Author: তরঙ্গ টিভি

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে,  ইস্পাহানি প্রেজেন্টস ইপিএল-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, ইস্পাহানি প্রেজেন্টস ইপিএল-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত।

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইস্পাহানি প্রেজেন্টস ইএসডিএম প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল-২৬)’–এর উদ্বোধনী ম্যাচ। এ বছরের প্রিমিয়ার লিগের কো-স্পনসর হিসেবে যুক্ত রয়েছে ইএসডিএম ক্লাব, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি এবং দেশবন্ধু গ্রুপ।৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মো: আবদুল লতিফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন
    অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আমিন,অধ্যাপক ড. মো. সামসুজ্জোহা,অধ্যাপক ড. রমন কুমার বিশ্বাস,সহযোগী অধ্যাপক মো. ফয়সাল,সহযোগী অধ্যাপক পাপড়ি হাজরা,সহকারী অধ্যাপক ড. তারিকুল ইসলাম সজীব,সহকারী অধ্যাপক মো. রাশেদুজ্জামান এবং সহকারী অধ্যাপক মোসা নুসরাত বিনতে নূর।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: মোহসীন হোসেন খান।সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো: মোহসীন হোসেন খান বলেন, “পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, টুর্নামেন্ট চলাকালে সকল অংশগ্রহণকারী যেন মিলেমিশে খেলায় অংশ নেয় এবং কোনো ধরনের সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো: আবদুল লতিফ বলেন, “পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইএসডিএম প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের দলগত মনোভাব, নেতৃত্বগুণ ও শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তোলে। এই আয়োজনের সফলতা কামনা করছি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।”উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দল। তারা নির্ধারিত ১০ ওভারে ৯৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ ৩ ওভার বাকী থাকতে ৯৭ রান তুলে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় অর্জন করে।

    উল্লেখ্য, ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মোঃ ফয়সালও খেলায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে অতিরিক্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

  • আদম বেপারীর খপ্পরে পড়ে দুই পরিবারের জীবণ নষ্ট

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামের আঞ্জব আলীর ছেলে সেরু মিয়া ও জাহেদ মিয়ার ছেলে হেবজুল হককে গ্রামের আদম ব্যবসায়ী রঙ্গু মিয়ার ছেলে মোঃ রিপন মিয়া গত ২০২১ সালের মে মাসে প্রথমে ৪০ হাজার পরে ৫০ হাজার টাকা বেতন দিবে বলে গ্রামের সহজ সরল আঞ্জব আলীর ছেলে সেরু মিয়াকে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে তিন শত টাকার ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করে সৌদি আরব পাঠান।
    সেরু মিয়া সৌদি গিয়ে কোন কাজ না পেয়ে আজো সে অবৈধ ভাবে বসবাস করছে।
    তাকে বৈধ করার জন্য সেরু মিয়ার পরিবারের কাছ থেকে দালাল রিপন দফায় দফায় আরো অনেক টাকা নিয়েছে।কিন্তু বৈধতার পরিবর্তে তার কপালে মিলছে পিটুনি।সৌদিতে দালাল চক্ররা মিলে টাকার জন্য সেরু মিয়াকে একটি কক্ষে আটকিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।যখনই মারপিট করে তখনই বাড়ি থেকে টাকা পাটায়।টাকা নিয়ে যাবার পরই আবারো শুরু হয় নির্যাতন।সেরু মিয়ার বৈধতা না থাকায় সে আসতে পারছে না দেশে।
    অপরদিকে একই গ্রামের রিপনের ফুফাতো ভাই জাহেদ মিয়ার ছেলে হেবজুল হককে ও সৌদি পাঠান দালাল রিপন মিয়া।সৌদি নিয়ে কাজ না দিতে পারায় এবং হেবজুল হক বেশ কিছু দিন অবৈধ ভাবে থেকে পরে পুলিশের হাতে ধরা পরে বেশ কিছু দিন জেল কেটে প্রায় এগারো মাস পরে দেশে ফিরে আসে।বর্তমানে দুটি পরিবারই অতিকষ্টে দিন যাপন করছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে দালাল রিপন বলেন আমি তাদের সৌদি নেইনি।তারা ট্রাভেল্সের মাধ্যমে বিদেশ গেছে।তাহলে ষ্ট্যামে স্বক্ষর করে পাচ৷ লক্ষ ষাট হাজার টাকা নিলেন কিসের।জবাবে দালার রিপন জানান তারা শক্তিশালী মানুষ আমার কাছ থেকে খালি ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের মনগড়া মত করে লিখে নিয়েছে।
    কিন্তু স্থানীয়রা রিপনের মাধ্যমে দুই জনকে সৌদি পাঠানোর কথা স্বীকার করেছে

