Author: তরঙ্গ টিভি

  • বছরের প্রথম দিন মাধ্যমিকের সব শিক্ষার্থী সব বই পাবে না

    বছরের প্রথম দিন মাধ্যমিকের সব শিক্ষার্থী সব বই পাবে না

    বছরের প্রথম দিনে বিতরণ হবে নতুন পাঠ্যবই। শ্রেণিভেদে বই গুছিয়ে রাখছেন শিক্ষকেরা। গতকাল রংপুর শহরতলির শিশুরত্ন কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড স্কুলেছবি: মঈনুল ইসলাম

    খ্রিষ্টীয় নববর্ষের প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার। দেশের নতুন শিক্ষাবর্ষেরও প্রথম দিন আজ। তবে এদিন মাধ্যমিকের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সব পাঠ্যবই হাতে পাবে না। কেননা, গত বছরের শেষ দিন গতকাল বুধবার বিকেল পর্যন্ত মাধ্যমিকের ২৭ শতাংশের বেশি বই সরবরাহ করতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

    অবশ্য এনসিটিবির কর্মকর্তারা আশা করছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের সব বই হাতে পেতে পুরো জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এমনকি তা ফেব্রুয়ারিতেও গড়াতে পারে।

    প্রাথমিকের দুই শিক্ষার্থী বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে  খুশি। পুরান ঢাকার রাজার দেউরি সরকারী বিদ্যালয়
    প্রাথমিকের দুই শিক্ষার্থী বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে খুশি। পুরান ঢাকার রাজার দেউরি সরকারী বিদ্যালয়ছবি: দীপু মালাকার

    এই অভিজ্ঞতা থেকে এবার পাঠ্যবই ছাপার প্রক্রিয়া আগেভাগেই শুরু করা হয়েছিল। গত নভেম্বরের মধ্যে সব পাঠ্যবই ছাপিয়ে মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী দরপত্রের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে মূল্যায়নের কাজও শেষ করা হয়েছিল। তবে শেষ সময়ে (নভেম্বরে) ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ফলে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে বই ছাপানোর কাজ শুরু হয়। এ কারণে এবারও মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই সময়মতো সরবরাহ করতে পারছে না এনসিটিবি।

    অবশ্য এনসিটিবির কর্মকর্তারা আশা করছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের সব বই হাতে পেতে পুরো জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এমনকি তা ফেব্রুয়ারিতেও গড়াতে পারে।

    সংকট মাধ্যমিকের বই নিয়ে

    এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, নতুন শিক্ষাবর্ষে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য প্রাথমিক স্তরে মোট পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা ৮ কোটি ৫৯ লাখের বেশি। এরই মধ্যে শতভাগ বই সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব বই পাবে। তবে সংকট মাধ্যমিক স্তরের বই নিয়ে।

    মাধ্যমিক স্তরে (ইবতেদায়িসহ) মোট পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪। এর মধ্যে গতকাল বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে ৭২ দশমিক ৭১ শতাংশ বই। যদিও গতকাল পর্যন্ত ছাপা হয়েছে প্রায় ৮৮ শতাংশ বই।

    নিয়মানুযায়ী, পাঠ্যবই ছাপার পর সেগুলো বাঁধাই করা হয়। এরপর সরবরাহের আগে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরবরাহ-পূর্ব পরিদর্শন (পিডিআই) সম্পন্ন করতে হয়। পিডিআইসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষে বই মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হয়। এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরের ৮১ দশমিক ১৩ শতাংশ বইয়ের পিডিআই সম্পন্ন হয়েছে।

    এনসিটিবি সূত্র জানায়, মাধ্যমিকের বইয়ের মধ্যে ষষ্ঠ এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপা ও বিতরণের কাজ তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছে। ইবতেদায়ি স্তরের বই নিয়েও সংকট নেই। তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই ছাপা ও সরবরাহের কাজ পিছিয়ে রয়েছে। সপ্তম শ্রেণির মোট বইয়ের সংখ্যা ৪ কোটি ১৫ লাখের বেশি এবং অষ্টম শ্রেণির মোট পাঠ্যবই ৪ কোটি ২ লাখের বেশি।

    মাধ্যমিক স্তরে (ইবতেদায়িসহ) মোট পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪। এর মধ্যে গতকাল বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে ৭২ দশমিক ৭১ শতাংশ বই। যদিও গতকাল পর্যন্ত ছাপা হয়েছে প্রায় ৮৮ শতাংশ বই।

