রাস্তাঘাট অবরোধ, প্রশাসনিক ভবন ও পুলিশ স্টেশনে হামলা চালানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সদস্যকে আহত করেছে।