Author: তরঙ্গ টিভি

  • মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শ্যুটারসহ গ্রেফতার ৩

    মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শ্যুটারসহ গ্রেফতার ৩

    রাজধানীর কাওরান বাজারের বিপরীতে স্টার কাবাবের গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে অভিযানে প্রধান শ্যুটারসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি)।

    গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে মানিকগঞ্জ এবং গাজীপুরে একাধিক অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    ডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যমুনা টিভিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত শুটার জিনাত এবং সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত তৃতীয় ব্যক্তি এই দুজনের সহযোগী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গেল বুধবার রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করা হয় গত বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর)। পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাত ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন  প্রার্থিতা ফিরে পেতে ৬৪৫ আপিল, শুনানি শুরু আজ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রার্থিতা ফিরে পেতে ৬৪৫ আপিল, শুনানি শুরু আজ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। পাঁচ দিনের এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। নির্বাচন কমিশনে গত ৫ জানুয়ারি আপিল গ্রহণ শুরু হয়ে গতকাল শুক্রবার শেষ হয়। আপিল গ্রহণের শেষ দিনে ১৭৬টি আবেদন জমা হয়।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হবে। যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরমধ্যে আগামীকাল ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর আপিল, সোমবার  ১৪১ থেকে ২১০ নম্বর আপিল এবং মঙ্গলবার  ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে।

    প্রসঙ্গত, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

  • বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যেসব দুর্নী

    বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যেসব দুর্নী

    শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুর্নীতি অনিয়মের ভয়াবহ সব চিত্র সামনে আসছে। চারদিকেই হরিলুট হয়েছে। দুর্নীতি লুটপাটের শীর্ষে ছিল বিদ্যুৎ খাত। খুলনার খালিশপুরে ডিজেলভিত্তিক ২৩০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র দুই বছর ধরে ‘এক ছটাক’ বিদ্যুৎও উৎপাদন করেনি। অথচ প্রতিমাসে সাড়ে ১৬ কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ দিচ্ছে। একইভাবে ঘোড়াশালের রিজেন্ট ১০৮ মেগাওয়াটের কেন্দ্র এক বছরে উৎপাদন সক্ষমতার ৩ শতাংশ বিদ্যুৎও গ্রিডে দেয়নি। এরপরও প্রতিমাসে নিচ্ছে সাড়ে ৯ কোটি টাকার বেশি। আরও অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র একইভাবে বসে বসে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্যারামাউন্ড নামে একটি কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ টাকা করে বিক্রি করে ৫ বছরে নিয়ে গেছে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি। বিদ্যুৎ খাতের এমন অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে লাভবান হচ্ছে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি। কিন্তু ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতি। যুগান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি এবং বিদ্যুৎবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে অতিরিক্ত ১০০ কোটি ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে পিডিবি থেকে। সরকারি তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, গত ১৫ বছরে পিডিবি বিদ্যুৎ কিনতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে (সরকারি-বেসরকারি এবং ভারত থেকে আমদানি) ৬ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি বিল দিয়েছে। এর মধ্যে ক্যাপাসিটি চার্জেই গেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

    জানা যায়, অপ্রয়োজনীয় জায়গায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন এবং অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। মূলত বড় ধরনের লুটপাট করতেই কথায় কথায় বেসরকারি (আইপিপি) তেল ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বিগত সরকারের অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যুৎ খাতে এতদিন দিনদুপুরে ডাকাতি করা হয়েছে। যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র সক্ষমতার ৪০ শতাংশের কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেগুলোর কোনো দরকারই নেই। এমন অনেক কেন্দ্র বসিয়ে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবীর খান বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের প্রচুর অনিয়মের তথ্যপ্রমাণ আছে। সরকার প্রাথমিকভাবে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ ছাড়া আইপিপিগুলোকে বিদ্যুৎ বিক্রির দাম কমাতে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

