Author: তরঙ্গ টিভি

  • কৃষি, প্রকৌশল, মেডিক্যাল টেকনোলজি – BTEB‑এর বহুমুখী ডিপ্লোমা

    কৃষি, প্রকৌশল, মেডিক্যাল টেকনোলজি – BTEB‑এর বহুমুখী ডিপ্লোমা

    বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, যা সাধারণত BTEB নামে পরিচিত, দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের প্রধান কর্তৃপক্ষ। ১৯৬৭ সালের ১লা জুন, পূর্ব পাকিস্তান আইন (Act No. 1 of 1967) এর মাধ্যমে “East Pakistan Technical Education Board” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং স্বাধীনতার পরে এটি “বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড” নামে পরিচিতি পায়। এর সদর দপ্তর ঢাকার শের‑এ‑বাংলা নগর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

    ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত পথচলা:
    ১৯৬০ – কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Technical Education) গঠন, যা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করে।
    ১৯৬৭ – পূর্ব পাকিস্তান আইনের অধীনে “East Pakistan Technical Education Board” প্রতিষ্ঠা, যা পরবর্তীতে BTEB‑তে রূপান্তরিত হয়।
    ১৯৭১‑পরবর্তী – স্বাধীন বাংলাদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং দেশের বিভিন্ন পলিটেকনিক, ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট ও কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে।

    বর্তমান অবদান ও সাফল্য:
    পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়ন – SSC (ভোকেশনাল), HSC (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা ইন এঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন মেডিক্যাল টেকনোলজি ইত্যাদি কোর্সের জন্য আধুনিক পাঠ্যক্রম তৈরি করে।
    পরীক্ষা ও সার্টিফিকেশন – বছরে দুইবার (এসএসসি ও এইচএসসি ভোকেশনাল) পরীক্ষা গ্রহণ করে এবং ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করে, যা শিক্ষার্থীদের সময়মত সার্টিফিকেট প্রদানে সহায়তা করে।
    প্রতিষ্ঠান অনুমোদন – ১৮০০‑এরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়, যার মধ্যে রয়েছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কৃষি কলেজ ও মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট।
    ডিজিটালাইজেশন – অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, ফলাফল প্রকাশ এবং শিক্ষক তথ্যভাণ্ডার (e‑SIF) চালু করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত করেছে।
    জব প্লেসমেন্ট – বোর্ডের অধীনে পরিচালিত ডিপ্লোমা কোর্সের স্নাতকদের কর্মসংস্থানের হার ৭০% এরও বেশি, যা দেশের দক্ষ জনশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব:
    চেয়ারম্যান(মোঃ রকিব উল্লাহ) – বোর্ডের নেতৃত্বে থাকা এই ব্যক্তি কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
    সচিব(মোঃ আল মাসুম করিম) – প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে বোর্ডের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছেন।

    উপসংহার:
    বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, তার দীর্ঘ ইতিহাস, আধুনিক পাঠ্যক্রম এবং ডিজিটাল উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বিশ্বমানের করে তুলতে অবিরত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষা প্রদান, প্রতিষ্ঠানের মান নিয়ন্ত্রণ এবং শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স ডিজাইন করা—এই সবই BTEB‑কে জাতীয় উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে

  • UGC: শিক্ষা ও গবেষণার নিয়ন্ত্রক

    UGC: শিক্ষা ও গবেষণার নিয়ন্ত্রক

    বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সুসংহত ও উন্নত করার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে “বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)” প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠার পেছনে দেশের শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, এবং সরকারের দূরদর্শী পরিকল্পনা কাজ করেছে।

    প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ:
    – ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রাহমানের নির্দেশে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।
    – ড. কুদরত-ই-খুদা কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী UGC প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
    – ১৯৭৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে “বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন” পাস হয়।

    জমি ও অর্থ প্রদান:
    – UGC-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত, যা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জমিতে নির্মিত।
    – কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার বার্ষিক বাজেট বরাদ্দ করে।
    – বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক, ইউনেস্কো, ও UNDP থেকে অর্থায়ন পাওয়া যায়।

