Author: তরঙ্গ টিভি

  • প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কৌশলি হতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কৌশলি হতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কৌশলি হতে হবে। একইসাথে, সীমান্ত দিয়ে যেন বাংলাদেশের কোনো অপরাধী বা সন্ত্রাসী পালাতে না পারে সে ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে বিজিবি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পিলখানায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কৌশলি হতে হবে। সীমান্তে চোরাকারবারিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সীমান্ত দিয়ে যাতে বাংলাদেশের কোনো অপরাধী বা সন্ত্রাসী পালাতে না পারে সে ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকতে হবে। সীমান্তের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আজকে বিজিবি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কাজে অনন্য ভূমিকা রাখছে। বিজিবির উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাই জাতীয় স্বার্থকে সমন্বিত রেখে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় অত্যন্ত ‘ন্যানো পন্থায়’ নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সীমন্ত দিয়ে কোনো মাদক প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোকে অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, একটি বিষয় সবসময় খেয়াল রাখবেন- ডিসিপ্লিন, ট্রেনিং ও ওয়েলফেয়ার- এই তিনটিই কিন্তু পাশাপাশি চলতে হবে। ট্রেনিংয়ের ক্ষেত্রে যেমন কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করা যাবে না, ডিসিপ্লিনের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করা যাবে না এবং অধীনস্থদের ওয়েলফেয়ারের দিকেও সবসময় খেয়াল রাখতে হবে। আর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত কৌশলী ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। দেশের স্বার্থ শতভাগ রক্ষা করতে হবে।

    বিজিবি বাহিনীর উদ্দেশে সীমান্তের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন তিনি।

    তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন উৎসবমুখর করা বিজিবির বড় দায়িত্ব। বিজিবি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, ইউট্যাবের উদ্যোগে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে, আনন্দ র‍্যালি, আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, ইউট্যাবের উদ্যোগে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে, আনন্দ র‍্যালি, আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত।

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)–এর উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


    রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে গিয়ে শেষ হয়।র‍্যালি শেষে বেলা সোয়া ১১টায় টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ইউট্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউট্যাব সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. জামাল হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান, জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. আবুবকর সিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার।
    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউট্যাব নেতা প্রফেসর বদিউজ্জামান, প্রফেসর ড. মো. খোকন হোসেন, প্রফেসর আবুল বাশার খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জিয়া পরিষদের নেতা মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, ড. আমিনুল ইসলাম টিটো, আরিফুর রহমান নোমান, রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ, মাহমুদ আল জামান, ছাত্রদল সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রাতুল, ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের নেতা মো. মাহবুবুর রহমান ও মো. মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।বক্তারা তারেক রহমানের সফল স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। একই সঙ্গে তারেক রহমানের ঘোষিত আগামীর শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
    আলোচনা সভা শেষে তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনায় সফলতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ বোটানি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জহুরুল হক।

  • বেনাপোল স্থলবন্দরে মাশুল বাড়লো ৫ শতাংশ, ক্ষোভ

    বেনাপোল স্থলবন্দরে মাশুল বাড়লো ৫ শতাংশ, ক্ষোভ

    দেশের সব স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ, হ্যান্ডলিং ও যাত্রীসেবায় মাশুল গড়ে ৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

    দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ৫ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধির কথা জানানো হয়েছে। একই দিনে জারি করা আরেকটি প্রজ্ঞাপনে বেনাপোল ব্যতীত কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য স্থলবন্দরগুলোর জন্য নতুন মাশুল কার্যকরের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান স্বাক্ষরিত ওই দুই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন ট্যারিফ ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে যেকোনো সময় এ হার পুনর্র্নিধারণের ক্ষমতাও রাখা হয়েছে।
    ভারতের সঙ্গে স্থলপথে পণ্য বাণিজ্যের বড় অংশ বেনাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রফতানি, যানবাহনের চাপ ও রাজস্ব আয়ের দিক বিবেচনায় বেনাপোলকে আলাদা করে ট্যারিফ সূচির আওতায় রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বেনাপোল বন্দরের জন্য জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২০২৫ সালের বিদ্যমান ট্যারিফের সঙ্গে আরো ৫ শতাংশ যুক্ত করে নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে যানবাহন প্রবেশ ফি, গুদাম ও খোলা আঙিনায় পণ্য সংরক্ষণ, হ্যান্ডলিং চার্জ, নথিপত্র প্রস্তুত, যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং যাত্রীসেবাসহ প্রায় সব খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
    নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, বেনাপোল স্থলবন্দরে ট্রাক, বাস ও লরির প্রবেশ ফি বাড়িয়ে প্রতি প্রবেশে ১৮৪ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি, জিপ ও পিকআপের ক্ষেত্রে প্রবেশ ফি দাঁড়াচ্ছে ১১০ টাকা ৮২ পয়সা। ছোট যানবাহন, মোটরসাইকেল ও ভ্যানের ক্ষেত্রেও প্রবেশ ফি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া পণ্যের ওজন পরিমাপ, অতিরিক্ত নথিপত্র প্রস্তুত, গুদামে যানবাহনের অবস্থান এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবার ফি নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতিটি চালানে আগের তুলনায় বাড়তি খরচ যুক্ত হবে।
    বেনাপোল বন্দরে প্রথম তিনদিন বিনা খরচে পণ্য রাখার সুবিধা বহাল থাকছে। তবে এরপর ধাপে ধাপে গুদাম ও ইয়ার্ডে সংরক্ষণের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ পণ্যের ক্ষেত্রে গুদামে প্রতি টনের জন্য দৈনিক ভাড়া ১৩ টাকা ৯৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০২৫ সালে ছিল ১৩ টাকা ৩১ পয়সা।