    বিগত সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাত নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক, বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিদ্যুৎসংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটি কাজ করছে। দুদক ও পর্যালোচনা কমিটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মূলত ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর নেতৃত্বে সাবেক কয়েকজন সচিব এবং পিডিবির সাবেক কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা বিদ্যুৎ খাতের অনিয়মে জড়িত। কারণ বেশির ভাগ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংক্রান্ত বিশেষ আইনে।

    না চললেও টাকা দিতে হয় : দেশে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে ১৩৫টি। যার সক্ষমতা ২৮ হাজার ৯০৯ মেগাওয়াট। এর মধ্যে সরকারি ৬৩টি, যৌথ উদ্যোগে ৩টি এবং বেসরকারি বা আইপিপি হচ্ছে ৬৯টি। পিডিবি জানিয়েছে, ফার্নেস অয়েল (এইচএফও)ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে ৫৪টি। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি একেবারেই চলে না। কিন্তু পিডিবিকে চার্জ দিতে হয়। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, গত ২ বছরে অনেক কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র উৎপাদনে এসেছে। তাই এখন আর ফার্নেস অয়েলের কেন্দ্র দরকার হয় না। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিলে প্রতি ইউনিটে খরচ হয় ১৩ থেকে ১৪ টাকা। আর ফার্নেস অয়েলের কেন্দ্রে খরচ পড়ে ২২ টাকার বেশি। এ ধরনের একটি হচ্ছে নর্থওয়েস্ট পাওয়ারের দ্বৈত জ্বালানির (গ্যাস ও ডিজেল) খুলনার খালিশপুর ২৩০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র। গত দুই বছরে সরকারি এ বিদ্যুৎকেন্দ্র একবারও চলেনি। কিন্তু বিল দিতে হচ্ছে বছরে ২০০ কোটি টাকার বেশি। পিডিবির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি (পিপিএ) অনুযায়ী, বিনিয়োগের খরচ ধরে ক্যাপাসিটি চার্জ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে জ্বালানি খরচ ও পাওয়ার প্ল্যান্টে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পাবে ওই কোম্পানি।

    নর্থওয়েস্ট পাওয়ার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেছেন, এ কেন্দ্রটি ২০১৩ সালে বসানো হয়েছে ২২ বছরের জন্য। দ্বৈত জ্বালানি হলেও গ্যাস দিয়ে কখনো চালানো হয়নি। কারণ গ্যাস নেই। ডিজেল দিয়ে কয়েক বছর চলেছে। কিন্তু রামপাল ও পায়রা কেন্দ্র আসার পর এটি আর চলে না। এ কেন্দ্রকে এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার বেশি বিল দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আরও একটি হচ্ছে মধুমতি বাগেরহাট ১০৫ মেগাওয়াটের কেন্দ্র। এক বছর ধরে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ১ শতাংশ। অথচ প্রতিমাসে এর ক্যাপাসিটি চার্জ ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত এ কেন্দ্রকে বিল দেওয়া হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা। আইপিপি হিসাবে এ ধরনের আরও একটি হচ্ছে রিজেন্ট ঘোড়াশাল কেন্দ্র। প্রতিমাসে ৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ পেলেও দেশের প্রয়োজনে তার বিদ্যুতের দরকার হয় না। কারণ ওই এলাকায় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র আছে। সামিটের বরিশাল ১০০ মেগাওয়াট এইচএফও কেন্দ্র ক্ষমতার মাত্র ৯ শতাংশ উৎপাদন করেছে গত বছর। মাসে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয় ১৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এ কেন্দ্র বিল নিয়েছে ৩ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা। ফানের্স অয়েলের ডিজিটাল ১০০ মেগাওয়াট প্রতিমাসে ১০ কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ নিচ্ছে। কিন্তু তেমন চলে না। ওরিয়নের মেঘনাঘাট ১০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র এক বছরে উৎপাদন করে ক্ষমতার মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ প্রতিমাসে সরকারকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ওরিয়নের ১০৫ মেগাওয়াটের আরও একটি কেন্দ্র সক্ষমতার মাত্র ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ দিয়েছে পিডিবিকে। মাসে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে ১৫ কোটি টাকা। ইউনাইটেডের পায়রা ১৫০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি উৎপাদন করে গত বছর মাত্র ১১ শতাংশ। ইদানীং চাহিদা না থাকায় তেমন একটা চলে না। এটির প্রতিমাসে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে ১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, পায়রায় এমনিতে ১২৬০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে ফার্নেস অয়েলের এ কেন্দ্র এখন আর দরকার নেই। পিডিবি জানিয়েছে, সাবেক হুইপ আসম ফিরোজকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এ কেন্দ্র বসানোর কাগজ উপহার দিয়েছিলেন। সেটি এখন চালাচ্ছে ইউনাইটেড। এ কোম্পানির আরও একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র (ফার্নেস অয়েলের) আনোয়ারা ৩০০ মোগওয়াট। এটি তার ক্ষমতার মাত্র ৮ শতাংশ উৎপাদন করেছে। প্রতি মাসে এটিকে দিতে হয় ৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ইউনাইটেডের কেন্দ্র এ পর্যন্ত (জুন, ২০২৫) বিল নিয়েছে ৯ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এছাড়া ইপিবি ১০৮ মেগাওয়াট কেন্দ্র তার সক্ষমতার মাত্র ৭ শতাংশ বিদ্যুৎ দিয়েছে গত বছর। মাসে ক্যাপাসিটি চার্জ নিচ্ছে ১৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর চেয়ে আরও কম চলেছে শ্রীলংকান কোম্পানি রাজলংকা ৫২ মেগাওয়াটের কেন্দ্র। উৎপাদন করে সক্ষমতার মাত্র ৪ শতাংশ। অথচ মাসে ক্যাপাসিটি চার্জ ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

    বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে ডাকাতি, ইউনিট ৮৫ টাকা : ফাস্ট ট্রেকের নামে পাঁচটি কোম্পানিকে ৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বসাতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালে কোনোরকম টেন্ডার ছাড়াই অত্যন্ত ব্যয়বহুল এসব কেন্দ্র বিশেষ আইনে বসানো হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি কেন্দ্র নিয়ে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্টরা। এর একটি হচ্ছে প্যারামাউন্ড-বাংলাট্রেক ২০০ মেগাওয়াট কেন্দ্র। প্যারামাউন্ড টেক্সটাইল এটির অনুমোদন নেয় ৫ বছরের জন্য। কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় বাংলাট্রেক কোম্পানিকে ৫০ শতাংশ শেয়ার দেওয়া হয়। মূলত এটি ছিল টাকার মেশিন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সব ডিজেলভিত্তিক কেন্দ্র চলেছে। এটিরও ব্যত্যয় হয়নি। পাঁচ বছরে এটি উৎপাদন করেছে মাত্র ৩১ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ৪০৬ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৫ বছরে বিল নিয়েছে ২ হাজার ৬৭৬ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার ৯২১ টাকা। এর মধ্যে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ হচ্ছে ১ হাজার ৯৩৯ কোটি ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৯৩ কোটি কোটি। এ হিসাবে প্যারামাউন্ডের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৮৫ টাকা ২৪ পয়সা।

    জানা গেছে, সাবেক সরকারের শীর্ষ এক নীতিনির্ধারককে একটি প্লট দিয়ে এ কেন্দ্রের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল। এরপর আছে কেরানীগঞ্জের এপিআর এনার্জি ৩০০ মেগাওয়াটের ডিজেলভিত্তিক কেন্দ্র। এটি ৫ বছরে বিল নিয়েছে ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম দিতে হয়েছে সরকারকে ৫২ টাকা ৭২ পয়সা। সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছ থেকে জায়গা ভাড়া নিয়ে এটি বসানো হয়েছিল। তার কাগজপত্র সরকার সংগ্রহ করছে। এছাড়া বাংলাট্রেক ২০০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিট ৫ বছরে বিল নিয়েছে ২ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা, ১০০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিট নিয়েছে ১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা, এগ্রিকো ১০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রকে বিল দিতে হয়েছে ১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা এবং এগ্রিকো বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র বিল নিয়েছে ১ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিট ৪০ টাকার বেশি বিক্রি করেছে পিডিবির কাছে। যদিও পিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ গড়ে বিক্রি করে ৬ টাকা ৬৩ পয়সায়।