    ‘সব শিক্ষার্থীই প্রথম দিন বই পাবে’

    এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বছরের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে অন্তত কয়েকটি করে বই তুলে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিক বিশেষ করে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে আরও কিছুদিন লাগবে।

    এনসিটিবির সচিব অধ্যাপক মো. সাহতাব উদ্দিনও অভিন্ন কথা বলেন। গতকাল তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের পরিকল্পনা হলো বছরের প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া—সেটা দুটি, তিনটি, পাঁচটি যা-ই হোক। সেভাবেই কার্যক্রম চালিয়েছেন। বিতরণ পর্যায়ে কোনো অসুবিধা না হলে সব শিক্ষার্থীই বছরের প্রথম দিন নতুন বই পাবে। সাহতাব উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি স্তর এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাঠ্যবই সরবরাহ হয়ে গেছে। ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির বইও ৯০ শতাংশের বেশি চলে গেছে। আর সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ৬০ শতাংশের বেশি বই চলে গেছে।

    অবশ্য এনসিটিবির কর্মকর্তারা আশা করছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের সব বই হাতে পেতে পুরো জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এমনকি তা ফেব্রুয়ারিতেও গড়াতে পারে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে আগের মতো বছরের প্রথম দিনে উৎসব করে শিক্ষার্থীদের বই দেওয়া হচ্ছে না। বিদ্যালয়গুলোতে বই পৌঁছে দেওয়া হয়, পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়।

  • ঢাকায় বিএনপির ১৯ প্রার্থী আয় বেশি মির্জা আব্বাসের, নগদ টাকা সালাউদ্দিনের

    ঢাকায় বিএনপির ১৯ প্রার্থী আয় বেশি মির্জা আব্বাসের, নগদ টাকা সালাউদ্দিনের

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগর ও জেলার ২০টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে বার্ষিক আয় সবচেয়ে বেশি মির্জা আব্বাসের। তাঁর বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য এবার ঢাকা-৮ সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করছেন।

    বার্ষিক আয়ে মির্জা আব্বাস এগিয়ে থাকলেও ঢাকায় বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে নগদ টাকা বেশি আছে ঢাকা-১৯ আসনের (সাভার উপজেলা) বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের। তাঁর কাছে নগদ ৩ কোটি ২০ লাখ ২৮ হাজার টাকা আছে।

    মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় বিএনপির প্রত্যেক প্রার্থী আয় ও সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছেন। ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১৯টিতে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এই প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে পেশা হিসেবে ‘ব্যবসার’ কথা উল্লেখ করেছেন ১৫ জন।

    হলফনামায় পেশা হিসেবে রাজনীতির কথা বলেছেন ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে পেশা হিসেবে কৃষির কথা বলেছেন একজন। তিনি ঢাকা-৩ আসনের প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

    এর বাইরে ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ পেশা হিসেবে শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসার কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান। তবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ববি হাজ্জাজ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

    নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ১০ ধরনের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীর পেশা, আয়ের উৎস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য, প্রার্থীর নিজের ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদ বিবরণী। হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়া হলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এমনকি নির্বাচনে জয়ের পরও কারও ক্ষেত্রে হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পেলে সংসদের মেয়াদ থাকা অবস্থায় তাঁর সদস্যপদ বাতিল করতে পারে কমিশন। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।

    ঢাকায় বিএনপির প্রার্থী কারা

    ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ তানভীর আহমেদ, ঢাকা-৫ নবী উল্লা, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসাইন, ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশীদ, ঢাকা-১০ শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১১ এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১২ (নির্বাচনী সমঝোতার কারণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হককে আসনটি ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি), ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৪ সানজিদা ইসলাম, ঢাকা-১৫ শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৬ আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ তারেক রহমান, ঢাকা-১৮ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা-১৯ দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় বিএনপির ১৯ প্রার্থীর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে এম এ কাইয়ুম। তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী। আর স্বশিক্ষিত প্রার্থী আছেন একজন, মো. নবী উল্লা।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে অষ্টম শ্রেণি পাস উল্লেখ করেছেন একজন, শফিকুল ইসলাম খান।