  • দুমকি উপজেলায়,  খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মিলাদ।

    দুমকি উপজেলায়, খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মিলাদ।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়ন বিএনপির পার্টি অফিসে পায়রা পয়েন্ট এলাকায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা কমিটির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সভাপতি মো. এস. জলিল হিরু। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন দুমকি উপজেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি মো. আজিজ সরকার,বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, রহমান আকন, নজরুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদ।

    এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান দিপু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কবির শরিফ, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. ইউনুস ফরাজি, যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন আহমেদ, রিপন শরিফ ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য রিপন শরিফ, মো. সুমন শরিফ, মো. মহসিন, মো. মতি আকন ও নাসির সিকদার।দোয়া-মোনাজাতে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিলের বিকল্প চকো প্লাস সিরাপ আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিলের বিকল্প চকো প্লাস সিরাপ আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবির বিভিন্ন সূত্র তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে, চলমান শীত মৌসুমে প্রতিবেশী দেশ ভারত হতে ফেন্সিডিল এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত নেশাজাতীয় চকো প্লাস সিরাপ চোরাচালানে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং টহল জোরদার করা হয়েছিল।

    এরই ধারাবাহিক সফলতা হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত (০৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় সোনামসজিদ বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে সীমান্ত পিলার ১৮৫/১৭-এস হতে আনুমানিক ৪০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন ১৫০ বোতল ভারতীয় চকো প্লাস সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

    বর্তমানে প্রচলিত আইনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আটককৃত চকো প্লাস সিরাপগুলো শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    উল্লেখ্য, বিগত ০১ মাসে এই ব্যাটালিয়ন প্রায় ২০০ বোতল চকো প্লাস সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এ ব্যাপারে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি’র জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।

  • রূপগঞ্জে ৭০কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

    রূপগঞ্জে ৭০কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বড়ালু পাড়াগাঁও এলাকা থেকে সাড়ে ৭০কেজি গাঁজাসহ সাজিবুর রহমান(৬১) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। 

    ৩ডিসেম্বর বুধবার রাতে র‌্যাব-১১ এর সদস্যরা বড়ালু পাড়াগাঁও থেকে তাকে আটক করে। তিনি বড়ালু পাড়াগাঁও গ্রামের রহমতউল্লাহ আড়তদারের ছেলে।র‌্যাব-১১ জানায়, সাজিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় মাদক সরবরাহ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, মাদক কারবারি সাজিবুর রহমানকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • দুমকি উপজেলায়, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভাতের হোটেল পুড়ে ছাই।।

    দুমকি উপজেলায়, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভাতের হোটেল পুড়ে ছাই।।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে খোরশেদ কাক্কুর সেলে গরিব সোহেলের ভাতের হোটেল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দোকানের মালিক সোহেল হাওলাদার সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছেন।

    বৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের রান্নাঘর থেকে আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয়রা জানান, হোটেলের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা দ্রুত পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

    স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।দোকানের মালিক সোহেল হাওলাদার জানান, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাঁর স্বপ্নের হোটেলটি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে তাঁর সমস্ত মালামাল, আসবাবপত্র ও নগদ অর্থসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত সোহেল হাওলাদার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন এই দোকানটি আমি ধার দেনায় নিজের সর্বস্ব টাকায় গড়ে তুলেছিলাম। আগুনে সব শেষ হয়ে গেল। এই হোটেলটাই ছিল আমার একমাত্র আয়ের পথ ও ভরসা এখন সেটিও বন্ধ হয়ে গেল।

  • কাহারোলে ১৫ গ্রামের স্বপ্নের সেতুর জন্য ভূমি অধিগ্রহণে যুগ্ম সচিবের সরেজমিনে পরিদর্শন

    কাহারোলে ১৫ গ্রামের স্বপ্নের সেতুর জন্য ভূমি অধিগ্রহণে যুগ্ম সচিবের সরেজমিনে পরিদর্শন