    প্রতিযোগিতা ছাড়া ইচ্ছামতো চার্জ আদায় : তেলভিত্তিক আইপিপি আছে ৬৯টি। বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির কাগজপত্রে জানা যায়, এর বেশির ভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্র বিশেষ আইনে দেওয়া হয়েছে। তবে এতে কোনো নিয়ম মানা হয়নি। যে যেভাবে পারে তার ক্যাপাসিটি চার্জ এবং সুবিধা আদায় করে নিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে লেনদেন হওয়ার ইঙ্গিত আছে। যেমন ফাস্ট ট্র্যাক প্রজেক্টের আওতায় ইউনাইটেড ময়মনসিংহে ২০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পের ট্যারিফ দেওয়া হয়েছে প্রতি ইউনিট ১০ দশমিক ৭০০ মার্কিন সেন্ট, দেশ এনার্জির চাঁদপুরের ২০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পকে দেওয়া হয়েছে ১০ দশমিক ৬৫০ সেন্ট, সামিটের কড্ডা ৩০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পকে দেওয়া হয়েছে ১০ দশমিক ৬০০ সেন্ট, ডোরিনের মানিকগঞ্জ ১৬২ মেগাওয়াটকে দেওয়া হয়েছে ১০ দশমিক ৫৩৫ সেন্ট। অথচ মিডল্যান্ড পাওয়ারের ১৫০ মেগাওয়াটের প্রকল্পকে দেওয়া হয়েছে ১০ দশমিক ৫০০ সেন্ট এবং বারাকার শিকলবাহা পাওয়ারকে দেওয়া হয়েছে ১০ দশমিক ৪৯৫ সেন্টে।

    ১৫ বছরে কত টাকার বিদ্যুৎ কিনল সরকার : বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত পিডিবি ৬ লাখ ১৭ হাজার ২২ কোটি ১ লাখ ২৭ হাজার টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে (পিডিবির বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়া)। এর মধ্যে ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১৬৬ কোটি টাকার বেশি। আর জ্বালানি খরচ দিয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার বেশি। বাকি অর্থ বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণে বিভিন্ন কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে খরচ হয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আদানির বিদ্যুৎ আনতে খরচ দিতে হয়েছে ২৬ হাজার ২৭২ কোটি টাকা।

    ড. তামিম যুগান্তরকে বলেছেন, শ্বেতপত্র কমিটি অনুসন্ধান করে দেখতে পেয়েছে ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা ২৭ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যানে এভাবে অস্বাভাবিক চাহিদা দেখিয়ে বিশেষ আইনে কোনো বাছ-বিচার না করে অসংখ্য প্রকল্প দেওয়া হয়। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। ২০২০-২০২১ সালে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৬ দশমিক ৬১ টাকায় উৎপাদন হলেও ২০২৩-২০২৪ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৫১ টাকা।

  • যশোর আইনজীবী স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৯৯৯ কলে উদ্ধার

    যশোর আইনজীবী স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৯৯৯ কলে উদ্ধার

    যশোরে স্বামীর নির্যাতনে নারী আইনজীবী অনিকা সরকার (২৭) গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা রাতে সদর উপজেলার পুলেরহাটে ভাড়া বাড়িতে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

     