    মানবিক ও সামাজিক সহযোগিতা:
    – দেশের শিক্ষাবিদ, চিকিৎসাবিদ, ও সমাজসেবকদের অবদানে UGC-এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
    – ড. মোহাম্মদ শামসুল হক, ড. এফ. আর. খান, এবং ড. মুনির উজ-জামান এর মতো বরেণ্য ব্যক্তিরা UGC গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
    – বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষকরা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

    উপসংহার:
    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠা দেশের শিক্ষা খাতে এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • আমন্ত্রণ জানাচ্ছি  আমন্ত্রণ জানাচ্ছি তরঙ্গ টিভি সংবাদে।

    আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমন্ত্রণ জানাচ্ছি তরঙ্গ টিভি সংবাদে।

    সাথে আছি আমি ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

    নোয়াখালীর সেনবাগে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তম ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল। ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অতিথিরা মেধাবীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সকাল ১০টায় ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের খোলা মাঠে আয়োজন করা হয় “মেধা সংবর্ধনা–২০২৫”। ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোখলেছুর রহমান এমএ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আমিন উল্লাহ আকরাম।

    মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি, টপস্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন্স ক্লাব অব সেনবাগ সেন্ট্রালের সভাপতি লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ বলেন,
    “মেধাবীরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের প্রতিটি সাফল্য আমাদের জন্য গর্বের। সুশিক্ষাই পারে একটি প্রজন্মকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, বিএমপি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জানান—এমন আয়োজন তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় নতুন অনুপ্রেরণা।

    “এই সংবর্ধনা আমাদের আরও ভালো করতে উৎসাহিত করবে। ভবিষ্যতে দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চাই।”

    অনুষ্ঠান শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ছিলো গ্রুপ ছবি ও সৌহার্দ্য বিনিময়। তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এই আয়োজনকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অভিভাবকরা।

    মেধাকে উৎসাহিত করে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা অতিথি ও আয়োজকদের।

  • দুমকি উপজেলায়,  যৌতুক মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার।

    দুমকি উপজেলায়, যৌতুক মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সফিকুল ইসলামকে বগুড়া জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, ৪ঠা ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বড়িয়া গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সফিকুল ইসলামকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে সফিকুল ইসলামের সঙ্গে মোসা. ফাতেমা খাতুনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সফিকুল ইসলাম বিভিন্ন সময় ফাতেমা খাতুনের ওপর যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ অক্টোবর ফাতেমা খাতুন তার পিত্রালয়ের বসতঘরের বারান্দায় অবস্থানকালে সফিকুল ইসলাম তাকে বেধড়ক মারধরসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন এবং হত্যার চেষ্টা চালান।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ফাতেমা খাতুন গত ৬ নভেম্বর দুমকি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) এর ১১(ক)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০১।

    পরবর্তীতে পটুয়াখালী সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত ওই মামলায় সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরই প্রেক্ষিতে দুমকি থানা পুলিশের একটি দল বগুড়া গিয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • সেনবাগবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া ওসি মিজানুর রহমানকে চোখ ভিজিয়ে বিদায়, প্রেসক্লাবের ক্রেস্টে সম্মাননা

    সেনবাগবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া ওসি মিজানুর রহমানকে চোখ ভিজিয়ে বিদায়, প্রেসক্লাবের ক্রেস্টে সম্মাননা

    নতুন কর্মস্থলে বদলি হওয়ার খবরে সেনবাগে তৈরি হয়েছে মিশ্র অনুভূতির পরিবেশ। প্রিয়, সৎ ও মানবিক অফিসার হিসেবে পরিচিত সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান যখন বদলির নোটিশ হাতে পেলেন, তখন সেটি অনেকের মনেই দুঃখ ছুঁয়ে যায়।

    শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাব সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, সহ-সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন, এবং সদস্য শামসুল হক শামীম বিদায়ী ওসিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।