    মবুধবার ৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১ টায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পরমেশপুর গ্রামে ঢেপা নদীর তীরে ১৫ গ্রামের ১০ হাজারের ঊর্ধ্বে মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে স্বপ্নের সেতু নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ন সচিব( নগর উন্নয়ন ১অধিশাখা) আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর পল্লী সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক আবু জাকির সিকান্দার,জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুর রহমান, কাহারোল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ফিরোজ আহমেদ প্রমূখ।

    জানা যায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৬ নং রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পরমেশপুর গ্রামের আশ্রমপাড়া ঘাট এলাকায় নদী পারাপারে শুকনা মৌসুমে স্থানীয় বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। বর্ষা মৌসুমে দুটি নৌকা, নদীর দুই পাড়ের ১৫টি গ্রামের ১০ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে চলাচল করেন। মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল পার হয় দুই সহস্রাধিক। তবে পারাপার হওয়া লোকজনের ঘাট ইজারাদারকে দৈনিক ভাড়া পরিশোধ করতে হয়।

    প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্য ঘাটের ইজারাদার সুধীর চন্দ্র রায় প্রায় ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে ঘাট ইজারা নিচ্ছেন তিনি। তিনি জানান এলাকার মানুষ সবাই পরিচিতজন, প্রতিদিন ভাড়া চাওয়া যায় না। অনেকে টাকা দেয় আবার কেউ দেয় না

    তবে আর খেয়াঘাট করতে চান না তিনি। সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি এলাকার মানুষও অনেক খুশি হয়েছেন তিনি জানান ।
    ঢেপা নদীর দৈর্ঘ্য ৪০ কিলোমিটার। স্থানভেদে ১০০-১৫০ মিটার চওড়া।খানসামা উপজেলার জয়ন্তীয়া এলাকায় আত্রাই নদী থেকে ঢেপার উৎপত্তি, এটি বীরগঞ্জ-কাহারোল-বিরল উপজেলা হয়ে সদর উপজেলার রাজাপাড়া ঘাট এলাকায় পূনর্ভবা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।পরমেশপুর ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায় নদীর এক পাড় থেকে আরেক পাড়ের দূরত্ব প্রায় এক হাজার ফুট। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আড়াআড়িভাবে বাঁশের বাতা দিয়ে ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সাঁকো তৈরি করে মানুষ যাতায়াত করে। এই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, অসংখ্য জনসাধারণ,মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকে ১০-১২টি তিন চাকার ভ্যান পারাপার হওয়া লোকজনকে গন্তব্যে পৌঁছে দেন তাঁরা।

