Author: তরঙ্গ টিভি

  • চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির সভাপতি ওবাইদুল সম্পাদক-সোহেল

    চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির সভাপতি ওবাইদুল সম্পাদক-সোহেল

    চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ওবাইদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা।

    আজ শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের বিশ্বরোড মোড় শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ মার্কেটের তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

    নবগঠিত সমবায় সমিতি ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি আগামী ২ বছরের জন্য গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে থেকে কন্ঠ ভোটে ০৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। তারা হলেন সভাপতি ওবাইদুল হক, সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান, সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, কোষাধক্ষ্য আব্দুল কাদের জেলানী, কার্যকরী সদস্য আব্দুস সাত্তার, কার্যকরী সদস্য আল আমিন।

    সমিতির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি ওবাইদুল হক বলেন নতুন এই দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে শুরুতেই সংগঠনের সকল সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, সকল সম্মানিত সদস্য মিলে তাকে যে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছেন তা তিনি আন্তরিকতার সাথে পালনের চেষ্টা করবেন। মৎস্যচাষীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নানামুখী পরিকল্পনা রয়েছে যা সকলকে সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। বলেন, সংগঠনের নীতিমালা মেনে সদস্যদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কাজ করতে চান তিনি এ লক্ষ্যে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে তিনি।

  • কালিয়াকৈরে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। (তারেক রহমানের উত্তর বঙ্গ সফর)

    কালিয়াকৈরে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। (তারেক রহমানের উত্তর বঙ্গ সফর)

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বেগম খালেদা জিয়া স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকেলে উপজেলার কালিয়াকৈর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে কালিয়াকৈর বিএনপির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ শ্রম বিষক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগের বিএনপি সংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি হেলাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমেদ প্রমূখ, এ সময় বক্তারা বলেন, গাজীপুর ১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ। আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর ১ আসনে ধানের শীষ কে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার প্রতিজ্ঞা করেন।

    এ বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক যুগে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য সকল সকল নেতা কর্মীকে অনুরোধ করেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে গাজীপুরে এক আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মেয়র মুজিবুর রহমান সবাইকে সাথে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে গাজীপুর ১ আসন কে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের আত্বার মাগফেরাতের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা

  • যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

    যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ কলেজ তালিকাভুক্ত

    যশোরে২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২টি কলেজ তালিকাভুক্ত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। নির্ধারিত এই কলেজগুলো থেকে প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন সাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়েছে।

    কলেজগুলো হচ্ছে- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, বাগেরহাট সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, ঝিনাইদহ সরকারি কে. সি. কলেজ, মেহেরপুর সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, মাগুরা সরকারি এইচ. এস. এস. কলেজ, যশোর সরকারি সিটি কলেজ, খুলনাদৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজ, যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য), যশোর বি.এ.এফ. শাহীন কলেজ (বিমান বাহিনীতে কর্মরত পরীক্ষার্থীদের জন্য)। রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ব্যতীত প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বোর্ডের প্রণীত পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত নিম্নলিখিত যে কোন একটি কলেজের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

    তবে শিক্ষক, পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে চাকরিরত ব্যক্তি এবং শারীরিক কিংবা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা যে কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবে সেই কলেজের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। কোন অবস্থাতেই কেন্দ্র পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা কেবল মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও ইসলামি শিক্ষা শাখায় পরীক্ষা দিতে পারবে। যে সমস্ত বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত) সে বিষয়সমূহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীগণ চতুর্থ বিষয় গ্রহণ করতে পারবে না। বোর্ডের কোন কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় নিজ বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে ইচ্ছা করলে নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বাংলাদেশের অন্য যে কোন বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদেরকে বোর্ডের নির্ধারিত কলেজের অধ্যক্ষের নিকট ১০ জানুয়ারি থেকে ২০ জানয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি এবং কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীপ্রতি তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি মধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পূরণকৃত অনলাইন তালিকা এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সত্যায়িত করে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মূল নম্বরপত্র তালিকার ক্রমানুসারে সাজিয়ে দিতে হবে। মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সত্যায়িত মূল নম্বরপত্র দাখিল করতে হবে।

    যে সকল পরীক্ষার্থী ১৯৯৫ সালের পূর্বে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে , তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ভেরিফাইড ও ফাউন্ড কারেক্ট লেখা থাকতে হবে। কোন ক্রমেই মাধ্যমিক পরীক্ষা বা সমমানের কোন সনদপত্র গ্রহণ করা হবে না। যে সকল পরীক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং উন্মুুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ভেরিফাইড ও ফাউন্ড কারেক্ট লেখা থাকতে হবে।

     