    সুতা, কাপড়, চা, কাগজ, চামড়া, কাঠসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রেও সংরক্ষণ খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন ট্যারিফে টায়ার, টিউব, মোটরসাইকেল, তিন চাকার যান, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক ও ট্রেইলারের জন্য গুদাম ও খোলা আঙিনায় সংরক্ষণ খরচ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে আগের তুলনায় বাড়ছে মোবাইল ক্রেন, ফর্কলিফট ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ভাড়াও।
    শ্রমিক দিয়ে পণ্য ওঠা-নামা ও গুদামে সাজানোর ক্ষেত্রে প্রতি টনে হ্যান্ডলিং চার্জ বাড়িয়ে ৫৫ টাকা ৭৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। যন্ত্রপাতি ব্যবহারে হ্যান্ডলিং খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    বেনাপোল যাত্রী টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য প্রবেশ, অপেক্ষা ও সেবা চার্জ মিলিয়ে মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৫২ টাকা ২৭ পয়সা, যা আগে ছিল ৪৯ টাকা ৭৯ পয়সা।
    বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিদের একটি অংশ বলছেন, এ ট্যারিফ বৃদ্ধি আমদানি ব্যয় আরো বাড়াবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও শিল্পপণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত বাজারদরে প্রতিফলিত হতে পারে। বেনাপোল স্থলবন্দর আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বন্দরের সেবার মাশুল বাড়লে ব্যবসায়ীদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। ফলে পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে যাবে, এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়বে।’
    যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজাজ উদ্দিন টিপু বলেন, ‘দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা চলছে। এ অবস্থায় স্থলবন্দরের মাশুল বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। আশা করছি সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে।’
    বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর ৫ শতাংশ হারে ট্যারিফ সমন্বয়ের বিধান আগে থেকেই ছিল। নতুন এ হার সেই ধারাবাহিকতার অংশ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে প্রয়োজনে যেকোনো সময় ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে।
    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ট্যারিফের দ্বিগুণ চার্জ প্রযোজ্য হবে। রফতানি পণ্যের ক্ষেত্রে গুদাম ভাড়ায় ১০ শতাংশ ছাড় বহাল থাকবে। সব ধরনের চার্জের ওপর সরকার নির্ধারিত হারে মূল্য সংযোজন কর আদায় করা হবে।
    ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত কেবল বন্দর ব্যবহারকারীদের নয়, সামগ্রিকভাবে সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাজারদরের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
    একই দিনে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বেনাপোল ব্যতীত বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য সব স্থলবন্দরের ক্ষেত্রেও ২০২৫ সালের ট্যারিফের ওপর ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
    এ সিদ্ধান্তের আওতায় ভোমরা, বুড়িমারী, তামাবিল, আকহোরা, সোনামসজিদসহ অন্যান্য স্থলবন্দরে যানবাহন প্রবেশ, গুদাম ভাড়া, হ্যান্ডলিং ও আনুষঙ্গিক সেবার খরচ বাড়বে। এসব বন্দরের ক্ষেত্রেও নতুন ট্যারিফ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
    বেনাপোল ছাড়া অন্যান্য স্থলবন্দরের ক্ষেত্রেও সাধারণ শর্তাবলিতে চার্জ আদায় ও ছাড় সুবিধা নিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে আমদানি ম্যানিফেস্ট, ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট, কনসাইনমেন্ট নোট বা ট্রাক চালানে ওজন বা পরিমাপে ভুল ঘোষণা ধরা পড়লে প্রকৃত ওজন বা পরিমাপ যেটি বেশি হবে তার ভিত্তিতে ভাড়া আদায়ের পূর্ণ ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের থাকবে। বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণ, অর্থাৎ ২০০ শতাংশ হারে চার্জ আরোপ করা হবে। সরকারি আদেশ বা কাস্টমসের কোনো বাধ্যবাধকতার কারণে পণ্য খালাসে বিলম্ব হলে এবং তা যথাযথভাবে প্রত্যয়ন করা থাকলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্ল্যাবের ভাড়া ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সুযোগ রাখা হয়েছে, একই সুবিধা নিলামের জন্য কাস্টমসের কাছে হস্তান্তরিত কিন্তু নিলামের আগেই খালাস হওয়া পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। রফতানি পণ্যের জন্য গুদাম ভাড়ায় ১০ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সব খোলা পণ্যের ওজন বা পরিমাপ নিজস্বভাবে নির্ধারণ করতে পারবে এবং ন্যূনতম এক টন বা এক ঘনমিটার ধরে ভাড়া আদায় করা হবে। ভাড়া বিলের ক্ষেত্রে ৫০ পয়সার কম ভগ্নাংশ বাদ এবং ৫০ পয়সা বা তার বেশি হলে এক টাকা হিসেবে গণনা করা হবে। খোলা ইয়ার্ডে ত্রিপল দিয়ে ঢাকা পণ্যের ক্ষেত্রে ত্রিপলের ভাড়া না নিয়ে ট্রানজিট শেডের ভাড়া আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।
    বন্দরের স্বার্থে পণ্য সরানো বা পুনর্বিন্যাসে কোনো চার্জ নেয়া হবে না, তবে আমদানিকারক বা এজেন্টের আবেদনে তা করা হলে নির্ধারিত চার্জ আদায় করা হবে। সব ভাড়ার ওপর সরকার নির্ধারিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য হবে এবং নতুন করে হার পুনর্র্নিধারণ না হলে প্রতি বছর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৫ শতাংশ হারে ট্যারিফ বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।
    বিধানে বলা হয়েছে, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দরে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে লোডিং-আনলোডিং চার্জ কেবল তখনই কার্যকর হবে, যখন কর্তৃপক্ষ সেখানে সেই সুবিধা প্রদান করতে পারবে

  • শরীয়তপুর-৩ মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মিয়ানুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    শরীয়তপুর-৩ মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মিয়ানুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    আসন্ন জাতীয় এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রণয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু।

    রবিবার ২৮শে ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় দিকে শরীয়তপুর- ৩ আসনের ডামুড্যায় সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সালাহউদ্দিন আয়ুবীর কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

    এ সময় মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর সঙ্গে মনোনয়নপত্রে উল্লেখিত প্রস্তাবক ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভেতরগঞ্জ উপজেলায় মনোনয়নপত্র দাখিল করেন এসময় উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা বিএনপির কমিটির আহবায়ক এডভোকেট শাহাদাত (জিপি), উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য উজ্জ্বল শিকদার, রেজাউল করিম শ্যামল বেপারী , আলমগীর হোসেন মাদবর, সৈয়দ মধু মীর, ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মজিদ মাদবর, ডামুড্যা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জিল্লুর রহমান সৈকত, মোখলেস সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন মাদবর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু বলেন নির্বাচনের অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপি থেকে আমাকে মনোনয়নপত্র দিয়েছে । তারুণ্যের অহংকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মনোনয়নপত্র দিয়েছে।
    তারেক রহমান দেশের জনসাধারণদের মাঝে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাহা বাস্তবায়ন করবেন । শরীয়তপুর -৩ ডামুড্যা, গোসাইরহাট ,ভেদেরগঞ্জ জনগণ আমাকে ভালোবাসে এবং আমাকে ভোট দেবে,সকল ভোটারদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনে আচরণবিধি মানতে কঠোর নির্দেশনা আহবান করেছি আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই

  • হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ : শার্শায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে সরিষা আবাদ, ভালো ফলনের আশা

    হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ : শার্শায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে সরিষা আবাদ, ভালো ফলনের আশা

    যশোরের শার্শা উপজেলা জুড়ে সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ।

    ফসলের মাঠের হলুদ রাজ্যে গুঞ্জনে মুখরিত মৌঁমাছির দল। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের অপরুপ দোলাচালে কৃষকের চোখে মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। শীতের সকালের নরম রোদে উপজেলার মাঠ গুলো যেন নতুন করে জেগে উঠেছে। যতদূর চোখ যায়, শুধু হলুদ আর হলুদ। সরিষা ফুলে ঢাকা বিস্তীর্ণ মাঠ দেখে মনে হয়, প্রকৃতি নিজ হাতে হলুদের চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। বাতাসে দুলতে থাকা ফুলের ফাঁকে ফাঁকে মৌমাছির গুঞ্জন আর মাঠের আইলে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকদের চোখ-মুখে একরাশ আশা। এ যেন শুধু ফসলের মাঠ নয়, বরং কৃষকের স্বপ্নের রাজ্য।

    এক সময় লাভ না হওয়া ও অব্যাহত লোকসান গুনতে থাকায় যশোরের শার্শায় সরিষা চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন চাষিরা। এখন স্বপ্ন দেখছেন বাম্পার ফলনের। গত বছর স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকরা এবারও সরিষা চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে পড়েছে। বিনামূল্যে পাওয়া উচ্চফলনশীল জাতের সরিষা ফলনে কৃষকের প্রশান্তির হাসি দীর্ঘ হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, শার্শা উপজেলায় গত বছরে প্রায় ৫৯২৯ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছিলো। উৎপাদন হয়েছিল ৮৯২৯ মে.টন সরিষা। যা হেক্টর প্রতি ১.৫১ মে. টন সরিষা উৎপাদন হয়। এ বছর কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সরিষা চাষে কৃষকরা দারুণ অনুপ্রাণিত হয়েছেন। এ বছর ৬৫০২ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৬৫০২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। এখনো অনেকে চাষ করছে। যা লক্ষ্যমাত্রার বেশি চাষ হবে বলে কৃষি বিভাগের ধারনা।

    ফলে এ বছর উপজেলায় সরিষার চাষ বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবছর সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। গত বছর স্থানীয় বাজারে সরিষার ভালো দাম পাওয়ায় এবার এ উপজেলার এক হাজারের বেশি কৃষক এ সরিষা চাষ করেছেন। আগামীতে এ জাতের সরিষা চাষে কৃষকরা আরও আগ্রহী হবেন বলে তাদের ধারণা। তবে শুধু ধান চাষ করলে হবে না। পাশাপাশি ভুট্রা, সরিষা, আলু, সূর্যমুখী ফুল, পাট, তিলসহ অন্যান্য ফসল চাষের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কৃষকের নিপুন হাতে প্রকৃতির বুকে গড়ে তোলা ভোজ্য তেল হিসেবে সরিষার তেলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলনের পাশাপাশি দাম ভালো পাওয়ার আশা কৃষকদের। ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় আগামীতে আরও সরিষার আবাদ বৃদ্ধির চিন্তা-ভাবনা করছেন উপজেলা কৃষি অফিস।

    উপজেলার বিভিন্ন সরিষাক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, মাঠে যেন কেউ সবুজের গায়ে হলুদের আল্পনা দিয়ে রাঙিয়ে দিয়েছে। হলুদ ফুলে ভরে গেছে পুরো মাঠ। মাঠের পর মাঠ যেন হলুদের গালিচা। দিগন্ত জুড়ে শুধু হলুদের সমারোহ। সরিষার ফুলে ফুলে মৌঁমাছিরা মধু আহরণে ব্যস্ত। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌঁমাছির গুনগুনানিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা মাঠ।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষি বিভাগের পরামর্শে শার্শার শার্শা, বাগআঁচড়া বেনাপোল, পুটখালি, বাহাদুরপুর, নিজামপুর, ডিহি, ল²ণপুর ইউনিয়নসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক পাঁচ থেকে ছয় বিঘা করে জমিতে অধিক ফলনশীল জাতের সরিষা চাষ করেছেন।