    ঘাটপাড়ের মানুষ জানান, ভোর হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ঘাট দিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। নদীর দুই পাড়ে এলজিইডি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করেছে। ২৮০ মিটার এই সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রচার হলে ইতিমধ্যে মাটি পরীক্ষা, ড্রইং ও নকশার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নদীর পূর্ব পারে পরমেশপুর গ্রামের একাংশ, গড়নুরপুর, ইটুয়া, তেরমাইল, দশমাইল ও ফার্মেরহাট গ্রাম। রয়েছে নিত্যানন্দ দাতব্য চিকিৎসালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীপাড়ের সঙ্গে লাগোয়া আশ্রমপাড়া। আর পশ্চিমে পরমেশপুর গ্রামের একাংশ, ইশ্বরগ্রাম, ফুলতলা, মোল্লাপাড়া, মুটুনি, ডাঙ্গাপাড়া ও ফেরুসাডাঙ্গা গ্রাম। পশ্চিমপারে নদীর সঙ্গে লাগোয়া পরমেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।এসব গ্রামের ১০ হাজারের বেশি মানুষ ঘাট দিয়ে চলাচল করেন। গত কয়েক বছরে বাঁশের সাঁকো পারাপারে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। একটি সেতুর জন্য দীর্ঘদিনের অপেক্ষা পর এখন স্বপ্নের সেতু হওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
    ঘাট পারাপারে মানুষ আরো জানান, ঘাটের পূর্বপাড়ের মানুষকে যদি উপজেলায় যেতে হয়, তাহলে কান্তনগর দশমাইল, কান্তনগর মোড় হয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। সেতুটি হলে ৬ কিলোমিটার রাস্তা কমবে। আবার পূর্বপাড়ের মানুষকে জেলা শহর কিংবা সৈয়দপুর, বীরগঞ্জ যেতে হলে ১৬-১৮ কিলোমিটার যেতে হয়। সেতু হলে পূর্বপাড়ের মানুষেরও রাস্তা কমবে ৮ কিলোমিটার।এলাকার অনেকে বলেন, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাট এলাকায় লোকজন থাকেন। তবে রাত বেশি হলে অনেক সময় ভ্যান থাকে না তখন যাত্রীদের ভীষণ ভোগান্তিতে পড়তে হয় । প্রায় ৪ কিলোমিটার পথ হেঁটে মুটুনি বাজারে যেতে হয়। পরমেশপুর গ্রাম দুই ভাগের মাঝে পড়েছে ঢেপা নদী। নদীর পূর্বপাড়ে আশ্রমপাড়ায় ৮০টি পরিবারের বসবাস রয়েছে । সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে এলাকার জনবসতি ও দূরদূরান্তের জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হবে।দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম ঠিকাদারের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সেতুটি এই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেতু। নির্মাণ ক্ষেত্রে সকল ধরনের গুণগত মান বজায় রাখতে হবে, কোন প্রকার দুর্নীতি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
    পরমেশপুর গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন দীর্ঘদিন যাবত অনেক জনপ্রতিনিধিদের কাছে এলাকার মানুষ সেতু করে দেওয়ার জন্য ঘুরেছেন কিন্তু তারা সেটি আমলে নেয়নি, এখন এই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হলে ১৫ টি গ্রামের মানুষ স্বপ্নের সেতু মনে করছে।
    সেতু নির্মাণ বিষয়ে কাহারোল উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজ আহমেদ বলেন,পরমেশপুর এলাকায় ঢেপা নদীর ওপরে এলজিইডি থেকে ২৮০ মিটার সেতু ৩৩ কোটি ২২ লাখ ৩২ হাজার ৪৬৭ টাকা বরাদ্দে নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মাটি পরীক্ষা, ড্রইং ও নকশার কাজ সম্পন্ন শেষে সেতু নির্মাণের কাজ উদ্বোধন হয়েছে

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ শ্রমিক দলের উদ্যোগে  বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শ্রমিক দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে( ৩ই ডিসেম্বর) বুধবার রাত ৮ ঘটিকায় মহানন্দা ঢাকা বাস স্ট্যান্ডে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করেছে। মাদার অব ডেমোক্রেসি, বিএনপির চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী,আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপির শ্রমিক দলের সকল কর্মীবৃন্দ।


    উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ নুর আলম রিপন। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভোলাহাট উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক আতাউর হোসেন মিলন। আরোও উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলায়েত আলী, শ্রমিক দলের অন্যতম নেতা জিয়াউর রহমান রানা, শ্রমিক দলের নেতা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ইউনিট সভাপতি মাসুদ রানা, ড্রাইভার সমিতির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সদস্য মোঃ খাইরুল ইসলাম ও মোঃ রনি প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করে, হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

  • গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম  মৃত্যুবার্ষিকী ৫ ডিসেম্বর  শুক্রবার

    গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার

    রোববার) ‘৫ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, গণতন্ত্রের মানসপুত্র’, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ,ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষঠা,মহান স্বাধীনতার স্বস্পতি জাতির পিতা বংগবনধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক পিতা হিসাবে সুপরিচিত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে একটি হোটেল কক্ষে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকার সুপ্রিমকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে তার সমাধি রয়েছে।খবর বাপসনিউজ।১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের খ্যাতনামা বিচারক স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান। শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন। শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কও। তার প্রচেষ্টায় ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল, তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফল ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট এবং অবিস্মরণীয় বিজয়। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকায় সুধীসমাজ তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত করে।

    দিবসটি উপলক্ষে সাবেক রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদ এবং সাবেক পাচবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীদ সভাপতি শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    সাবেক রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন প্রতিভাবান রাজনীতিক, আইনজ্ঞ, বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা ও গণপরিষদের সদস্য এবং অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীসহ তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শ্রমজীবীসহ এতদঞ্চলের অবহেলিত মুসলিম সমপ্রদায়ের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে নাবিক, রেলকর্মচারী, পাটকল ও সুতাকল কর্মচারী, রিকশাচালক, গাড়িচালকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মেহনতি মানুষের স্বার্থরক্ষায় বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলেন।