    সেনবাগ থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার সেবা, আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন ওসি মিজানুর রহমান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তার চৌকস নেতৃত্ব, দ্রুত অভিযানে তৎপরতা এবং মানবিক সহযোগিতা তাকে আলাদা পরিচয়ে পরিচিত করেছে।

    বিদায়ী শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “চৌকস, নিষ্ঠাবান ও বিচক্ষণ অফিসার হিসেবে ওসি এসএম মিজানুর রহমান সেনবাগের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার চ্যালেঞ্জে বীরদর্পে অবতীর্ণ হয়েছেন। তার বিদায়ে সেনবাগবাসী একজন আদর্শ অফিসারকে হারালো।”

    ফুলগাজী থানায় তার নতুন দায়িত্বকে স্বাগত জানিয়ে তারা আরও বলেন, “আপনার নতুন কর্মস্থল হোক সফলতা ও বিচক্ষণতার নতুন দৃষ্টান্ত। আল্লাহ সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সর্বাঙ্গীণ সফলতা দান করুন।”

    সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব ও স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিদায়ী এই অফিসারের নতুন কর্মস্থলের জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা ও অভিনন্দন।

  • হিজলায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়, যুবদল নেতার উপরে হামলা

    হিজলায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়, যুবদল নেতার উপরে হামলা

    বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এর আঃ মান্নান সরদারের ছেলে হিজলা উপজেলা যুবদল নেতা, চর পত্তনী ভাঙ্গা সাহাবুদ্দিনকে ৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ৮ টার সময় মুলাদী উপজেলার চর ডিগ্রী গ্রাম দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় পথে মধ্যে স্থানীয় বখাটে সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বেল্লাল সরদারের ছেলে নয়ন সরদার গংরা রাতের আঁধারে এলোপাথালি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে, পরে শাহাবুদ্দিন এর ডাক চিৎকারে বিভিন্ন জায়গার লোক জন এসে শাবুদ্দিনকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায় এরপরে তাৎক্ষণিক মুলাদি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর অবস্থা দেখে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল প্রেরণ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় নয়ন সরদার বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকেই বেপরোয়া তিনি একটি গ্যাং লিডার তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গার অভিযোগ রয়েছে মাদক কারবারি থেকে শুরু করে সকল অনৈতিক কাজের সাথে লিপ্ত রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ এছাড়া নয়ন এলাকার গ্রামের বাড়ি বাড়ি সিলভারের হ্যান্ডি বাতিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায় এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে থাকেন।স্থানীয়দের দাবি এই সন্ত্রাসী নয়ন সরদার কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

  • শিক্ষার্থীদের সনদ বাতিল ও মানবাধিকার সংকট—ড. ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের কড়া চাপ

    শিক্ষার্থীদের সনদ বাতিল ও মানবাধিকার সংকট—ড. ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের কড়া চাপ

    বাংলাদেশে প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধপন্থী শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব ও একাডেমিক সনদ বাতিলের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স অ্যাগেইনস্ট অ্যাট্রোসিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স অন হিউম্যানিটি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

    কানাডাভিত্তিক সংগঠনটি ৫ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পাঠানো চিঠিতে অভিযোগ করেছে—কোনো আইনি প্রক্রিয়া, নোটিশ বা প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শিক্ষার্থীদের সনদ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অবিলম্বে সনদ ফিরিয়ে দেওয়া, স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন এবং একাডেমিক স্বাধীনতা রক্ষার নিশ্চয়তা দিতে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে।খবর আইবিএননিউজ।

    এদিকে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশনের মানবাধিকার ডেস্কের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইইউ। সংখ্যালঘু নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, সাংবাদিক দমন এবং রাজনৈতিক কর্মীদের আটক—এসব বিষয়ে হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা বিস্তারিত অভিযোগ তুলে ধরেন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক মানবাধিকার রিপোর্টের বিরোধিতায় একটি ‘খণ্ডনলিপি’ও পেশ করা হয়।