    ৯৯৯ -এ কল পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেন। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলের সাথে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার আব্দুল আজিজ সরকারের মেয়ে আনিকা সরকারের ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর তারা বিয়ে করেন।
    বর্তমানে তারা যশোর সদরের পুলেরহাটের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। বিয়ের কয়েক মাস পার হতেই আনিকা জানতে পারেন আসাদুজ্জামান একজন মাদকাসক্ত। মাদকের টাকা না পেলেই সংসারে অশান্তি করতে থাকে। আনিকাকে মারধরও করা হতো। আইনজীবী আনিকা সরকার জানান,
    বৃহস্পতিবার ৮জানুয়ারি সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসাদুজ্জামান কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। দুইজন পুলিশ সদস্য তাকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. রাহুল ঘোষ জানান, আনিকা সরকারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে তার চিকিৎসাসেবা চলমান। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, যশোর জজ আদালতের আইনজীবী আনিকা সরকারকে মারধরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

  • শ্যুটার মিশুক আটক, জামাই পরশের পরিকল্পনায় শ্বশুর আলমগীরকে হত্যা’

    শ্যুটার মিশুক আটক, জামাই পরশের পরিকল্পনায় শ্বশুর আলমগীরকে হত্যা’

    যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় আটক ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আটক ত্রিদিব মিশুক নিজেকে শ্যুটার ও নিহতের জামাই পরশ পরিকল্পনাকারী হিসেবে অপর জড়িতদের নাম জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে । অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের বেজপাড়ার বাড়ি থেকে মিশুককে আটক করে যশোরের ডিবি পুলিশ।

    মিশুক বেজপাড়া চিরুনিকল এলাকার মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে। ঘটনার দিন বিকেলে মিশুক তার বাসায় ছিল। সন্ধ্যার আগের প্রিন্স তাকে বাসা থেকে পরশের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে পরশ, সাগর, অমিসহ কয়েকজন ছিল। এরপর অমি ও মিশুক মোটরসাইকেলে বের হয়েছিল । মিশুক মোটরসাইকেলের পিছনে বসে আলমগীরকে গুলি করেছিল। ডিবির এসআই অলক কুমার দে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে প্রথমে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে মিশুককে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটক মিশুককে আদালতে সোপর্দ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নিজ এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম বাদী হয়ে জামাই পরশ ও সাগরসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর পুলিশ এ হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জামাই পরশ ও সাগরকে আটক করেছিল। পরে ত্রিদিব মিশুককে আটক করা হলো।

  • যশোরে তীব্র শীতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু

    যশোরে তীব্র শীতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু

    কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।যশোর জেলায় তীব্র শীতের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগ ও ফুসফুস সংক্রমণজনিত সমস্যায় একদিনে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত এবং ফুসফুস সংক্রমণজনিত কারণে মৃত্যুর হার বাড়ছে। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

    \

    যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯০ রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে শতাধিক রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এর মধ্যে ৫৪ জন শিশু।
    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঠান্ডার কারণে বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য জটিলতা বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই বাড়িতে এবং বাইরে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
    মৃত মনিরা খাতুনের ছেলে শেখ মামুন বলেন, আমার মায়ের বয়স ৬৪ বছর। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে তিনি ১০ দিন অসুস্থ ছিলেন। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় গুরুতর অবস্থায় গতকাল রাতে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মৃত শেখ সদরুল আলমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তার বাবার হার্টের সমস্যা ছিল। এছাড়া গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। গতকাল রাতে তাকে হাসাপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মৃত মুন্সি মহিউদ্দিনের ছেলে শামছুজ্জামান জানান, ঠান্ডার কারণে তার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।

    গত কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা।

    শেখ মামুনের বাড়ির পাশেই উম্মে হানি নামে ৬৫ বছর বয়সী একজন সাবেক শিক্ষিকা মারা গেছেন। তার ছেলে বনি জানান, তার মা এক সপ্তাহ ধরে ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ফুসফুস সংক্রমিত হওয়ায় মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁচ্ছাছিল না। যে কারণে তিনি মারা গেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। ঘন কুয়াশার সঙ্গে বাতাসের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় যশোরে শীতের প্রকোপ এখন চরমে। সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। সেই সঙ্গে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় জেলাজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

  • যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

    যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

    যশোরে২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২টি কলেজ তালিকাভুক্ত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। নির্ধারিত এই কলেজগুলো থেকে প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন সাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়েছে।
    কলেজগুলো হচ্ছে- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, বাগেরহাট সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, ঝিনাইদহ সরকারি কে. সি. কলেজ, মেহেরপুর সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, মাগুরা সরকারি এইচ. এস. এস. কলেজ, যশোর সরকারি সিটি কলেজ, খুলনাদৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজ, যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য), যশোর বি.এ.এফ. শাহীন কলেজ (বিমান বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য)। রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ব্যতীত প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বোর্ডের প্রণীত পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত নিম্নলিখিত যে কোন একটি কলেজের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে শিক্ষক, পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে চাকরিরত ব্যক্তি এবং শারীরিক কিংবা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা যে কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবে সেই কলেজের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। কোন অবস্থাতেই কেন্দ্র পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা কেবল মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও ইসলামি শিক্ষা শাখায় পরীক্ষা দিতে পারবে। যে সমস্ত বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত) সে বিষয়সমূহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীগণ চতুর্থ বিষয় গ্রহণ করতে পারবে না। বোর্ডের কোন কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় নিজ বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে ইচ্ছা করলে নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বাংলাদেশের অন্য যে কোন বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদেরকে বোর্ডের নির্ধারিত কলেজের অধ্যক্ষের নিকট ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি এবং কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীপ্রতি তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি মধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পূরণকৃত অনলাইন তালিকা এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সত্যায়িত করে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মূল নম্বরপত্র তালিকার ক্রমানুসারে সাজিয়ে দিতে হবে। মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সত্যায়িত মূল নম্বরপত্র দাখিল করতে হবে।
    যে সকল পরীক্ষার্থী ১৯৯৫ সালের পূর্বে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে , তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ভেরিফাইড ও ফাউন্ড কারেক্ট লেখা থাকতে হবে। কোন ক্রমেই মাধ্যমিক পরীক্ষা বা সমমানের কোন সনদপত্র গ্রহণ করা হবে না। যে সকল পরীক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং উন্মুুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ভেরিফাইড ও ফাউন্ড কারেক্ট লেখা থাকতে হবে।
    যে সকল পরীক্ষার্থী ২০২১ সালের (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হয়েছে এবং ২০১৭ বা তৎপূর্ববর্তী বছরে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তাদেরকে মূল প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে। বাংলাদেশের আওতাধীন অনুমোদিত কোন কলেজের অধ্যক্ষ বা অত্র বোর্ডের কোন সদস্য অথবা কোন সরকারি গেজেটেড অফিসারের নিকট হতে প্রার্থীর চরিত্র, আচরণ, প্রার্থিত পরীক্ষার অন্ততপক্ষে দুই বছর পূর্ব পর্যন্ত কোন অনুমোদিত কলেজে শিক্ষার্থী ছিল না এবং প্রার্থী কোন পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হয়নি অথবা হয়ে থাকলেও এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষিত হয়নি এ মর্মে প্রত্যয়ন পত্র দাখিল করতে হবে। ভুয়া তথ্য প্রদান করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রার্থীর সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবির সম্মুখভাগে নিজের নাম স্বাক্ষর করতে হবে এবং তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত করে আইকা আঠা দিয়ে আবেদন ফরমে আটকিয়ে দিতে হবে। শিক্ষক প্রার্থীদের বেলায় কোন অনুমোদিত বিদ্যালয়ে চাকুরীর মেয়াদ বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে অন্তত তিন বছর পূর্ণ হয়েছে এ মর্মে নিজ জেলা শিক্ষা অফিসারের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রার্থীদের বেলায় বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে কমপক্ষে এক বছর যাবত সক্রিয়ভাবে চাকুরীতে আছে এ মর্মে পুলিশ সুপার সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সার্টিফিকেট দিতে হবে।কোন শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীকে শ্রুতিলেখকনিযুক্ত করতে হবে।প্রাইভেট