    অন্যদিকে মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর) পাস করা প্রার্থী আছেন ৬ জন। মাধ্যমিক বা এসএসসি পাস করা প্রার্থী আছেন একজন। উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পাস করা প্রার্থী তিনজন। বাকিরা সবাই স্নাতক পাস।

    আয়ে যাঁরা এগিয়ে

    বিএনপির প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মির্জা আব্বাসের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বার্ষিক আয় ইশরাক হোসেনের। তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

    বছরে ৫০ লাখের বেশি টাকা আয় করেন এমন প্রার্থীর সংখ্যা ২। এর মধ্যে আমানউল্লাহ আমানের বার্ষিক আয় ৫১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। আরেক প্রার্থী তমিজ উদ্দিনের বার্ষিক আয় ৫৩ লাখ ৬ হাজার টাকা।

    বার্ষিক আয় সবচেয়ে কম সানজিদা ইসলামের। হলফনামায় তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। বাকি প্রার্থীদের আয় বছরে ছয় লাখ টাকার বেশি।

    নগদ টাকা ও ব্যাংকে জমা

    দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের হাতে নগদ রয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ ২৮ হাজার টাকা, যা ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মির্জা আব্বাস। হলফনামায় তিনি দেখিয়েছেন তাঁর কাছে নগদ ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা রয়েছে।

    এর বাইরে এক কোটির বেশি নগদ টাকা রয়েছে চারজন প্রার্থীর কাছে। তাঁরা হলেন ববি হাজ্জাজ (১ কোটি ৫৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা)। তমিজ উদ্দিন (১ কোটি ৪৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা), হামিদুর রহমান (১ কোটি ১৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা) ও হাবিবুর রশিদ (১ কোটি ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা)।

    নগদ টাকা সবচেয়ে কম আছে শফিকুল ইসলাম খানের কাছে। হলফনামার বিবরণ অনুযায়ী, তাঁর কাছে আছে নগদ ৩০ হাজার ২৫৭ টাকা।

    অন্যদিকে ব্যাংকে সবচেয়ে বেশি টাকা রয়েছে ইশরাক হোসেনের। ব্যাংকে তাঁর জমা টাকার পরিমাণ ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আমিনুল হক। ব্যাংকে তাঁর নামে জমা আছে ১ কোটি ১৮ লাখ ১২ হাজার টাকা।

    প্রার্থীদের মধ্যে হামিদুর রহমানের ব্যাংক হিসাবে জমা টাকার পরিমাণ সবচেয়ে কম। তিনি ব্যাংকে জমা রেখেছেন ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

    অস্থাবর সম্পদের মধ্যে কে এগিয়ে

    নগদ ও ব্যাংকে জমা টাকাসহ অস্থাবর সম্পদের দিক থেকে সবার শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা-২০ আসনের প্রার্থী তমিজ উদ্দিন। তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮৫ কোটি ৪ লাখ টাকা। এই হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মির্জা আব্বাস। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

    হলফনামায় সবচেয়ে কম অস্থাবর সম্পদ (নগদ ও ব্যাংকে জমা টাকাসহ) দেখিয়েছেন নবী উল্লাহ। তিনি হলফনামায় ৩৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকার কথা উল্লেখ করেছেন।

    স্থাবর সম্পদ

    পুরান ঢাকার একটি আসনের (ঢাকা-৭) প্রার্থী হামিদুর রহমানের স্থাবর সম্পদ ১০ কোটি ৪১ লাখ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এই সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪৩ কোটি ৮০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

    স্থাবর সম্পদের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন এম এ কাইয়ুম। তাঁর স্থাবর সম্পদ ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। তাঁর কাছাকাছি সম্পদ রয়েছে আমানউল্লাহ আমানের। তাঁর স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ২১ লাখ টাকা।

    ঢাকায় বিএনপির ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে কম স্থাবর সম্পদ রয়েছে নবী উল্লাহর। তিনি হলফনামায় ২০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন।

    আয়কর রিটার্ন

    ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে আয়কর রিটার্নে সর্বোচ্চ ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেখিয়েছেন তমিজ উদ্দিন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্পদ দেখিয়েছেন মির্জা আব্বাস, ৫৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

    আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, সবচেয়ে কম সম্পদ নবী উল্লাহর, ৮৯ লাখ টাকা।

    হলফনামায় ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ নগদ টাকার ঘরে কিছুই লেখেননি।