    এ বছর দুই বিঘা জমিতে বারি-১৪ ও বিনা-৯/১০ জাতের সরিষা চাষ করা উপজেলার শ্যামলাগাছী গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতি বিঘা সরিষা চাষে খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। এর বাজারে চাহিদা ভালো থাকে এবং দাম ভালো পাওয়া যায়। বর্তমান সরিষার গাছ, ফুল-ফল ভালো হয়েছে। আশা করছি, বাম্পার ফলন হবে। গত বছরের মতো লাভবান হতে পারবো।

    বালুন্ডা গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, সরিষার চাহিদা ভালো থাকাতে এবং চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকাতে প্রতি মৌসুমে সরিষার চাষ করি। আশা করছি এবারও দাম ভালো পাওয়া যাবে। এ বছর উপযুক্ত দাম পেলে আগামী বছর সরিষা চাষে আরও অনেকেই ঝুঁকে পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

    বেনাপোলের নারায়নপুর এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, বারি-১৪ জাতের সরিষার গাছ লম্বা হওয়ায় এর পাতা মাটিতে ঝরে পড়ে জৈব সারের কাজ করে। এ জাতের সরিষা আবাদের পর একই জমিতে বোরো আবাদে সারের পরিমাণও কম লাগে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার দুই বিঘা জমিতে উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করেন তিনি।

    গোগা গ্রামের নাজমুল বিশ্বাস বলেন, আমি এবছর নতুন সরিষা চাষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বারি-১৪ বীজ সংগ্রহ করে দুই একর জমিতে রোপন করেছি। গত বছরের তুলনায় এ বছর সরিষা গাছও ফুল দেখে বোঝা যাচ্ছে এবছর দ্বিগুণ ফলন হবে বাজারে দামও পাওয়া যাবে বেশি। তাই আমন ধান কাটার পর পরই জমিতে সরিষা চাষ করেছি।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় বারি-৮, বারি-১৪, বারি-১৭, বারি-১৮, বিনা-৪, বিনা-৯, বীজ সরবরাহ ও বিতরণ করা হয়েছে। বারি-১৪ সহ অন্যান্য জাতের সরিষা বপনের মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। এ সরিষা উত্তোলন করে বোরো আবাদ করতে পারেন বলে কৃষকরা একে ‘লাভের ফসল’ হিসেবে অভিহিত করছেন। স্থানীয় বাজারে গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা সরিষা চাষে অধিক আগ্রহী হয়েছেন বলে মনে করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর সরিষার ভালো আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    তিনি আরো জানান, বারি-১৪ সরিষার গাছ লম্বা হওয়ায় এর পাতা মাটিতে ঝরে পড়ে জৈব সারের কাজ করায় জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ে। এ জাতের সরিষা আবাদের পর ওই জমিতে বোরো আবাদে সারের পরিমাণ কম লাগে। তাই এ জাতের সরিষা চাষের জন্য আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্বুদ্ধ করা এবং বিভিন্ন উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

  • ঝিকরগাছা যুবদল নেতা গুমের অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ

    ঝিকরগাছা যুবদল নেতা গুমের অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ

    যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল হোসেন গুম হয়েছে দাবি করে প্রতিবাদে

    আজ রোববার উপজেলায় সকাল থেকে বেনাপোল -যশোর মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্বজনসহ এলাকাবাসী। ঝিকরগাছার লাউজানি এলাকায় গাছ ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় টায়ারে ভাজি আগুন জ্বালিয়ে দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন যশোর-২ আসনের বিএনপি মনোনিত
    প্রার্থী ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা নাজমুল (মুন্নি)। তিনি যেয়ে নেতাকর্মী ও স্বজনদের আশ্বাস্ত করেন।


    গত শুক্রবার ২৬ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে রাসেল হোসেন নিখোঁজ হন। এরপর ঝিকরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ফলে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
    স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, রাসেল হোসেন একজন পরিচিত রাজনৈতিক কর্মী হওয়া সত্ত্বেও তার নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে না।