    পরীক্ষার্থীদেরকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে। আবশ্যিক বিষয় বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ অন্য যে কোন তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। (১১) প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার পূর্বে বোর্ড থেকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নির্ধারিত কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শুধু ১ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে।

  • যশোরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অসদুপায় অবলম্বন করায় দু’জন আটক, ডিভাইস ব্যবহার করায় কারাদন্ড

    যশোরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অসদুপায় অবলম্বন করায় দু’জন আটক, ডিভাইস ব্যবহার করায় কারাদন্ড

    যশোরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় দু’জন আটক । ছবি : গ্রামের কাগজ
    যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন পরীক্ষার্থী ডিজিটাল নকলের ডিভাইস ব্যবহারের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের কারাদন্ড পেয়েছেন।

    শুক্রবার ৯জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যশোর সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কলেজের কলা ভবনের ১১৬ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে এক পরীক্ষার্থীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করা হয়। এছাড়া যশোর ইসলামীয়া বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে বেলাল হোসেন খান নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

    যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান ফারুক জানান, আটক পরীক্ষার্থীর নাম ইশতিয়াক আহমেদ। পরীক্ষা চলাকালে তিনি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে নকল করার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি নজরে এলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিউল আলম সরাসরি তাকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছ থেকে নকল করার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিউল আলম ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে ইশতিয়াক আহমেদকে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

    অন্যদিকে, যশোর ইসলামীয়া বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে বেলাল হোসেন খান নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব রেজাউল হক জানান, জাহিদ হাসান নামের এক পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে বেলাল হোসেন পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। তবে প্রবেশপত্রে থাকা ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল না পাওয়ায় কর্তব্যরত দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তাকে আটক করেন। পরে আটক বেলাল হোসেন খানকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

    এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা বলেন, “সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে আটক ইশতিয়াক আহমেদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে ইসলামীয়া বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রক্সি দিতে আসা বেলাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

  • কালিয়াকৈরে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। (তারেক রহমানের উত্তর বঙ্গ সফর)

    কালিয়াকৈরে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। (তারেক রহমানের উত্তর বঙ্গ সফর)

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বেগম খালেদা জিয়া স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকেলে উপজেলার কালিয়াকৈর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে কালিয়াকৈর বিএনপির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ শ্রম বিষক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগের বিএনপি সংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি হেলাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমেদ প্রমূখ, এ সময় বক্তারা বলেন, গাজীপুর ১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ। আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর ১ আসনে ধানের শীষ কে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার প্রতিজ্ঞা করেন। এ বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক যুগে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য সকল সকল নেতা কর্মীকে অনুরোধ করেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে গাজীপুরে এক আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মেয়র মুজিবুর রহমান সবাইকে সাথে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে গাজীপুর ১ আসন কে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের আত্বার মাগফেরাতের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা।

  • ধানের  শীষে ভোট দিয়ে রাজাকার আলবদরের দেশ থেকে বিতাড়িত করবো ।  —-আনিসুর রহমান আনিস।

    ধানের শীষে ভোট দিয়ে রাজাকার আলবদরের দেশ থেকে বিতাড়িত করবো । —-আনিসুর রহমান আনিস।

    শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আজ দেশের সর্ববৃহৎ জনসমর্থিত রাজনৈতিক সংগঠন।

    তিনি বলেন,’৭১ এর পরাজিত শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে রাজাকার আলবদরদের দেশ থেকে বিতাড়িত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি অদ্য ৯ জানুয়ারি বিকেল ৪ টায় বাউফলের দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে খেজুর বাড়ুয়া বিদ্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী -২ বাউফল আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহীদুল আলম তালুকদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটু, বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ, পৌর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজাহান হাং, ছাএদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহদ প্রমুখ। পরে খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।