    দুই প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢাকা-১৯ আসনের প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের হলফনামার কিছু অংশ (কয়েকটি পাতা) নেই। সে জন্য এই প্রার্থীর বার্ষিক আয়, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা আরেক প্রার্থী ববি হাজ্জাজের ক্ষেত্রেও। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ববি হাজ্জাজের যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, সেখানে স্থাবর, অস্থাবর ও আয়কর রিটার্নের তথ্যের অংশ নেই।

    সম্পদশালী স্ত্রী ও স্বামী

    হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় বিএনপির প্রার্থীদের স্ত্রীদের মধ্যে আমানউল্লাহ আমানের স্ত্রী সাবেরা আমানের কাছে নগদ টাকা সবচেয়ে বেশি আছে। তাঁর কাছে নগদ রয়েছে ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

    নারী প্রার্থী সানজিদা ইসলামের স্বামী মোহাম্মদ জামাল আফসারের কাছে নগদ আছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

    আরেক প্রার্থী শেখ রবিউল আলমের স্ত্রী বকুল আক্তারের কাছে নগদ টাকা সবচেয়ে কম আছে, ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

    প্রার্থী হাবিবুর রশীদের স্ত্রী মাবিয়া আক্তারের ব্যাংক হিসাবে সর্বোচ্চ ৪৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা রয়েছে। প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের স্ত্রী শামীম আরা বেগমের ব্যাংক হিসাবে ৩৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে।

    ১৯ প্রার্থীর মধ্যে খন্দকার আবু আশফাকের স্ত্রী ইশমত সাকিয়ার ব্যাংক হিসাবে সবচেয়ে কম টাকা রয়েছে। তাঁর ব্যাংক হিসাবে আছে ৩ হাজার ৫০৭ টাকা।

    প্রার্থীদের মধ্যে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের অস্থাবর সম্পদ বেশি। তাঁর সম্পদ ৩৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা। তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি।

    আমানউল্লাহর স্ত্রী সাবেরা আমানের অস্থাবর সম্পদ ৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। সবচেয়ে কম সম্পদ প্রার্থী নবী উল্লাহর স্ত্রী সুইটির। হলফনামায় তাঁর অস্থাবর সম্পদ ৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রার্থীর কাছে ৩৫ ভরি, স্ত্রীর কাছে ১২০ ভরি গয়না

    হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রার্থীদের মধ্যে সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না সবচেয়ে বেশি রয়েছে ববি হাজ্জাজের। তাঁর কাছে সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু রয়েছে ৩৫ ভরি। তাঁর স্ত্রী রাশনা ইমামের কাছে রয়েছে ১২০ ভরি গয়না (সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু)।

    ঢাকায় বিএনপির আরেক প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন হলফনামায় তাঁর নিজের নামে ২০ ভরি সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর স্ত্রী সাবিনা সিদ্দিকার কাছে রয়েছে ৮০ ভরি সোনাসহ মূল্যবান ধাতুর গয়না।

  • যশোরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    যশোরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

    যশোর শহরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলমগীর হোসেন নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৭টার দিকে শংকরপুরের নয়ন কাউন্সিলরের অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আলমগীর হোসেন (৩৫) যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার মৃত ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন শংকরপুর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা একদল দুষ্কৃতকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তার মাথার বাম পাশে বিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

    আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানান, মাথায় সরাসরি গুলি লাগার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

    যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, ঘটনার পর পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, ঘটনাস্থল এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • বেনাপোল চেকপোস্টে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বেনাপোল চেকপোস্টে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের শ্রমিক দল ও বাজার কমিটি উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির শ্রমিক দল ও চেকপোস্ট বাজার কমিটির উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন বেনাপোল চেকপোস্ট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান।

    এ দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর ৮৫/১,শার্শা আসনের বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন,শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু,বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দীন,সহ সভাপতি এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি,সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান আক্তার,শার্শা উপজেলা কৃষকদল এর সভাপতি আমিরুল ইসলাম,পৌর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম শহীদ,বেনাপোল পৌর যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান বাবু, সদস্য সচিব রায়হানুজ্জামান দীপু,শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন, বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ,বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ এর সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু।চেকপোস্ট বাজার কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হকসহ বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সকল পর্যায়ের শ্রমিক দল নেতা এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষ উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।