    যে সকল পরীক্ষার্থী ২০২১ সালের (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হয়েছে এবং ২০১৭ বা তৎপূর্ববর্তী বছরে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তাদেরকে মূল প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে। বাংলাদেশের আওতাধীন অনুমোদিত কোন কলেজের অধ্যক্ষ বা অত্র বোর্ডের কোন সদস্য অথবা কোন সরকারি গেজেটেড অফিসারের নিকট হতে প্রার্থীর চরিত্র, আচরণ, প্রার্থিত পরীক্ষার অন্ততপক্ষে দুই বছর পূর্ব পর্যন্ত কোন অনুমোদিত কলেজে শিক্ষার্থী ছিল না এবং প্রার্থী কোন পরীক্ষায় বহিষ্কৃত হয়নি অথবা হয়ে থাকলেও এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষিত হয়নি এ মর্মে প্রত্যয়ন পত্র দাখিল করতে হবে।

    ভুয়া তথ্য প্রদান করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রার্থীর সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবির সম্মুখভাগে নিজের নাম স্বাক্ষর করতে হবে এবং তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত করে আইকা আঠা দিয়ে আবেদন ফরমে আটকিয়ে দিতে হবে। শিক্ষক প্রার্থীদের বেলায় কোন অনুমোদিত বিদ্যালয়ে চাকুরীর মেয়াদ বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে অন্তত তিন বছর পূর্ণ হয়েছে এ মর্মে নিজ জেলা শিক্ষা অফিসারের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রার্থীদের বেলায় বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখে কমপক্ষে এক বছর যাবত সক্রিয়ভাবে চাকুরীতে আছে এ মর্মে পুলিশ সুপার সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সার্টিফিকেট দিতে হবে।কোন শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীকে শ্রুতিলেখকনিযুক্ত করতে হবে।প্রাইভেট

    পরীক্ষার্থীদেরকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে। আবশ্যিক বিষয় বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ অন্য যে কোন তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। (১১) প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার পূর্বে বোর্ড থেকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নির্ধারিত কলেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শুধু ১ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে।

  • যশোরে তীব্র শীতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু

    যশোরে তীব্র শীতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু

    কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।যশোর জেলায় তীব্র শীতের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগ ও ফুসফুস সংক্রমণজনিত সমস্যায় একদিনে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত এবং ফুসফুস সংক্রমণজনিত কারণে মৃত্যুর হার বাড়ছে। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

    যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯০ রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে শতাধিক রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এর মধ্যে ৫৪ জন শিশু।
    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঠান্ডার কারণে বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য জটিলতা বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই বাড়িতে এবং বাইরে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
    মৃত মনিরা খাতুনের ছেলে শেখ মামুন বলেন, আমার মায়ের বয়স ৬৪ বছর। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে তিনি ১০ দিন অসুস্থ ছিলেন। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় গুরুতর অবস্থায় গতকাল রাতে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মৃত শেখ সদরুল আলমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তার বাবার হার্টের সমস্যা ছিল। এছাড়া গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। গতকাল রাতে তাকে হাসাপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মৃত মুন্সি মহিউদ্দিনের ছেলে শামছুজ্জামান জানান, ঠান্ডার কারণে তার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।

    গত কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা।

    শেখ মামুনের বাড়ির পাশেই উম্মে হানি নামে ৬৫ বছর বয়সী একজন সাবেক শিক্ষিকা মারা গেছেন। তার ছেলে বনি জানান, তার মা এক সপ্তাহ ধরে ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ফুসফুস সংক্রমিত হওয়ায় মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁচ্ছাছিল না। যে কারণে তিনি মারা গেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। ঘন কুয়াশার সঙ্গে বাতাসের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় যশোরে শীতের প্রকোপ এখন চরমে। সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। সেই সঙ্গে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় জেলাজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

  • সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ২টি বিদেশি অস্ত্র ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

    সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ২টি বিদেশি অস্ত্র ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে দুষ্কৃতকারী বা সন্ত্রাসী কতৃক সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক চোরাচালানের সম্ভাবনা থাকায় বিজিবি মহাপরিচালক মহোদয় চোরাচালান বন্ধে জোর নির্দেশনা দেন। মহাপরিচালকের নির্দেশনার আলোকে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ( ৫৯বিজিবি) সীমান্তের দায়িত্বপূর্ন এলাকায় কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। এই প্রেক্ষিতে অস্ত্রের কয়েকটি চালান মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে বলে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে অধিনায়ক জানতে পারে। সেই লক্ষ্যে বিগত দুই মাস যাবত এ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ৭৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিজস্ব গোয়েন্দা, টহল তৎপরতাসহ কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর দিকনির্দেশনায় গতকাল ৮ই জানুয়ারি আনুমানিক রাত ৯:৪০ ঘটিকায় অধীনস্থ আজমতপুর বিওপির একটি চৌকষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৮২/৩- এস হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমবাগানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে টহল দল মালিকবিহীন ২টি বিদেশি ওয়ান শুটার গান ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজমতপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন। তিনি আরোও এই ব্যাটালিয়ন গত ৬ মাসে ৬ টি বিদেশী পিস্তল/ ওয়ান শুটার গান,১২ রাউন্ড গুলি এবং ২ টি ম্যাগজিন উদ্ধার করেছে। উল্লেখ্য যে, মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) গত ৩ বছরে সীমান্তবর্তী দায়িত্বপূর্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জন আসামি সহ ৩৩ টি বিদেশী পিস্তল, ৩৯৮ রাউন্ড গুলি এবং ৪১ টি ম্যাগজিন আটক করেছে। এই সীমান্তে সব ধরনের চোরাকারবারীরা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক চোরাচালানে যতই নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করুক না কেন, সকল প্রকার অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক চোরাচালান এবং চোরাকারবারীদের প্রতিরোধে আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
    তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। পরে,
    উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে

  • ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’

    ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’

    শহীদ ওসমান হাদির ওপর হামলার এক মাস পূর্ণ হলো আজ। এই উপলক্ষ্যে খুনিদের বিচার ও আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পদযাত্রা করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলেন। তাদের কণ্ঠে শোনা যায়– ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘রক্ত বন্যা, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘জেগেছে জেগেছে, ছাত্র আন্দোলন জেগেছে’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’, ‘তুমি কে, আমি কে, হাদি হাদি’ এবং ‘আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাব’।

    সমাবেশে বক্তারা শহীদ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার এক মাস পেরিয়ে গেলেও জড়িতদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অনতিবিলম্বে খুনিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল।

    এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন– ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আরিয়ান হোসেন ইমন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মোস্তফা হোসাইন, ঢাকা পূর্ব শাখার সহসভাপতি মাইনুল ইসলাম, ঢাকা পশ্চিম শাখার সহসভাপতি এইচ এম হাবিবুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন প্রমুখ।

  • ঘরে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

    ঘরে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

    শরীয়তপুরের জাজিরায় টিনের ঘরে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে আহত নবীন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

    এদিন ভোরে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় এ নিয়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, বিলাসপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারি কান্দির দেলোয়ার বেপারির ছেলে সোহান বেপারী (৩২) ও একই গ্রামের বাসিন্দা মো. নবীন হোসেন (২২)।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। মাঝেমধ্যে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও হাতবোমা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

    বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে কুদ্দুস বেপারীর চাচাতো ভাই সাগর বেপারীর সদ্য তৈরি করা বসতঘরে হাতবোমা তৈরি করার সময় বিস্ফোরণ ঘটলে সোহান বেপারী নিহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে আধা কিলোমিটার দূরে রসুনের খেত থেকে সোহান বেপারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নবীন হোসেন ও নয়ন মোল্লা নামে দুইজন গুরুতর আহত হন। তাদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে নবীন হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার বিকেলে মারা যায়। গুরুতর আহত নয়ন মোল্লার চিকিৎসা চলছে।

    জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহম্মেদ নবীন হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, “বিস্ফোরণের ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে বিধ্বস্ত ঘর থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছি। বিস্ফোরণে ঘরের চালা উড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটেছে।”
    তিনি আরও বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে আধা কিলোমিটার দূরে রসুনের খেত থেকে নিহত সোহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
  • ওসমান হাদির খুনিদের বিচারের দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের পদযাত্রা

    ওসমান হাদির খুনিদের বিচারের দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের পদযাত্রা

    শহীদ ওসমান হাদির ওপর হামলার একমাস ও খুনিদের বিচারের দাবিতে আধিপত্যবাদ বিরোধী পদযাত্রা করছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইট থেকে বিকেল ২টা ৪০ মিনিটে পদযাত্রা বের হয়। পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হবে।

    এ সময় পদযাত্রা অংশ নেওয়া নেতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তার মধ্যে রয়েছে, ‌‌‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘রক্ত বন্যা, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘জেগেছে জেগেছে, ছাত্র আন্দোলন জেগেছে’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকায়’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি’, ‘তুমি কে, আমি কে, হাদি হাদি’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’।

    এর আগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুনতাসীর আহমাদ, সহ সভাপতি, হোসাইন ইবনে সরওয়ার, ইমরান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আরিয়ান হোসেন ইমন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মোস্তফা হোসাইন, ঢাকা পূর্ব শাখার সহ সভাপতি মাইনুল ইসলাম ঢাকা পশ্চিম শাখার সহ সভাপতি এইচ এম হাবিবুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন প্রমুখ।

  • কুমিল্লায় বাস অটোরিকশা মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দগ্ধ হয়ে নিহত ৪

    কুমিল্লায় বাস অটোরিকশা মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দগ্ধ হয়ে নিহত ৪

    কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে দগ্ধ হয়ে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রীবাহী বাস, মোটরসাইকেল এবং অটোরিকশা আগুনে পুড়ে যায়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার।

    তিনি জানান, একটি মোটরসাইকেল এবং একটি অটোরিকশা যাত্রীবাহী বাসের নিচে চাপা পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের ট্যাংক ফেটে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় শিশুসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

     

    নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনায় কবলিত বাস, অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

  • কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ঋণ খেলাপি, নির্বাচন করতে পারবেন না

    কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ঋণ খেলাপি, নির্বাচন করতে পারবেন না

    ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে তিনি ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।

    তিনি জানান, বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসানের প্রতিষ্ঠান ২০০৫ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে একটি ঋণ নিয়েছিলেন, যার ৮৯ কোটি টাকা এখনো বকেয়া।

    কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী।

    এর আগে ঋণ খেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।