    এদিকে, অবরোধের কারণে রোববার সকাল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা রাসেল হোসেনকে জীবিত উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে অনড় অবস্থান নেয়।

    এবিষয়ে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাজালাল আলম বলেন, ৯টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ ছিলো। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

     

    ২৮ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের নিকট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
    এসময় তাঁর সাথে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, এডভোকেট গোলাম সারোয়ার খোকন, এবিএম মোমিনুল হক ও এডভোকেট তরিকুল ইসলাম রোমাসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে  ১০ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ১০ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের স্মরণে ১০ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে আর্থিক বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

    রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার। এসময় প্রয়াত প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন। বক্তারা বলেন, প্রফেসর মুসলিমা খাতুন ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও কলেজের সকলের কাছে স্মরণীয়। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই বৃত্তি ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও চালু থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
    অনুষ্ঠান শেষে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগের জন্য প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

  • হাদি হত্যায় প্রধান আসামি ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়েছে, মেঘালয়ে গ্রেপ্তার ২ : ডিএমপি

    হাদি হত্যায় প্রধান আসামি ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়েছে, মেঘালয়ে গ্রেপ্তার ২ : ডিএমপি

    শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার  প্রধান আসামি ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তাদের পালাতে সহযোগিতা করেছে ভারতের দুই নাগরিক। মেঘালয় পুলিশ ওই দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে।

    শহীদ হাদি হত্যার দুই আসামি  ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুজনের নাম জানিয়েছে ডিমএপি। তাঁরা হলেন, পূর্তি ও সামী।

    আজ রোববার  ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার  এস এন নজরুল ইসলাম এসব কথা জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন,  ফয়সাল ও আলমগীরকে  ভারতের তুরা নামক স্থানে নিয়ে যান ফিলিপ। সেখানে ভারতীয়  নাগরিক পূর্তির  কাছে তিনি দুজনকে পৌঁছে দেন। পরে সামী নামের এক ব্যক্তির গাড়িতে করে সেখান থেকে পালিয়ে যান তাঁরা।

    পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, হাদি হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  তাঁদের মধ্যে ৬ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ।  এ ছাড়া চারজন সাক্ষীও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

    হাদি হত্যা মামলাটির তদন্ত একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায় ডিএমপি। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে ডিএমপি জানায়।

    সংবাদ সম্মেলনে  মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সবার নাম বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে এটাকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডই মনে হচ্ছে।

  • বীরগঞ্জে মাদকসম্রাট রুবেল ইসলাম ২১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    বীরগঞ্জে মাদকসম্রাট রুবেল ইসলাম ২১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক ঝটিকা অভিযানে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক যুবককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার ।করা হয়েছেরনজিৎ

    অভিযানে বিক্রির উদ্দেশ্যে দোকানে মজুদ রাখা ২১০ পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৩ হাজার টাকা।
    শনিবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বীরগঞ্জ পৌরসভার সুজালপুর কলেজপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
    গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম মোঃ রুবেল হোসেন (২৮)। তিনি বীরগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুজালপুর (শান্তিবাগ) এলাকার বাসিন্দা।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মোঃ তাহমুদার রহমানের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি রেইডিং পার্টি অভিযান চালায়। অভিযানে এএসআই মোঃ এনায়েতুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশ নেন।
    অভিযানকালে বীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পশ্চিমে অবস্থিত আসামীর নিজ দখলীয় পান ও সিগারেটের দোকান ঘেরাও করা হয়। স্থানীয় দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে দোকান তল্লাশি করে দোকানের পেছনের কাঠের র‌্যাকে লুকানো অবস্থায় একটি প্লাস্টিক কৌটার ভেতর থেকে কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিজিটাল স্কেলে পরিমাপে ইয়াবার মোট ওজন পাওয়া যায় ২১ গ্রাম।
    ঘটনাস্থলেই আসামীকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জব্দ তালিকা প্রস্তুতসহ রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ইয়াবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামত বর্তমানে বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামী দীর্ঘদিন ধরে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ দোকানে ইয়াবা সংরক্ষণ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারনীর ১০(ক) অনুযায়ী বীরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, দিনাজপুর জেলা কার্যালয় পরিচালনা করবে