    ইইউ কর্মকর্তারা বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মানবাধিকার ও আইনের শাসন রক্ষায় তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আন্তর্জাতিক মহলের জোরালো চাপের মুখে শিক্ষার্থী অধিকার ও মানবাধিকার সংকট এখন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে

  • শিবগঞ্জ সীমান্তে ৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক ১

    শিবগঞ্জ সীমান্তে ৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবির বিশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চৌকা বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল বেলা ০২:৪৫ ঘটিকায় বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।

    উক্ত অভিযানে সীমান্ত পিলার ১৭৭/২-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন বিনোদপুর ইউনিয়নের বাখের আলী গ্রাম হতে ০৬টি ভারতীয় বিভিন্ন মডেলের ব্যবহৃত চোরাই মোবাইল ফোনসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ উপজেলায় কালুপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাগর ইসলাম (৪০) কে আটক করেছে। বর্তমানে আটককৃত আসামীসহ মোবাইল ফোনগুলো শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    এ ব্যাপারে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকল প্রকার চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি’র জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে এবং এ ধারা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে

  • দুমকি উপজেলায়,  সরকারি জনতা কলেজে নবগঠিত ছাত্রদল কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতে উত্তেজনা।

    দুমকি উপজেলায়, সরকারি জনতা কলেজে নবগঠিত ছাত্রদল কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতে উত্তেজনা।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, সরকারি জনতা কলেজ শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতকে কেন্দ্র করে সংক্ষিপ্ত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজে এই ঘটনা ঘটে।

    নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান,
    সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন, সহ আরও উপস্থিত ছিলো
    খালিদ হাসান, বাইজীদ শুভ, জোবায়ের হোসেন আবদুল্লাহ, রাকিব খান, সদস্যরা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আজিমুল্লাহসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। নেতারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, পরিবেশ উন্নয়ন ও সাংগঠনিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন। সাক্ষাৎকালে তারা ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন বলে জানান শিক্ষকরা।

    এসময় পদবঞ্চিত ছাত্রদলের একটি গ্রুপ কলেজের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাদের দাবি ছিল, কমিটি গঠনে সিনিয়রদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষকরা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ শান্তিপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষ করে কলেজ ত্যাগ করেন। শিক্ষকরা জানান, শিক্ষাঙ্গনে অস্থিতিশীলতা তারা কোনোভাবেই দেখতে চান না এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটি’র ফুটবল টুর্নামেন্টে ফিশারিজ অনুষদ চ্যাম্পিয়ন।

    পটুয়াখালী ভার্সিটি’র ফুটবল টুর্নামেন্টে ফিশারিজ অনুষদ চ্যাম্পিয়ন।

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্ত:অনুষদীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০২৫ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। শারীরিক শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এস এম হেমায়েত জাহান,ট্রেজারার প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.মো: ইকতিয়ার উদ্দিন । উক্ত খেলায় ফিশারিজ অনুষদ১-০ গোলে এএনএসভিএম অনুষদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।পুরস্কার বিতরণপূর্বে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক(অ.দা.)ড. আমিনুল ইসলাম টিটোর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন,” বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সহ- পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শৃংখলাবোধ,পারস্পরিক সহযোগিতা,নেতৃত্ব এসব গুণাবলী অর্জনে খেলাধুলা অপরিহার্য। পবিপ্রবি ক্যাম্পাসে খেলাধুলার পরিবেশ দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং সাফল্য আমাদের গর্বিত করেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ও ক্রীড়ায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব বৃদ্ধি করুক এ কামনা করছি”।পরে তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন,চেয়ারম্যান, শিক্ষক,কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য এ টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ টি অনুষদ অংশগ্রহণ করেছে।দুই সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে প্রতিদিনই অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিযোগিতামূক ও উৎসাহপূর্ণ খেলা-যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদেরমেধা,মনোবল,প্রতিযোগিতা ও আনন্দঘন পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থী,শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক আনন্দঘন মিলনমেলায় রুপ নেয়।।