    মোনাজাতের আগে ধানের শীষের মনোনীত প্রর্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন সহ বিএনপির সকল নেতাকর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এবং আল্লাহর দরবারে তাঁর জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনায় প্রার্থনা করেন।

    সহ আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় সাধারণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন দোয়া অনুষ্ঠান শেষে নেতৃবৃন্দ মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

    বেনাপোল পৌরসভার ৯ং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী ইদু,সভাপতিত্বে,

    বেনাপোল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক,সঞ্চালনায়

  • শরীয়তপুর ডামুড্যা ছুরি আঘাত পর পেট্রোল দিয়ে আগুন সেই ব্যবসায়ী খোকন দাসের মিত্যু

    শরীয়তপুর ডামুড্যা ছুরি আঘাত পর পেট্রোল দিয়ে আগুন সেই ব্যবসায়ী খোকন দাসের মিত্যু

    শরীয়তপুরের ডামুড্যার ছুরিকাঘাতের পর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়া সেই ওষুধ ব্যবসায়ী খোকন দাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তিনি মারা যান তিনি।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ঠাকুর বাড়ির মোড়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামে কেহুড় বাঙ্গা স্থানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঔষধ বিক্রেতা ও মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের এজেন্ট খোকন দাস। এসময় তিনি হামলাকারীদের চিনে ফেললে তার শরীর ও মুখে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টায় চালায়। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরবর্তীতে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার শরীরের ক্ষতস্থানে অস্ত্রোপচার করা হয়।
    এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খোকন দাসের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ডামুড্যা থানায় একটি জিডি করেন উল্লেখ্য আসামি হলেন কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান (২৭) ও সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যা (২১) শহীদ সরদারের ছেলে পলাশ সরদার (২৫) এদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
    এদিকে তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার সকাল ৮টায় খোকন দাস মারা যান। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
    এ ব্যাপারে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) তানভীর হোসেন বলেন, আমরা ইতোমধ্যে তার স্বজনদের কাছ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা বিষয়টি খোঁজখবর নিচ্ছি।
    এ ঘটনায় দোষীদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট অমিত ঘটক চৌধুরী বলেন, খোকন দাসের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম তাকে বাঁচাতে, তার পাশে থাকতে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূ//শাস্তির দাবি জানাই। মাষ্টার এনামুল হক মুন্সী বলেন
    খোকন দাস একজন সাদা সিধে মানুষ সে দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় ব্যবসা করে যাচ্ছে কখন ও কারো সাথে কোন দন্দ হয়নি ৪দিন হয়ে গেছে আসামি একজন ও গ্রেফতার হয়নি, আমার দ্রুত এই হত্যা বিচার দাবি করছি

  • শরীয়তপুরে এয়ারগান সহ সেনাবাহিনীর অভিযানে শির্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

    শরীয়তপুরে এয়ারগান সহ সেনাবাহিনীর অভিযানে শির্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

    শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার কার্তিকপুর এলাকা থেকে শির্ষ সন্ত্রাসী ফুয়াদ সরকার ( আহসান উল্যাহ,) একটি এয়ারগান, দেশীয় অস্ত্র এবং মাদকেদ্রব্য ব্যাবহারের বিভিন্ন সরঞ্জাম সহ গ্রেফতার করে বাংলাদের যৌথবাহিনী।

    শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) কার্তিকপুর বাজারের পার্শের একটি মাছের খামার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত ফুয়াদ সরকার (৫৫) সখিপুর থানার, চর হোগলা এলাকার মৃত ফয়েজুল্লাহ সরকারের ছেলে।

    গ্রেফতারকৃত ফুয়াদ সরকার ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামিম এর আপন ফুপাতো ভাই এবং এনামুল হক শামিম এর চাঁদাবাজ, দখলবাজ গ্রুপের নেতৃত্বদাতা।

    এলাকার মানুষজনের কাছে ফুয়াদ এক ভয়াবহ আতন্কের নাম।

    স্থানীয় শুত্রে জানা যায়, ফ্যাসিষ্ট সরকারের সময়ে এমপি এনামুল হক শামিম এর প্রভাব বিস্তার করে মানুষের জমি দখল, চাদাবাজিসহ নানামুখী অজরাধে জরিত ফুয়াদ। এলাকার কিছু তরুনি মেয়েদের রাতেরবেলা বাড়িথেকে জোর পুর্বক ধর্ষণ করতো ফুয়াদ কিন্তু তার বিরুদ্ধে কথা বলার মতো কেউ নেই। কেউ কখা বলার চেষ্টা করলেই তাকে ফুয়াদ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তুলে এনে শারিরীক অত্যাচার চালায় বলে কিছু স্থানীয়রা জানান।