    এডভোকেট আব্দুল হামিদ বলেন, সোহ্‌রাওয়ার্দী আমৃত্যু আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী গণতন্ত্রের বিকাশসহ এতদঞ্চলের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন জাতি তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তার জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা ও জনগণের সার্বিক কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করবে।

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। একজন প্রতিভাবান রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে তার দক্ষ পরিচালনায় গণমানুষের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আরও বিকশিত হয়। তার সুযোগ্য উত্তরসূরি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব পাকিস্তান সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী উপমহাদেশের মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন একজন উদার ও প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীসহ তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ছিলেন অসামপ্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তার ছিল অকৃত্রিম মমত্ববোধ।

    তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের গণবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষকে সোচ্চার ও সংগঠিত করেছিলেন। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে মরহুম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বের অসাধারণ বলিষ্ঠতা, দৃঢ়তা ও গুণাবলি জাতিকে সঠিক পথের দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিবৃতিতে তিনি গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উপমহাদেশে রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র :
    এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এদিন সকাল ৯টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল এক বিবৃতিতে মরহুম হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তার নেতৃত্বের অসাধারণ বলিষ্ঠতা, দৃঢ়তা ও গুণাবলি জাতিকে সঠিক পথের দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিবৃতিতে তিনি গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।যুক্তরাষ্ট্রেও অনেক সংগঠন দিবসটি পালন করবে । যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ৬২তম স্মৃতিবার্ষিকী পালন করবে ।
    এ উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দি স্মৃতি পরিষদ, শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র , বঙ্গবন্ধু প্রচার কেন্দ্র ও সমাজ কল্যাণ পরিষদ , বনলতা শিল্পী,সাহিত্যিক ও সাংবাদিক গোষটী এবং শেখ হাসিনা মন্চসহ বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ আলোচনা সভা ও প্রার্থনার আয়োজন করেছে

  • ‘চট্টলা কন্যা’ শাহানা  হানিফকে সংবর্ধনা

    ‘চট্টলা কন্যা’ শাহানা হানিফকে সংবর্ধনা

    নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে ইতিহাস রচনাকারি প্রথম মুসলমান ও প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভ’ত আমেরিকান সিটি কাউন্সিল সদস্য শাহানা হানিফ দ্বিতীয় মেয়াদের জন্যে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, গত চার বছর প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার মানুষদের অধিকার ও মর্যাদা আদায়ের জন্যে সিটি মেয়রের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়েছে।খবর আইবিএননিউজ।

    তিনি বলেন, আসছে জানুয়ারিতে সারা আমেরিকায় জাগরণ সৃষ্টি করে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী প্রথম মুসলমান মেয়র জোহরান মামদানি ক্ষমতা গ্রহণের পর আশা করছি সেই সমস্যা কেটে যাবে। কারণ, মামদানিও আমার মত প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনায় উজ্জীবিত একজন মানুষ। যিনি নিজেকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করেননি।
    ২৩ নভেম্বর রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম সমিতি প্রদত্ত এক সংবর্ধনা সমাবেশে শাহানা হানিফ আরো বলেছেন, বাংলাদেশিরা হলেন ক্রমবর্ধমান কমিউনিটির মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগামী। গত নির্বাচনেও সেটি দৃশ্যমান হয়েছে। রাজনীতিতে এই গতিশীলতাকে অব্যাহত রেখেই বহুজাতিক এই সমাজে নিজেদের আমেরিকান স্বপ্নকে বাস্তবায়নের পথ সুগম করতে হবে। আর ব্যালট যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি হচ্ছে আমেরিকান সমাজে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করার অন্যতম অবলম্বন।

    বিদ্যমান রীতি অনুযায়ী দুই টার্মের বেশী একই আসনে নির্বাচিত হবার সুযোগ না থাকায় প্রবাসীদের আহবানের পরিপ্রেক্ষিতে শাহানা হানিফ বলেন, শেষ মেয়াদের চার বছর কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে পরবর্তীতে সিটি কম্পট্রোলার নাকি মেয়র পদে অথবা কংগ্রেস কিংবা অন্য কোনো আসনে লড়বো, তা নির্ধারিত হবে। তবে আমি নিজেকে জনসেবায় সমর্পিত করেছি, এই কাজটি আমার খুবই ভালো লাগে। দোয়া করবেন যে, বাকিটা জীবন সততা-নিষ্ঠার সাথে মানুষের পাশে থাকতে পারি।