    নানামুখী অপরাধ চলমান থাকলে এমতাবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদের সেনাবাহিনীর সদস্যরা ফুয়াদের সকল অপকর্মের নেতৃত্বের স্থান তার মৎস্য খামারে অভিযান চালালে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই বিদেশী সকল অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ফুয়াদের সহযোগীরা। কিন্তু অতিরিক্ত মাদকাসক্ত থাকায় ফুয়াদ পালাতে না পেরে গ্রেফতার হয়।
    এবং পরবর্তীতে ফুয়াদের ঘড় তল্লাশি করে একটি এয়ার গান, ইয়াবা খাওয়ার বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

    জানতে চাইলে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) তানভীর হাসান বলেন যৌথ বাহিনির অভিযানে ফুয়াদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা প্রকৃয়াধীন রয়েছে

  • জাতীয় শোক দিবসে বই বিতরণ উৎসব-নিষেধাজ্ঞা  মানা হয়নি সেনবাগে

    জাতীয় শোক দিবসে বই বিতরণ উৎসব-নিষেধাজ্ঞা মানা হয়নি সেনবাগে

    নোয়াখালীর সেনবাগে জাতীয় শোক দিবস পালনকালীন সময়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাঁকজমকভাবে বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালীর সেনবাগ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়।

    উৎসবের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহসিয়া তাবাসসুম। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন এবং নতুন শিক্ষাবর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

    বই বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ার পারভেজ, ইউপিইটিসি অফিসার ফখরুল কবীর, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাসিনা আক্তার। এছাড়াও সেনবাগ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য সহকারী শিক্ষকগণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    তবে জাতীয় শোক দিবস পালনকালে সরকারি সকল প্রকার আনন্দ-উৎসব ও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নিষিদ্ধ থাকার পরও এ ধরনের উৎসব আয়োজন নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সচেতন মহল

  • মানিকগঞ্জে ৩ টি আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে

    মানিকগঞ্জে ৩ টি আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে

    মানিকগঞ্জ–১ সংসদ নং ১৬৭ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) — ৯ জন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে।
    ১)এস এ জিন্নাহ কবীর — বিএনপি
    ২)আবু বক্কর সিদ্দিক — জামায়াতে ইসলামী
    ৩)মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন — গণঅধিকার পরিষদ
    ৪)তোজাম্মেলক হক তোজা — স্বতন্ত্র
    ৫)মোঃ হেদায়েতুল্লাহ — খেলাফত মজলিস
    ৬)দিলীপ কুমার দাশ — বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি
    ৭)মোঃ আব্দুল আলী বেপারী — স্বতন্ত্র
    ৮)মোঃ শাহজাহান খান — জনতা দল
    ৯)মোঃ খোরশেদ আলম — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
    মানিকগঞ্জ–২ সংসদ নং ১৬৮ (সিংগাইর ও হরিরামপুর) — ৬ জন নির্বাচন করা জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে।
    ১) মাঈনুল ইসলাম খান শান্ত — বিএনপি
    ২)এস এম আব্দুল মান্নান — জাতীয় পার্টি
    ৩)মোঃ সালাউদ্দিন — খেলাফত মজলিস
    ৪)আবিদুর রহমান নোমান — স্বতন্ত্র
    ৫)মোঃ আব্দুল হক মোল্লা — স্বতন্ত্র
    ৬)মোহাম্মদ আলী — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
    মানিকগঞ্জ–৩ সংসদ নং ১৬৯ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) মোট ১২ জন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে।
    ১)আফরোজা খানম রিতা — বিএনপি
    ২)মফিজুল ইসলাম খান কামাল — স্বতন্ত্র
    ৩)মাওলানা মুহাঃ দেলওয়ার হোসাইন — জামায়াতে ইসলামী
    ৪)আতাউর রহমান আতা — স্বতন্ত্র
    ৫)রফিকুল ইসলাম — স্বতন্ত্র
    ৬)মোঃ শাহজাহান আলী — বাংলাদেশ জাসদ
    ৭)মুহাম্মদ সাঈদ নূর — খেলাফত মজলিস
    ৮)মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম — এবি পার্টি
    ৯)মোঃ ফারুক হোসেন — স্বতন্ত্র ১০) মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ — জাতীয় পার্টি (জেপি)
    ১১) আবুল বাশার বাদশা — জাতীয় পার্টি
    ১২) সামসুদ্দিন — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদে

  • কালিয়াকৈরে ড্রোন ও সিসি ক্যামেরায় নজরদারি করে মাদক ব্যবসায়ী  আনোয়ার গ্রেফতার

    কালিয়াকৈরে ড্রোন ও সিসি ক্যামেরায় নজরদারি করে মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার গ্রেফতার

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় প্রযুক্তিনির্ভর মাদক কারবারের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

    উপজেলার রতনপুর এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ‘ইয়াবা আনোয়ার’ ড্রোন ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে পুরো এলাকাজুড়ে নজরদারি চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
    সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি ও সন্দেহজনক চলাচল নজরে রাখতেই আনোয়ার তার আশপাশের এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করত। ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে পর্যবেক্ষণ এবং বাড়ি ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে সে কার্যত একটি ‘ডিজিটাল নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল, যা এলাকায় ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহল মনে করছেন, প্রযুক্তিকে অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা নতুন ধরনের হুমকি, যা দ্রুত প্রতিহত করা প্রয়োজন।

    এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী

  • যশোরের শার্শা ও ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিশেষজ্ঞ নেই!

    যশোরের শার্শা ও ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিশেষজ্ঞ নেই!

    -যশোরের শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিশেষজ্ঞ পদ আছে কিন্তু চিকিৎসক নেই। ফলে শিশুরা উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পদ শূন্য থাকার কারণে একজনের দায়িত্ব পালন করছেন আরেকজন। রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে মেডিকেল অফিসার দিয়ে শিশু রোগীদের চিকিৎসা করানো হচ্ছে। রোগীর অবস্থা সামান্য খারাপ হলেই তারা রেফার্ড করছেন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। উপজেলা থেকে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে মানুষের আর্থিক ব্যয়ের সাথে দুর্ভোগ বাড়ছে।

    সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর জেলায় ৮ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। এগুলো হলো শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এরমধ্যে শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। সেখানে শিশু বিভাগ জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীত বাড়ার সাথে শিশুদের ঠাণ্ডাজনিত রোগ বেড়েছে। প্রায় ঘরে ঘরে একই অবস্থা বিরাজ করছে। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুরা ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেনা। ফলে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

    এদিকে, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ বেড়েছে। উপজেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা না পেয়ে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে ছুটছেন জেনারেল হাসপাতালে। ফলে অন্তবিভাগ ও বহির্বিভাগে শিশু রোগীর প্রচন্ড ভিড় হচ্ছে।
    রাহেলা বেগম ও রোকেয়া খাতুন জানান, তাদের দুইজনের সন্তান ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে। শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। তাই সন্তানদের নিয়ে যশোর হাসপাতালে এসেছেন।
    ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের দম্পতি চঞ্চল ও লালিয়া খাতুন জানান, প্রচণ্ড শীতে তার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার চিকিৎসার জন্য ঝিকরগাছা উপজেলা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। ঝিকরগাছায় শিশুদের নামমাত্র চিকিৎসাসেবা দেয়।

    ভুক্তভোগীরা জানান, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল নির্মাণ করেছেন কিন্তু এটা শিশুদের কোনও কাজেই আসছে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে মেডিকেল অফিসার শিশু রোগী দেখছেন। একটু গুরুতর হলেই জেলা হাসপাতালে নিতে পরামর্শ দেন। ফলে অভিভাবকদের আর্থিক ব্যয়ের সাথে দুর্ভোগ বাড়ছে।

    যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়াত জানান- শিশু বিভাগে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সেবা বঞ্চিত শিশুরা এখানে আসার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণ হলে এখানে রোগীর চাপ অনেকটা কমে যাবে।
    যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান-শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। তারপরেও শিশু রোগীদের সুবিধার্থে মেডিকেল অফিসার প্রতিনিয়ত চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হলে তখন তারা জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করে দেন। পদ শূন্যের বিষয়টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।