    শাহানা হানিফ এসময় আরো উল্লেখ করেন, ট্যাক্সি ড্রাইভার, ডেলিভারিম্যান, রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক আদায়ের সকল আন্দোলন-লড়াইয়ে পাশে রয়েছি। অতি সম্প্রতি ব্রুকলীনের একটি রেস্টুরেন্টে বেশ ক’জন বাংলাদেশি শ্রমিকের বকেয়া বেতন আদায়ের চলমান আইনী লড়াইয়ে সহযোগিতা করায় তারা প্রায় তিন মিলিয়ন ডলার পাচ্ছেন।

    এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসন দমনের অভিযানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যেও শাহানার অফিস কাজ করছে। গৃহায়ন এবং ভাড়াটে ও বাড়ির মালিকের সমস্যা সমাধানেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সেক্টরে অভিজ্ঞজনদের নিয়ে।
    চট্টগ্রামের সন্তান এবং উত্তর আমেরিকায় চট্টগ্রাম সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হানিফের জ্যেষ্ঠ কন্যা শাহানা হানিফের পুনরায় বিজয় উপলক্ষে ব্রুকলিনে চট্টগ্রাম ভবনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আবু তাহের এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম আরিফ।

    চট্টগ্রাম ছাড়াও বিভিন্ন জেলার বিশিষ্টজনেরা এতে ছিলেন। এ সময় শাহানা হানিফকে সমিতির ‘আজীবন সম্মাননা সদস্য’ মনোনীত করার ঘোষণার পাশাপাশি একটি ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ সময় জানানো হয়, এর আগে চট্টগ্রাম সমিতির আজীবন সম্মানীত সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ মরহুম প্রফেসর নূরুল ইসলাম, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে। এরপর নিউইয়র্ক অঞ্চলে সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে শাহানা হানিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় বিপুল করতালির মধ্যে।

    শাহানাকে বীর চট্টলার অগ্নিকন্যা হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের গৌরব হিসেবে মন্তব্য করে এ সময় বক্তব্য রাখেন এই সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এম এ রহিম, সাবেক সভাপতি কাজী আজম, আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত ‘আব্দুল কাদের মিয়া ফাউন্ডেশন’র প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল কাদের মিয়া, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আলম, মূলধারার রাজনীতিক খোরশেদ খন্দকার, বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তা লায়ন আহসান হাবিব, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির নেতা আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, সাংস্কৃতিক সংগঠক সাহাবউদ্দিন চৌধুরী লিটন, কম্যুনিটি লিডার শামসুল আলম চৌধুরী, মোর্শেদ রিজভী, মিজানুর রহমান জাহাঙ্গির, নূরল আনোয়ার, শ্রাবণী সিং সিপিএ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি কামাল হোসেন মিঠু, সাংবাদিক লাবলু আনসার, ব্যবসায়ী নেতা লুৎফুল করিম প্রমুখ।

    বক্তারা দৃঢ়সংকল্প ব্যক্ত করেন যে, আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে সকলে দলমতের উর্দ্ধে উঠে শাহানা হানিফের সহায়ক শক্তি হিসেবে সর্বদা জাগ্রত থাকবেন। ঐক্যবদ্ধ শক্তি কখনো পরাজিত হয় না-এ সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করে বহুজাতিক এ সমাজে বাংলাদেশকে আরো মহিমান্বিত করার অঙ্গিকারও করেছেন সকলে।
    উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারি শাহানা হানিফ বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ব্যাপকভাবে পরিচিত হবার জন্যে বেশ কিছুদিন মা-বাবার পৈত্রিকস্থান চট্টগ্রামের পটিয়ায় অবস্থান করেছেন। আর এভাবেই নিজেকে একজন খাঁটি বাঙালি হিসেবে উপস্থাপনে কোন সমস্যা হচ্ছে না। আরো উল্লেখ্য, শাহানার এই বিস্ময়কর উত্থানে সদা উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণীত করেছেন তার মা রেহানা হানিফ-এ তথ্যও প্রিয় পরিচিতজনেরা উল্লেখ করেছেন এই সংবর্ধনা সমাবেশে